শনিবার, ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১২ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ৮:২৫
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Monday, July 25, 2016 1:22 pm | আপডেটঃ July 25, 2016 1:46 PM
A- A A+ Print

জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস রুখে দিতে রাজপথে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

13620130_1215580895119207_6390846821930935165_n

ক্যাম্পাস প্রতিবেদক:  এবার পালাবে কোথায় কুলঙ্গারেরা? নির্মূল হবেই হবে জঙ্গি-সন্ত্রাসীরা!  জেগে উঠেছে একাত্তরের সেনানী। বাংলার প্রাণপুরুষ। স্বাধীনতার মহান কারিগর, শিক্ষা-সাহিত্য-সংস্কৃতি-সাহিত্য-রাজনীতি প্রধান বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।  বায়ান্ন-বাষট্টি, ছেছট্টি, ঊনসত্তর, সত্তর এবং একাত্তরের মতো ঐক্যবদ্ধ প্রক্রিয়ায় নতুন করে দেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে জেগেছে প্রাচ্যের অক্সফোর্ড। ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় এগিয়ে যেতে আবারও রাজপথে নেমে এসেছে এই প্রতিষ্ঠানের সকল স্তরের শিক্ষক-শিক্ষার্থী-কর্মকর্তা-কর্মচারী সহ পুরো ক্যাম্পাস। জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাস, সাম্প্রদায়িকতা, খুন-অবিচারের বিরুদ্ধে মিছিল-স্লোগানে উত্তাল হয়েছে সবুজ আঙ্গিনা। ২৫জুলাই সোমবার  ক্যাম্পাসজুড়ে বিশাল মানববন্ধন শুরু করে সাহসী সৈনিকদের এই বিদ্যাপীঠ। 'প্রিয় বাংলাদেশ- জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস রুখে দাঁড়াও"স্লোগানে  সকাল ১১টা থেকে শুরু হয় মানববন্ধন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস ১ঘণ্টা বন্ধ রেখে ১২টা পর্যন্ত চলে এটি। কার্জন হল থেকে শুরু করে, শহীদ মিনার প্রাঙ্গন, থেকে শাহবাগ, সেখান থেকে টিএসসি হয়ে নীলক্ষেত মোড়ের মুক্তি ও গণতন্ত্র তোরণ পর্যন্ত শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা দুর্বার স্লোগান তোলেছে জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে। এর সঙ্গে যোগ দিয়েছে হাজারো পথচারী, বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ থেকে শুরু করে রিক্সাচালক পর্যন্ত সবার চোখে-মুখে রক্তের আভা-যেন নতুন করে জেগেছে বাঙালি! নতুন করে এই দেশকে রক্ষায় বদ্ধপরিকর সকলে। 13775975_1086164708129251_2913376625435449109_n বাংলাদেশ একটি অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র। এখানে সকল ধর্ম-বর্ণ-জাত-শ্রেণির আবাস! এখানে মন্দিরের পাশেই মসজিদ সেই প্রাচীনকাল থেকেই। গির্জার সাথে লাগোয়া মন্দিরও সবসময় আছে। ধর্ম-কর্ম-উৎসব একই সাথে চলে এসেছে এই বাংলায়। উগ্র-ধর্মান্ধ-সহিংসতা এই বাংলায় কখনোই ছিলো না। প্রত্যেকে নিজ নিজ ধর্ম পালন করে দিনশেষে সম্মিলন ঘটেছে সবার। সেই কথাই যেন  স্মরণ করিয়ে দিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আজকের জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস বিরোধী মানববন্ধনে। সাম্প্রতিক দেশের সবচেয়ে দীর্ঘতম এই মানববন্ধনে বক্তৃতা রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, প্রো-ভিসি, প্রক্টর, অধ্যাপক, প্রভাষক সহ, অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন, সাংস্কৃতিক সংগঠন, শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ সহ অনেকেই। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ অভিভাবক, শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক তাঁর বক্তৃতায় বলেন,  আমরা কখনোই সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ মেনে নেব না এবং বাংলাদেশে কোন সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ নেই। হাতেগুণা কিছু কুলঙ্গার এদেশের মাটি-পানিতে বড় হয়ে ভুল পথে পা বাড়ায়। তাদের সংখ্যা অতি নগণ্য। তারা টিকতে পারবে না। তিনি বলেন, আমাদের ক্যাম্পাসে যদি কোন নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠনের সাথে যুক্ত কাউকে পাওয়া যায় এবং  যখনই তা প্রমাণিত হয় তাৎক্ষণিকভাবে আমরা তাদেরকে বহিস্কার করি এবং কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করি। সেই ব্যক্তি শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী যাই হোক তার কোন রেহায় দেয়া হয় না এবং হবে না! ভিসি বলেন, অতএব আজকের যে মানববন্ধন এখান থেকে সারা দেশবাসীর কাছে আমরা আহ্বান করছি, সবাই মিলে একযোগে জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থান গড়ে তুলবো। দেশে এবং বিদেশে যেসব সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হোক-সবকিছুর বিরুদ্ধে আমরা প্রতিবাদ করবো এবং রুখে দাঁড়াব। অতিথিপরায়ণ জাতি হিসেবে আমাদের  সুনাম রয়েছে জানিয়ে আরেফিন সিদ্দিক বলেন,  আমাদের এখানে কোন বিদেশি এসে হত্যাকাণ্ডের শিকার হবে তা মেনে নেওয়া যায় না। সেই কারণেই আজকে আমাদেরকে গণপ্রতিরোধ এবং জনসচেতনতার কোন বিকল্প নেই। "আমরা হয়তো প্রতিদিন মানববন্ধনে মিলিত হবো না। কিন্তু প্রতিদিন আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে"-বলেন অধ্যাপক সিদ্দিক। তিনি বলেন, প্রত্যেকটি সমাজে কিছু বিকারগ্রস্ত মানুষ থাকে, কিছু কুসন্তান থাকে, কিছু কুলঙ্গার, কিছু বিশ্বাসঘাতক থাকে। তাদেরকে আইনের আওতায় এনে বিচার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিয়ে সমাজকে সুস্থ রাখাই মানবসভ্যতার কাজ। একাত্তরে যারা বিশ্বাসঘাতকতা করেছে, অপরাধ করেছে, অন্যায় করেছে তাদেরকে বিচারের আওতায় আনা হয়েছে। এখনো, এই ২০১৬সালে এসে যারা বিশ্বাসঘাতকতায় লিপ্ত হয়েছে তাদেরকেও একইভাবে শাস্তির আনা আমাদের জন্য করুনীয়। সারাদেশের সকল সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এই গণপ্রতিরোধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশকে রক্ষা করতে হবে বলে জানান তিনি। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বানও জানানো হয় সমাবেশ থেকে। প্রসঙ্গত, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের পূর্বঘোষিত দেশব্যাপী জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে মানববন্ধনের কর্মসূচি হিসেবে এই মানববন্ধন করা হয়। একযোগে সারাদেশের প্রত্যেকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে চলছে এই মানববন্ধন।

