শনিবার, ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১২ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ৩:৫৭
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Tuesday, May 16, 2017 10:11 pm
A- A A+ Print

চালের বাজারে এই দুর্যোগ মনুষ্যসৃষ্ট : খাদ্যমন্ত্রী

Kamrul20170516220526

চালের মূল্য বৃদ্ধির কারণ হিসেবে অসাধু মজুতদার ব্যবসায়ী ও মিল মালিকদের দায়ী করেছেন খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম। তিনি বলেন, চালের বাজারে এই দুর্যোগ মনুষ্যসৃষ্ট। হাওর অঞ্চলে বন্যায় ৩ শতাংশ অর্থাৎ ছয় লাখ মেট্রিক টন ধান নষ্ট হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে রংপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে চলমান গম ও বোরো সংগ্রহ বিষয়ে মাঠ পর্যায়ে কর্মকর্তাদের নিয়ে সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এসব কথা বলেন। খাদ্যমন্ত্রী বলেন, হাওর ছাড়াও বিভিন্ন কারণে আরো সাত লাখ মেট্রিক টন ধান নষ্ট হয়েছে। এই সুযোগে সরকারের বিরুদ্ধবাদী ব্যবসায়ী ও মিল মালিকরা প্যানিক সৃষ্টি করে বাজার অস্থিতিশীল করে তুলছে। তাদের চিহিৃত করা হচ্ছে এবং তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরো বলেন, মিলাররা এবার সরকারি গোডাউনে ধান চাল বিক্রি করবে না বলে একটি মহল গুজব ছড়াচ্ছে। সারা দেশে ধান চাল ক্রয় অভিযান শুরু হয়েছে। মিলাররা চুক্তিপত্র করেছে এবং মোটা অংকের টাকা জামানত দিয়েছে । গুজবকে ভিত্তিহীন দাবি করে তিনি বলেন, মিলাররা স্বতঃস্ফূর্তভাবে সরকারের খাদ্য গুদামগুলোর সঙ্গে চুক্তি করেছে। সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে এ ধরনের গুজব ছড়ানো হচ্ছে। কামরুল ইসলাম বলেন, দেশে কোনো প্রকার খাদ্য সংকট নেই। এর আগে একটি মহল ভারতীয় নিম্নমানের চালে বাজার সয়লাব করে এদেশের কৃষককে ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত করার চেষ্টা করেছিল। এবার এটা করতে দেওয়া যাবে না। তিনি বলেন, এখন মোটা জাতের ধান পুরোপুরি কাটা-মাড়াই শুরু হয়নি। এ ধান বাজারে আসতে শুরু করলে চালের দাম কমে যাবে। এ ছাড়া সরকারে সংগ্রহ অভিযান জোরদার হলে চালের দাম এমনিতেই কমে যাবে। জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামানের সভাপতিত্বে এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বদরুল হাসান, রংপুর বিভাগীয় আঞ্চলিক খাদ্য কর্মকর্তা রায়হানুল কবির। অনুষ্ঠানে রংপুর বিভাগের ১৩০ জন মিলার সরকারের সঙ্গে চাল ক্রয়ের চুক্তি করে। এবার রংপুর বিভাগে দুই লাখ আট হাজার মেট্রিক টন চাল ক্রয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

Comments

Comments!

 চালের বাজারে এই দুর্যোগ মনুষ্যসৃষ্ট : খাদ্যমন্ত্রীAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

চালের বাজারে এই দুর্যোগ মনুষ্যসৃষ্ট : খাদ্যমন্ত্রী

Tuesday, May 16, 2017 10:11 pm
Kamrul20170516220526
চালের মূল্য বৃদ্ধির কারণ হিসেবে অসাধু মজুতদার ব্যবসায়ী ও মিল মালিকদের দায়ী করেছেন খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, চালের বাজারে এই দুর্যোগ মনুষ্যসৃষ্ট। হাওর অঞ্চলে বন্যায় ৩ শতাংশ অর্থাৎ ছয় লাখ মেট্রিক টন ধান নষ্ট হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকেলে রংপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে চলমান গম ও বোরো সংগ্রহ বিষয়ে মাঠ পর্যায়ে কর্মকর্তাদের নিয়ে সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এসব কথা বলেন।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, হাওর ছাড়াও বিভিন্ন কারণে আরো সাত লাখ মেট্রিক টন ধান নষ্ট হয়েছে। এই সুযোগে সরকারের বিরুদ্ধবাদী ব্যবসায়ী ও মিল মালিকরা প্যানিক সৃষ্টি করে বাজার অস্থিতিশীল করে তুলছে। তাদের চিহিৃত করা হচ্ছে এবং তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরো বলেন, মিলাররা এবার সরকারি গোডাউনে ধান চাল বিক্রি করবে না বলে একটি মহল গুজব ছড়াচ্ছে। সারা দেশে ধান চাল ক্রয় অভিযান শুরু হয়েছে। মিলাররা চুক্তিপত্র করেছে এবং মোটা অংকের টাকা জামানত দিয়েছে ।

গুজবকে ভিত্তিহীন দাবি করে তিনি বলেন, মিলাররা স্বতঃস্ফূর্তভাবে সরকারের খাদ্য গুদামগুলোর সঙ্গে চুক্তি করেছে। সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে এ ধরনের গুজব ছড়ানো হচ্ছে।

কামরুল ইসলাম বলেন, দেশে কোনো প্রকার খাদ্য সংকট নেই। এর আগে একটি মহল ভারতীয় নিম্নমানের চালে বাজার সয়লাব করে এদেশের কৃষককে ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত করার চেষ্টা করেছিল। এবার এটা করতে দেওয়া যাবে না।

তিনি বলেন, এখন মোটা জাতের ধান পুরোপুরি কাটা-মাড়াই শুরু হয়নি। এ ধান বাজারে আসতে শুরু করলে চালের দাম কমে যাবে। এ ছাড়া সরকারে সংগ্রহ অভিযান জোরদার হলে চালের দাম এমনিতেই কমে যাবে।

জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামানের সভাপতিত্বে এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বদরুল হাসান, রংপুর বিভাগীয় আঞ্চলিক খাদ্য কর্মকর্তা রায়হানুল কবির।

অনুষ্ঠানে রংপুর বিভাগের ১৩০ জন মিলার সরকারের সঙ্গে চাল ক্রয়ের চুক্তি করে। এবার রংপুর বিভাগে দুই লাখ আট হাজার মেট্রিক টন চাল ক্রয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X