বৃহস্পতিবার, ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১০ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ১০:৫৩
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Wednesday, July 5, 2017 12:22 am
A- A A+ Print

গাড়িতে তুলে তাঁর চোখ বেঁধে ফেলে তিনজন

14_Farhad+Mazhar_Court_040717__0004

কবি, প্রাবন্ধিক ও রাজনৈতিক ভাষ্যকার ফরহাদ মজহার সেদিন সকালে ওষুধ কেনার জন্য বেরিয়ে ছিলেন। বাসা থেকে বের হয়ে তিনি রাস্তায় হাঁটছিলেন, এমন সময় একটি সাদা মাইক্রোবাস তাঁর সামনে এসে দাঁড়ায়। তিনি কিছু বুঝে ওঠার আগেই তিনজন লোক তাঁকে জোর করে মাইক্রোবাসে তুলে চোখ বেঁধে ফেলে। গাড়িটি সোজা খুলনা চলে যায়। সন্ধ্যা সাতটার দিকে তাঁকে শিববাড়ির মোড়ে নামিয়ে দিয়ে তাঁর হাতে বাসের টিকিট ধরিয়ে দেয় অপহরণকারীরা। আজ মঙ্গলবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে ফরহাদ মজহার এমনটাই বলেছেন বলে আদালত সূত্র নিশ্চিত করেছে। আদালতে ফরহাদ মজহার বলেন, সরকারকে বিব্রত করতে তাঁকে অপহরণ করা হয়। কোনো কিছু না নিয়ে অপহরণকারীরা তাঁকে ছেড়ে দেয়। যে তিনজন তাঁকে অপহরণ করে, তাদের তিনি চেনেন না। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদাবর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আমিনুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ফরহাদ মজহার বলেছেন, তিনজন লোক তাঁকে অপহরণ করে। তাদের পরিচয় এখনো জানতে পারেননি। খুঁজে বের করার চেষ্টা চালাচ্ছেন। ঢাকা থেকে অপহরণ করে তাঁকে খুলনায় নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। পরে ঢাকায় আসার জন্য তিনি বাসে ওঠেন। ফরহাদ মজহারকে বেলা তিনটায় আদালতে তোলে পুলিশ। রাজধানীর আদাবর থানায় তাঁর স্ত্রী ফরিদা আখতার এ ব্যাপারে অপহরণ মামলা করেন। এর ভিকটিম হিসেবে তাঁর জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন করে পুলিশ। প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে তিনি ঢাকার মহানগর হাকিম আহসান হাবীবের কাছে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। পরে ১০ হাজার টাকা মুচলেকায় তাঁকে নিজ জিম্মায় বাড়ি যাওয়ার অনুমতি দেন আদালত। বর্তমানে তিনি বারডেম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। মামলার বাদী ফরিদা আখতার আদালতে প্রথম আলোকে বলেছিলেন, ‘স্বামীকে ফিরে পেয়েছি। এতেই খুশি।’ গতকাল সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে যশোরের অভয়নগরে খুলনা থেকে ঢাকাগামী হানিফ পরিবহনের একটি বাস থেকে ফরহাদ মজহারকে উদ্ধার করা হয়। স্বজনেরা অভিযোগ করেন, গতকাল ভোরে কে বা কারা ফরহাদ মজহারকে রাজধানীর শ্যামলীর হক গার্ডেনের বাসার সামনে থেকে তুলে নিয়ে গেছে। পুলিশ ও আদালত সূত্র বলছে, ফরহাদ মজহার আদালতে বলেছেন, তাঁর চোখের সমস্যা আছে। এ জন্য তিনি চোখে ওষুধের ড্রপ দেন। ওষুধ কেনার জন্য গতকাল সকালে তিনি বাসা থেকে বের হন। তাঁর বাসার পাশে একটা হাসপাতাল রয়েছে। এর পাশেই ওষুধের দোকান। সেই দোকানের দিকে তিনি হেঁটে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ তাঁর পাশে একটি সাদা মাইক্রোবাস এসে থামে। তিনি কিছু বুঝে ওঠার আগেই তাঁকে মাইক্রোবাসে তোলা হয়। তারপর চোখ বেঁধে তাঁকে মাঝখানে বসানো হয়। দুই পাশে অপহরণকারীরা বসে। তাঁকে মাথা নিচু করে বসতে বলা হয়। গাড়িটি চলতে থাকা অবস্থায় তিনি স্ত্রীকে নিজের মুঠোফোন থেকে ফোন করেন। তখন তিনি স্ত্রীকে বলেন, তাঁকে অপহরণ করা হয়েছে। অপহরণকারীরা তাঁকে মেরে ফেলবে। তখন অপহরণকারীরা তাঁর ফোন কেড়ে নেয়। ঢাকা থেকে তাঁকে গাড়িতে তোলার পর বিরতিহীনভাবে গাড়ি চলতে থাকে বলে ফরহাদ মজহার আদালতকে জানিয়েছেন। আদালতে তিনি বলেন, নিজ থেকে অপহরণকারীদের বলেন, টাকা নিয়ে তাঁকে যেন ছেড়ে দেয় তারা। অপহরণকারীরা তাঁর কাছে জানতে চায়, তিনি কোথায় টাকা পাবেন। তাঁর স্ত্রী টাকা জোগাড় করবে। তখন অপহরণকারীরা তাঁর কাছে ৩৫ লাখ টাকা চায়। ওই টাকার জন্য তিনি তাঁর স্ত্রীকে ফোন করেন। ফরিদা আখতার প্রথম আলোকে জানান, অপহৃত হওয়ার পর ফরহাদ মজহার তাঁর সঙ্গে মুঠোফোনে পাঁচ থেকে ছয়বার কথা বলেছেন। প্রথম দিকে যখন কথা বলছিলেন, তখন তাঁর কণ্ঠে ছিল ভয়। ফরহাদ মজহার আদালতকে জানিয়েছেন, গতকাল সন্ধ্যা সাতটার দিকে তাঁকে নামিয়ে দেওয়া হয়। তাঁর হাতে হানিফ পরিবহনের একটা টিকিট ধরিয়ে দেয় অপহরণকারীরা। টিকিট দেওয়ার পর অপহরণকারীরা তাঁকে হুমকি দিয়ে বলে, তারা আশপাশে থাকবে। কোথাও যেন তিনি দেরি না করেন। কাউকে কোনো কিছু বলতেও নিষেধ করা হয়। আর তিনি যেন সোজা ঢাকায় চলে আসেন। এরপর ফরহাদ মজহার একটি রিকশায় ওঠেন। তিনি কোথায় আছেন—রিকশাচালকের কাছে জানতে চান। তখন রিকশাচালক তাঁকে জানান, তিনি তখন খুলনার শিববাড়ি মোড়ে। সেখানকার একটি হোটেলে তিনি খাওয়াদাওয়া করেন। এরপর হানিফ পরিবহনের বাসে ওঠেন। ফরহাদ মজহার বলেন, অপহরণকারীরা তাঁকে টাকার জন্য অপহরণ করেনি। তাঁর কাছে টাকা চায়নি। তিনি নিজেই টাকার কথা বলেছেন। ক্লান্ত থাকায় গাড়িতে ওঠার পর তিনি ঘুমিয়ে পড়েন। ঘুম ভাঙার পর তিনি দেখেন, তাঁর আশপাশে অনেক লোক। বাসে একজন তাঁর কাছে জানতে চেয়েছিলেন, তিনি ফরহাদ মজহার কি না। তখন তিনি বলেন, তিনি ফরহাদ মজহার। তখন গাড়ি থেকে তাঁকে নামানো হয়। পরে র‍্যাব-পুলিশ তাঁকে স্থানীয় থানায় নিয়ে যায়। অপহরণকারীদের তিনি চেনেন না—এমনটাই জবানবন্দিতে বলেছেন ফরহাদ মজহার। তিনি বলেন, কারও সঙ্গে তাঁর শত্রুতা নেই। তবে তাঁকে অপহরণ করার নানা কারণ থাকতে পারে।

Comments

Comments!

