শুক্রবার, ২৩শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১১ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ১০:১১
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Monday, July 25, 2016 8:09 am
A- A A+ Print

খালেদা জিয়া ও তারেককে বাইরে রেখেই নির্বাচন

230075_1

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বাইরে রেখেই আগামী নির্বাচনের চিন্তা করছে সরকার। সেই লক্ষ্যে জাতীয় নির্বাচনের একটি ছকও প্রণয়ন করা হচ্ছে। তারেক রহমানকে মানিলন্ডারিংয়ের মামলায় সাত বছরের জেল দেয়া হয়েছে। আগামী নির্বাচনের আগেই চলমান বিভিন্ন মামলায় বেগম খালেদা জিয়ার সাজা হলে আইন অনুযায়ী মা ও ছেলে উভয়েই নির্বাচনে অযোগ্য হতে পারেন। ফলে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে বাইরে রেখেই জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করা হতে পারে বলে আওয়ামী লীগ ও সরকারের একাধিক সূত্র জানিয়েছে। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ নয়া দিগন্তকে বলেন, তারেক রহমান দুর্নীতি করেছেন। সে জন্য মাহমান্য আদালত তথ্য-প্রমাণসাপেক্ষে তাকে দণ্ড দিয়েছেন। আর খালেদা জিয়াও দুর্নীতি করেছেন বলে আদালতে বিচার চলছে। তথ্য-প্রমাণ পেলে আদালত তাকে সাজা দেবেন আর নির্দোষ হলে খালাস দেবেন। এতে আমাদের কোনো হাত নেই। আর তাদের দণ্ডের কারণে আইন অনুযায়ী নির্বাচনে অযোগ্য হলে সেখানে আমাদের কিছুই করার নেই। কারণ আইন সবার জন্য সমান। আর আদালতও সম্পূর্ণ স্বাধীন। সূত্রগুলো জানায়, সংবিধান অনযায়ী ২০১৯ সালেই জাতীয় নির্বাচন হওয়ার কথা। সেই নির্বাচন নিয়ে এখন থেকেই প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে ক্ষমতাসীনেরা। নির্বাচনে বিজয়ের ধারা অব্যাহত রাখতে ইতোমধ্যে নানা কৌশল নিয়ে কাজ শুরু করে দিয়েছেন ক্ষমতাসীন দলের নীতিনির্ধারকেরা। ওই কৌশলে প্রথমেই খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে বিজয়ের পথে বড় ধরনের বাধা হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। সে জন্য শুরুতেই খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে নির্বাচন থেকে বাইরে রাখার বিষয়টি বেশ সক্রিয়ভাবে চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। সরকারের নীতিনির্ধারকেরা মনে করছেন, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে নির্বাচনের বাইরে রাখা গেলে বিএনপি দুর্বল হয়ে পড়বে। শুধু তাই নয়, সুষ্ঠু নির্বাচনের নিশ্চয়তা দেয়া হলেও দলের দুই শীর্ষ নেতাকে বাদ দিয়ে বিএনপি নির্বাচনে না-ও যেতে পারে। এতে আওয়ামী লীগ আগের মতো ‘একতরফা’ নির্বাচনে কোনো রকম বাধা ছাড়াই আবারো ক্ষমতায় চলে আসতে পারবে। অন্য দিকে বিএনপি যদি দুই শীর্ষ নেতাকে বাদ দিয়েই নির্বাচনে আসতে রাজি হয় তবে ওই নির্বাচনে নেতাকর্মীদের আর তেমন কোনো আগ্রহ থাকবে না। ফলে এমনিতেই আওয়ামী লীগ বিজয়ী হয়ে আবারো সরকার গঠন করতে পারবে। সে জন্য নির্বাচনে বিজয় নিশ্চিত করতে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে বাইরে রাখার বিষয়টি বেশ জোরেশোরে ভাবা হচ্ছে। আওয়ামী লীগের নির্ভরযোগ্য একাধিক