শনিবার, ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১২ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ১০:০১
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Thursday, September 14, 2017 8:06 pm
A- A A+ Print

চালের কেজি ৭০ থেকে ৮০ টাকায় ওঠানোর চেষ্টা হচ্ছে : অভিযোগ খাদ্যমন্ত্রীর

২৬

চালের কেজি ৭০ থেকে ৮০ টাকায় ওঠানোর চেষ্টা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম। তিনি বলেন, দেশের কিছু অসাধু চাল ব্যবসায়ী ও মিল মালিক চাল নিয়ে চালবাজি শুরু করেছে। প্রতি মণ ধান উৎপাদনে কৃষকের খরচ হয় ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকা। তিনি যদি প্রতি মণ ধান এক হাজার টাকায় বিক্রি করতে না পারেন তাহলে কীভাবে চলবে? কিন্তু তাই বলে চালের দাম কি ৭০-৮০ টাকায় উঠবে?’ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন। খাদ্যমন্ত্রী বলেন,  চালের মূল্য বৃদ্ধির পর আমরা ট্যাক্স তুলে দিলাম। এরপর ভারত থেকে ৬ লাখ টন চাল আমদানি হয়েছে। এগুলো ব্যবসায়ী ও আড়ৎদারদের কাছে আছে। তারপরও চাল নিয়ে চালবাজি ও রাজনীতি হচ্ছে। বন্যা ও রোগবালাইয়ের কারণে ফসলহানির পরেও এক কোটি ৯২ লাখ টন ধান ঘরে উঠেছিল জানিয়ে তিনি বলেন, দেশের ভেতর এত চাল থাকলেও এনিয়ে চালবাজি ও রাজনীতি হচ্ছে। খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘উদ্দেশ্যমূলকভাবে দেশকে একটি অস্থির পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিতে সুক্ষ্ম কারচুপি হচ্ছে। সরকারকে বিব্রত করার চেষ্টা চলছে। মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হচ্ছে।’ তিনি বলেন, ‘আমরা চালবাজি ও ষড়যন্ত্রের মধ্যে আছি। কারণ বাংলাদেশেই এক কোটি টন চাল আছে, তারপরেও এই অবস্থা।’ ক্ষমতাসীন দলের এই মন্ত্রী বলেন, ‘মজুতদার, আড়ৎদার, মিল মালিকসহ সবার প্রতি আমি আহ্বান জানাব- এখনই ভালো হয়ে যান, সময় আছে। এখনও সময় আছে ভালো হয়ে যান। আপনারা যেভাবে চালের দাম বাড়াচ্ছেন, যেভাবে সিন্ডিকেট করে দেশে চালবাজি শুরু করেছেন, চাল নিয়ে রাজনীতি শুরু করেছেন, একটা বিভ্রাট সৃষ্টির চেষ্টা করছেন তা কোনো অবস্থাতেই বরদাস্ত করা হবে না। এখনই শেষ সুযোগ আপনাদের, ভালো হয়ে যান।’ এবার এক কোটি ৯১ লাখ টন বোরো উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল জানিয়ে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বন্যা ও রোগবালাইয়ে দেশে ২০ লাখ টন ফসল নষ্ট হয়েছে। এক কোটি ৭০ লাখ টন বোরো ধান পেয়েছি। এসব ধান আমাদের ঘরেই আছে, আরও ২২ লাখ টন আউশ ধান পেয়েছি। ফসলহানির পরেও ১ কোটি ৯২ লাখ টন ধান আমাদের ঘরে এসেছে। কাজেই সব ধান তো চলে যায়নি, চাল তো আছে।’ দেশে দিনে ৮৫ হাজার টন চাল লাগে জানিয়ে কামরুল বলেন, ‘গত চার মাসে আমরা ১ কোটি ২ লাখ টন চাল খেয়েছি। আরও এক কোটি টন চাল দেশে আছে। হয় মিল মালিক, আড়ৎদার, না হয় ছোট-বড় ব্যবসায়ী; কারও না কারও বাড়িতে এসব চাল আছে। এরপরেও চালের দাম বেড়ে যাচ্ছে।’ সরকারি বিতরণ ব্যবস্থায় চালের কোনো সংকট নেই দাবি করে তিনি বলেন, ‘আমদানির চাল এক ছটাকও বাইরে (বাজারে) যাচ্ছে না।’ কামরুল বলেন, ‘আমি আপনাদের আশ্বস্ত করতে চাই, আমার কাছে চালের যে মজুদ আছে তাতে (সরকারি বিতরণ ব্যবস্থায়) কোনো সমস্যা হবে না। গোডাউনে চাল থাকা না থাকার সঙ্গে মার্কেটের কোনো সম্পর্ক নেই।’ আগামী রোববার থেকে দেশের সব বিভাগীয় ও জেলা শহরে ওএমএস (খোলা বাজারে বিক্রি) চালু হবে জানিয়ে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, কতদিন পর্যন্ত চলবে তা বলতে পারছি না, যতদিন পর্যন্ত প্রয়োজন ততদিন বহাল থাকবে।

Comments

Comments!

