শুক্রবার, ২৩শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১১ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ৪:১৪
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Sunday, December 11, 2016 6:49 pm
A- A A+ Print

ছাত্রলীগের সঙ্গে ‘ভুল বোঝাবুঝিতে’ থানায় হামলা-ভাঙচুর-গুলি

photo-1481458013

হবিগঞ্জ সদর মডেল থানা ভবনে ইট পাটকেল নিক্ষেপ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। সহকারী পুলিশ সুপারের গাড়িও ভাঙচুর করা হয়েছে। এসব ঘটনায় থানার একজন উপপরিদর্শক (এসআই) আহত হয়েছেন। আজ রোববার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছে, থানায় ইট পাটকেল নিক্ষেপ ও ভাঙচুরের ঘটনায় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা জড়িত। পুলিশের দুজন কর্মকর্তা বিষয়টি স্বীকার করে জানিয়েছে, ‘ভুল বোঝাবুঝির কারণে’ ওই ঘটনা ঘটেছে। জেলা ছাত্রলীগের নেতাও জানিয়েছেন, এটা ‘ভুল বোঝাবুঝি’ ছাড়া কিছুই না। তবে পুলিশ ও ছাত্রলীগের এই ‘ভুল বোঝাবুঝি’ সমাধান করতে পুলিশকে ছয় রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়তে হয়েছে। পুলিশ জানায়, দুপুরে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে শহরের প্রধান সড়কে চেকপোস্ট বসিয়ে অবৈধ মোটরসাইকেল আটক অভিযান চালায় সদর থানা পুলিশ। এসআই শাহিদ এ অভিযানের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন। বেলা পৌনে ২টার দিকে তিনটি মোটরসাইকেলে তিনজন করে মোট নয়জন আরোহী চেকপোস্ট অতিক্রম করার সময় পুলিশ তাদের আটক করে কাগজপত্র দেখতে চায়। এ সময় পুলিশের সঙ্গে তারা অশোভন আচরণ করে। এ নিয়ে পুলিশের সাথে তাদের কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে মোটরসাইকেল আরোহীরা থানায় গিয়ে ভাঙচুর করে। এ সময় থানার এসআই অরূপ কুমার আহত হন। হবিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আ স ম শামসুর রহমান জানান, এ সময় ছয়টি গুলিবর্ষণ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ। থানা থেকে ফেরার পথে শহরের পুরাতন হাসপাতাল সড়কে সহকারী পুলিশ সুপার সুদীপ্ত রায়ের গাড়ি ভাঙচুর করে দুর্বৃত্তরা। তবে এ সময় তিনি গাড়িতে ছিলেন না। হবিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইয়াসিনুল হক বলেন, ‘কিছু ছেলেপেলে মেইনরোড থেকে থানায় ঢিল মারে। এটা একটা ভুল বোঝাবুঝি। পুলিশের প্রস্তুতি ছিল না। এরা কারা আমরা খোঁজ নিচ্ছি। ছাত্রলীগের কর্মীরা ছিল। ওরাই থানায় এসেছিল।’ হবিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শামসুর রহমান বলেন, ‘থানায় কিছু ছেলেপেলে ঢিল মারে। মোটরসাইকেলে করে তিনজন যাচ্ছিল। পুলিশ বলে দুজন করে যেতে হবে। পরে এরা উত্তেজিত হয়ে থানায় যায়। ওসির সঙ্গে কথা বলে। থানার ওসি পরে ওদের  সাথে কথা বলে বিষয়টি ম্যানেজ করে। ছাত্রলীগের স্থানীয় নেতৃত্বরা ছিল। ওরা উত্তেজিতদের নিবৃত্ত করে। অচেনা লোকজন ঢিল মারে।’ এ ব্যাপারে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মুকিতুল ইসলাম বলেন, ‘এটা একদমই ছোটখাটো ঘটনা। ছাত্রলীগের অনুষ্ঠান ছিল। অনুষ্ঠানের পর মোটরসাইকেলে করে ছাত্রলীগের কর্মীরা ফিরছিল। পরে পুলিশের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। কিন্তু পরে আমরা থানায় গিয়ে পুলিশের সঙ্গে বসে মিউচুয়াল (মিটমাট) করে ফেলেছি। ভুল বোঝাবুঝির কারণে এটা হয়েছে। আর কিছু না।’

Comments

Comments!

