বুধবার, ২২শে নভেম্বর, ২০১৭ ইং, ৮ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ৩:১১
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Tuesday, November 14, 2017 11:19 pm
A- A A+ Print

গুম বন্ধে রাষ্ট্রকে শক্তিশালী ভূমিকা রাখা উচিত: আসক

1510675767

একের পর এক জোরপূর্বক অন্তর্ধান বা গুমের ঘটনাকে অস্বীকার না করার জন্য সরকারে প্রতি আহ্বান জানিয়েছে মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। একটি স্বাধীন কমিশন গঠনের মাধ্যমে গুমের ঘটনার স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক তদন্ত নিশ্চিত করার দাবি করেছে সংস্থাটি। আসক বলেছে, দেশি ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন বারবার আশঙ্কা প্রকাশ সত্ত্বেও গুমের ধারা অব্যাহত রয়েছে। এই ঘৃণ্য অপরাধ বন্ধে রাষ্ট্রের শক্তিশালী ভূমিকা দাবি করেছে তারা। আসকের নির্বাহী পরিচালক শীপা হাফিজার স্বাক্ষর করা এ বিবৃতিটি দেওয়া হয় আজ মঙ্গলবার। বিবৃতিতে গুমের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে আসক। গণমাধ্যমের সূত্র ধরে বিবৃতিতে বলা হয়, এ বছরের ২২ আগস্ট থেকে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত ১০ জন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ব্যক্তির নিখোঁজের ঘটনা ঘটেছে। গত ২৬ আগস্ট কানাডার ম্যাকগিল বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ইশরাক আহমেদ ফাহিম রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে নিখোঁজ হন। বিভিন্ন গণমাধ্যমসূত্রে জানা যায়, তিনি ঈদের ছুটি শেষে কানাডায় ফিরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। একটি অনলাইনভিত্তিক সংবাদমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিক উৎপল দাসকেও গত ১০ অক্টোবর থেকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। মানুষরে মন থেকে এসব ঘটনার রেশ মিলিয়ে না যেতেই ঢাকায় জোরপূর্বক অন্তর্ধান বা গুমের ঘটনা ঘটেই চলেছে। ৭ নভেম্বর নিখোঁজ হন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মোবাশ্বার হাসান। সেদিন তিনি তাঁর বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আর ফিরে আসেননি। ৮ নভেম্বর নিখোঁজ হন তানভীর ইয়াসিন করিম নামের একজন প্রকাশক। জানা যায়, ঢাকার গুলশান থেকে সাদাপোশাকে কিছু লোক তাঁকে তুলে নিয়ে যায়। আসকের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘জোরপূর্বক অন্তর্ধান বা গুমের সংখ্যা এই আলোচিত ঘটনাগুলোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। নাগরিক সমাজ ও মানবাধিকারকর্মীদের বারবার দাবি সত্ত্বেও আমাদের দেশের আইনে জোরপূর্বক অন্তর্ধানের বিষয়টিকে এখন পর্যন্ত আলাদাভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়নি। রাষ্ট্রের কোনো প্রকার সংশ্লিষ্টতাকে অস্বীকার করে এই ভয়াবহ অপরাধটিকে এখনো ‘অপহরণ’-এর আওতায় সংজ্ঞায়িত করা হয়। কিন্তু এ ক্ষেত্রেও রাষ্ট্রের দায়িত্ব রয়েছে নাগরিকের জীবনের নিরাপত্তা দিয়ে এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে বিচার নিশ্চিত করা।’ বিবৃতিতে বলা হয়, ‘এ ধরনের ঘটনা মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ হিসেবে বিবেচ্য। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আক্রান্ত ব্যক্তিকে নিরাপত্তা বাহিনী বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিচয়ে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ আছে। তবে নিরাপত্তা বাহিনী বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সব সময়ই এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে তাদের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। যদিও অপহৃত বা গুমের শিকার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে কয়েকজনকে নিরাপত্তা বাহিনী বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরবর্তী সময়ে আদালতে সোপর্দ করেছে এবং তারা জীবিত রয়েছে কিন্তু অধিকাংশেরই কোনো হদিস পাওয়া যায়নি। কিছু ক্ষেত্রে আঘাতের চিহ্নসহ অপহৃত বা গুমের শিকার হওয়া ব্যক্তিদের লাশ পাওয়া গেছে।’

Comments

Comments!