 চালের কেজি ৭০ থেকে ৮০ টাকায় ওঠানোর চেষ্টা হচ্ছে : অভিযোগ খাদ্যমন্ত্রীরAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

চালের কেজি ৭০ থেকে ৮০ টাকায় ওঠানোর চেষ্টা হচ্ছে : অভিযোগ খাদ্যমন্ত্রীর

Thursday, September 14, 2017 8:06 pm
২৬

চালের কেজি ৭০ থেকে ৮০ টাকায় ওঠানোর চেষ্টা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, দেশের কিছু অসাধু চাল ব্যবসায়ী ও মিল মালিক চাল নিয়ে চালবাজি শুরু করেছে। প্রতি মণ ধান উৎপাদনে কৃষকের খরচ হয় ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকা। তিনি যদি প্রতি মণ ধান এক হাজার টাকায় বিক্রি করতে না পারেন তাহলে কীভাবে চলবে? কিন্তু তাই বলে চালের দাম কি ৭০-৮০ টাকায় উঠবে?’

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন,  চালের মূল্য বৃদ্ধির পর আমরা ট্যাক্স তুলে দিলাম। এরপর ভারত থেকে ৬ লাখ টন চাল আমদানি হয়েছে। এগুলো ব্যবসায়ী ও আড়ৎদারদের কাছে আছে। তারপরও চাল নিয়ে চালবাজি ও রাজনীতি হচ্ছে।

বন্যা ও রোগবালাইয়ের কারণে ফসলহানির পরেও এক কোটি ৯২ লাখ টন ধান ঘরে উঠেছিল জানিয়ে তিনি বলেন, দেশের ভেতর এত চাল থাকলেও এনিয়ে চালবাজি ও রাজনীতি হচ্ছে।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘উদ্দেশ্যমূলকভাবে দেশকে একটি অস্থির পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিতে সুক্ষ্ম কারচুপি হচ্ছে। সরকারকে বিব্রত করার চেষ্টা চলছে। মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা চালবাজি ও ষড়যন্ত্রের মধ্যে আছি। কারণ বাংলাদেশেই এক কোটি টন চাল আছে, তারপরেও এই অবস্থা।’

ক্ষমতাসীন দলের এই মন্ত্রী বলেন, ‘মজুতদার, আড়ৎদার, মিল মালিকসহ সবার প্রতি আমি আহ্বান জানাব- এখনই ভালো হয়ে যান, সময় আছে। এখনও সময় আছে ভালো হয়ে যান। আপনারা যেভাবে চালের দাম বাড়াচ্ছেন, যেভাবে সিন্ডিকেট করে দেশে চালবাজি শুরু করেছেন, চাল নিয়ে রাজনীতি শুরু করেছেন, একটা বিভ্রাট সৃষ্টির চেষ্টা করছেন তা কোনো অবস্থাতেই বরদাস্ত করা হবে না। এখনই শেষ সুযোগ আপনাদের, ভালো হয়ে যান।’

এবার এক কোটি ৯১ লাখ টন বোরো উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল জানিয়ে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বন্যা ও রোগবালাইয়ে দেশে ২০ লাখ টন ফসল নষ্ট হয়েছে। এক কোটি ৭০ লাখ টন বোরো ধান পেয়েছি। এসব ধান আমাদের ঘরেই আছে, আরও ২২ লাখ টন আউশ ধান পেয়েছি। ফসলহানির পরেও ১ কোটি ৯২ লাখ টন ধান আমাদের ঘরে এসেছে। কাজেই সব ধান তো চলে যায়নি, চাল তো আছে।’

দেশে দিনে ৮৫ হাজার টন চাল লাগে জানিয়ে কামরুল বলেন, ‘গত চার মাসে আমরা ১ কোটি ২ লাখ টন চাল খেয়েছি। আরও এক কোটি টন চাল দেশে আছে। হয় মিল মালিক, আড়ৎদার, না হয় ছোট-বড় ব্যবসায়ী; কারও না কারও বাড়িতে এসব চাল আছে। এরপরেও চালের দাম বেড়ে যাচ্ছে।’

সরকারি বিতরণ ব্যবস্থায় চালের কোনো সংকট নেই দাবি করে তিনি বলেন, ‘আমদানির চাল এক ছটাকও বাইরে (বাজারে) যাচ্ছে না।’

কামরুল বলেন, ‘আমি আপনাদের আশ্বস্ত করতে চাই, আমার কাছে চালের যে মজুদ আছে তাতে (সরকারি বিতরণ ব্যবস্থায়) কোনো সমস্যা হবে না। গোডাউনে চাল থাকা না থাকার সঙ্গে মার্কেটের কোনো সম্পর্ক নেই।’

আগামী রোববার থেকে দেশের সব বিভাগীয় ও জেলা শহরে ওএমএস (খোলা বাজারে বিক্রি) চালু হবে জানিয়ে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, কতদিন পর্যন্ত চলবে তা বলতে পারছি না, যতদিন পর্যন্ত প্রয়োজন ততদিন বহাল থাকবে।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X