শুক্রবার, ২৩শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১১ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ২:২৬
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Saturday, May 27, 2017 9:02 am
A- A A+ Print

গুমের ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি

10

গুম হওয়া ব্যক্তিদের সন্ধান পেতে বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানিয়েছেন কলামলেখক ও কবি ফরহাদ মজহার। এ বিষয়ে প্রধান বিচারপতির প্রতি আহ্বান জানান তিনি। আজ শুক্রবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আয়োজিত সেমিনারে এ কথা বলেন ফরহাদ মাজহার। ফরহাদ মাজহার বলেন, ‘প্রধান বিচারপতিকে অত্যন্ত কাতরভাবে বলব, তিনি অবশ্যই সুয়োমোটো (স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে আদেশ) করতে পারেন। যাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তুলে নিয়ে গেছে, পোশাক পরে অথবা পোশাক ছাড়া। তাঁদের পরিবার যে অভিযোগ করেছে, তার সম্পর্কে একটা বিচার বিভাগীয় কমিটি তিনি করেন।’ জনগণতান্ত্রিক আন্দোলন আয়োজিত ‘গুম একটি আন্তর্জাতিক অপরাধ’ শীর্ষক সেমিনারে জানানো হয়, গত পাঁচ বছরে ২৭৪ জন গুম-খুনের শিকার হয়েছেন। এর মধ্যে ৩৫ জনের লাশ পাওয়া গেছে। আর ১৫৯ জনের অধিকাংশ বিভিন্ন মামলায় কারাগারে রয়েছেন। বাকি ৮০ জনের এখনো কোনো খোঁজ নেই। জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অপরাধ আইনের স্বাক্ষর ও অনুস্বাক্ষরকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশে সংঘটিত এই অপরাধের বিচার আন্তর্জাতিক আদালতে চাওয়ার সুযোগ রয়েছে। অনুষ্ঠানে আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমান বলেন, ‘ভিন্নমত দমন করতে হলে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাতে হবে। গুম হচ্ছে সর্বনিকৃষ্ট পন্থা, সেই পন্থাটা বাংলাদেশে এখন রোজকার ঘটনায় পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশের গণতন্ত্র তো গেছেই, তার সঙ্গে স্বাধীনতা। বাংলাদেশে স্বাধীনতা নিয়ে রাজনীতি হচ্ছে। স্বাধীনতা এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে পারলেই আমরা গুমের সংস্কৃতি থেকে মুক্তি পেতে পারি। তার জন্য আমাদের বিপ্লব দরকার।’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত শিক্ষকদের সংগঠনের (সাদা দল) আহ্বায়ক ড. আক্তার হোসেন খান বলেন, ‘মানবতাবিরোধী অপরাধে যে ট্রাইব্যুনাল, এ ট্রাইব্যুনাল চলমান থাকবে। আগামী বছর হোক, দুই বছর পরেই হোক বা ২০ বছর পরেই হোক, আজকে যাঁরা গুম হচ্ছেন, যাঁরা গুম করছেন, তাঁদের বিচার একদিন হবেই।’ সেমিনারে বক্তারা আরো বলেন, গুম-খুনের শিকার বেশির ভাগই রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ দলের। কেউ অপরাধী হলে তাঁকে বিচারের মুখোমুখি করা হোক। গুম-খুনকে মানবতাবিরোধী অপরাধের সমতুল্য হিসেবেও আখ্যায়িত করেন তাঁরা।

Comments

Comments!

 গুমের ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবিAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

গুমের ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি

Saturday, May 27, 2017 9:02 am
10

গুম হওয়া ব্যক্তিদের সন্ধান পেতে বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানিয়েছেন কলামলেখক ও কবি ফরহাদ মজহার। এ বিষয়ে প্রধান বিচারপতির প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

আজ শুক্রবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আয়োজিত সেমিনারে এ কথা বলেন ফরহাদ মাজহার।

ফরহাদ মাজহার বলেন, ‘প্রধান বিচারপতিকে অত্যন্ত কাতরভাবে বলব, তিনি অবশ্যই সুয়োমোটো (স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে আদেশ) করতে পারেন। যাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তুলে নিয়ে গেছে, পোশাক পরে অথবা পোশাক ছাড়া। তাঁদের পরিবার যে অভিযোগ করেছে, তার সম্পর্কে একটা বিচার বিভাগীয় কমিটি তিনি করেন।’

জনগণতান্ত্রিক আন্দোলন আয়োজিত ‘গুম একটি আন্তর্জাতিক অপরাধ’ শীর্ষক সেমিনারে জানানো হয়, গত পাঁচ বছরে ২৭৪ জন গুম-খুনের শিকার হয়েছেন। এর মধ্যে ৩৫ জনের লাশ পাওয়া গেছে। আর ১৫৯ জনের অধিকাংশ বিভিন্ন মামলায় কারাগারে রয়েছেন। বাকি ৮০ জনের এখনো কোনো খোঁজ নেই। জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অপরাধ আইনের স্বাক্ষর ও অনুস্বাক্ষরকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশে সংঘটিত এই অপরাধের বিচার আন্তর্জাতিক আদালতে চাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

অনুষ্ঠানে আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমান বলেন, ‘ভিন্নমত দমন করতে হলে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাতে হবে। গুম হচ্ছে সর্বনিকৃষ্ট পন্থা, সেই পন্থাটা বাংলাদেশে এখন রোজকার ঘটনায় পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশের গণতন্ত্র তো গেছেই, তার সঙ্গে স্বাধীনতা। বাংলাদেশে স্বাধীনতা নিয়ে রাজনীতি হচ্ছে। স্বাধীনতা এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে পারলেই আমরা গুমের সংস্কৃতি থেকে মুক্তি পেতে পারি। তার জন্য আমাদের বিপ্লব দরকার।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত শিক্ষকদের সংগঠনের (সাদা দল) আহ্বায়ক ড. আক্তার হোসেন খান বলেন, ‘মানবতাবিরোধী অপরাধে যে ট্রাইব্যুনাল, এ ট্রাইব্যুনাল চলমান থাকবে। আগামী বছর হোক, দুই বছর পরেই হোক বা ২০ বছর পরেই হোক, আজকে যাঁরা গুম হচ্ছেন, যাঁরা গুম করছেন, তাঁদের বিচার একদিন হবেই।’

সেমিনারে বক্তারা আরো বলেন, গুম-খুনের শিকার বেশির ভাগই রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ দলের। কেউ অপরাধী হলে তাঁকে বিচারের মুখোমুখি করা হোক। গুম-খুনকে মানবতাবিরোধী অপরাধের সমতুল্য হিসেবেও আখ্যায়িত করেন তাঁরা।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X