শনিবার, ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১২ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ৩:৪৮
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Sunday, October 1, 2017 9:21 pm
A- A A+ Print

‘চোখে কালো কাপড় বেঁধে রোহিঙ্গাদের নিয়ে যাচ্ছে সেনাবাহিনী’

1

মিয়ানমারের সেনাবাহিনী এবার ভিন্ন পথে হাটছে। চোখে কালো কাপড় বেঁধে নিয়ে যাচ্ছে রোহিঙ্গাদের। এমন ধরপাকড় থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা এর বিষদ বর্ণনা দিয়েছেন। গত এক সপ্তাহ ধরে যে সব রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে তাদের প্রত্যেকের মুখে একই কথা। ২৯শে সেপ্টেম্বর পালিয়ে আসা নতুন রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সেনাবাহিনীরা ঘরে ঘরে গিয়ে পুরুষদের আটক করে চোখে কালো কাপড় বেঁধে নিয়ে যাচ্ছে। ফলে ধরপাকড়ের ভয়ে রোহিঙ্গারা পালিয়ে আসতে বাধ্য হচ্ছে। সূত্র মতে, মিয়ানমারের রাখাইনে ৪৮৬ টি মুসলমানদের গ্রাম রয়েছে। এর মধ্যে ২০৪ টি গ্রাম ইতিমধ্যে জ্বালিয়ে নিশ্চিহ্ন করেছে সে দেশের সেনাবাহিনী ও মগরা। এতে কয়েক হাজার মুসলিম নর-নারী ও শিশুর প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। শুধু তাই নই মুসলমানদের গৃহপালিত গরু, মহিষ, ছাগলসহ অনেক জীব জন্তু পুড়িয়ে মেরেছে সেনারা। প্রাণ বাঁচাতে রোহিঙ্গা মুসলিমরা এগ্রাম থেকে ওগ্রামে আশ্রয় নিচ্ছে। বেশির ভাগ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে। অনেক রোহিঙ্গা পরিবার কষ্ট ভোগ করে রাখাইনে রয়ে যায়। নিজ জন্মভূমি ছেড়ে এদেশে আসতে চায়নি। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকেও মাইকিং করা হয়েছে গ্রাম ছেড়ে চলে না যেতে। এতে রোহিঙ্গা মুসলিমরা কিছুটা আশ্বস্ত হলেও আতঙ্ক ও ভয় নিয়ে মাটি আঁকড়ে রয়ে যায় রাখাইনে। কিন্তু সেনারা তাদের কথা রাখেনি। এক সপ্তাহ ধরে রাতের বেলায় বাড়িতে হানা দিয়ে পুরুষদের আটক করছে। ফলে রাখাইনে থাকার আশা ছেড়ে দিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয়ে আসতে বাধ্য হয়েছে অনেকেই। এমন অভিযোগ পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের। মংডুর লামার পাড়ার নুরুল আমিনের স্ত্রী গোল ছেহের (৪৫) জানান, শনিবার সেনারা হ্যান্ড মাইক নিয়ে গ্রামে গ্রামে মাইকিং করে বাংলাদেশে না আসতে বলেছে। তাদের আর নির্যাতন করা হবেনা বলে আশ্বস্ত করে। তাদের কথায় বিশ্বাস করে বাংলাদেশে পালিয়ে আসিনি। কিন্তু রাতে সেনার দল এসে পুরুষদের ধরে চোখ বেঁধে নিয়ে গেছে। তাদের এক গ্রাম থেকে এক রাতেই ৬০ জন পুরুষ আটক করে নিয়ে যায়। সেখানে তার