সোমবার, ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৭ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সন্ধ্যা ৭:৩১
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Thursday, December 29, 2016 12:48 pm
A- A A+ Print

ছেলেরা কেন পিছিয়ে পড়ছে : প্রধানমন্ত্রী

hasina_speak_031482991317

জেএসসি, জেডিসি ও পিইসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ ও পাসের ক্ষেত্রে মেয়েদের হার বেশি থাকায় অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একই সঙ্গে ছেলেরা কেন পিছিয়ে পড়ছে সে বিষয়ে নজর দিতে বলেছেন তিনি। বৃহস্পতিবার সকালে গণভবনে জেএসসি, জেডিসি ও পিইসি পরীক্ষার ফলাফল হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর হাতে ফলাফল হস্তান্তর করেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। একই সময়ে প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার ফলাফলের অনুলিপি তুলে ধরেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান। শেখ হাসিনা বলেন, পরীক্ষায় অংশগ্রহণ ও পাসের ক্ষেত্রে লক্ষণীয়ভাবে মেয়েদের সংখ্যা বেড়েছে। এ কারণে মেয়েদের অভিনন্দন জানাই। তবে ছেলেরা কেন পিছিয়ে পড়ছে, সে বিষয়ে নজর দিতে হবে। কারণ জেন্ডার সমতা আনতে হবে। কিন্তু বাংলাদেশে জেন্ডার সমতা তো উল্টো হয়ে যাচ্ছে। এখানে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে মেয়েরাই বেশি আবার পাসের ক্ষেত্রেও মেয়েরা এগিয়ে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষা আমাদের মূল ভিত্তি। ভিত্তিটা মজবুত করতে হবে। এ জন্য প্রাথমিক শিক্ষা আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’ পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগে বেছে বেছে কয়েকজন ছাত্রছাত্রীকে আলাদাভাবে পড়ানো  হতো। কিছু বেছে নিয়ে পড়ানোর চেয়ে সব ছেলেমেয়ে পরীক্ষা দেবে- এটা ভালো। এতে করে সবাই সুযোগ পাবে। কারণ যাদের বাদ দেওয়া হয় তাদের মধ্যেও কেউ ভালো থাকতে পারে। পিইসি পরীক্ষায় অভিভাবকদের অনীহার বিষয়ে শেখ হাসিনা বলেন, বোর্ডে পরীক্ষা দিতে গেলে পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা ভয় পায়, নার্ভাস হয়ে যায়। বোর্ডের পরীক্ষা দেওয়ার যে ভীতি সেটা এখানে চলে যাচ্ছে। এ ছাড়া ছোট ছোট বাচ্চা সার্টিফিকেট পেলে মনে করে তাকে একটা স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে। এতে করে তাদের আত্মবিশ্বাস জন্মাবে। এতে করে তাদের ভিত্তি গড়ে উঠছে অত্যন্ত শক্তিশালী মজবুত হয়ে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবচেয়ে বেশি দরকার শিক্ষিত জনগোষ্ঠী। একমাত্র শিক্ষিত জাতিই পারে দেশকে দারিদ্র্যমুক্ত করতে। ক্ষমতার পালাবদল হলেও জনকল্যাণমুখী কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে বলে মনে করেন তিনি। তিনি বলেন, বাংলাদেশে সংসদীয় গণতান্ত্রিক পার্লামেন্টারি পদ্ধতিতে সরকার পরিবর্তন হবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু জনকল্যাণমুখী যে কাজগুলো আমরা হাতে নিচ্ছি সেগুলো অব্যাহত থাকবে না কেন? শেখ হাসিনা বলেন, সন্ত্রাসী-জঙ্গিবাদের কোনো স্থান বাংলাদেশে হবে না। আমরা শান্তি চাই, শান্তি ছাড়া উন্নতি সম্ভব নয়। আর জঙ্গিবাদ সন্ত্রাসের পথ। এ বিষয়টা খুব ভালোভাবে সবাইকে বোঝাতে হবে। শিশুদের বোঝাতে হবে এ ধরনের ভুল পথে যেন কেউ না যায়।    

Comments

Comments!