সূত্র জানায়, আদালত তারেক রহমানকে সাত বছরের সাজা দেয়ায় ইতোমধ্যে তিনি আগামী নির্বাচনে অযোগ্য হয়ে পড়েছেন। আর তাকে সাজা দেয়ার পর এখন বিএনপির মাঠ যাচাই করছে সরকার। তারেক রহমানকে নিয়ে দলের নীতিনির্ধারকেরা কী ভাবছেন, নেতাকর্মীরা শক্ত কোনো আন্দোলন গড়ে তুলতে পারেন কি না এবং দেশ-বিদেশে কী ধরনের প্রতিক্রিয়া হয় তা পর্যবক্ষেণ করছেন সরকারের নীতিনির্ধারকেরা। বিষয়টি যদি মোটামুটি সামাল দেয়া যায় তবে খালেদা জিয়ার বিষয়টিও খুব সক্রিয়ভাবে সামনে চলে আসবে। বর্তমানে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ২৯টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলা, গ্যাটকো, নাইকো ও বড় পুকুরিয়া দুর্নীতি মামলা অন্যতম। সরকারের বিশ্বস্ত একটি সূত্র জানায়, আগামী জাতীয় নির্বাচনে কোনোভাবেই হারতে রাজি নয় আওয়ামী লীগ। কট্টরপন্থী নীতিনির্ধারকদের কেউ কেউ ওই নির্বাচনেও বিএনপিকে সংসদের বিরোধী দল হিসেবে দেখতে চান না। তারা এবারের মতো কৌশলে বিএনপিকে নির্বাচনের বাইরে রেখে জাতীয় পার্টিকে আবারো বিরোধী দল হিসেবে দেখতে চান। আর এর মাধ্যমে বিএনপি একসময় রাজনীতি থেকেই হারিয়ে যাবে বলে মনে করছেন তারা। ফলে বিএনপির দুর্বল অবস্থান আর জাতীয় পার্টির উত্থানে আওয়ামী লীগও রাজনীতিতে নিরাপদ অবস্থানে থাকবে। এতে আওয়ামী লীগ টানা আরো কয়েক মেয়াদে ক্ষমতায় থাকতে পারবে। সে জন্য খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে বাইরে রেখে নির্বাচনের আয়োজন করতে চান তারা। এ অবস্থায় বিএনপি নির্বাচনে না এলে তাদের সেই উদ্দেশ্যও সফল হবে। তবে অপেক্ষাকৃত মধ্যমপন্থী নীতিনির্ধারকদের কেউ কেউ নির্বাচনে সরকারের বিজয় নিশ্চিত করতে চাইলেও বিএনপিকে বাইরে রাখতে চান না। তারা বিএনপিকে সংসদের বিরোধী দল হিসেবে দেখতে চান। তাদের মতে, গতবারের নির্বাচনের প্রেক্ষাপট একেবারেই ভিন্ন ছিল। সরকারের রাজনৈতিক কৌশলের কারণে বিএনপি নির্বাচনে আসতে পারেনি, যা দেশ-বিদেশে এখনো ব্যাপক সমালোচিত। তাই বিএনপিকে এবারো নির্বাচনের বাইরে রাখা হলে দেশ-বিদেশে আরো কঠোর সমালোচনার মুখে পড়বে সরকার। এ ছাড়া বিএনপির মতো একটি বড় দলকে বাইরে রেখে জাতীয় পার্টিকে আবারো বিরোধী দলের আসনে নেয়া দেশের সাধারণ মানুষ ভালোভাবে নেবে না। এতে দেশে বিশৃঙ্খলা দেখা দিতে পারে। তাই খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান বাইরে থাকলেও বিএনপিকে সংসদে দেখতে চান তারা। সে জন্য বিএনপির সিনিয়র নেতাদের ‘ম্যানেজ’ করে হলেও নির্বাচনে আনার পক্ষে তারা। তবে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে নির্বাচনের বাইরে রাখতে চান উভয় পক্ষই। আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একজন নেতা আলাপকালে বলেন, তারেক রহমান নির্বাচনে অযোগ্য হয়ে পড়েছেন। এখন মাঠ যাচাই করা হচ্ছে। এ ইস্যুকে সামনে রেখে বিএনপি কী করতে পারে তা পর্যবেক্ষণ করছি আমরা। তবে বর্তমানে তাদের সাংগঠনিক যে অবস্থা তাতে বড় ধরনের কোনো আন্দোলন বা সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারবে বলে মনে হয় না। এখন খালেদা জিয়ার বিষয়টিও চিন্তা করা হবে।

Comments

Comments!

