সোমবার, ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৭ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ৯:৫৩
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Wednesday, November 2, 2016 11:22 am | আপডেটঃ November 02, 2016 11:30 AM
A- A A+ Print

খাদিজার ছবি নিয়ে বদরুলের কারসাজি!

khadiaj1478062555

সিলেটে খাদিজার ওপর হামলাকারী বদরুল আলম ও তার সহযোগিরা এবার জঘন্য খেলায় মেতেছে। বদরুল পুলিশের হাতে আটক থাকলেও সহযোগিদের দিয়ে সে ফটোশপের মাধ্যমে অন্য এক মেয়ের ছবিতে খাদিজার মুখ বসিয়ে  তার সঙ্গে সম্পর্ক ছিল বলে প্রমাণ করতে চাইছে।
  ধারালো চাপাতির কোপে মারাত্মক আহত খাদিজা বেগম এখনো স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। চিকিৎসকরা বলছেন, সুস্থ হতে তার এখনো অনেক সময় লাগবে।   অন্যদিকে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়ে বদরুল খাদিজার ওপর হামলার কথা স্বীকার করেছে। কিন্তু ভেতরে ভেতরে সে জঘন্য পরিকল্পনা করে নিজের পক্ষে সমর্থন টানার চেষ্টা করছে।   মঙ্গলবার রাতে খাদিজার বড় ভাই শাহিন আহমদ চীন থেকে মুঠোফোনে রাইজিংবিডিকে এ অভিযোগ জানিয়েছেন।   তিনি বলেন, ‘বলতে গেলে দ্বিতীয়বার জন্ম পেয়েছে আমার বোন খাদিজা। অথচ তার ছবি ব্যবহার করে অসৎ খেলায় মেতেছে বদরুল ও তার সহযোগিরা। তারা প্রযুক্তির অপব্যবহার করে আমাদের ঘায়েল করার চেষ্টা করছে। প্রমাণ করতে চাইছে যে, বদরুলের সঙ্গে খাদিজার সম্পর্ক রয়েছে।’   রাইজিংবিডির পক্ষ থেকে এডিট করার আগের প্রকৃত ছবিটি উদ্ধার করা হয়েছে। এতে পরিস্কার দেখা যায়, অন্য একটি মেয়ের সঙ্গে তোলা ছবিতে শুধু খাদিজার মুখটি বসিয়ে দেওয়া হয়েছে ফটোশপের মাধ্যমে।   শাহিন রাইজিংবিডিকে আরো বলেন, ‘আমার ও খাদিজার বয়স খুবই কাছাকাছি। এ জন্য আমরা প্রায় সব বিষয় নিয়েই নিজেদের মধ্যে আলাপ করতাম। আমরা খুব ভাল বন্ধুর মতো ছিলাম। খাদিজা নবম শ্রেণিতে পড়াকালে আমাকে বলেছিল বদরুল তাকে উত্ত্যক্ত করে। সে সময় গ্রামবাসী বদরুলকে গণধোলাই দিয়েছিলেন।’   তিনি বলেন, এর পরও সে সুযোগ পেলেই খাদিজাকে উত্ত্যক্ত করতো। কলেজে ভর্তি হওয়ার পর একদিন খাদিজা বাসায় এসে বিষয়টি সবার সাথে শেয়ার করে। এ জন্য এর পর থেকে প্রতিদিন তার সঙ্গে চাচা আব্দুল কুদ্দুস  কলেজে যেতেন। যে দিন ঘটনা ঘটেছিল, সেদিনও চাচা তাকে কলেজে পৌঁছে দিয়েছিলেন। কিন্তু চাচার একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ থাকায় তাকে আনতে যেতে পারেননি। খাদিজার বান্ধবির সাথে আসতে বলেছিলেন।   শাহিন বলেন, সম্প্রতি ফেসবুকে দেখছি বদরুলের সাথে তোলা অন্য একটি মেয়ের ছবিতে খাদিজার চেহারা এডিট করে লাগিয়ে ভাইরাল করে দেওয়া হয়েছে। এটি একজন নারীর জন্য অপমানজনক। যে মেয়েটি মৃত্যুর সাথে লড়াই করে বেঁচে ফিরে আসছে তাকে নিয়ে এ ধরণের কাজ খুবই অসম্মানজনকও।   