স্বামী নুরুল আমিনও রয়েছে। কাঁদতে কাঁদতে গোল ছেহের বলেন, এক সপ্তাহ ধরে ঘর থেকে বের হতে দেয়নি সেনারা। ফলে পরিবারের ৭ ছেলে মেয়েদের নিয়ে অর্ধাহারে অনাহারে দিনাতিপাত করতে হয়েছে। সবশেষ গ্রামের ৪টি পরিবারের একসাথে গত বৃহস্পতিবার শাহ্‌পরীরদ্বীপ সীমান্ত দিয়ে ১০ লাখ কিয়াতের বিনিময়ে এপারে ঢুকেছি। মংডুর গইন্যাপাড়া গ্রামের পরমিন আক্তার (২০) জানান, সেনাদের চারদিক আক্রমণ শুরু হলে তারাও এগ্রাম থেকে ওগ্রামে পালাতে থাকে। সহিংসতার এক সপ্তাতে তাদের গ্রামে আগুন দিয়ে ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দিয়েছে। তবুও নিজ দেশ ছেড়ে পালিয়ে আসতে চায়নি। কিন্তু সেনারা বাড়ি থেকে বের হতে না দিয়ে পুরুষদের ধরে নিয়ে গেছে। এতে তার স্বামী মো. জুবাইরও রয়েছে। কাজ কর্ম করতে না পারায় দু’মুঠো ভাতও পেটে দিতে পারছে না। তাই বাধ্য হয়ে ছোট ছেলে নিয়ে এপারে চলে এসেছি। মংডুর ৫ নং ওয়ার্ডের নয়াপাড়ার মৃত মকতুল হোছেনের পুত্র কবির আহমদ (৫৫) জানান, সহিংসতার প্রথম দিকেই ঘরবাড়িসহ পুরো গ্রাম জ্বালিয়ে দিয়েছে সেনারা। পরিবারের বড় ছেলে মেয়েরা এপারে চলে আসলেও স্ত্রী ও এক ছেলেকে নিয়ে জন্মভূমি ছেড়ে আসতে চাইনি। অপর একটি গ্রামে আশ্রয় নিয়েছি। কিন্তু সেনাদের থাবা সেখানে থামেনি। তাই বাধ্য হয়ে চলে এসেছি। পাহাড়ে হাজার হাজার রোহিঙ্গা: গন্তব্য বাংলাদেশ গত এক মাস ধরে রাখাইনের পশ্চিম-দক্ষিণ ও উত্তরের গ্রামগুলো থেকে লাখ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসলেও পূর্ব দক্ষিণের রোহিঙ্গাদের সংখ্যা খুবই কম। ওইসব গ্রাম থেকে বাংলাদেশে আসতে হলে কয়েকটি পাহাড় হেঁটে সীমান্তে পৌঁছতে হয়। এর মধ্যে বুছিডং, রাছিডং থানা অন্যতম। এই থানার বিভিন্ন গ্রামের হাজার হাজার মানুষ সীমান্ত পাড়ি দিতে গ্রাম ছেড়ে পাহাড়ে অবস্থান করছে বলে জানিয়েছে রাছিডংয়ের নিলম্বা পাড়ার শব্বির আহমদ। তিনি বলেন, দুইদিন ধরে হেঁটে তারা ১০ পরিবার পাহাড় অতিক্রম করেছে। এতোদিন মৃত্যুকে মেনে নিয়ে গ্রামে অবস্থানে ছিলাম। কিন্তু সেনাবাহিনী কাউকে ঘর থেকে বের হতে দিচ্ছে না। ফলে কাজ কর্ম করতে বের হওয়া যায় না। এছাড়া কোথাও কাজ কর্মও করা যায় না। ফলে কতদিন না খেয়ে থাকা যায়। পরিবারের ছোট ছোট ছেলে মেয়েদের আর কতই বা মিথ্যা সান্ত্বনা দেবো। অর্ধাহারে অনাহারে থাকতে না পেয়ে গ্রাম ছাড়তে বাধ্য হয়েছি। এখন রাখাইনে মারাত্মক খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে। মানুষ না খেয়ে হাড্ডিসার হয়ে যাচ্ছে। সেনাদের সামনে থেকে বের হওয়াও যাচ্ছে না। এক প্রকার বন্দি অবস্থায় ঘরের ভিতর দিনাতিপাত করতে হচ্ছে।

Comments

Comments!

