শনিবার, ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১২ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, বিকাল ৩:৪৪
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Friday, December 16, 2016 9:20 am
A- A A+ Print

গোপনে সমুদ্র থেকে ৩ টন স্বর্ণ আহরণ!

%e0%a7%ab

টমি জি থমসন। আধুনিক ইতিহাসের অন্যতম নামকরা গুপ্তধন আহরণকারী। সমুদ্রের গভীর থেকে ৩ টন স্বর্ণ আহরণ করেছেন। স্বর্ণোদ্ধার অভিযানে বিনিয়োগকারীদের তাতে ভাগ দেননি। এর জের ধরে এখন বন্দি আছেন যুক্তরাষ্ট্রের জেলে। তবে তার উদ্ধার করা স্বর্ণ কোথায় আছে- তা এখনও জানা যায়নি। স্বর্ণের সন্ধান না দেয়া পর্যন্ত তার মুক্তিও মিলছে না। ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৮৫৭ সালে আটলান্টিক মহাসাগরে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়ে এসএস সেন্ট্রাল আমেরিকা নামের জাহাজটি। সাউথ ক্যারোলিনার উপকূলে জাহাজটি ডুবে যায়। মৃত্যু হয় অন্তত ৪২৫ জন মানুষের। কিন্তু ওই জাহাজে থাকা ৩ টনের বেশি স্বর্ণের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। উদ্ধার হয়নি জাহাজের ধ্বংসাবশেষও। ঘটনার ১৩০ বছর পর গুপ্তধনভর্তি ওই জাহাজের সন্ধানে নামেন টমি থমসন। জাহাজভাঙা শিল্পের তরুণ ইঞ্জিনিয়ার থমসন তান সন্ধান অভিযানের সুবিধার্থে ‘নেমো’ নামের একটি রোবট তৈরি করেন। সেই রোবট সমুদ্রের ৮ হাজার ফুট গভীরে নেমে খুঁজে বেড়ায় গুপ্তধনভর্তি ডুবে যাওয়া জাহাজের। কয়েক বছর ধরে চলে এই অভিযান। সন্ধান অভিযানের ব্যয় মেটাতে অর্থ সাহায্য নেয়া হয় অন্তত ১৬০ জন বিনিয়োগকারীর কাছ থেকে। ১৯৮৯ সালের থমসনের ডুবুরিরা ঊনবিংশ শতাব্দীর বিরল স্বর্ণমুদ্রার খোঁজ পায়। এর আকার ছিল তৎকালীন ইতিহাসের সর্ববৃহৎ স্বর্ণখণ্ডের ১৫ গুণ। এ ব্যাপারে সে সময় পত্রপত্রিকায় প্রতিবেদনও প্রকাশ পায়। তবে তখন পর্যন্ত বলা হচ্ছিল জাহাজের ৯৫ শতাংশই এখনও অনাবিষ্কৃত। পরবর্তীকালে থমসন তার গুপ্তধন উদ্ধার নিয়ে খুব একটা তথ্য প্রকাশ করেননি। ২০০০ সালে থমসনের উদ্ধার কাজে বিনিয়োগকারীদের দু’জন ফেডারেল আদালতে থমসনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, থমসন গুপ্তধনের সব স্বর্ণ বিক্রি করে একাই লাভবান হয়েছেন। ২০১২ সালে ফ্লোরিডার একটি হোটেল থেকে থমসনকে গ্রেফতার করা হয়, সেখানে তিনি ভুয়া নাম নিয়ে প্রেমিকার সঙ্গে অবস্থান করছিলেন। প্রায় চার বছর ধরে ওহাইওর জেলে বন্দি থাকলেও গুপ্তধনের ব্যাপারে কোনো তথ্য প্রকাশ করেননি থমসন। অনেক খোঁজখবর করেও সরকারও তার রহস্য উদ্ধার করতে পারেনি। সমুদ্রের গভীরে নিমজ্জিত ওই জাহাজের ধ্বংসাবশেষেও আর কোনো গুপ্তধন অবশিষ্ট নেই।

Comments

Comments!