সারা দেশের মানুষ খাদিজার জন্য দোয়া করছেন যেন সে তাড়াতাড়ি সুস্থ্য হয়ে ওঠে এবং সবাই বদরুলের শাস্তির দাবি জানাচ্ছে। অথচ এর মধ্যে কিছু জঘন্য প্রবৃত্তির মানুষ খাদিজার নামে অপপ্রচার চালাচ্ছে।   ফেসবুকে ওই ছবির বিষয়ে খাদজিার বাবা (মাসুক মিয়া) তাকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করেছিলেন। সে যদিও পুরোপুরি কথা বলতে পারছে না, তবুও সে এসব মিথ্যা বলেছে বলে জানান শাহিস।   এদিকে খাদিজা এখন আগের চেয়ে অনেক সুস্থ্য। আগে সে শিখিয়ে দিলে একটি বা দুটি শব্দ বলতে পারতো। এখন সে মোটামুটি কথা বলতে পারে। তবে অস্পষ্ট। কথা বলতে কষ্টও হচ্ছে। তবে সবাইকে সে চিনতে পারছে।   খাদিজার বাবা মাসুক মিয়াও রাইজিংবিডিকে সে কথা জানান। তিনি বলেন, মেয়ের ক্ষতি হবে বুঝেও মনকে টিকিয়ে রাখতে পারিনি। তার কাছে জানতে চেয়েছিলাম মানুষ যা বলছে তা ঠিক কি না? সে বলেছে- এসব মিথ্যা।   তিনি বলেন,  সবার ঘরেই তো  মা-বোন রয়েছে। তাহলে মানুষে কেন আমার মেয়েকে নিয়ে এসব অপপ্রচার চালাচ্ছে?   বদরুলের বিরুদ্ধে পুলিশ এখনও চার্জশীট আদালতে জমা দেয়নি অভিযোগ করে তিনি বলেন, গত ১৮ অক্টোবর মঙ্গলবার সিলেট শাহপরান থানার এসআই হারুন-অর-রশিদ খাদিজাকে দেখতে স্কয়ারে এসেছিলেন। তিনি বলেছিলেন পরের সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে বদরুলের বিরুদ্ধে তিনি আদালতে চার্জশিট জমা দিবেন। কিন্তু তিনি আসার দুই সপ্তাহ পার হয়ে গেলেও আদালতে তিনি চার্জশিট জমা দেননি।   চার্জশিট প্রসঙ্গে জানতে যোগাযোগ করলে সিলেটের শাহপরান থানার উপপরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হারুন-অর-রশিদ কোনো কথা বলতে রাজী হননি।   এদিকে বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ মহিলা আইনজীবি সমিতির নির্বাহী পরিচালক অ্যাডভোকেট সালমা আলী বলেন, কিছু মানুষ আছে যাদের মস্তিষ্ক বিকৃত। তারা অন্যায়টা জেনেও তার সঙ্গ দেয়। তারাই এই কাজ করতে পারে।   তিনি বলেন, দুধের মতো বিশুদ্ধ একটি বিষয়, যেখানে প্রেমের ডাকে সাড়া না দেওয়ায় বদরুল খাদিজাকে কুপিয়েছে। এমনকি বদরুল এ বিষয় স্টেটমেন্টও দিয়েছে যে সে খাদিজাকে উত্যক্ত করতো। কিন্তু খাদিজা তাতে সাড়া দিতো না। তার পরও যারা ছবি এডিট করে একটা অসুস্থ মেয়েকে নিয়ে এভাবে অপপ্রচার চালায় এ থেকেই তাদের জঘন্য মানসিকতার বিষয়টি পরিষ্কার।   এ বিষয়ে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের সিনিয়র সহকারী পরিচালক মিজানুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, যারা এ ধরণের ঘটনা ঘটাচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে খাদিজার পরিবার তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় মামলা করতে পারেন। এ ধারায় অপরাধীদের সর্বোচ্চ ১৪ বছরের কারাদণ্ড হবে।   তিনি আরো বলেন, এসব কাজ যারা করছেন তারা ঠিক করছেন না। তারা প্রযুক্তির অপব্যবহার করছেন।  

Comments

Comments!

