সোমবার, ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৭ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, দুপুর ১:২৯
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Thursday, September 1, 2016 10:48 pm
A- A A+ Print

খালেদার প্রশ্ন জঙ্গিদের জীবিত ধরা হচ্ছে না কেনো?

y

জঙ্গিবাদের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে যাদের ধরা হচ্ছে তারা ‘আসলেই জঙ্গি কী না’ সেই প্রশ্ন তুলে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, ‘জঙ্গিদের জীবিত ধরা হচ্ছে না কেনো?’ জঙ্গিদের ধরে তাদের কাছ থেকে কোনো তথ্য বের করার আগেই ‘মেরে ফেলার’ নেপথ্যে রহস্য আছে বলেও মনে করেন বিএনপি নেত্রী। বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর ইন্সটিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ মিলনায়তনে বিএনপি আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি। দলের ৩৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে এর আয়োজন করা হয়। খালেদা জিয়া বলেন, আওয়ামী লীগের আমলে প্রথম জঙ্গিবাদের উত্থান ঘটেছিলো। যশোরের উদীচি, সিপিবির মিটিংয়ে, রমনার বটমুলে, গোপালগঞ্জসহ অন্যত্র হামলা হয়েছিলো। কিন্তু ওই সব ঘটনায় কোনো জঙ্গি ধরা পড়েনি। বিএনপি সরকারে আসার পর সেসব জঙ্গিদের ধরা হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, ‘জেএমবিকে, হরকাতুল জিহাদকে নিষিদ্ধ করেছি। বাংলা ভাই, শায়খ আবদুর রহমান.. এদের জীবিত ধরেছি। জীবিত ধরার কারণ, তাদের কাছ থেকে সব তথ্য বের করা।’ ‘কিন্তু এই সরকার কিছু দিন পরপর জঙ্গি ধোয়া তোলে। অমুক জায়গায় জঙ্গি আছে, এতোজন জঙ্গি পাওয়া গেছে..সত্যিখারের জঙ্গি কী না জানিনা’, বলেন তিনি। বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, ‘কিছুলোক তাদের ধরা থাকে। এরা দীর্ঘদিন না খেতে খেতে, রেখে রেখে দাড়ি-চুল এতো বড় হয় যে বিদঘুটে একটি চেহারা হয়ে যায়। তারপর তাদেরকে জঙ্গি বলে সামনে নিয়ে আসে। আর পুলিশের গতানুগতিক কিছু আছে, অস্ত্রটস্ত্র সাজিয়ে নিয়ে এসে বলে এরা জেএমপি, হরকাতুল জিহাদ। তারা এই করেছে, সেই করেছে।’ তিনি বলেন, ‘কিছুদিন পরে দেখা যায়, যাদের ধরা হয়েছে তাদের কাছ থেকে কি তথ্য পেয়েছে তা প্রকাশ হয়না। গুলি করে তাদের মেরে ফেলা হয়। কেনো? এখানে তো আইন আছে, আদালত আছে। তারা জিজ্ঞেসাবাদ করবে। আদালত যা সাজা হয় তাই হবে। গুলি করে মারার রহস্য কি? রহস্য কিছু একটি আছে।’ দেশে বিচার বলতে কিছু নেই মন্তব্য করে বিএনপি নেত্রী বলেন, ‘যেখানে ন্যায়বিচার থাকেনা, গণতন্ত্র বলতে কিছু থাকেনা; সেখানে জঙ্গিবাদের উত্থান ঘটে।’ তিনি বলেন, ‘এখন আইনের শাসন সকলের জন্য সমান নয়। আওয়ামী লীগ হলে একরকম আর বিএনপি ও সাধারন মানুষ হলে আরেক রকম। আওয়ামী লীগের লোকেরা অপরাধ করলে, লুটপাট করলে তারা অপরাধী হয়না। তাদের কিছুই বলা হয়না। অন্যদিকে বিএনপি, অন্য দল বা সাধারণ মানুষ হলে কিছু না করলেও তাদের সাজা ভোগ করতে হয়।’ ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকার দেশ ও জনগণের স্বার্থ বিরোধী কাজ করছে অভিযোগ করেন বিএনপি চেয়ারপারসন। ‘যত চুক্তি দেখি সেগুলোর কোনটাই দেশের স্বার্থে নয়। সমস্ত কিছু করা হচ্ছে, দেশের স্বার্থ বিরোধী, জনগণের বিরোধী। কি সেই চুক্তি তা সবাই জানেনা, আমরাও জানিনা।’ রামপালে বিদ্যুৎ কেন্দ্র হলে সুন্দরবনের ক্ষতি হবে বলে নিজের দেওয়া বক্তব্যের পক্ষে যুক্তি দেখিয়ে তিনি বলেন, ‘রামপাল প্রজেক্ট যেসব কথা বলেছি, তারা কোনো পয়েন্টের সঠিক উত্তর দিতে পারেনি। রামপাল প্রজেক্ট হওয়া উচিত নয়। তাহলে ওই অঞ্চলের ব্যাপক ক্ষতি হবে। এমনিতেই ওই এলাকায় প্রাকৃতিক দুর্যোগে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এটা হলে সুন্দরবন শেষ হয়ে যাবে। বিদুৎ কেন্দ্র এমন জায়গায় হবে যেখানে মানুষ ও পরিবেশের কোনো ক্ষতি হবেনা।’ দেশের সম্প্রতি বন্যা পরিস্থিতির জন্য ভারতের একতরফা পানি প্রত্যাহারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, এর প্রতিবাদ করতে হবে। ‘বন্ধু বলে এদের কিছু বলা যাবেনা, তা হয়না। এ বিষয়ে প্রতিবাদ করতে হবে। আলোচনা হতে হবে। একজন বন্ধু আরেক বন্ধু সমমর্যার ভিত্তিতে সহায়তা করবে। তারা যদি মনে করে, তাদের মাথা উচু থাকবে আর আমাদের নিচু থাকবে; সেটি বন্ধুত্ব হয়না। নিজেদের প্রাপ্যতা আদায় করে নেওয়া উচিত।’   এ সময় ফারাক্কা বাঁধের কঠোর সমালোচনা করেন বিএনপি নেত্রী। পদ্ধা সেতু প্রকল্পের খরচ বাড়ার জন্য এর নেপথ্যে ‘কমিশন বানিজ্য’ রয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, ‘পদ্ধা সেতু প্রকল্পে খরচ বাড়ছে, আরো বাড়বে। আমরা দেখে যেতে পারবো কী না জানিনা। এই খরচ বাড়ার কারণ কমিশন। সেতুতে ভালো অত্যাধুনিক জিনিস দিচ্ছে বলে খরচ বাড়ছেনা। প্রত্যেকটি কাজের জন্য কমিশন দিতে হচ্ছে। এই টাকা আবার দেশে থাকে তা নয়। টাকা চলে যায় দেশের বাইরে।’ খালেদা জিয়া বলেন, দেশ পরিচালনায় প্রয়াত রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের দুরদর্শিতা ছিলো বলেই তার সময়ে দেশে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছিলো। উৎপাদন বৃদ্ধি, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্নতা অর্জন, শিল্পায়ন, জনশক্তি রপ্তানি, পোশাক খাতের উন্নয়নসহ জিয়াউর রহমান সরকারের সময়ে নেওয়া পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন তিনি।   বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদষ্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, আ স ম হান্নান শাহ, মির্জা আব্বাস, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী প্রমুখ। এছাড়া দর্শক সারিতে কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আহমদ আজম খান, নিতাই রায় চৌধুরী, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Comments

