বৃহস্পতিবার, ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১০ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ৩:১৩
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Monday, September 19, 2016 8:46 pm
A- A A+ Print

ছেলেই আমায় বাঁচতে দিলো না- হায়রে কপাল!

%e0%a7%a8%e0%a7%a9

একটাই ছেলে আমার। কত আদর যত্নে বড় করেছি। তার কথা ভেবে আর কোনো সন্তানই নেয়নি আমরা। ব্যবসা-বাণিজ্য করে যা কামাই করেছি, সবই তার জন্য। কেবল কলেজে পড়ে সে। তার কথা মতো এর আগে একটি দামি মোটরসাইকেল কিনে দিয়েছি। সেটা বিক্রি করে সে টাকা কী করেছে তাও কেউ জানে না। কিছু দিন ধরে নতুন মোটরসাইকেল কেনার জন্য বলে আসছিল। কিন্তু তাতে রাজি না হওয়ায় ঘরে থাকা পেট্রোল দিয়ে আমার গায়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢাকা) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের আইসিইউতে শুয়ে এভাবেই নিজের দুঃখের কথা বর্ণনা করছিলেন ছেলের দেয়া আগুনে পুড়ে যাওয়া ফরিদপুরের রফিকুল হুদা পিন্টু। চিকিৎসা ফাইলে দেখা যায়, তার শরীরের ৯৫ শতাংশই পুড়ে গেছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাকে আইসিইউতে নেয়া হয়েছে। পোড়া যন্ত্রণায় ঘুমাতে পারছেন না তিনি। এরপরও তিনি কথা বলার চেষ্টা করছেন। এটা কপালের দোষ বলে মন্তব্য করেন তিনি। তিনি আরো বলেন, কোনো পরিবারে যেন এ রকম কুলাঙ্গার ছেলে না থাকে। নষ্ট বন্ধু-বান্ধবীদের সঙ্গে মিশে আজ এই অবস্থা। সমাজে এখন এটা ছড়িয়ে পড়বে। এর একটা বিহিত হওয়া দরকার। আমি মরলে তার তো সবই হবে। তখন সে যা ইচ্ছা তাই করবে। তার মাকেও সে বাঁচতে দেবে না। তার মায়ের একটা জায়গা করে দেয় যেন সবাই। এরপর তিনি আর কিছু বলেননি। বার্ন ইউনিটের আবাসিক চিকিৎসক পার্থ শঙ্কর পার্ল যমুনা নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, পিন্টু সাহেবের শরীরের ৯৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। সাধারণত ৫০ শতাংশ বার্ন হলেই চিকিৎসার ভাষায় ক্রিটিক্যালি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। আর পিন্টুর ক্ষেত্রে তা ৯৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। তার অবস্থা একেবারেই আশঙ্কাজনক বলে জানান তিনি। ওই চিকিৎসক আরো জানান, পিন্টুর স্ত্রী সিলভিয়া হুদা ও ছেলে (যে আগুন দেয়) মুগ্ধকে চিকিৎসা শেষে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। তাদের হাঁটুর নিচে পুড়ে ছিল। আইসিইউতে গিয়ে দেখা যায়, পোড়া রোগীদের মধ্যে সিরিয়াস রোগী হিসেবে একমাত্র পিন্টুই রয়েছেন। চিকিৎসকরা বার বার আসছেন তার খোঁজখবর নিতে। তার এক ভাগ্নে বর্তমানে ডাক্তার হিসেবে বিমানবাহিনীতে আছেন। তার নাম আহমেদ আহসান। লেফটেন্যান্ট কর্নেল মর্যাদার ওই চিকিৎসকও কয়েকবার এসে খোঁজ নিয়েছেন বলে জানান রোগীর সঙ্গে থাকা হারিছ মিয়া। হারিছ মিয়া পেশায় অটোচালক। ফরিদপুর সদরের কমলাপুর, কুটিবাড়ি এলাকায় পিন্টুর বাড়ির পাশে তার বাড়ি। তার অটোতে যাতায়াত করেন এই খাতিরে পিন্টুকে ভালো লাগে তার। সেই ভালোবাসার খাতিরেই ফরিদপুর থেকে এসে ঢামেক হাসপাতালে পড়ে আছেন তিনি। হারিছ মিয়া বলেন, ‘গত বৃহস্পতিবার অটো নিয়ে বাড়ির বাইরে ছিলাম। আমার স্ত্রী ফোন করে বলেন, পিন্টু ভাইদের বাড়িতে আগুন লেগেছে জলদি আসেন। তখন অটোর যাত্রী সেখানেই নামিয়ে দিয়ে ছুটে যাই ওই বাড়িতে। গিয়ে শুনি, ফরিদপুর হাসপাতালে গেছে। সেখানে গিয়ে শুনি ঢাকায় নিয়ে গেছে। তখন ঢাকা মেডিক্যালে ছুটে আসি।’ অভিযুক্ত ছেলের নাম ফারদিন হুদা মুগ্ধ (১৬) এবং মায়ের নাম সিলভিয়া হুদা (৪০)। তারা জেলা শহরের কমলাপুর ডিআইবি বটতলা এলাকার বাসিন্দা। রফিকুল হুদা সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এটিএম শামসুল হুদার ছোট ভাই। রাজ্জাক দারোগার ৬ ছেলে ও ৮ মেয়ে ছিল। এর মধ্যে এক বোন ও তিন ভাই মারা গেলেও ৭ বোন ও তিন ভাই বেঁচে আছেন। তিন ভাই হলেন শামসুল হুদা, পিন্টু ও কালু। হাসপাতালে উপস্থিত দগ্ধ রফিকুল হুদা পিন্টুর পরিচিত শহীদ নামে একজন জানান, এ বছর ফরিদপুর জিলা স্কুল থেকে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর মুগ্ধ তার বাবার কাছে নতুন মডেলের একটি মোটরসাইকেল দাবি করে। কিন্তু মোটরসাইকেল কিনে দিতে অস্বীকৃতি জানালে সে বাবার ওপর ক্ষুব্ধ হয়। এরই এক পর্যায়ে গত বৃহস্পতিবার মুগ্ধ ঘরের মধ্যে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয় মা-বাবার গায়ে। এতে রফিকুল হুদার শরীরের বিভিন্ন অংশ, সিলভিয়া হুদার পা কিছুটা পুড়ে যায়। পুড়ে যায় মুগ্ধর নিজের পায়েরও কিছু অংশ। যমুনা নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের ফরিদপুর প্রতিনিধি সরেজমিন ঘুরে জানান, ছিমছাম সুন্দর তিনতলা একটি ভবনের দ্বিতীয় তলায় একমাত্র সন্তান নিয়ে বসবাস করতেন রফিকুল-সিলভিয়া দম্পতি। ছেলেকে পাঁচ লাখের বেশি টাকার ইয়ামাহা ব্র্যান্ডের আর১৫ মডেলের একটি মোটরসাইকেল কিনে দেন তারা। সেই মোটরসাইকেলটি পরিবর্তন করে নতুন মডেলের মোটরসাইকেলের দাবি তোলে মুগ্ধ। এ নিয়েই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে যায়। এ ব্যাপারে ফরিদপুর কোতয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নাজিম উদ্দিন জানান, ঘটনাটি তাদের পারিবারিক বিষয়। তারা কেউ থানায় আসেনি। তাদের কেউ থানায় অভিযোগ দিলে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Comments