 গাড়িতে তুলে তাঁর চোখ বেঁধে ফেলে তিনজনAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

গাড়িতে তুলে তাঁর চোখ বেঁধে ফেলে তিনজন

Wednesday, July 5, 2017 12:22 am
14_Farhad+Mazhar_Court_040717__0004

কবি, প্রাবন্ধিক ও রাজনৈতিক ভাষ্যকার ফরহাদ মজহার সেদিন সকালে ওষুধ কেনার জন্য বেরিয়ে ছিলেন। বাসা থেকে বের হয়ে তিনি রাস্তায় হাঁটছিলেন, এমন সময় একটি সাদা মাইক্রোবাস তাঁর সামনে এসে দাঁড়ায়। তিনি কিছু বুঝে ওঠার আগেই তিনজন লোক তাঁকে জোর করে মাইক্রোবাসে তুলে চোখ বেঁধে ফেলে। গাড়িটি সোজা খুলনা চলে যায়।
সন্ধ্যা সাতটার দিকে তাঁকে শিববাড়ির মোড়ে নামিয়ে দিয়ে তাঁর হাতে বাসের টিকিট ধরিয়ে দেয় অপহরণকারীরা। আজ মঙ্গলবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে ফরহাদ মজহার এমনটাই বলেছেন বলে আদালত সূত্র নিশ্চিত করেছে।

আদালতে ফরহাদ মজহার বলেন, সরকারকে বিব্রত করতে তাঁকে অপহরণ করা হয়। কোনো কিছু না নিয়ে অপহরণকারীরা তাঁকে ছেড়ে দেয়। যে তিনজন তাঁকে অপহরণ করে, তাদের তিনি চেনেন না।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদাবর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আমিনুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ফরহাদ মজহার বলেছেন, তিনজন লোক তাঁকে অপহরণ করে। তাদের পরিচয় এখনো জানতে পারেননি। খুঁজে বের করার চেষ্টা চালাচ্ছেন। ঢাকা থেকে অপহরণ করে তাঁকে খুলনায় নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। পরে ঢাকায় আসার জন্য তিনি বাসে ওঠেন।
ফরহাদ মজহারকে বেলা তিনটায় আদালতে তোলে পুলিশ। রাজধানীর আদাবর থানায় তাঁর স্ত্রী ফরিদা আখতার এ ব্যাপারে অপহরণ মামলা করেন। এর ভিকটিম হিসেবে তাঁর জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন করে পুলিশ। প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে তিনি ঢাকার মহানগর হাকিম আহসান হাবীবের কাছে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। পরে ১০ হাজার টাকা মুচলেকায় তাঁকে নিজ জিম্মায় বাড়ি যাওয়ার অনুমতি দেন আদালত। বর্তমানে তিনি বারডেম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। মামলার বাদী ফরিদা আখতার আদালতে প্রথম আলোকে বলেছিলেন, ‘স্বামীকে ফিরে পেয়েছি। এতেই খুশি।’
গতকাল সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে যশোরের অভয়নগরে খুলনা থেকে ঢাকাগামী হানিফ পরিবহনের একটি বাস থেকে ফরহাদ মজহারকে উদ্ধার করা হয়। স্বজনেরা অভিযোগ করেন, গতকাল ভোরে কে বা কারা ফরহাদ মজহারকে রাজধানীর শ্যামলীর হক গার্ডেনের বাসার সামনে থেকে তুলে নিয়ে গেছে।
পুলিশ ও আদালত সূত্র বলছে, ফরহাদ মজহার আদালতে বলেছেন, তাঁর চোখের সমস্যা আছে। এ জন্য তিনি চোখে ওষুধের ড্রপ দেন। ওষুধ কেনার জন্য গতকাল সকালে তিনি বাসা থেকে বের হন। তাঁর বাসার পাশে একটা হাসপাতাল রয়েছে। এর পাশেই ওষুধের দোকান। সেই দোকানের দিকে তিনি হেঁটে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ তাঁর পাশে একটি সাদা মাইক্রোবাস এসে থামে। তিনি কিছু বুঝে ওঠার আগেই তাঁকে মাইক্রোবাসে তোলা হয়। তারপর চোখ বেঁধে তাঁকে মাঝখানে বসানো হয়। দুই পাশে অপহরণকারীরা বসে। তাঁকে মাথা নিচু করে বসতে বলা হয়। গাড়িটি চলতে থাকা অবস্থায় তিনি স্ত্রীকে নিজের মুঠোফোন থেকে ফোন করেন। তখন তিনি স্ত্রীকে বলেন, তাঁকে অপহরণ করা হয়েছে। অপহরণকারীরা তাঁকে মেরে ফেলবে। তখন অপহরণকারীরা তাঁর ফোন কেড়ে নেয়।