 ছাত্রলীগের সঙ্গে ‘ভুল বোঝাবুঝিতে’ থানায় হামলা-ভাঙচুর-গুলিAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

ছাত্রলীগের সঙ্গে ‘ভুল বোঝাবুঝিতে’ থানায় হামলা-ভাঙচুর-গুলি

Sunday, December 11, 2016 6:49 pm
photo-1481458013

হবিগঞ্জ সদর মডেল থানা ভবনে ইট পাটকেল নিক্ষেপ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। সহকারী পুলিশ সুপারের গাড়িও ভাঙচুর করা হয়েছে। এসব ঘটনায় থানার একজন উপপরিদর্শক (এসআই) আহত হয়েছেন।

আজ রোববার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছে, থানায় ইট পাটকেল নিক্ষেপ ও ভাঙচুরের ঘটনায় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা জড়িত। পুলিশের দুজন কর্মকর্তা বিষয়টি স্বীকার করে জানিয়েছে, ‘ভুল বোঝাবুঝির কারণে’ ওই ঘটনা ঘটেছে। জেলা ছাত্রলীগের নেতাও জানিয়েছেন, এটা ‘ভুল বোঝাবুঝি’ ছাড়া কিছুই না।

তবে পুলিশ ও ছাত্রলীগের এই ‘ভুল বোঝাবুঝি’ সমাধান করতে পুলিশকে ছয় রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়তে হয়েছে।

পুলিশ জানায়, দুপুরে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে শহরের প্রধান সড়কে চেকপোস্ট বসিয়ে অবৈধ মোটরসাইকেল আটক অভিযান চালায় সদর থানা পুলিশ। এসআই শাহিদ এ অভিযানের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন। বেলা পৌনে ২টার দিকে তিনটি মোটরসাইকেলে তিনজন করে মোট নয়জন আরোহী চেকপোস্ট অতিক্রম করার সময় পুলিশ তাদের আটক করে কাগজপত্র দেখতে চায়। এ সময় পুলিশের সঙ্গে তারা অশোভন আচরণ করে। এ নিয়ে পুলিশের সাথে তাদের কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে মোটরসাইকেল আরোহীরা থানায় গিয়ে ভাঙচুর করে। এ সময় থানার এসআই অরূপ কুমার আহত হন।

হবিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আ স ম শামসুর রহমান জানান, এ সময় ছয়টি গুলিবর্ষণ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ।

থানা থেকে ফেরার পথে শহরের পুরাতন হাসপাতাল সড়কে সহকারী পুলিশ সুপার সুদীপ্ত রায়ের গাড়ি ভাঙচুর করে দুর্বৃত্তরা। তবে এ সময় তিনি গাড়িতে ছিলেন না।

হবিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইয়াসিনুল হক বলেন, ‘কিছু ছেলেপেলে মেইনরোড থেকে থানায় ঢিল মারে। এটা একটা ভুল বোঝাবুঝি। পুলিশের প্রস্তুতি ছিল না। এরা কারা আমরা খোঁজ নিচ্ছি। ছাত্রলীগের কর্মীরা ছিল। ওরাই থানায় এসেছিল।’

হবিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শামসুর রহমান বলেন, ‘থানায় কিছু ছেলেপেলে ঢিল মারে। মোটরসাইকেলে করে তিনজন যাচ্ছিল। পুলিশ বলে দুজন করে যেতে হবে। পরে এরা উত্তেজিত হয়ে থানায় যায়। ওসির সঙ্গে কথা বলে। থানার ওসি পরে ওদের  সাথে কথা বলে বিষয়টি ম্যানেজ করে। ছাত্রলীগের স্থানীয় নেতৃত্বরা ছিল। ওরা উত্তেজিতদের নিবৃত্ত করে। অচেনা লোকজন ঢিল মারে।’

এ ব্যাপারে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মুকিতুল ইসলাম বলেন, ‘এটা একদমই ছোটখাটো ঘটনা। ছাত্রলীগের অনুষ্ঠান ছিল। অনুষ্ঠানের পর মোটরসাইকেলে করে ছাত্রলীগের কর্মীরা ফিরছিল। পরে পুলিশের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। কিন্তু পরে আমরা থানায় গিয়ে পুলিশের সঙ্গে বসে মিউচুয়াল (মিটমাট) করে ফেলেছি। ভুল বোঝাবুঝির কারণে এটা হয়েছে। আর কিছু না।’

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X