Comments

Comments!

 জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস রুখে দিতে রাজপথে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস রুখে দিতে রাজপথে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

Monday, July 25, 2016 1:22 pm | আপডেটঃ July 25, 2016 1:46 PM
13620130_1215580895119207_6390846821930935165_n

ক্যাম্পাস প্রতিবেদক:  এবার পালাবে কোথায় কুলঙ্গারেরা? নির্মূল হবেই হবে জঙ্গি-সন্ত্রাসীরা!  জেগে উঠেছে একাত্তরের সেনানী। বাংলার প্রাণপুরুষ। স্বাধীনতার মহান কারিগর, শিক্ষা-সাহিত্য-সংস্কৃতি-সাহিত্য-রাজনীতি প্রধান বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।  বায়ান্ন-বাষট্টি, ছেছট্টি, ঊনসত্তর, সত্তর এবং একাত্তরের মতো ঐক্যবদ্ধ প্রক্রিয়ায় নতুন করে দেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে জেগেছে প্রাচ্যের অক্সফোর্ড। ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় এগিয়ে যেতে আবারও রাজপথে নেমে এসেছে এই প্রতিষ্ঠানের সকল স্তরের শিক্ষক-শিক্ষার্থী-কর্মকর্তা-কর্মচারী সহ পুরো ক্যাম্পাস। জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাস, সাম্প্রদায়িকতা, খুন-অবিচারের বিরুদ্ধে মিছিল-স্লোগানে উত্তাল হয়েছে সবুজ আঙ্গিনা।

২৫জুলাই সোমবার  ক্যাম্পাসজুড়ে বিশাল মানববন্ধন শুরু করে সাহসী সৈনিকদের এই বিদ্যাপীঠ। ‘প্রিয় বাংলাদেশ- জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস রুখে দাঁড়াও”– স্লোগানে  সকাল ১১টা থেকে শুরু হয় মানববন্ধন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস ১ঘণ্টা বন্ধ রেখে ১২টা পর্যন্ত চলে এটি।

কার্জন হল থেকে শুরু করে, শহীদ মিনার প্রাঙ্গন, থেকে শাহবাগ, সেখান থেকে টিএসসি হয়ে নীলক্ষেত মোড়ের মুক্তি ও গণতন্ত্র তোরণ পর্যন্ত শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা দুর্বার স্লোগান তোলেছে জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে। এর সঙ্গে যোগ দিয়েছে হাজারো পথচারী, বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ থেকে শুরু করে রিক্সাচালক পর্যন্ত সবার চোখে-মুখে রক্তের আভা-যেন নতুন করে জেগেছে বাঙালি! নতুন করে এই দেশকে রক্ষায় বদ্ধপরিকর সকলে।

