বুধবার, ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৯ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ৩:১৬
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Thursday, October 27, 2016 12:05 pm
A- A A+ Print

গণমাধ্যম কর্মীদের জন্য একই মজুরি বোর্ড আসছে

157766_1-1

   
ঢাকা: সব মিডিয়ার কর্মচারী ও কর্মকর্তাদের একই মজুরি বোর্ডের অধীনে আনতে নতুন একটি আইনের খসড়া তৈরি করেছে তথ্য মন্ত্রণালয়। আইনটির শিরোনাম- ‘গণমাধ্যম কর্মী ( চাকরির শর্তাবলি) আইন-২০১৬’। এই আইনে প্রিন্ট, ইলেক্ট্রনিক ও অনলাইনে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা একই মজুরি বোর্ডের অধীনে বেতন ভাতা পাবেন। তথ্য মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। ইতোমধ্যে তথ্য মন্ত্রণালয় আইনটির একটি খসড়া প্রস্তুত করেছে। তথ্য মন্ত্রণালয়ে আইনের খসড়াটি নিয়ে আলোচনা করার জন্য দুটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রস্তাবিত আইন চূড়ান্ত অনুমোদন পেলে নতুন মজুরি বোর্ড সকল মিডিয়া প্রতিষ্ঠানের মালিকদের জন্য অবশ্য পালনীয় করা হবে। প্রস্তাবিত আইনটিতে ২৬টি ধারা রয়েছে। প্রস্তাবিত এ আইনের ধারা দুইয়ে বলা হয়েছে, পূর্ণকালীন কর্মরত সাংবাদিক, প্রশাসনিক কর্মচারী, ছাপাখানা কর্মচারী, মিডিয়া সদর দপ্তর কর্মী, আঞ্চলিক বা বিদেশি অফিসে কাজ করে এমন কর্মী এবং অনলাইন সংবাদমাধ্যমের সংস্করণের কর্মচারীরা এই আইনের আওতায় পড়বেন।
এ ছাড়া পূর্ণকালীন প্রযোজক, স্ক্রিপ্ট-রাইটার, শিল্পী, ডিজাইনার, কার্টুনিস্ট, ক্যামেরাম্যান, অডিও ও ভিডিও এডিটর, সাউন্ড রেকর্ডার, ক্যামেরা সহায়ক, গ্রাফিক্স ডিজাইনার ও ইনফগ্রাফ ডিজাইনারও প্রস্তাবিত নতুন আইনের আওতায় পড়বে। আইনটির ধারা ৬-এ বলা হয়েছে, প্রতিটি গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানকে নিজ কর্মীদের কল্যাণের জন্য একটি ভবিষ্যৎ তহবিল গঠন করতে হবে। এই ভবিষ্যৎ তহবিল এই আইনে বর্ণিত নির্দেশনা অনুযায়ী হতে হবে। প্রস্তাবিত আইনটির খসড়ার ধারা ১০-এ  নারী কর্মচারীদের বিশেষাধিকারের কথা উল্লেখ করে বলা হয়েছে, কোনো গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানে নারী কর্মচারী নিযুক্ত থাকলে, তিনি যে পদমর্যাদারই হোন না কেন, তার প্রতি ওই প্রতিষ্ঠানের অন্য কোনো কর্মী এমন কোনো আচরণ করতে পারবে না যা অশ্লীল কিংবা উক্ত নারীর শালীনতা ও সম্ভ্রমের পরিপন্থী। সরকার প্রতি পাঁচ বছর পর পর মিডিয়া কর্মীদের জন্য একটি মজুরি বোর্ড গঠন করবে বলেও প্রস্তাবিত আইনটির ১১ ধারায় বলা হয়েছে। প্রস্তাবিত আইনটির ১৮ ধারায় বলা হয়েছে, মিডিয়া কর্মীরা মালিকদের কাছ থেকে অপরিশোধিত টাকা পুনরুদ্ধার করতে সরকারি কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করতে পারবেন। অপরিশোধিত টাকার বিষয়টি সরকার পরীক্ষা নিরীক্ষা করে নিশ্চিত হলে এই অর্থ আদায়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু প্রস্তাবিত আইনটি সম্পর্কে বলেন, আমরা গুরুত্বের সঙ্গে এ বিষয়ে কাজ করছি। আইনটি চূড়ান্ত করার আগে সুবিধাভোগী ও বিভিন্ন মিডিয়ার মালিকদের সঙ্গে আলোচনা ও বৈঠক করা হবে।
 

Comments

Comments!