 খালেদা জিয়া ও তারেককে বাইরে রেখেই নির্বাচনAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

খালেদা জিয়া ও তারেককে বাইরে রেখেই নির্বাচন

Monday, July 25, 2016 8:09 am
230075_1

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বাইরে রেখেই আগামী নির্বাচনের চিন্তা করছে সরকার। সেই লক্ষ্যে জাতীয় নির্বাচনের একটি ছকও প্রণয়ন করা হচ্ছে। তারেক রহমানকে মানিলন্ডারিংয়ের মামলায় সাত বছরের জেল দেয়া হয়েছে। আগামী নির্বাচনের আগেই চলমান বিভিন্ন মামলায় বেগম খালেদা জিয়ার সাজা হলে আইন অনুযায়ী মা ও ছেলে উভয়েই নির্বাচনে অযোগ্য হতে পারেন। ফলে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে বাইরে রেখেই জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করা হতে পারে বলে আওয়ামী লীগ ও সরকারের একাধিক সূত্র জানিয়েছে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ নয়া দিগন্তকে বলেন, তারেক রহমান দুর্নীতি করেছেন। সে জন্য মাহমান্য আদালত তথ্য-প্রমাণসাপেক্ষে তাকে দণ্ড দিয়েছেন। আর খালেদা জিয়াও দুর্নীতি করেছেন বলে আদালতে বিচার চলছে। তথ্য-প্রমাণ পেলে আদালত তাকে সাজা দেবেন আর নির্দোষ হলে খালাস দেবেন। এতে আমাদের কোনো হাত নেই। আর তাদের দণ্ডের কারণে আইন অনুযায়ী নির্বাচনে অযোগ্য হলে সেখানে আমাদের কিছুই করার নেই। কারণ আইন সবার জন্য সমান। আর আদালতও সম্পূর্ণ স্বাধীন।
সূত্রগুলো জানায়, সংবিধান অনযায়ী ২০১৯ সালেই জাতীয় নির্বাচন হওয়ার কথা। সেই নির্বাচন নিয়ে এখন থেকেই প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে ক্ষমতাসীনেরা। নির্বাচনে বিজয়ের ধারা অব্যাহত রাখতে ইতোমধ্যে নানা কৌশল নিয়ে কাজ শুরু করে দিয়েছেন ক্ষমতাসীন দলের নীতিনির্ধারকেরা। ওই কৌশলে প্রথমেই খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে বিজয়ের পথে বড় ধরনের বাধা হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। সে জন্য শুরুতেই খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে নির্বাচন থেকে বাইরে রাখার বিষয়টি বেশ সক্রিয়ভাবে চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।
সরকারের নীতিনির্ধারকেরা মনে করছেন, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে নির্বাচনের বাইরে রাখা গেলে বিএনপি দুর্বল হয়ে পড়বে। শুধু তাই নয়, সুষ্ঠু নির্বাচনের নিশ্চয়তা দেয়া হলেও দলের দুই শীর্ষ নেতাকে বাদ দিয়ে বিএনপি নির্বাচনে না-ও যেতে পারে। এতে আওয়ামী লীগ আগের মতো ‘একতরফা’ নির্বাচনে কোনো রকম বাধা ছাড়াই আবারো ক্ষমতায় চলে আসতে পারবে। অন্য দিকে বিএনপি যদি দুই শীর্ষ নেতাকে বাদ দিয়েই নির্বাচনে আসতে রাজি হয় তবে ওই নির্বাচনে নেতাকর্মীদের আর তেমন কোনো আগ্রহ থাকবে না। ফলে এমনিতেই আওয়ামী লীগ বিজয়ী হয়ে আবারো সরকার গঠন করতে পারবে। সে জন্য নির্বাচনে বিজয় নিশ্চিত করতে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে বাইরে রাখার বিষয়টি বেশ জোরেশোরে ভাবা হচ্ছে।
