সোমবার, ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৭ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সন্ধ্যা ৭:৫৭
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Saturday, July 30, 2016 10:47 am
A- A A+ Print

চীনে ৩৪ বছর পর পরস্পরকে চিনলো দুই জমজ

148505_1

   
বেইজিং: চীনের ঝেজিয়াং প্রদেশের শাওজিং এলাকায় জন্ম নেয়া দুই জমজ ভাই দীর্ঘ ৩৪ বছর পর পরস্পরকে চিনতে পারেন।  তাদের নাম মা জিয়ানহুয়া ও লি রংফুর।  আর সকলের কাছে সেটি প্রকাশ পায় আরো দশ বছর পর। অর্থাৎ তাদের বয়স যখন ৪৪ বছর তখন সবাই জানলো যে, পাশাপাশি বাড়িতে বেড়ে ওঠা এই দুই যুবক পরস্পর জমজ ভাই। দুই জমজের এমন কাহিনীর পিছনে রয়েছে করুণ অতীত।  মা জিয়ানহুয়া ও লি রংফুরের জন্ম ১৯৭২ সালে।  দরিদ্র পরিবারের পাঁচ বোনের পর জন্ম এই দুই ভাইয়ের।
সন্তানদের লালন পালনে অক্ষম বাবা-মা তাই দত্তক দেন তাদের দু'জনকে।  তখন তাদের দুই ভাইয়ের বয়স মাত্র তিন মাস।  বাড়ি থেকে এক হাজার কিলোমিটার দূরের হেনান প্রদেশের একটি গ্রামে পাশাপাশি দুটি বাড়িতে দত্তক দেয়া হয় এ দুই ভাইকে। তবে দত্তক নেয়া পরিবার দুটির মধ্যে ঘনিষ্ঠতা না থাকায় দুই ভাই জানতে পারেনি পরস্পরের কথা।  যদিও দুজনে একই স্কুলের একই শ্রেণিতে পড়াশুনা করেছে। জন্ম নিবন্ধন নম্বর পাশাপাশি এবং দুজনের চেহারা ও উচ্চতা একই রকম হওয়ায় শিক্ষকরা দুইজনকে ক্লাসে একই সঙ্গে বসাতেন।  দিনে দিনে দুজনের মধ্যে চমৎকার বন্ধুত্বও গড়ে ওঠে।  দীর্ঘ সময় সে ভাবেই কেটে যায়। কিন্তু আকস্মিক এক ঘটনায় জীবনের মোড় ফেরে দুই জমজের।  দশ বছর আগে অল্পদিনের ব্যবধানে মা জিয়ানহুয়ার দত্তক বাবা-মা মারা যায়।  সে খুবই ভেঙে পড়ে। ঠিক সে সময় লি রংফুর দত্তক পিতা একদিন একটি পুরনো ছবি নিয়ে মা’র কাছে আসে।  সে মা’কে খুলে বলে তার জমজ ভাইয়ের কথা এবং তাদের কোথা থেকে দত্তক নেয়া হয়েছে সে ব্যাপারেও ধারণা দেয়। দুই জমজ পরস্পরকে খুঁজে পাওয়ার পর, তাৎক্ষণিকভাবে তাদের আসল পিতা-মাতার সন্ধান শুরু করেনি।  অথবা সন্ধান করলেও তা কাউকে জানায়নি, লিয়ের দত্তক পিতা-মাতা কষ্ট পেতে পারেন এই আশঙ্কায়। সম্প্রতি কয়েক বছর ধরে তারা এ ব্যাপারে খোঁজ-খবর শুরু করে এবং ঝেজিয়াং প্রদেশে তাদের ভাইবোনদের সাথে যোগাযোগ করতে সক্ষম হয়।  পরিবারের সদস্যদের সাথে মিলিত হওয়ার পর জানতে পারে, তাদের আসল পিতা-মাতা অনেক বছর আগেই মারা গেছেন। দত্তক বাবা-মার সত্য গোপন করার বিষয়ে কোন আক্ষেপ নেই জানিয়ে মা জিয়ানহুয়া বলেন, ‘আমি তাদের অবস্থাটা বুঝতে পারছি।  তাদের জায়গায় থাকলে আমিও হয়তো এ কাজ করতাম’। শিগগিরই তিন পরিবারের সকল সদস্যদের একত্রিত করবেন বলে জানান লি।

Comments

Comments!