Comments!

 ছেলেই আমায় বাঁচতে দিলো না- হায়রে কপাল!AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

ছেলেই আমায় বাঁচতে দিলো না- হায়রে কপাল!

Monday, September 19, 2016 8:46 pm
%e0%a7%a8%e0%a7%a9

একটাই ছেলে আমার। কত আদর যত্নে বড় করেছি। তার কথা ভেবে আর কোনো সন্তানই নেয়নি আমরা। ব্যবসা-বাণিজ্য করে যা কামাই করেছি, সবই তার জন্য। কেবল কলেজে পড়ে সে। তার কথা মতো এর আগে একটি দামি মোটরসাইকেল কিনে দিয়েছি। সেটা বিক্রি করে সে টাকা কী করেছে তাও কেউ জানে না। কিছু দিন ধরে নতুন মোটরসাইকেল কেনার জন্য বলে আসছিল। কিন্তু তাতে রাজি না হওয়ায় ঘরে থাকা পেট্রোল দিয়ে আমার গায়ে আগুন ধরিয়ে দেয়।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢাকা) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের আইসিইউতে শুয়ে এভাবেই নিজের দুঃখের কথা বর্ণনা করছিলেন ছেলের দেয়া আগুনে পুড়ে যাওয়া ফরিদপুরের রফিকুল হুদা পিন্টু।

চিকিৎসা ফাইলে দেখা যায়, তার শরীরের ৯৫ শতাংশই পুড়ে গেছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাকে আইসিইউতে নেয়া হয়েছে। পোড়া যন্ত্রণায় ঘুমাতে পারছেন না তিনি। এরপরও তিনি কথা বলার চেষ্টা করছেন। এটা কপালের দোষ বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, কোনো পরিবারে যেন এ রকম কুলাঙ্গার ছেলে না থাকে। নষ্ট বন্ধু-বান্ধবীদের সঙ্গে মিশে আজ এই অবস্থা। সমাজে এখন এটা ছড়িয়ে পড়বে। এর একটা বিহিত হওয়া দরকার। আমি মরলে তার তো সবই হবে। তখন সে যা ইচ্ছা তাই করবে। তার মাকেও সে বাঁচতে দেবে না। তার মায়ের একটা জায়গা করে দেয় যেন সবাই। এরপর তিনি আর কিছু বলেননি।