 গণমাধ্যম কর্মীদের জন্য একই মজুরি বোর্ড আসছেAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

গণমাধ্যম কর্মীদের জন্য একই মজুরি বোর্ড আসছে

Thursday, October 27, 2016 12:05 pm
157766_1-1

 

 

ঢাকা: সব মিডিয়ার কর্মচারী ও কর্মকর্তাদের একই মজুরি বোর্ডের অধীনে আনতে নতুন একটি আইনের খসড়া তৈরি করেছে তথ্য মন্ত্রণালয়। আইনটির শিরোনাম- ‘গণমাধ্যম কর্মী ( চাকরির শর্তাবলি) আইন-২০১৬’। এই আইনে প্রিন্ট, ইলেক্ট্রনিক ও অনলাইনে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা একই মজুরি বোর্ডের অধীনে বেতন ভাতা পাবেন। তথ্য মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

ইতোমধ্যে তথ্য মন্ত্রণালয় আইনটির একটি খসড়া প্রস্তুত করেছে। তথ্য মন্ত্রণালয়ে আইনের খসড়াটি নিয়ে আলোচনা করার জন্য দুটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রস্তাবিত আইন চূড়ান্ত অনুমোদন পেলে নতুন মজুরি বোর্ড সকল মিডিয়া প্রতিষ্ঠানের মালিকদের জন্য অবশ্য পালনীয় করা হবে। প্রস্তাবিত আইনটিতে ২৬টি ধারা রয়েছে।

প্রস্তাবিত এ আইনের ধারা দুইয়ে বলা হয়েছে, পূর্ণকালীন কর্মরত সাংবাদিক, প্রশাসনিক কর্মচারী, ছাপাখানা কর্মচারী, মিডিয়া সদর দপ্তর কর্মী, আঞ্চলিক বা বিদেশি অফিসে কাজ করে এমন কর্মী এবং অনলাইন সংবাদমাধ্যমের সংস্করণের কর্মচারীরা এই আইনের আওতায় পড়বেন।

এ ছাড়া পূর্ণকালীন প্রযোজক, স্ক্রিপ্ট-রাইটার, শিল্পী, ডিজাইনার, কার্টুনিস্ট, ক্যামেরাম্যান, অডিও ও ভিডিও এডিটর, সাউন্ড রেকর্ডার, ক্যামেরা সহায়ক, গ্রাফিক্স ডিজাইনার ও ইনফগ্রাফ ডিজাইনারও প্রস্তাবিত নতুন আইনের আওতায় পড়বে। আইনটির ধারা ৬-এ বলা হয়েছে, প্রতিটি গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানকে নিজ কর্মীদের কল্যাণের জন্য একটি ভবিষ্যৎ তহবিল গঠন করতে হবে।

এই ভবিষ্যৎ তহবিল এই আইনে বর্ণিত নির্দেশনা অনুযায়ী হতে হবে। প্রস্তাবিত আইনটির খসড়ার ধারা ১০-এ  নারী কর্মচারীদের বিশেষাধিকারের কথা উল্লেখ করে বলা হয়েছে, কোনো গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানে নারী কর্মচারী নিযুক্ত থাকলে, তিনি যে পদমর্যাদারই হোন না কেন, তার প্রতি ওই প্রতিষ্ঠানের অন্য কোনো কর্মী এমন কোনো আচরণ করতে পারবে না যা অশ্লীল কিংবা উক্ত নারীর শালীনতা ও সম্ভ্রমের পরিপন্থী। সরকার প্রতি পাঁচ বছর পর পর মিডিয়া কর্মীদের জন্য একটি মজুরি বোর্ড গঠন করবে বলেও প্রস্তাবিত আইনটির ১১ ধারায় বলা হয়েছে।

প্রস্তাবিত আইনটির ১৮ ধারায় বলা হয়েছে, মিডিয়া কর্মীরা মালিকদের কাছ থেকে অপরিশোধিত টাকা পুনরুদ্ধার করতে সরকারি কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করতে পারবেন। অপরিশোধিত টাকার বিষয়টি সরকার পরীক্ষা নিরীক্ষা করে নিশ্চিত হলে এই অর্থ আদায়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু প্রস্তাবিত আইনটি সম্পর্কে বলেন, আমরা গুরুত্বের সঙ্গে এ বিষয়ে কাজ করছি। আইনটি চূড়ান্ত করার আগে সুবিধাভোগী ও বিভিন্ন মিডিয়ার মালিকদের সঙ্গে আলোচনা ও বৈঠক করা হবে।

 

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X