বৃহস্পতিবার, ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১০ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ১১:০২
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Sunday, October 15, 2017 11:51 am
A- A A+ Print

গবেষণা জালিয়াতি ধরিয়ে দেয়ায় আমার বিরুদ্ধে ইভটিজিংয়ের অভিযোগ: ঢাবি শিক্ষক

12

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের শিক্ষকদের বিরুদ্ধে গবেষণা জালিয়াতি ও অন্যজনের লেখা বই নিজের নামে প্রকাশসহ নানা জালিয়াতি ধরিয়ে দিয়ে বিভাগটির সাবেক চেয়ারম্যান ড. আবু মূসা মো. আরিফ বিল্লাহ হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন। শনিবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করে আরিফ বিল্লাহ। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের সামনে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। বিভাগের বিভিন্ন অনিয়ম নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করায় তাঁর বিরুদ্ধে নারী শিক্ষার্থী দিয়ে প্রথমে কটুক্তি পরে ইভটিজিং করার অভিযোগ আনার প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি এ সংবাদ সম্মেলন করেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে অধ্যাপক আবু মূসা মো. আরিফ বিল্লাহ বলেন, ‘ঢাবির সাবেক প্রক্টর অধ্যাপক ড. কে এম সাইফুল ইসলাম খান একটি গবেষণা প্রবন্ধ, অন্যজনের বই নিজের নামে প্রকাশসহ বিভিন্ন জালিয়াতি ধরিয়ে দেই। এ কারণেই ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের বর্তমান চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আবদুস সবুর খান ও বিশ্ববিদ্যালয় সাবেক প্রক্টর অধ্যাপক ড. কে এম সাইফুল ইসলাম খান ষড়যন্ত্র করে আমার বিরুদ্ধে এক নারী শিক্ষার্থীর মাধ্যমে ইভটিজিংয়ের  অভিযোগ করান। মূলত ষড়যন্ত্র করে আমার বিরুদ্ধে ঘৃণিত এই অভিযোগ আনা হয়েছে।’ অধ্যাপক আবু মূসা বলেন, “যখন আমার পদোন্নতির সময় হয় তখনই আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়। আমি বিদেশে থাকাকালে আমার একটা আলমারী চেয়ারম্যান কক্ষে ছিল। যেখানে কিছু দূষ্প্রাপ্য বই ও ব্যাক্তিগত ডকুমেন্ট ছিলে। আমি বিদেশ থেকে এসে দেখি সেই আলমারী নেই। ২০১৬ সালে  সাবেক চেয়ারম্যান ও সাবেক প্রক্টর অধ্যাপক ড. কে এম সাইফুল ইসলাম খানের কাছে আলমারি ফেরত চাই। তিনি আমাকে বলেন, ‘আলমারী আমার বাসায় আছে, দিয়ে দেব।’ কিন্তু এতদিন না দেওয়ায় আমি আলমারী ফেরত চেয়ে  গত ৯ অক্টোবর উপাচার্য বরাবর আবেদন করি। কিন্তু এর পরদিন হঠাৎ আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয় আমি কটুক্তি করেছে। যা আমাকে অফিসিয়ালি জানানো হয়নি। আবার কাউকে না জানিয়ে গত ১১ অক্টোবর জরুরি অ্যাকাডেমিক বৈঠকের চিঠি আসে যে, ১২ অক্টোবর জরুরি বৈঠক হবে।” এই অধ্যাপক আরো বলেন, “বৈঠকে চেয়ারম্যান একটা দরখাস্ত সবাইকে পাঠ করে শোনান। যেখানে কটুক্তি করেছে এমন কোনো শব্দ ছিল না। তখন আমি দরখাস্তের একটা কপি চাইলে আমাকে কোনো কপি দেওয়া হবে না বলে জানান। আমি কপি চেয়েছি কারণ, পরে এই দরখাস্ত না জানি আবার পাল্টে দেওয়া হয়। আমাকে কপি দেওয়া হয় না। এই সময় বিভাগের চেয়ারম্যান বলেন, ‘এই দরখাস্তে মেয়ে তো শাস্তির জন্য আবেদন করেন নি।’ এ সময় পেছনে বসা  সাবেক প্রক্টর সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘শাস্তির কথা উল্লেখ আছে। নীচ থেকে দুই নাম্বার লাইনে বাম পাশে শাস্তির কথা উল্লেখ আছে।’ এই সময় আমি বললাম, আপনি পেছন থেকে কীভাবে দেখলেন কোথায় শাস্তির কথা উল্লেখ আছে। এই সময় চেয়ারম্যান বৈঠক মূলতবী করে দেন।” আবু মূসা বলেন, অ্যাকাডেমিক বৈঠকে বলা হলো, আমি কটুক্তি করেছি। অথচ ইভটিজিংয়ের অভিযোগে এখন ভিসি অফিসে পাঠানো হয়েছে। আমি চক্রান্তের শিকার। আমাকে ফাসানোর জন্য এসব মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে।’

Comments

Comments!