13775975_1086164708129251_2913376625435449109_n

বাংলাদেশ একটি অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র। এখানে সকল ধর্ম-বর্ণ-জাত-শ্রেণির আবাস! এখানে মন্দিরের পাশেই মসজিদ সেই প্রাচীনকাল থেকেই। গির্জার সাথে লাগোয়া মন্দিরও সবসময় আছে। ধর্ম-কর্ম-উৎসব একই সাথে চলে এসেছে এই বাংলায়। উগ্র-ধর্মান্ধ-সহিংসতা এই বাংলায় কখনোই ছিলো না। প্রত্যেকে নিজ নিজ ধর্ম পালন করে দিনশেষে সম্মিলন ঘটেছে সবার।

সেই কথাই যেন  স্মরণ করিয়ে দিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আজকের জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস বিরোধী মানববন্ধনে। সাম্প্রতিক দেশের সবচেয়ে দীর্ঘতম এই মানববন্ধনে বক্তৃতা রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, প্রো-ভিসি, প্রক্টর, অধ্যাপক, প্রভাষক সহ, অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন, সাংস্কৃতিক সংগঠন, শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ সহ অনেকেই।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ অভিভাবক, শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক তাঁর বক্তৃতায় বলেন,  আমরা কখনোই সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ মেনে নেব না এবং বাংলাদেশে কোন সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ নেই। হাতেগুণা কিছু কুলঙ্গার এদেশের মাটি-পানিতে বড় হয়ে ভুল পথে পা বাড়ায়। তাদের সংখ্যা অতি নগণ্য। তারা টিকতে পারবে না।

তিনি বলেন, আমাদের ক্যাম্পাসে যদি কোন নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠনের সাথে যুক্ত কাউকে পাওয়া যায় এবং  যখনই তা প্রমাণিত হয় তাৎক্ষণিকভাবে আমরা তাদেরকে বহিস্কার করি এবং কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করি। সেই ব্যক্তি শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী যাই হোক তার কোন রেহায় দেয়া হয় না এবং হবে না!

ভিসি বলেন, অতএব আজকের যে মানববন্ধন এখান থেকে সারা দেশবাসীর কাছে আমরা আহ্বান করছি, সবাই মিলে একযোগে জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থান গড়ে তুলবো। দেশে এবং বিদেশে যেসব সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হোক-সবকিছুর বিরুদ্ধে আমরা প্রতিবাদ করবো এবং রুখে দাঁড়াব।

অতিথিপরায়ণ জাতি হিসেবে আমাদের  সুনাম রয়েছে জানিয়ে আরেফিন সিদ্দিক বলেন,  আমাদের এখানে কোন বিদেশি এসে হত্যাকাণ্ডের শিকার হবে তা মেনে নেওয়া যায় না। সেই কারণেই আজকে আমাদেরকে গণপ্রতিরোধ এবং জনসচেতনতার কোন বিকল্প নেই।

“আমরা হয়তো প্রতিদিন মানববন্ধনে মিলিত হবো না। কিন্তু প্রতিদিন আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে”-বলেন অধ্যাপক সিদ্দিক।

তিনি বলেন, প্রত্যেকটি সমাজে কিছু বিকারগ্রস্ত মানুষ থাকে, কিছু কুসন্তান থাকে, কিছু কুলঙ্গার, কিছু বিশ্বাসঘাতক থাকে। তাদেরকে আইনের আওতায় এনে বিচার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিয়ে সমাজকে সুস্থ রাখাই মানবসভ্যতার কাজ। একাত্তরে যারা বিশ্বাসঘাতকতা করেছে, অপরাধ করেছে, অন্যায় করেছে তাদেরকে বিচারের আওতায় আনা হয়েছে। এখনো, এই ২০১৬সালে এসে যারা বিশ্বাসঘাতকতায় লিপ্ত হয়েছে তাদেরকেও একইভাবে শাস্তির আনা আমাদের জন্য করুনীয়।

সারাদেশের সকল সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এই গণপ্রতিরোধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশকে রক্ষা করতে হবে বলে জানান তিনি। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বানও জানানো হয় সমাবেশ থেকে।

প্রসঙ্গত, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের পূর্বঘোষিত দেশব্যাপী জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে মানববন্ধনের কর্মসূচি হিসেবে এই মানববন্ধন করা হয়। একযোগে সারাদেশের প্রত্যেকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে চলছে এই মানববন্ধন।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X