 গুম বন্ধে রাষ্ট্রকে শক্তিশালী ভূমিকা রাখা উচিত: আসকAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

গুম বন্ধে রাষ্ট্রকে শক্তিশালী ভূমিকা রাখা উচিত: আসক

Tuesday, November 14, 2017 11:19 pm
1510675767

একের পর এক জোরপূর্বক অন্তর্ধান বা গুমের ঘটনাকে অস্বীকার না করার জন্য সরকারে প্রতি আহ্বান জানিয়েছে মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। একটি স্বাধীন কমিশন গঠনের মাধ্যমে গুমের ঘটনার স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক তদন্ত নিশ্চিত করার দাবি করেছে সংস্থাটি।

আসক বলেছে, দেশি ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন বারবার আশঙ্কা প্রকাশ সত্ত্বেও গুমের ধারা অব্যাহত রয়েছে। এই ঘৃণ্য অপরাধ বন্ধে রাষ্ট্রের শক্তিশালী ভূমিকা দাবি করেছে তারা।

আসকের নির্বাহী পরিচালক শীপা হাফিজার স্বাক্ষর করা এ বিবৃতিটি দেওয়া হয় আজ মঙ্গলবার। বিবৃতিতে গুমের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে আসক।

গণমাধ্যমের সূত্র ধরে বিবৃতিতে বলা হয়, এ বছরের ২২ আগস্ট থেকে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত ১০ জন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ব্যক্তির নিখোঁজের ঘটনা ঘটেছে। গত ২৬ আগস্ট কানাডার ম্যাকগিল বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ইশরাক আহমেদ ফাহিম রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে নিখোঁজ হন। বিভিন্ন গণমাধ্যমসূত্রে জানা যায়, তিনি ঈদের ছুটি শেষে কানাডায় ফিরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। একটি অনলাইনভিত্তিক সংবাদমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিক উৎপল দাসকেও গত ১০ অক্টোবর থেকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। মানুষরে মন থেকে এসব ঘটনার রেশ মিলিয়ে না যেতেই ঢাকায় জোরপূর্বক অন্তর্ধান বা গুমের ঘটনা ঘটেই চলেছে। ৭ নভেম্বর নিখোঁজ হন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মোবাশ্বার হাসান। সেদিন তিনি তাঁর বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আর ফিরে আসেননি। ৮ নভেম্বর নিখোঁজ হন তানভীর ইয়াসিন করিম নামের একজন প্রকাশক। জানা যায়, ঢাকার গুলশান থেকে সাদাপোশাকে কিছু লোক তাঁকে তুলে নিয়ে যায়।

আসকের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘জোরপূর্বক অন্তর্ধান বা গুমের সংখ্যা এই আলোচিত ঘটনাগুলোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। নাগরিক সমাজ ও মানবাধিকারকর্মীদের বারবার দাবি সত্ত্বেও আমাদের দেশের আইনে জোরপূর্বক অন্তর্ধানের বিষয়টিকে এখন পর্যন্ত আলাদাভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়নি। রাষ্ট্রের কোনো প্রকার সংশ্লিষ্টতাকে অস্বীকার করে এই ভয়াবহ অপরাধটিকে এখনো ‘অপহরণ’-এর আওতায় সংজ্ঞায়িত করা হয়। কিন্তু এ ক্ষেত্রেও রাষ্ট্রের দায়িত্ব রয়েছে নাগরিকের জীবনের নিরাপত্তা দিয়ে এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে বিচার নিশ্চিত করা।’
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘এ ধরনের ঘটনা মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ হিসেবে বিবেচ্য। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আক্রান্ত ব্যক্তিকে নিরাপত্তা বাহিনী বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিচয়ে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ আছে। তবে নিরাপত্তা বাহিনী বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সব সময়ই এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে তাদের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। যদিও অপহৃত বা গুমের শিকার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে কয়েকজনকে নিরাপত্তা বাহিনী বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরবর্তী সময়ে আদালতে সোপর্দ করেছে এবং তারা জীবিত রয়েছে কিন্তু অধিকাংশেরই কোনো হদিস পাওয়া যায়নি। কিছু ক্ষেত্রে আঘাতের চিহ্নসহ অপহৃত বা গুমের শিকার হওয়া ব্যক্তিদের লাশ পাওয়া গেছে।’

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X