 খাদিজার ছবি নিয়ে বদরুলের কারসাজি!AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

খাদিজার ছবি নিয়ে বদরুলের কারসাজি!

Wednesday, November 2, 2016 11:22 am | আপডেটঃ November 02, 2016 11:30 AM
khadiaj1478062555

সিলেটে খাদিজার ওপর হামলাকারী বদরুল আলম ও তার সহযোগিরা এবার জঘন্য খেলায় মেতেছে। বদরুল পুলিশের হাতে আটক থাকলেও সহযোগিদের দিয়ে সে ফটোশপের মাধ্যমে অন্য এক মেয়ের ছবিতে খাদিজার মুখ বসিয়ে  তার সঙ্গে সম্পর্ক ছিল বলে প্রমাণ করতে চাইছে।

 

ধারালো চাপাতির কোপে মারাত্মক আহত খাদিজা বেগম এখনো স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। চিকিৎসকরা বলছেন, সুস্থ হতে তার এখনো অনেক সময় লাগবে।

 

অন্যদিকে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়ে বদরুল খাদিজার ওপর হামলার কথা স্বীকার করেছে। কিন্তু ভেতরে ভেতরে সে জঘন্য পরিকল্পনা করে নিজের পক্ষে সমর্থন টানার চেষ্টা করছে।

 

মঙ্গলবার রাতে খাদিজার বড় ভাই শাহিন আহমদ চীন থেকে মুঠোফোনে রাইজিংবিডিকে এ অভিযোগ জানিয়েছেন।

 

তিনি বলেন, ‘বলতে গেলে দ্বিতীয়বার জন্ম পেয়েছে আমার বোন খাদিজা। অথচ তার ছবি ব্যবহার করে অসৎ খেলায় মেতেছে বদরুল ও তার সহযোগিরা। তারা প্রযুক্তির অপব্যবহার করে আমাদের ঘায়েল করার চেষ্টা করছে। প্রমাণ করতে চাইছে যে, বদরুলের সঙ্গে খাদিজার সম্পর্ক রয়েছে।’

 

রাইজিংবিডির পক্ষ থেকে এডিট করার আগের প্রকৃত ছবিটি উদ্ধার করা হয়েছে। এতে পরিস্কার দেখা যায়, অন্য একটি মেয়ের সঙ্গে তোলা ছবিতে শুধু খাদিজার মুখটি বসিয়ে দেওয়া হয়েছে ফটোশপের মাধ্যমে।

 

শাহিন রাইজিংবিডিকে আরো বলেন, ‘আমার ও খাদিজার বয়স খুবই কাছাকাছি। এ জন্য আমরা প্রায় সব বিষয় নিয়েই নিজেদের মধ্যে আলাপ করতাম। আমরা খুব ভাল বন্ধুর মতো ছিলাম। খাদিজা নবম শ্রেণিতে পড়াকালে আমাকে বলেছিল বদরুল তাকে উত্ত্যক্ত করে। সে সময় গ্রামবাসী বদরুলকে গণধোলাই দিয়েছিলেন।’

 

তিনি বলেন, এর পরও সে সুযোগ পেলেই খাদিজাকে উত্ত্যক্ত করতো। কলেজে ভর্তি হওয়ার পর একদিন খাদিজা বাসায় এসে বিষয়টি সবার সাথে শেয়ার করে। এ জন্য এর পর থেকে প্রতিদিন তার সঙ্গে চাচা আব্দুল কুদ্দুস  কলেজে যেতেন। যে দিন ঘটনা ঘটেছিল, সেদিনও চাচা তাকে কলেজে পৌঁছে দিয়েছিলেন। কিন্তু চাচার একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ থাকায় তাকে আনতে যেতে পারেননি। খাদিজার বান্ধবির সাথে আসতে বলেছিলেন।

 

শাহিন বলেন, সম্প্রতি ফেসবুকে দেখছি বদরুলের সাথে তোলা অন্য একটি মেয়ের ছবিতে খাদিজার চেহারা এডিট করে লাগিয়ে ভাইরাল করে দেওয়া হয়েছে। এটি একজন নারীর জন্য অপমানজনক। যে মেয়েটি মৃত্যুর সাথে লড়াই করে বেঁচে ফিরে আসছে তাকে নিয়ে এ ধরণের কাজ খুবই অসম্মানজনকও।