 ‘চোখে কালো কাপড় বেঁধে রোহিঙ্গাদের নিয়ে যাচ্ছে সেনাবাহিনী’AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

‘চোখে কালো কাপড় বেঁধে রোহিঙ্গাদের নিয়ে যাচ্ছে সেনাবাহিনী’

Sunday, October 1, 2017 9:21 pm
1

মিয়ানমারের সেনাবাহিনী এবার ভিন্ন পথে হাটছে। চোখে কালো কাপড় বেঁধে নিয়ে যাচ্ছে রোহিঙ্গাদের। এমন ধরপাকড় থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা এর বিষদ বর্ণনা দিয়েছেন। গত এক সপ্তাহ ধরে যে সব রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে তাদের প্রত্যেকের মুখে একই কথা।
২৯শে সেপ্টেম্বর পালিয়ে আসা নতুন রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সেনাবাহিনীরা ঘরে ঘরে গিয়ে পুরুষদের আটক করে চোখে কালো কাপড় বেঁধে নিয়ে যাচ্ছে। ফলে ধরপাকড়ের ভয়ে রোহিঙ্গারা পালিয়ে আসতে বাধ্য হচ্ছে।
সূত্র মতে, মিয়ানমারের রাখাইনে ৪৮৬ টি মুসলমানদের গ্রাম রয়েছে। এর মধ্যে ২০৪ টি গ্রাম ইতিমধ্যে জ্বালিয়ে নিশ্চিহ্ন করেছে সে দেশের সেনাবাহিনী ও মগরা। এতে কয়েক হাজার মুসলিম নর-নারী ও শিশুর প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। শুধু তাই নই মুসলমানদের গৃহপালিত গরু, মহিষ, ছাগলসহ অনেক জীব জন্তু পুড়িয়ে মেরেছে সেনারা। প্রাণ বাঁচাতে রোহিঙ্গা মুসলিমরা এগ্রাম থেকে ওগ্রামে আশ্রয় নিচ্ছে। বেশির ভাগ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে। অনেক রোহিঙ্গা পরিবার কষ্ট ভোগ করে রাখাইনে রয়ে যায়। নিজ জন্মভূমি ছেড়ে এদেশে আসতে চায়নি। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকেও মাইকিং করা হয়েছে গ্রাম ছেড়ে চলে না যেতে। এতে রোহিঙ্গা মুসলিমরা কিছুটা আশ্বস্ত হলেও আতঙ্ক ও ভয় নিয়ে মাটি আঁকড়ে রয়ে যায় রাখাইনে। কিন্তু সেনারা তাদের কথা রাখেনি। এক সপ্তাহ ধরে রাতের বেলায় বাড়িতে হানা দিয়ে পুরুষদের আটক করছে। ফলে রাখাইনে থাকার আশা ছেড়ে দিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয়ে আসতে বাধ্য হয়েছে অনেকেই। এমন অভিযোগ পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের।
মংডুর লামার পাড়ার নুরুল আমিনের স্ত্রী গোল ছেহের (৪৫) জানান, শনিবার সেনারা হ্যান্ড মাইক নিয়ে গ্রামে গ্রামে মাইকিং করে বাংলাদেশে না আসতে বলেছে। তাদের আর নির্যাতন করা হবেনা বলে আশ্বস্ত করে। তাদের কথায় বিশ্বাস করে বাংলাদেশে পালিয়ে আসিনি। কিন্তু রাতে সেনার দল এসে পুরুষদের ধরে চোখ বেঁধে নিয়ে গেছে। তাদের এক গ্রাম থেকে এক রাতেই ৬০ জন পুরুষ আটক করে নিয়ে যায়। সেখানে তার স্বামী নুরুল আমিনও রয়েছে। কাঁদতে কাঁদতে গোল ছেহের বলেন, এক সপ্তাহ ধরে ঘর থেকে বের হতে দেয়নি সেনারা। ফলে পরিবারের ৭ ছেলে মেয়েদের নিয়ে অর্ধাহারে অনাহারে দিনাতিপাত করতে হয়েছে। সবশেষ গ্রামের ৪টি পরিবারের একসাথে গত বৃহস্পতিবার শাহ্‌পরীরদ্বীপ সীমান্ত দিয়ে ১০ লাখ কিয়াতের বিনিময়ে এপারে ঢুকেছি।