ঢাকা থেকে তাঁকে গাড়িতে তোলার পর বিরতিহীনভাবে গাড়ি চলতে থাকে বলে ফরহাদ মজহার আদালতকে জানিয়েছেন। আদালতে তিনি বলেন, নিজ থেকে অপহরণকারীদের বলেন, টাকা নিয়ে তাঁকে যেন ছেড়ে দেয় তারা। অপহরণকারীরা তাঁর কাছে জানতে চায়, তিনি কোথায় টাকা পাবেন। তাঁর স্ত্রী টাকা জোগাড় করবে। তখন অপহরণকারীরা তাঁর কাছে ৩৫ লাখ টাকা চায়। ওই টাকার জন্য তিনি তাঁর স্ত্রীকে ফোন করেন।

ফরিদা আখতার প্রথম আলোকে জানান, অপহৃত হওয়ার পর ফরহাদ মজহার তাঁর সঙ্গে মুঠোফোনে পাঁচ থেকে ছয়বার কথা বলেছেন। প্রথম দিকে যখন কথা বলছিলেন, তখন তাঁর কণ্ঠে ছিল ভয়। ফরহাদ মজহার আদালতকে জানিয়েছেন, গতকাল সন্ধ্যা সাতটার দিকে তাঁকে নামিয়ে দেওয়া হয়। তাঁর হাতে হানিফ পরিবহনের একটা টিকিট ধরিয়ে দেয় অপহরণকারীরা। টিকিট দেওয়ার পর অপহরণকারীরা তাঁকে হুমকি দিয়ে বলে, তারা আশপাশে থাকবে। কোথাও যেন তিনি দেরি না করেন। কাউকে কোনো কিছু বলতেও নিষেধ করা হয়। আর তিনি যেন সোজা ঢাকায় চলে আসেন।
এরপর ফরহাদ মজহার একটি রিকশায় ওঠেন। তিনি কোথায় আছেন—রিকশাচালকের কাছে জানতে চান। তখন রিকশাচালক তাঁকে জানান, তিনি তখন খুলনার শিববাড়ি মোড়ে। সেখানকার একটি হোটেলে তিনি খাওয়াদাওয়া করেন। এরপর হানিফ পরিবহনের বাসে ওঠেন। ফরহাদ মজহার বলেন, অপহরণকারীরা তাঁকে টাকার জন্য অপহরণ করেনি। তাঁর কাছে টাকা চায়নি। তিনি নিজেই টাকার কথা বলেছেন। ক্লান্ত থাকায় গাড়িতে ওঠার পর তিনি ঘুমিয়ে পড়েন। ঘুম ভাঙার পর তিনি দেখেন, তাঁর আশপাশে অনেক লোক। বাসে একজন তাঁর কাছে জানতে চেয়েছিলেন, তিনি ফরহাদ মজহার কি না। তখন তিনি বলেন, তিনি ফরহাদ মজহার। তখন গাড়ি থেকে তাঁকে নামানো হয়। পরে র‍্যাব-পুলিশ তাঁকে স্থানীয় থানায় নিয়ে যায়।

অপহরণকারীদের তিনি চেনেন না—এমনটাই জবানবন্দিতে বলেছেন ফরহাদ মজহার। তিনি বলেন, কারও সঙ্গে তাঁর শত্রুতা নেই। তবে তাঁকে অপহরণ করার নানা কারণ থাকতে পারে।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X