রবিবার, ১৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৬ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ৭:৩৭
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Friday, September 8, 2017 8:08 pm
A- A A+ Print

‘চীন-ভারত সম্পর্ক লাইনচ্যুত হয়নি, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে’

af241af253b6e6586cc8c1228d9b84c2-59b29813215ef

চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বলেছেন, চীন ও ভারতের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক ‘লাইনচ্যুত’ হয়নি। তবে তিনি স্বীকার করেছেন, ৭৩ দিন স্থায়ী ‘ডোকলাম সংকট’ নয়াদিল্লি ও বেইজিংয়ের মধ্যে সম্পর্ক ‘ক্ষতিগ্রস্ত ও প্রভাবিত’ করেছে। আজ শুক্রবার ভারতের ‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’ পত্রিকার এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে। অতি সম্প্রতি চীনের বন্দরনগরী সিয়ামেনে ব্রিকস সম্মেলনের এক ফাঁকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের মধ্যে আলোচনার পর এই প্রথম এ বিষয়ে মুখ খুললেন ওয়াং ই। সিকিম সীমান্তে ভুটানের কাছে অবস্থিত বিরোধপূর্ণ ডোকলাম মালভূমি নিয়ে চীন ও ভারতের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল। ডোকলাম উপত্যকাটিকে নিজের বলে দাবি করে চীন ও ভুটান। উত্তেজনার শুরু ডোকলাম অঞ্চলের দোলামে চীনের সড়ক নির্মাণের জোগাড়যন্ত্রের মধ্য দিয়ে। সিকিম-ভুটান সীমান্তের এ জায়গাটি চীনে ‘দংলাং’ নামে পরিচিত। নিজ এলাকায় চীনের এ তৎপরতার বিরোধিতা করে ভুটান। এতে সমর্থন দেয় ভারত। ভুটানের দাবির পক্ষে ভারত সমর্থন জানানোয় নয়াদিল্লির সঙ্গে বেইজিংয়ের উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। বৃহস্পতিবার চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ওয়াং বলেন, ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক কক্ষচ্যুত হয়নি। তাঁরা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের গুরুত্বের ওপর জোর দিচ্ছেন। সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে চীনের মন্ত্রী বলেন, চীন ভারতের (সম্পর্কের) উন্নয়ন বিশ্বের ভবিষ্যৎ নিয়ন্তা। উভয় পক্ষের জন্য সমান সুযোগই এখানে অনিবার্য পছন্দ হওয়া উচিত। দুই দেশের সম্পর্কের জন্য এটাই সঠিক অভিমুখ। ওয়াং বলেন, দুই দেশেরই অতীত থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিত। দ্বন্দ্ব এড়িয়ে শান্তিপূর্ণ সীমান্ত বজায় রাখা উচিত। দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত পারস্পরিক আস্থার পরিবেশ গড়ে তোলার ওপর তিনি জোর দেন। ওয়াং বলেন, চীন ও ভারতের একসঙ্গে কাজ করা উচিত এবং একে অপরকে বিবেচনা করা উচিত সহযোগিতার অংশীদার হিসেবে। পুরোনো ধ্যান-ধারণার মানসিকতা এবং একে অপরকে শত্রু ভাবা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী যেদিন শান্তি ও সহযোগিতা প্রতিষ্ঠার কথা বলেছেন, সে দিনই অবশ্যই ভারতের সেনাপ্রধান বিপিন রাওয়াত বলেছেন, চীন ও পাকিস্তানের সঙ্গে দ্বিমুখী যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হওয়া উচিত তাঁর দেশের। রাজধানী নয়াদিল্লিতে গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর ল্যান্ড ওয়ারফেয়ার স্টাডিজ আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

Comments

Comments!

 ‘চীন-ভারত সম্পর্ক লাইনচ্যুত হয়নি, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে’AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

‘চীন-ভারত সম্পর্ক লাইনচ্যুত হয়নি, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে’

Friday, September 8, 2017 8:08 pm
af241af253b6e6586cc8c1228d9b84c2-59b29813215ef

চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বলেছেন, চীন ও ভারতের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক ‘লাইনচ্যুত’ হয়নি। তবে তিনি স্বীকার করেছেন, ৭৩ দিন স্থায়ী ‘ডোকলাম সংকট’ নয়াদিল্লি ও বেইজিংয়ের মধ্যে সম্পর্ক ‘ক্ষতিগ্রস্ত ও প্রভাবিত’ করেছে।

আজ শুক্রবার ভারতের ‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’ পত্রিকার এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
অতি সম্প্রতি চীনের বন্দরনগরী সিয়ামেনে ব্রিকস সম্মেলনের এক ফাঁকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের মধ্যে আলোচনার পর এই প্রথম এ বিষয়ে মুখ খুললেন ওয়াং ই।
সিকিম সীমান্তে ভুটানের কাছে অবস্থিত বিরোধপূর্ণ ডোকলাম মালভূমি নিয়ে চীন ও ভারতের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল। ডোকলাম উপত্যকাটিকে নিজের বলে দাবি করে চীন ও ভুটান। উত্তেজনার শুরু ডোকলাম অঞ্চলের দোলামে চীনের সড়ক নির্মাণের জোগাড়যন্ত্রের মধ্য দিয়ে। সিকিম-ভুটান সীমান্তের এ জায়গাটি চীনে ‘দংলাং’ নামে পরিচিত। নিজ এলাকায় চীনের এ তৎপরতার বিরোধিতা করে ভুটান। এতে সমর্থন দেয় ভারত। ভুটানের দাবির পক্ষে ভারত সমর্থন জানানোয় নয়াদিল্লির সঙ্গে বেইজিংয়ের উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
বৃহস্পতিবার চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ওয়াং বলেন, ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক কক্ষচ্যুত হয়নি। তাঁরা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের গুরুত্বের ওপর জোর দিচ্ছেন। সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে চীনের মন্ত্রী বলেন, চীন ভারতের (সম্পর্কের) উন্নয়ন বিশ্বের ভবিষ্যৎ নিয়ন্তা। উভয় পক্ষের জন্য সমান সুযোগই এখানে অনিবার্য পছন্দ হওয়া উচিত। দুই দেশের সম্পর্কের জন্য এটাই সঠিক অভিমুখ।
ওয়াং বলেন, দুই দেশেরই অতীত থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিত। দ্বন্দ্ব এড়িয়ে শান্তিপূর্ণ সীমান্ত বজায় রাখা উচিত। দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত পারস্পরিক আস্থার পরিবেশ গড়ে তোলার ওপর তিনি জোর দেন।
ওয়াং বলেন, চীন ও ভারতের একসঙ্গে কাজ করা উচিত এবং একে অপরকে বিবেচনা করা উচিত সহযোগিতার অংশীদার হিসেবে। পুরোনো ধ্যান-ধারণার মানসিকতা এবং একে অপরকে শত্রু ভাবা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।
চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী যেদিন শান্তি ও সহযোগিতা প্রতিষ্ঠার কথা বলেছেন, সে দিনই অবশ্যই ভারতের সেনাপ্রধান বিপিন রাওয়াত বলেছেন, চীন ও পাকিস্তানের সঙ্গে দ্বিমুখী যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হওয়া উচিত তাঁর দেশের। রাজধানী নয়াদিল্লিতে গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর ল্যান্ড ওয়ারফেয়ার স্টাডিজ আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X