 গোপনে সমুদ্র থেকে ৩ টন স্বর্ণ আহরণ!AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

গোপনে সমুদ্র থেকে ৩ টন স্বর্ণ আহরণ!

Friday, December 16, 2016 9:20 am
%e0%a7%ab

টমি জি থমসন। আধুনিক ইতিহাসের অন্যতম নামকরা গুপ্তধন আহরণকারী। সমুদ্রের গভীর থেকে ৩ টন স্বর্ণ আহরণ করেছেন। স্বর্ণোদ্ধার অভিযানে বিনিয়োগকারীদের তাতে ভাগ দেননি। এর জের ধরে এখন বন্দি আছেন যুক্তরাষ্ট্রের জেলে। তবে তার উদ্ধার করা স্বর্ণ কোথায় আছে- তা এখনও জানা যায়নি। স্বর্ণের সন্ধান না দেয়া পর্যন্ত তার মুক্তিও মিলছে না। ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৮৫৭ সালে আটলান্টিক মহাসাগরে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়ে এসএস সেন্ট্রাল আমেরিকা নামের জাহাজটি। সাউথ ক্যারোলিনার উপকূলে জাহাজটি ডুবে যায়। মৃত্যু হয় অন্তত ৪২৫ জন মানুষের। কিন্তু ওই জাহাজে থাকা ৩ টনের বেশি স্বর্ণের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। উদ্ধার হয়নি জাহাজের ধ্বংসাবশেষও। ঘটনার ১৩০ বছর পর গুপ্তধনভর্তি ওই জাহাজের সন্ধানে নামেন টমি থমসন। জাহাজভাঙা শিল্পের তরুণ ইঞ্জিনিয়ার থমসন তান সন্ধান অভিযানের সুবিধার্থে ‘নেমো’ নামের একটি রোবট তৈরি করেন। সেই রোবট সমুদ্রের ৮ হাজার ফুট গভীরে নেমে খুঁজে বেড়ায় গুপ্তধনভর্তি ডুবে যাওয়া জাহাজের। কয়েক বছর ধরে চলে এই অভিযান। সন্ধান অভিযানের ব্যয় মেটাতে অর্থ সাহায্য নেয়া হয় অন্তত ১৬০ জন বিনিয়োগকারীর কাছ থেকে। ১৯৮৯ সালের থমসনের ডুবুরিরা ঊনবিংশ শতাব্দীর বিরল স্বর্ণমুদ্রার খোঁজ পায়। এর আকার ছিল তৎকালীন ইতিহাসের সর্ববৃহৎ স্বর্ণখণ্ডের ১৫ গুণ। এ ব্যাপারে সে সময় পত্রপত্রিকায় প্রতিবেদনও প্রকাশ পায়। তবে তখন পর্যন্ত বলা হচ্ছিল জাহাজের ৯৫ শতাংশই এখনও অনাবিষ্কৃত। পরবর্তীকালে থমসন তার গুপ্তধন উদ্ধার নিয়ে খুব একটা তথ্য প্রকাশ করেননি। ২০০০ সালে থমসনের উদ্ধার কাজে বিনিয়োগকারীদের দু’জন ফেডারেল আদালতে থমসনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, থমসন গুপ্তধনের সব স্বর্ণ বিক্রি করে একাই লাভবান হয়েছেন। ২০১২ সালে ফ্লোরিডার একটি হোটেল থেকে থমসনকে গ্রেফতার করা হয়, সেখানে তিনি ভুয়া নাম নিয়ে প্রেমিকার সঙ্গে অবস্থান করছিলেন। প্রায় চার বছর ধরে ওহাইওর জেলে বন্দি থাকলেও গুপ্তধনের ব্যাপারে কোনো তথ্য প্রকাশ করেননি থমসন। অনেক খোঁজখবর করেও সরকারও তার রহস্য উদ্ধার করতে পারেনি। সমুদ্রের গভীরে নিমজ্জিত ওই জাহাজের ধ্বংসাবশেষেও আর কোনো গুপ্তধন অবশিষ্ট নেই।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X