 ছেলেরা কেন পিছিয়ে পড়ছে : প্রধানমন্ত্রীAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

ছেলেরা কেন পিছিয়ে পড়ছে : প্রধানমন্ত্রী

Thursday, December 29, 2016 12:48 pm
hasina_speak_031482991317

জেএসসি, জেডিসি ও পিইসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ ও পাসের ক্ষেত্রে মেয়েদের হার বেশি থাকায় অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

একই সঙ্গে ছেলেরা কেন পিছিয়ে পড়ছে সে বিষয়ে নজর দিতে বলেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার সকালে গণভবনে জেএসসি, জেডিসি ও পিইসি পরীক্ষার ফলাফল হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর হাতে ফলাফল হস্তান্তর করেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। একই সময়ে প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার ফলাফলের অনুলিপি তুলে ধরেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান।

শেখ হাসিনা বলেন, পরীক্ষায় অংশগ্রহণ ও পাসের ক্ষেত্রে লক্ষণীয়ভাবে মেয়েদের সংখ্যা বেড়েছে। এ কারণে মেয়েদের অভিনন্দন জানাই। তবে ছেলেরা কেন পিছিয়ে পড়ছে, সে বিষয়ে নজর দিতে হবে। কারণ জেন্ডার সমতা আনতে হবে। কিন্তু বাংলাদেশে জেন্ডার সমতা তো উল্টো হয়ে যাচ্ছে। এখানে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে মেয়েরাই বেশি আবার পাসের ক্ষেত্রেও মেয়েরা এগিয়ে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষা আমাদের মূল ভিত্তি। ভিত্তিটা মজবুত করতে হবে। এ জন্য প্রাথমিক শিক্ষা আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগে বেছে বেছে কয়েকজন ছাত্রছাত্রীকে আলাদাভাবে পড়ানো  হতো। কিছু বেছে নিয়ে পড়ানোর চেয়ে সব ছেলেমেয়ে পরীক্ষা দেবে- এটা ভালো। এতে করে সবাই সুযোগ পাবে। কারণ যাদের বাদ দেওয়া হয় তাদের মধ্যেও কেউ ভালো থাকতে পারে।

পিইসি পরীক্ষায় অভিভাবকদের অনীহার বিষয়ে শেখ হাসিনা বলেন, বোর্ডে পরীক্ষা দিতে গেলে পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা ভয় পায়, নার্ভাস হয়ে যায়। বোর্ডের পরীক্ষা দেওয়ার যে ভীতি সেটা এখানে চলে যাচ্ছে। এ ছাড়া ছোট ছোট বাচ্চা সার্টিফিকেট পেলে মনে করে তাকে একটা স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে। এতে করে তাদের আত্মবিশ্বাস জন্মাবে। এতে করে তাদের ভিত্তি গড়ে উঠছে অত্যন্ত শক্তিশালী মজবুত হয়ে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবচেয়ে বেশি দরকার শিক্ষিত জনগোষ্ঠী। একমাত্র শিক্ষিত জাতিই পারে দেশকে দারিদ্র্যমুক্ত করতে।

ক্ষমতার পালাবদল হলেও জনকল্যাণমুখী কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে বলে মনে করেন তিনি। তিনি বলেন, বাংলাদেশে সংসদীয় গণতান্ত্রিক পার্লামেন্টারি পদ্ধতিতে সরকার পরিবর্তন হবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু জনকল্যাণমুখী যে কাজগুলো আমরা হাতে নিচ্ছি সেগুলো অব্যাহত থাকবে না কেন?

শেখ হাসিনা বলেন, সন্ত্রাসী-জঙ্গিবাদের কোনো স্থান বাংলাদেশে হবে না। আমরা শান্তি চাই, শান্তি ছাড়া উন্নতি সম্ভব নয়। আর জঙ্গিবাদ সন্ত্রাসের পথ। এ বিষয়টা খুব ভালোভাবে সবাইকে বোঝাতে হবে। শিশুদের বোঝাতে হবে এ ধরনের ভুল পথে যেন কেউ না যায়।

 

 

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X