শুক্রবার, ২৩শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১১ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সন্ধ্যা ৬:৩২
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Monday, December 26, 2016 10:52 pm
A- A A+ Print

জঙ্গিবিরোধী অভিযান নিয়ে সন্দেহ তৈরি হচ্ছে কেন?

4

দেশের নিরাপত্তা বাহিনীগুলোর চালানো বিভিন্ন জঙ্গিবিরোধী অভিযান নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে নানা সন্দেহ তৈরি হচ্ছে এবং এ সব অভিযানের সরকারি ব্যাখ্যা নিয়ে তারা নিজেরাও সন্দিহান। বিরোধীদল বিএনপিও অবশ্য এ সব অভিযান নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। পুলিশের একজন কর্মকর্তা অবশ্য এসব সন্দেহকে সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়েছেন। তবে এই ‘সন্দেহের’ কথা নতুন করে উঠেছে ঢাকার পূর্ব আশকোনা এলাকায় পুলিশের জঙ্গিবিরোধী অভিযানের পর। আশকোনায় নিহতদের একজন এক মহিলা, যিনি নিজের শরীরে বাধা গ্রেনেডের আত্মঘাতী বিস্ফোরণ ঘটিয়ে নিহত হন। আরেক নিহত কিশোর আফিফ কাদেরীর মৃতদেহ পাওয়া যায় বাড়িটির ভেতরে। তার শরীরে একাধিক গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে বলে মৃতদেহের ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক জানিয়েছেন। অভিযানের সময় জঙ্গি সন্দেহে আটক দুজন নারীকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের পুলিশী রিমান্ডে নেয়া হয়েছে। কিন্তু এসব অভিযানের সময় ঠিক কি ঘটে তা নিয়ে লোকজনের সাথে কথা বললে তাদের মধ্যে এক ধরণের বিভ্রান্তি দেখা যায়। ঢাকার কল্যাণপুরসহ বিভিন্ন এলাকার জঙ্গিবিরোধী অভিযান নিয়েও এধরণের বক্তব্য পাওয়া গেছে। ঢাকার রাস্তায় কয়েকজনের সাথে কথা বলে দেখা গেল, তাদের মনে সন্দেহ রয়েছে এবং পুলিশের বক্তব্য তাদের কাছে পরিষ্কার নয়। একজন বলেন, ‘সরকার যা বলে তাই আমাদের বিশ্বাস করতে হয়, কারণ সরকারের বক্তব্য যাচাই করার সুযোগ আমাদের নেই’। একজন তরুণী বললেন, ‘যা ঘটছে তা তার কাছে ‘কনফিউজিং’ লাগছে। ‘কখনো মনে হচ্ছে এগুলো সত্যি ঘটছে, কখনো মনে হচ্ছে সরকার পক্ষে এগুলো দেখানোর জন্য প্ল্যান করে’। ‘এসব অভিযানের ভিত্তি কি, জঙ্গিদের উৎসস্থল কি’ এ নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করলেন একজন। ওদিকে পুলিশের জঙ্গিবিরোধী অভিযানে নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে রাজনৈতিক দলও। আশকোনার অভিযানের পর বিরোধীদল বিএনপির একজন মুখপাত্র বলেছেন, এই অভিযানের সরকারি ব্যাখ্যা নিয়ে তারা সন্দিহান। বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলছেন, জঙ্গি ইস্যুকে জিইয়ে রাখার জন্য সরকার অভিযানের নামে এসব ঘটনা সাজাচ্ছে বলে তারা মনে করেন। আইন ও সালিশ কেন্দ্র নামে একটি মানবাধিকার সংগঠনের নূর খান লিটন বলেন, আগের অভিযানগুলোর সময় আটক ব্যক্তিরা আদালতে তাদের অনেক আগে থেকে আটক করে রাখার কথা বলেছিল। ‘কোর্টে অনেকে বলেছেন ছয় মাস বা একবছর আগে তাদের আটক করা হয়েছে। ফলে এসব অভিযান নিয়ে সন্দেহ তৈরি হচ্ছে। তবে সব ক্ষেত্রেই যে এটা সত্য তা নাও হতে পারে’। পুলিশ এসব বক্তব্য মানতে রাজী নয়। ঢাকা পুলিশের মুখপাত্র মাসুদুর রহমান বলেন, এসব অভিযান ঘটেছে দিনের আলোতে, যা ঘটেছে তা তারা প্রকাশও করেছেন। কিন্তু একটি মহল এ নিয়ে সন্দেহ তৈরির চেষ্টায় আছে বলে তাদের ধারণা। তিনি বলেন, ‘আমরা শতভাগ স্বচ্ছতা, সততা এবং জবাবদিহিতার সাথেই এ সব অভিযান চালাচ্ছি। এতে বাড়ির মালিক, ভাড়াটে, আশপাশের লোক-সবারই বর্ণনা থাকে। কেউ সন্দেহ করবে এটা আমরা চিন্তাই করি না’। আর যাদের সন্দেহ করার এমন এক শ্রেণীর লোক সারা জীবনই থাকবে যারা সন্দেহই করে যাবে, কোনো কাজ করতে পারবে না বলে জানালেন পুলিশ এই কর্মকর্তা। সূত্র: বিবিসি