Comments!

 খালেদার প্রশ্ন জঙ্গিদের জীবিত ধরা হচ্ছে না কেনো?AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

খালেদার প্রশ্ন জঙ্গিদের জীবিত ধরা হচ্ছে না কেনো?

Thursday, September 1, 2016 10:48 pm
y

জঙ্গিবাদের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে যাদের ধরা হচ্ছে তারা ‘আসলেই জঙ্গি কী না’ সেই প্রশ্ন তুলে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, ‘জঙ্গিদের জীবিত ধরা হচ্ছে না কেনো?’

জঙ্গিদের ধরে তাদের কাছ থেকে কোনো তথ্য বের করার আগেই ‘মেরে ফেলার’ নেপথ্যে রহস্য আছে বলেও মনে করেন বিএনপি নেত্রী।

বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর ইন্সটিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ মিলনায়তনে বিএনপি আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি। দলের ৩৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে এর আয়োজন করা হয়।

খালেদা জিয়া বলেন, আওয়ামী লীগের আমলে প্রথম জঙ্গিবাদের উত্থান ঘটেছিলো। যশোরের উদীচি, সিপিবির মিটিংয়ে, রমনার বটমুলে, গোপালগঞ্জসহ অন্যত্র হামলা হয়েছিলো। কিন্তু ওই সব ঘটনায় কোনো জঙ্গি ধরা পড়েনি।

বিএনপি সরকারে আসার পর সেসব জঙ্গিদের ধরা হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, ‘জেএমবিকে, হরকাতুল জিহাদকে নিষিদ্ধ করেছি। বাংলা ভাই, শায়খ আবদুর রহমান.. এদের জীবিত ধরেছি। জীবিত ধরার কারণ, তাদের কাছ থেকে সব তথ্য বের করা।’

‘কিন্তু এই সরকার কিছু দিন পরপর জঙ্গি ধোয়া তোলে। অমুক জায়গায় জঙ্গি আছে, এতোজন জঙ্গি পাওয়া গেছে..সত্যিখারের জঙ্গি কী না জানিনা’, বলেন তিনি।

বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, ‘কিছুলোক তাদের ধরা থাকে। এরা দীর্ঘদিন না খেতে খেতে, রেখে রেখে দাড়ি-চুল এতো বড় হয় যে বিদঘুটে একটি চেহারা হয়ে যায়। তারপর তাদেরকে জঙ্গি বলে সামনে নিয়ে আসে। আর পুলিশের গতানুগতিক কিছু আছে, অস্ত্রটস্ত্র সাজিয়ে নিয়ে এসে বলে এরা জেএমপি, হরকাতুল জিহাদ। তারা এই করেছে, সেই করেছে।’