মংডুর গইন্যাপাড়া গ্রামের পরমিন আক্তার (২০) জানান, সেনাদের চারদিক আক্রমণ শুরু হলে তারাও এগ্রাম থেকে ওগ্রামে পালাতে থাকে। সহিংসতার এক সপ্তাতে তাদের গ্রামে আগুন দিয়ে ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দিয়েছে। তবুও নিজ দেশ ছেড়ে পালিয়ে আসতে চায়নি। কিন্তু সেনারা বাড়ি থেকে বের হতে না দিয়ে পুরুষদের ধরে নিয়ে গেছে। এতে তার স্বামী মো. জুবাইরও রয়েছে। কাজ কর্ম করতে না পারায় দু’মুঠো ভাতও পেটে দিতে পারছে না। তাই বাধ্য হয়ে ছোট ছেলে নিয়ে এপারে চলে এসেছি।
মংডুর ৫ নং ওয়ার্ডের নয়াপাড়ার মৃত মকতুল হোছেনের পুত্র কবির আহমদ (৫৫) জানান, সহিংসতার প্রথম দিকেই ঘরবাড়িসহ পুরো গ্রাম জ্বালিয়ে দিয়েছে সেনারা। পরিবারের বড় ছেলে মেয়েরা এপারে চলে আসলেও স্ত্রী ও এক ছেলেকে নিয়ে জন্মভূমি ছেড়ে আসতে চাইনি। অপর একটি গ্রামে আশ্রয় নিয়েছি। কিন্তু সেনাদের থাবা সেখানে থামেনি। তাই বাধ্য হয়ে চলে এসেছি।
পাহাড়ে হাজার হাজার
রোহিঙ্গা: গন্তব্য বাংলাদেশ
গত এক মাস ধরে রাখাইনের পশ্চিম-দক্ষিণ ও উত্তরের গ্রামগুলো থেকে লাখ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসলেও পূর্ব দক্ষিণের রোহিঙ্গাদের সংখ্যা খুবই কম। ওইসব গ্রাম থেকে বাংলাদেশে আসতে হলে কয়েকটি পাহাড় হেঁটে সীমান্তে পৌঁছতে হয়। এর মধ্যে বুছিডং, রাছিডং থানা অন্যতম। এই থানার বিভিন্ন গ্রামের হাজার হাজার মানুষ সীমান্ত পাড়ি দিতে গ্রাম ছেড়ে পাহাড়ে অবস্থান করছে বলে জানিয়েছে রাছিডংয়ের নিলম্বা পাড়ার শব্বির আহমদ। তিনি বলেন, দুইদিন ধরে হেঁটে তারা ১০ পরিবার পাহাড় অতিক্রম করেছে। এতোদিন মৃত্যুকে মেনে নিয়ে গ্রামে অবস্থানে ছিলাম। কিন্তু সেনাবাহিনী কাউকে ঘর থেকে বের হতে দিচ্ছে না। ফলে কাজ কর্ম করতে বের হওয়া যায় না। এছাড়া কোথাও কাজ কর্মও করা যায় না। ফলে কতদিন না খেয়ে থাকা যায়। পরিবারের ছোট ছোট ছেলে মেয়েদের আর কতই বা মিথ্যা সান্ত্বনা দেবো। অর্ধাহারে অনাহারে থাকতে না পেয়ে গ্রাম ছাড়তে বাধ্য হয়েছি। এখন রাখাইনে মারাত্মক খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে। মানুষ না খেয়ে হাড্ডিসার হয়ে যাচ্ছে। সেনাদের সামনে থেকে বের হওয়াও যাচ্ছে না। এক প্রকার বন্দি অবস্থায় ঘরের ভিতর দিনাতিপাত করতে হচ্ছে।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X