 

সারা দেশের মানুষ খাদিজার জন্য দোয়া করছেন যেন সে তাড়াতাড়ি সুস্থ্য হয়ে ওঠে এবং সবাই বদরুলের শাস্তির দাবি জানাচ্ছে। অথচ এর মধ্যে কিছু জঘন্য প্রবৃত্তির মানুষ খাদিজার নামে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

 

ফেসবুকে ওই ছবির বিষয়ে খাদজিার বাবা (মাসুক মিয়া) তাকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করেছিলেন। সে যদিও পুরোপুরি কথা বলতে পারছে না, তবুও সে এসব মিথ্যা বলেছে বলে জানান শাহিস।

 

এদিকে খাদিজা এখন আগের চেয়ে অনেক সুস্থ্য। আগে সে শিখিয়ে দিলে একটি বা দুটি শব্দ বলতে পারতো। এখন সে মোটামুটি কথা বলতে পারে। তবে অস্পষ্ট। কথা বলতে কষ্টও হচ্ছে। তবে সবাইকে সে চিনতে পারছে।

 

খাদিজার বাবা মাসুক মিয়াও রাইজিংবিডিকে সে কথা জানান। তিনি বলেন, মেয়ের ক্ষতি হবে বুঝেও মনকে টিকিয়ে রাখতে পারিনি। তার কাছে জানতে চেয়েছিলাম মানুষ যা বলছে তা ঠিক কি না? সে বলেছে- এসব মিথ্যা।

 

তিনি বলেন,  সবার ঘরেই তো  মা-বোন রয়েছে। তাহলে মানুষে কেন আমার মেয়েকে নিয়ে এসব অপপ্রচার চালাচ্ছে?

 

বদরুলের বিরুদ্ধে পুলিশ এখনও চার্জশীট আদালতে জমা দেয়নি অভিযোগ করে তিনি বলেন, গত ১৮ অক্টোবর মঙ্গলবার সিলেট শাহপরান থানার এসআই হারুন-অর-রশিদ খাদিজাকে দেখতে স্কয়ারে এসেছিলেন। তিনি বলেছিলেন পরের সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে বদরুলের বিরুদ্ধে তিনি আদালতে চার্জশিট জমা দিবেন। কিন্তু তিনি আসার দুই সপ্তাহ পার হয়ে গেলেও আদালতে তিনি চার্জশিট জমা দেননি।

 

চার্জশিট প্রসঙ্গে জানতে যোগাযোগ করলে সিলেটের শাহপরান থানার উপপরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হারুন-অর-রশিদ কোনো কথা বলতে রাজী হননি।

 

এদিকে বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ মহিলা আইনজীবি সমিতির নির্বাহী পরিচালক অ্যাডভোকেট সালমা আলী বলেন, কিছু মানুষ আছে যাদের মস্তিষ্ক বিকৃত। তারা অন্যায়টা জেনেও তার সঙ্গ দেয়। তারাই এই কাজ করতে পারে।

 

তিনি বলেন, দুধের মতো বিশুদ্ধ একটি বিষয়, যেখানে প্রেমের ডাকে সাড়া না দেওয়ায় বদরুল খাদিজাকে কুপিয়েছে। এমনকি বদরুল এ বিষয় স্টেটমেন্টও দিয়েছে যে সে খাদিজাকে উত্যক্ত করতো। কিন্তু খাদিজা তাতে সাড়া দিতো না। তার পরও যারা ছবি এডিট করে একটা অসুস্থ মেয়েকে নিয়ে এভাবে অপপ্রচার চালায় এ থেকেই তাদের জঘন্য মানসিকতার বিষয়টি পরিষ্কার।

 

এ বিষয়ে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের সিনিয়র সহকারী পরিচালক মিজানুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, যারা এ ধরণের ঘটনা ঘটাচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে খাদিজার পরিবার তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় মামলা করতে পারেন। এ ধারায় অপরাধীদের সর্বোচ্চ ১৪ বছরের কারাদণ্ড হবে।

 

তিনি আরো বলেন, এসব কাজ যারা করছেন তারা ঠিক করছেন না। তারা প্রযুক্তির অপব্যবহার করছেন।

 

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X