 চীনে ৩৪ বছর পর পরস্পরকে চিনলো দুই জমজAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

চীনে ৩৪ বছর পর পরস্পরকে চিনলো দুই জমজ

Saturday, July 30, 2016 10:47 am
148505_1

 

 

বেইজিং: চীনের ঝেজিয়াং প্রদেশের শাওজিং এলাকায় জন্ম নেয়া দুই জমজ ভাই দীর্ঘ ৩৪ বছর পর পরস্পরকে চিনতে পারেন।  তাদের নাম মা জিয়ানহুয়া ও লি রংফুর।  আর সকলের কাছে সেটি প্রকাশ পায় আরো দশ বছর পর।

অর্থাৎ তাদের বয়স যখন ৪৪ বছর তখন সবাই জানলো যে, পাশাপাশি বাড়িতে বেড়ে ওঠা এই দুই যুবক পরস্পর জমজ ভাই।

দুই জমজের এমন কাহিনীর পিছনে রয়েছে করুণ অতীত।  মা জিয়ানহুয়া ও লি রংফুরের জন্ম ১৯৭২ সালে।  দরিদ্র পরিবারের পাঁচ বোনের পর জন্ম এই দুই ভাইয়ের।

সন্তানদের লালন পালনে অক্ষম বাবা-মা তাই দত্তক দেন তাদের দু’জনকে।  তখন তাদের দুই ভাইয়ের বয়স মাত্র তিন মাস।  বাড়ি থেকে এক হাজার কিলোমিটার দূরের হেনান প্রদেশের একটি গ্রামে পাশাপাশি দুটি বাড়িতে দত্তক দেয়া হয় এ দুই ভাইকে।

তবে দত্তক নেয়া পরিবার দুটির মধ্যে ঘনিষ্ঠতা না থাকায় দুই ভাই জানতে পারেনি পরস্পরের কথা।  যদিও দুজনে একই স্কুলের একই শ্রেণিতে পড়াশুনা করেছে।

জন্ম নিবন্ধন নম্বর পাশাপাশি এবং দুজনের চেহারা ও উচ্চতা একই রকম হওয়ায় শিক্ষকরা দুইজনকে ক্লাসে একই সঙ্গে বসাতেন।  দিনে দিনে দুজনের মধ্যে চমৎকার বন্ধুত্বও গড়ে ওঠে।  দীর্ঘ সময় সে ভাবেই কেটে যায়।

কিন্তু আকস্মিক এক ঘটনায় জীবনের মোড় ফেরে দুই জমজের।  দশ বছর আগে অল্পদিনের ব্যবধানে মা জিয়ানহুয়ার দত্তক বাবা-মা মারা যায়।  সে খুবই ভেঙে পড়ে।

ঠিক সে সময় লি রংফুর দত্তক পিতা একদিন একটি পুরনো ছবি নিয়ে মা’র কাছে আসে।  সে মা’কে খুলে বলে তার জমজ ভাইয়ের কথা এবং তাদের কোথা থেকে দত্তক নেয়া হয়েছে সে ব্যাপারেও ধারণা দেয়।

দুই জমজ পরস্পরকে খুঁজে পাওয়ার পর, তাৎক্ষণিকভাবে তাদের আসল পিতা-মাতার সন্ধান শুরু করেনি।  অথবা সন্ধান করলেও তা কাউকে জানায়নি, লিয়ের দত্তক পিতা-মাতা কষ্ট পেতে পারেন এই আশঙ্কায়।

সম্প্রতি কয়েক বছর ধরে তারা এ ব্যাপারে খোঁজ-খবর শুরু করে এবং ঝেজিয়াং প্রদেশে তাদের ভাইবোনদের সাথে যোগাযোগ করতে সক্ষম হয়।  পরিবারের সদস্যদের সাথে মিলিত হওয়ার পর জানতে পারে, তাদের আসল পিতা-মাতা অনেক বছর আগেই মারা গেছেন।

দত্তক বাবা-মার সত্য গোপন করার বিষয়ে কোন আক্ষেপ নেই জানিয়ে মা জিয়ানহুয়া বলেন, ‘আমি তাদের অবস্থাটা বুঝতে পারছি।  তাদের জায়গায় থাকলে আমিও হয়তো এ কাজ করতাম’।

শিগগিরই তিন পরিবারের সকল সদস্যদের একত্রিত করবেন বলে জানান লি।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X