তিনি বলেন, ‘কিছুদিন পরে দেখা যায়, যাদের ধরা হয়েছে তাদের কাছ থেকে কি তথ্য পেয়েছে তা প্রকাশ হয়না। গুলি করে তাদের মেরে ফেলা হয়। কেনো? এখানে তো আইন আছে, আদালত আছে। তারা জিজ্ঞেসাবাদ করবে। আদালত যা সাজা হয় তাই হবে। গুলি করে মারার রহস্য কি? রহস্য কিছু একটি আছে।’

দেশে বিচার বলতে কিছু নেই মন্তব্য করে বিএনপি নেত্রী বলেন, ‘যেখানে ন্যায়বিচার থাকেনা, গণতন্ত্র বলতে কিছু থাকেনা; সেখানে জঙ্গিবাদের উত্থান ঘটে।’

তিনি বলেন, ‘এখন আইনের শাসন সকলের জন্য সমান নয়। আওয়ামী লীগ হলে একরকম আর বিএনপি ও সাধারন মানুষ হলে আরেক রকম। আওয়ামী লীগের লোকেরা অপরাধ করলে, লুটপাট করলে তারা অপরাধী হয়না। তাদের কিছুই বলা হয়না। অন্যদিকে বিএনপি, অন্য দল বা সাধারণ মানুষ হলে কিছু না করলেও তাদের সাজা ভোগ করতে হয়।’

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকার দেশ ও জনগণের স্বার্থ বিরোধী কাজ করছে অভিযোগ করেন বিএনপি চেয়ারপারসন।

‘যত চুক্তি দেখি সেগুলোর কোনটাই দেশের স্বার্থে নয়। সমস্ত কিছু করা হচ্ছে, দেশের স্বার্থ বিরোধী, জনগণের বিরোধী। কি সেই চুক্তি তা সবাই জানেনা, আমরাও জানিনা।’

রামপালে বিদ্যুৎ কেন্দ্র হলে সুন্দরবনের ক্ষতি হবে বলে নিজের দেওয়া বক্তব্যের পক্ষে যুক্তি দেখিয়ে তিনি বলেন, ‘রামপাল প্রজেক্ট যেসব কথা বলেছি, তারা কোনো পয়েন্টের সঠিক উত্তর দিতে পারেনি। রামপাল প্রজেক্ট হওয়া উচিত নয়। তাহলে ওই অঞ্চলের ব্যাপক ক্ষতি হবে। এমনিতেই ওই এলাকায় প্রাকৃতিক দুর্যোগে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এটা হলে সুন্দরবন শেষ হয়ে যাবে। বিদুৎ কেন্দ্র এমন জায়গায় হবে যেখানে মানুষ ও পরিবেশের কোনো ক্ষতি হবেনা।’

দেশের সম্প্রতি বন্যা পরিস্থিতির জন্য ভারতের একতরফা পানি প্রত্যাহারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, এর প্রতিবাদ করতে হবে।

‘বন্ধু বলে এদের কিছু বলা যাবেনা, তা হয়না। এ বিষয়ে প্রতিবাদ করতে হবে। আলোচনা হতে হবে। একজন বন্ধু আরেক বন্ধু সমমর্যার ভিত্তিতে সহায়তা করবে। তারা যদি মনে করে, তাদের মাথা উচু থাকবে আর আমাদের নিচু থাকবে; সেটি বন্ধুত্ব হয়না। নিজেদের প্রাপ্যতা আদায় করে নেওয়া উচিত।’

 

এ সময় ফারাক্কা বাঁধের কঠোর সমালোচনা করেন বিএনপি নেত্রী।

পদ্ধা সেতু প্রকল্পের খরচ বাড়ার জন্য এর নেপথ্যে ‘কমিশন বানিজ্য’ রয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, ‘পদ্ধা সেতু প্রকল্পে খরচ বাড়ছে, আরো বাড়বে। আমরা দেখে যেতে পারবো কী না জানিনা। এই খরচ বাড়ার কারণ কমিশন। সেতুতে ভালো অত্যাধুনিক জিনিস দিচ্ছে বলে খরচ বাড়ছেনা। প্রত্যেকটি কাজের জন্য কমিশন দিতে হচ্ছে। এই টাকা আবার দেশে থাকে তা নয়। টাকা চলে যায় দেশের বাইরে।’

খালেদা জিয়া বলেন, দেশ পরিচালনায় প্রয়াত রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের দুরদর্শিতা ছিলো বলেই তার সময়ে দেশে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছিলো। উৎপাদন বৃদ্ধি, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্নতা অর্জন, শিল্পায়ন, জনশক্তি রপ্তানি, পোশাক খাতের উন্নয়নসহ জিয়াউর রহমান সরকারের সময়ে নেওয়া পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন তিনি।

 

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদষ্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, আ স ম হান্নান শাহ, মির্জা আব্বাস, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী প্রমুখ।

এছাড়া দর্শক সারিতে কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আহমদ আজম খান, নিতাই রায় চৌধুরী, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X