 গবেষণা জালিয়াতি ধরিয়ে দেয়ায় আমার বিরুদ্ধে ইভটিজিংয়ের অভিযোগ: ঢাবি শিক্ষকAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

গবেষণা জালিয়াতি ধরিয়ে দেয়ায় আমার বিরুদ্ধে ইভটিজিংয়ের অভিযোগ: ঢাবি শিক্ষক

Sunday, October 15, 2017 11:51 am
12

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের শিক্ষকদের বিরুদ্ধে গবেষণা জালিয়াতি ও অন্যজনের লেখা বই নিজের নামে প্রকাশসহ নানা জালিয়াতি ধরিয়ে দিয়ে বিভাগটির সাবেক চেয়ারম্যান ড. আবু মূসা মো. আরিফ বিল্লাহ হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন।
শনিবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করে আরিফ বিল্লাহ। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের সামনে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। বিভাগের বিভিন্ন অনিয়ম নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করায় তাঁর বিরুদ্ধে নারী শিক্ষার্থী দিয়ে প্রথমে কটুক্তি পরে ইভটিজিং করার অভিযোগ আনার প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি এ সংবাদ সম্মেলন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে অধ্যাপক আবু মূসা মো. আরিফ বিল্লাহ বলেন, ‘ঢাবির সাবেক প্রক্টর অধ্যাপক ড. কে এম সাইফুল ইসলাম খান একটি গবেষণা প্রবন্ধ, অন্যজনের বই নিজের নামে প্রকাশসহ বিভিন্ন জালিয়াতি ধরিয়ে দেই। এ কারণেই ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের বর্তমান চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আবদুস সবুর খান ও বিশ্ববিদ্যালয় সাবেক প্রক্টর অধ্যাপক ড. কে এম সাইফুল ইসলাম খান ষড়যন্ত্র করে আমার বিরুদ্ধে এক নারী শিক্ষার্থীর মাধ্যমে ইভটিজিংয়ের  অভিযোগ করান। মূলত ষড়যন্ত্র করে আমার বিরুদ্ধে ঘৃণিত এই অভিযোগ আনা হয়েছে।’
অধ্যাপক আবু মূসা বলেন, “যখন আমার পদোন্নতির সময় হয় তখনই আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়। আমি বিদেশে থাকাকালে আমার একটা আলমারী চেয়ারম্যান কক্ষে ছিল। যেখানে কিছু দূষ্প্রাপ্য বই ও ব্যাক্তিগত ডকুমেন্ট ছিলে। আমি বিদেশ থেকে এসে দেখি সেই আলমারী নেই। ২০১৬ সালে  সাবেক চেয়ারম্যান ও সাবেক প্রক্টর অধ্যাপক ড. কে এম সাইফুল ইসলাম খানের কাছে আলমারি ফেরত চাই। তিনি আমাকে বলেন, ‘আলমারী আমার বাসায় আছে, দিয়ে দেব।’ কিন্তু এতদিন না দেওয়ায় আমি আলমারী ফেরত চেয়ে  গত ৯ অক্টোবর উপাচার্য বরাবর আবেদন করি। কিন্তু এর পরদিন হঠাৎ আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয় আমি কটুক্তি করেছে। যা আমাকে অফিসিয়ালি জানানো হয়নি। আবার কাউকে না জানিয়ে গত ১১ অক্টোবর জরুরি অ্যাকাডেমিক বৈঠকের চিঠি আসে যে, ১২ অক্টোবর জরুরি বৈঠক হবে।”

এই অধ্যাপক আরো বলেন, “বৈঠকে চেয়ারম্যান একটা দরখাস্ত সবাইকে পাঠ করে শোনান। যেখানে কটুক্তি করেছে এমন কোনো শব্দ ছিল না। তখন আমি দরখাস্তের একটা কপি চাইলে আমাকে কোনো কপি দেওয়া হবে না বলে জানান। আমি কপি চেয়েছি কারণ, পরে এই দরখাস্ত না জানি আবার পাল্টে দেওয়া হয়। আমাকে কপি দেওয়া হয় না। এই সময় বিভাগের চেয়ারম্যান বলেন, ‘এই দরখাস্তে মেয়ে তো শাস্তির জন্য আবেদন করেন নি।’ এ সময় পেছনে বসা  সাবেক প্রক্টর সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘শাস্তির কথা উল্লেখ আছে। নীচ থেকে দুই নাম্বার লাইনে বাম পাশে শাস্তির কথা উল্লেখ আছে।’ এই সময় আমি বললাম, আপনি পেছন থেকে কীভাবে দেখলেন কোথায় শাস্তির কথা উল্লেখ আছে। এই সময় চেয়ারম্যান বৈঠক মূলতবী করে দেন।”
আবু মূসা বলেন, অ্যাকাডেমিক বৈঠকে বলা হলো, আমি কটুক্তি করেছি। অথচ ইভটিজিংয়ের অভিযোগে এখন ভিসি অফিসে পাঠানো হয়েছে। আমি চক্রান্তের শিকার। আমাকে ফাসানোর জন্য এসব মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে।’

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X