আওয়ামী লীগের নির্ভরযোগ্য একাধিক সূত্র জানায়, আদালত তারেক রহমানকে সাত বছরের সাজা দেয়ায় ইতোমধ্যে তিনি আগামী নির্বাচনে অযোগ্য হয়ে পড়েছেন। আর তাকে সাজা দেয়ার পর এখন বিএনপির মাঠ যাচাই করছে সরকার। তারেক রহমানকে নিয়ে দলের নীতিনির্ধারকেরা কী ভাবছেন, নেতাকর্মীরা শক্ত কোনো আন্দোলন গড়ে তুলতে পারেন কি না এবং দেশ-বিদেশে কী ধরনের প্রতিক্রিয়া হয় তা পর্যবক্ষেণ করছেন সরকারের নীতিনির্ধারকেরা। বিষয়টি যদি মোটামুটি সামাল দেয়া যায় তবে খালেদা জিয়ার বিষয়টিও খুব সক্রিয়ভাবে সামনে চলে আসবে। বর্তমানে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ২৯টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলা, গ্যাটকো, নাইকো ও বড় পুকুরিয়া দুর্নীতি মামলা অন্যতম।
সরকারের বিশ্বস্ত একটি সূত্র জানায়, আগামী জাতীয় নির্বাচনে কোনোভাবেই হারতে রাজি নয় আওয়ামী লীগ। কট্টরপন্থী নীতিনির্ধারকদের কেউ কেউ ওই নির্বাচনেও বিএনপিকে সংসদের বিরোধী দল হিসেবে দেখতে চান না। তারা এবারের মতো কৌশলে বিএনপিকে নির্বাচনের বাইরে রেখে জাতীয় পার্টিকে আবারো বিরোধী দল হিসেবে দেখতে চান। আর এর মাধ্যমে বিএনপি একসময় রাজনীতি থেকেই হারিয়ে যাবে বলে মনে করছেন তারা। ফলে বিএনপির দুর্বল অবস্থান আর জাতীয় পার্টির উত্থানে আওয়ামী লীগও রাজনীতিতে নিরাপদ অবস্থানে থাকবে। এতে আওয়ামী লীগ টানা আরো কয়েক মেয়াদে ক্ষমতায় থাকতে পারবে। সে জন্য খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে বাইরে রেখে নির্বাচনের আয়োজন করতে চান তারা। এ অবস্থায় বিএনপি নির্বাচনে না এলে তাদের সেই উদ্দেশ্যও সফল হবে।
তবে অপেক্ষাকৃত মধ্যমপন্থী নীতিনির্ধারকদের কেউ কেউ নির্বাচনে সরকারের বিজয় নিশ্চিত করতে চাইলেও বিএনপিকে বাইরে রাখতে চান না। তারা বিএনপিকে সংসদের বিরোধী দল হিসেবে দেখতে চান। তাদের মতে, গতবারের নির্বাচনের প্রেক্ষাপট একেবারেই ভিন্ন ছিল। সরকারের রাজনৈতিক কৌশলের কারণে বিএনপি নির্বাচনে আসতে পারেনি, যা দেশ-বিদেশে এখনো ব্যাপক সমালোচিত। তাই বিএনপিকে এবারো নির্বাচনের বাইরে রাখা হলে দেশ-বিদেশে আরো কঠোর সমালোচনার মুখে পড়বে সরকার। এ ছাড়া বিএনপির মতো একটি বড় দলকে বাইরে রেখে জাতীয় পার্টিকে আবারো বিরোধী দলের আসনে নেয়া দেশের সাধারণ মানুষ ভালোভাবে নেবে না। এতে দেশে বিশৃঙ্খলা দেখা দিতে পারে। তাই খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান বাইরে থাকলেও বিএনপিকে সংসদে দেখতে চান তারা। সে জন্য বিএনপির সিনিয়র নেতাদের ‘ম্যানেজ’ করে হলেও নির্বাচনে আনার পক্ষে তারা। তবে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে নির্বাচনের বাইরে রাখতে চান উভয় পক্ষই।
আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একজন নেতা আলাপকালে বলেন, তারেক রহমান নির্বাচনে অযোগ্য হয়ে পড়েছেন। এখন মাঠ যাচাই করা হচ্ছে। এ ইস্যুকে সামনে রেখে বিএনপি কী করতে পারে তা পর্যবেক্ষণ করছি আমরা। তবে বর্তমানে তাদের সাংগঠনিক যে অবস্থা তাতে বড় ধরনের কোনো আন্দোলন বা সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারবে বলে মনে হয় না। এখন খালেদা জিয়ার বিষয়টিও চিন্তা করা হবে।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X