রবিবার, ২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১৩ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, দুপুর ১:৪৮
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Tuesday, January 3, 2017 9:57 am
A- A A+ Print

চকচক চোকার

12

নব্বইয়ের দশকের গোড়ার দিকে গলার সঙ্গে লেগে থাকা হার পরার বেশ চল ছিল। ইংরেজিতে যাকে বলা হয় চোকার। তখন অবশ্য মেয়েরা শাড়ির সঙ্গেই এ রকম হার পরতেন। ইদানীং আবার ফিরে এসেই এই চোকার। তবে ফ্যাশনে যা হয়, পুরোনো কিছু ফিরে এলে তা নতুন আঙ্গিকে ফিরে আসে। সেই ধারাতে চোকার এখন সব রকমের পোশাকের সঙ্গে পরা হচ্ছে। ফ্যাশন ডিজাইনার লিপি খন্দকারের একটি কথা বেশ মনে ধরল। তিনি জানালেন, ‘এখন ফ্যাশন কোনো ব্যাকরণ কিংবা সূত্র মেনে হয় না। অর্থাৎ এটার সঙ্গে এটা পরা যাবে, বা এমন পোশাকের সঙ্গে ওই ধরনের গয়নাই পরতে হবে—এমন পরামর্শ এখন আর চলে না।’ আগের চোকারের সঙ্গে এখনকার চোকারের নকশাতেও বেশ পার্থক্য দেখা যাচ্ছে। গলায় পরার এ ধরনের গয়না কিন্তু বেশ পুরোনো। প্রাচীন মিসরের নারীরাও গলায় মখমল ও ধাতুর তৈরি চোকার পরতেন। সেই সময়ের পর, ১৯ শতকের মাঝামাঝি এসে যুক্তরাজ্যের রানি আলেকজান্দ্রা অব ডেনমার্কের অনুসরণে ফ্যাশনেবল নারীরা আবারও চোকার পরতে শুরু করেন। আর প্রিন্সেস ডায়ানার রাজকীয় সব চোকারের নকশা না জানি এখনো কত তরুণীর মনে গেঁথে আছে। পারিবারিক অ্যালবামে নানি-দাদিদের কোনো ছবি খুঁজে পেলে দেখবেন, হয়তো চোখে পড়ে যেতে পারে ঐতিহ্যবাহী নকশার চোকার। ঘুরেফিরে বারবার ফ্যাশনপ্রেমীরা অনুষঙ্গ হিসেবে চোকার বেছে নিয়েছেন। মখমল কাপড়ে বসানো ধাতব চোকারও এখন জনপ্রিয়। গয়না: ওপাল ফ্যাশনওয়্যারকথা হলো অনলাইনভিত্তিক দোকান ওপাল ফ্যাশনওয়্যারের স্বত্বাধিকারী রুবায়া দীপার সঙ্গে। বললেন, কম বয়সী মেয়েরা সাধারণ চোকারের দিকেই বেশি ঝুঁকছে। একদম সমান মখমলের একটি ফিতা বা নেটের লেইস এখন পশ্চিমা পোশাকের সঙ্গে সবচেয়ে স্টাইলিশ। পাশাপাশি ধাতব চোকারগুলোও। সাধারণত, দেড় ইঞ্চি প্রস্থের চোকারই এখন মেয়েরা বেশি পরছেন।