বার্ন ইউনিটের আবাসিক চিকিৎসক পার্থ শঙ্কর পার্ল যমুনা নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, পিন্টু সাহেবের শরীরের ৯৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। সাধারণত ৫০ শতাংশ বার্ন হলেই চিকিৎসার ভাষায় ক্রিটিক্যালি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। আর পিন্টুর ক্ষেত্রে তা ৯৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। তার অবস্থা একেবারেই আশঙ্কাজনক বলে জানান তিনি।

ওই চিকিৎসক আরো জানান, পিন্টুর স্ত্রী সিলভিয়া হুদা ও ছেলে (যে আগুন দেয়) মুগ্ধকে চিকিৎসা শেষে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। তাদের হাঁটুর নিচে পুড়ে ছিল।

আইসিইউতে গিয়ে দেখা যায়, পোড়া রোগীদের মধ্যে সিরিয়াস রোগী হিসেবে একমাত্র পিন্টুই রয়েছেন। চিকিৎসকরা বার বার আসছেন তার খোঁজখবর নিতে। তার এক ভাগ্নে বর্তমানে ডাক্তার হিসেবে বিমানবাহিনীতে আছেন। তার নাম আহমেদ আহসান। লেফটেন্যান্ট কর্নেল মর্যাদার ওই চিকিৎসকও কয়েকবার এসে খোঁজ নিয়েছেন বলে জানান রোগীর সঙ্গে থাকা হারিছ মিয়া।

হারিছ মিয়া পেশায় অটোচালক। ফরিদপুর সদরের কমলাপুর, কুটিবাড়ি এলাকায় পিন্টুর বাড়ির পাশে তার বাড়ি। তার অটোতে যাতায়াত করেন এই খাতিরে পিন্টুকে ভালো লাগে তার। সেই ভালোবাসার খাতিরেই ফরিদপুর থেকে এসে ঢামেক হাসপাতালে পড়ে আছেন তিনি।

হারিছ মিয়া বলেন, ‘গত বৃহস্পতিবার অটো নিয়ে বাড়ির বাইরে ছিলাম। আমার স্ত্রী ফোন করে বলেন, পিন্টু ভাইদের বাড়িতে আগুন লেগেছে জলদি আসেন। তখন অটোর যাত্রী সেখানেই নামিয়ে দিয়ে ছুটে যাই ওই বাড়িতে। গিয়ে শুনি, ফরিদপুর হাসপাতালে গেছে। সেখানে গিয়ে শুনি ঢাকায় নিয়ে গেছে। তখন ঢাকা মেডিক্যালে ছুটে আসি।’

অভিযুক্ত ছেলের নাম ফারদিন হুদা মুগ্ধ (১৬) এবং মায়ের নাম সিলভিয়া হুদা (৪০)। তারা জেলা শহরের কমলাপুর ডিআইবি বটতলা এলাকার বাসিন্দা। রফিকুল হুদা সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এটিএম শামসুল হুদার ছোট ভাই। রাজ্জাক দারোগার ৬ ছেলে ও ৮ মেয়ে ছিল। এর মধ্যে এক বোন ও তিন ভাই মারা গেলেও ৭ বোন ও তিন ভাই বেঁচে আছেন। তিন ভাই হলেন শামসুল হুদা, পিন্টু ও কালু।

হাসপাতালে উপস্থিত দগ্ধ রফিকুল হুদা পিন্টুর পরিচিত শহীদ নামে একজন জানান, এ বছর ফরিদপুর জিলা স্কুল থেকে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর মুগ্ধ তার বাবার কাছে নতুন মডেলের একটি মোটরসাইকেল দাবি করে। কিন্তু মোটরসাইকেল কিনে দিতে অস্বীকৃতি জানালে সে বাবার ওপর ক্ষুব্ধ হয়। এরই এক পর্যায়ে গত বৃহস্পতিবার মুগ্ধ ঘরের মধ্যে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয় মা-বাবার গায়ে। এতে রফিকুল হুদার শরীরের বিভিন্ন অংশ, সিলভিয়া হুদার পা কিছুটা পুড়ে যায়। পুড়ে যায় মুগ্ধর নিজের পায়েরও কিছু অংশ।

যমুনা নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের ফরিদপুর প্রতিনিধি সরেজমিন ঘুরে জানান, ছিমছাম সুন্দর তিনতলা একটি ভবনের দ্বিতীয় তলায় একমাত্র সন্তান নিয়ে বসবাস করতেন রফিকুল-সিলভিয়া দম্পতি। ছেলেকে পাঁচ লাখের বেশি টাকার ইয়ামাহা ব্র্যান্ডের আর১৫ মডেলের একটি মোটরসাইকেল কিনে দেন তারা। সেই মোটরসাইকেলটি পরিবর্তন করে নতুন মডেলের মোটরসাইকেলের দাবি তোলে মুগ্ধ। এ নিয়েই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে যায়।

এ ব্যাপারে ফরিদপুর কোতয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নাজিম উদ্দিন জানান, ঘটনাটি তাদের পারিবারিক বিষয়। তারা কেউ থানায় আসেনি। তাদের কেউ থানায় অভিযোগ দিলে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X