কুন্দন ও মুক্তার কাজের ঝুল দেওয়া চোকারগুলো শাড়ির সঙ্গে বেশি মানায়। ​শাড়ি: অঞ্জনস কোনো কোনোটার মাঝখানে আবার পাথর বা ধাতুর নকশা করা থাকে। তবে কিছু চোকার আছে, যা ছোট-বড় করার উপায় থাকে না, এ ধরনের হার গলার মাপের সঙ্গে মিলিয়ে কেনা উচিত। বাজার ঘুরে দেখা গেল, গয়নার দোকানে ঐতিহ্যবাহী নকশার চোকারও এসেছে অনেক। অ্যারাবিয়ানসের বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্সের ব্যবস্থাপক চন্দন কুমার জানান, কুন্দন ও মুক্তার চোকার শাড়ির সঙ্গে মানুষ বেশি চায়। ডায়মন্ড কাটিং ও নিচ্ছেন কেউ কেউ। সোনার আসল রঙের পাশাপাশি তামাটে রঙের গয়নাও চলছে এখন। আর বিয়ের মৌসুমে এর চাহিদা আরও বেড়ে গেছে। বিয়ের কনেরা লেহেঙ্গা ও শাড়ির সঙ্গে চোকার পরছেন আজকাল। চন্দন কুমার মনে করেন, একটু জমকালো অনুষ্ঠানে চোকারের সঙ্গে লম্বা সীতাহার পরলে ভালো দেখায়। এর সঙ্গে কানে পাশা বা একদম ছোট ঝুমকা পরা যেতে পারে। লম্বা গলায় চোকার মানায় বেশি৷ মডেল: কানিজসাধারণ চোকারের সঙ্গে কানে কী পরা যায়? লিপি খন্দকার বলেন, ‘গলায় চোকার থাকলে আমি অনেক সময় কানে কিছু পরিও না। আর পরলে খুব ছোট টপ পরা যেতে পারে। একদম সমান চোকার সালোয়ার কামিজ ও পশ্চিমা নকশার পোশাকের সঙ্গে খুব মানায়। আর ঝুল দেওয়া চোকার ভালো লাগে শাড়ির সঙ্গে।’ রুবায়া দীপাও তাই বললেন। আরেকটি বিষয়েও তাঁরা দুজন একই পরামর্শ দিয়েছেন। তাঁদের দুজনের মতে, লম্বা গলার মেয়েদের চোকার মানায় সবচেয়ে বেশি। ছোট ও মোটা গলা যাঁদের, তাঁরা এই গয়না এড়িয়ে গেলেই ভালো। মডেল: অবণিগলায় এই গয়না পরলে চুল উঁচু করে বাঁধবেন, না ছেড়ে দেবেন তা নির্ভর করবে পোশাক, গড়ন, বয়স ও অনুষ্ঠানের ওপর। চোকার পাবেন বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স, মেট্রো শপিং মল, গাউছিয়া মার্কেটসহ বেশ কিছু বড় মার্কেটের গয়নার দোকানগুলোতে। অনলাইনভিত্তিক বেশ কিছু দোকানেও মিলবে ব্যতিক্রমী নকশার চোকারের খোঁজ।

Comments

Comments!

 চকচক চোকারAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

চকচক চোকার

Tuesday, January 3, 2017 9:57 am
12

নব্বইয়ের দশকের গোড়ার দিকে গলার সঙ্গে লেগে থাকা হার পরার বেশ চল ছিল। ইংরেজিতে যাকে বলা হয় চোকার। তখন অবশ্য মেয়েরা শাড়ির সঙ্গেই এ রকম হার পরতেন। ইদানীং আবার ফিরে এসেই এই চোকার। তবে ফ্যাশনে যা হয়, পুরোনো কিছু ফিরে এলে তা নতুন আঙ্গিকে ফিরে আসে। সেই ধারাতে চোকার এখন সব রকমের পোশাকের সঙ্গে পরা হচ্ছে।
ফ্যাশন ডিজাইনার লিপি খন্দকারের একটি কথা বেশ মনে ধরল। তিনি জানালেন, ‘এখন ফ্যাশন কোনো ব্যাকরণ কিংবা সূত্র মেনে হয় না। অর্থাৎ এটার সঙ্গে এটা পরা যাবে, বা এমন পোশাকের সঙ্গে ওই ধরনের গয়নাই পরতে হবে—এমন পরামর্শ এখন আর চলে না।’ আগের চোকারের সঙ্গে এখনকার চোকারের নকশাতেও বেশ পার্থক্য দেখা যাচ্ছে। গলায় পরার এ ধরনের গয়না কিন্তু বেশ পুরোনো। প্রাচীন মিসরের নারীরাও গলায় মখমল ও ধাতুর তৈরি চোকার পরতেন। সেই সময়ের পর, ১৯ শতকের মাঝামাঝি এসে যুক্তরাজ্যের রানি আলেকজান্দ্রা অব ডেনমার্কের অনুসরণে ফ্যাশনেবল নারীরা আবারও চোকার পরতে শুরু করেন। আর প্রিন্সেস ডায়ানার রাজকীয় সব চোকারের নকশা না জানি এখনো কত তরুণীর মনে গেঁথে আছে।
পারিবারিক অ্যালবামে নানি-দাদিদের কোনো ছবি খুঁজে পেলে দেখবেন, হয়তো চোখে পড়ে যেতে পারে ঐতিহ্যবাহী নকশার চোকার। ঘুরেফিরে বারবার ফ্যাশনপ্রেমীরা অনুষঙ্গ হিসেবে চোকার বেছে নিয়েছেন।
মখমল কাপড়ে বসানো ধাতব চোকারও এখন জনপ্রিয়। গয়না: ওপাল ফ্যাশনওয়্যারকথা হলো অনলাইনভিত্তিক দোকান ওপাল ফ্যাশনওয়্যারের স্বত্বাধিকারী রুবায়া দীপার সঙ্গে। বললেন, কম বয়সী মেয়েরা সাধারণ চোকারের দিকেই বেশি ঝুঁকছে। একদম সমান মখমলের একটি ফিতা বা নেটের লেইস এখন পশ্চিমা পোশাকের সঙ্গে সবচেয়ে স্টাইলিশ। পাশাপাশি ধাতব চোকারগুলোও। সাধারণত, দেড় ইঞ্চি প্রস্থের চোকারই এখন মেয়েরা বেশি পরছেন।কুন্দন ও মুক্তার কাজের ঝুল দেওয়া চোকারগুলো শাড়ির সঙ্গে বেশি মানায়। ​শাড়ি: অঞ্জনস কোনো কোনোটার মাঝখানে আবার পাথর বা ধাতুর নকশা করা থাকে। তবে কিছু চোকার আছে, যা ছোট-বড় করার উপায় থাকে না, এ ধরনের হার গলার মাপের সঙ্গে মিলিয়ে কেনা উচিত।
বাজার ঘুরে দেখা গেল, গয়নার দোকানে ঐতিহ্যবাহী নকশার চোকারও এসেছে অনেক। অ্যারাবিয়ানসের বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্সের ব্যবস্থাপক চন্দন কুমার জানান, কুন্দন ও মুক্তার চোকার শাড়ির সঙ্গে মানুষ বেশি চায়। ডায়মন্ড কাটিং ও নিচ্ছেন কেউ কেউ। সোনার আসল রঙের পাশাপাশি তামাটে রঙের গয়নাও চলছে এখন। আর বিয়ের মৌসুমে এর চাহিদা আরও বেড়ে গেছে। বিয়ের কনেরা লেহেঙ্গা ও শাড়ির সঙ্গে চোকার পরছেন আজকাল। চন্দন কুমার মনে করেন, একটু জমকালো অনুষ্ঠানে চোকারের সঙ্গে লম্বা সীতাহার পরলে ভালো দেখায়। এর সঙ্গে কানে পাশা বা একদম ছোট ঝুমকা পরা যেতে পারে।
লম্বা গলায় চোকার মানায় বেশি৷ মডেল: কানিজসাধারণ চোকারের সঙ্গে কানে কী পরা যায়? লিপি খন্দকার বলেন, ‘গলায় চোকার থাকলে আমি অনেক সময় কানে কিছু পরিও না। আর পরলে খুব ছোট টপ পরা যেতে পারে। একদম সমান চোকার সালোয়ার কামিজ ও পশ্চিমা নকশার পোশাকের সঙ্গে খুব মানায়। আর ঝুল দেওয়া চোকার ভালো লাগে শাড়ির সঙ্গে।’
রুবায়া দীপাও তাই বললেন। আরেকটি বিষয়েও তাঁরা দুজন একই পরামর্শ দিয়েছেন। তাঁদের দুজনের মতে, লম্বা গলার মেয়েদের চোকার মানায় সবচেয়ে বেশি। ছোট ও মোটা গলা যাঁদের, তাঁরা এই গয়না এড়িয়ে গেলেই ভালো।
মডেল: অবণিগলায় এই গয়না পরলে চুল উঁচু করে বাঁধবেন, না ছেড়ে দেবেন তা নির্ভর করবে পোশাক, গড়ন, বয়স ও অনুষ্ঠানের ওপর।
চোকার পাবেন বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স, মেট্রো শপিং মল, গাউছিয়া মার্কেটসহ বেশ কিছু বড় মার্কেটের গয়নার দোকানগুলোতে। অনলাইনভিত্তিক বেশ কিছু দোকানেও মিলবে ব্যতিক্রমী নকশার চোকারের খোঁজ।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X