Comments

Comments!

 জঙ্গিবিরোধী অভিযান নিয়ে সন্দেহ তৈরি হচ্ছে কেন?AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

জঙ্গিবিরোধী অভিযান নিয়ে সন্দেহ তৈরি হচ্ছে কেন?

Monday, December 26, 2016 10:52 pm
4

দেশের নিরাপত্তা বাহিনীগুলোর চালানো বিভিন্ন জঙ্গিবিরোধী অভিযান নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে নানা সন্দেহ তৈরি হচ্ছে এবং এ সব অভিযানের সরকারি ব্যাখ্যা নিয়ে তারা নিজেরাও সন্দিহান।

বিরোধীদল বিএনপিও অবশ্য এ সব অভিযান নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। পুলিশের একজন কর্মকর্তা অবশ্য এসব সন্দেহকে সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়েছেন। তবে এই ‘সন্দেহের’ কথা নতুন করে উঠেছে ঢাকার পূর্ব আশকোনা এলাকায় পুলিশের জঙ্গিবিরোধী অভিযানের পর।

আশকোনায় নিহতদের একজন এক মহিলা, যিনি নিজের শরীরে বাধা গ্রেনেডের আত্মঘাতী বিস্ফোরণ ঘটিয়ে নিহত হন। আরেক নিহত কিশোর আফিফ কাদেরীর মৃতদেহ পাওয়া যায় বাড়িটির ভেতরে। তার শরীরে একাধিক গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে বলে মৃতদেহের ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক জানিয়েছেন।

অভিযানের সময় জঙ্গি সন্দেহে আটক দুজন নারীকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের পুলিশী রিমান্ডে নেয়া হয়েছে। কিন্তু এসব অভিযানের সময় ঠিক কি ঘটে তা নিয়ে লোকজনের সাথে কথা বললে তাদের মধ্যে এক ধরণের বিভ্রান্তি দেখা যায়। ঢাকার কল্যাণপুরসহ বিভিন্ন এলাকার জঙ্গিবিরোধী অভিযান নিয়েও এধরণের বক্তব্য পাওয়া গেছে।

ঢাকার রাস্তায় কয়েকজনের সাথে কথা বলে দেখা গেল, তাদের মনে সন্দেহ রয়েছে এবং পুলিশের বক্তব্য তাদের কাছে পরিষ্কার নয়।

একজন বলেন, ‘সরকার যা বলে তাই আমাদের বিশ্বাস করতে হয়, কারণ সরকারের বক্তব্য যাচাই করার সুযোগ আমাদের নেই’।

একজন তরুণী বললেন, ‘যা ঘটছে তা তার কাছে ‘কনফিউজিং’ লাগছে। ‘কখনো মনে হচ্ছে এগুলো সত্যি ঘটছে, কখনো মনে হচ্ছে সরকার পক্ষে এগুলো দেখানোর জন্য প্ল্যান করে’।

‘এসব অভিযানের ভিত্তি কি, জঙ্গিদের উৎসস্থল কি’ এ নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করলেন একজন।

ওদিকে পুলিশের জঙ্গিবিরোধী অভিযানে নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে রাজনৈতিক দলও। আশকোনার অভিযানের পর বিরোধীদল বিএনপির একজন মুখপাত্র বলেছেন, এই অভিযানের সরকারি ব্যাখ্যা নিয়ে তারা সন্দিহান।

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলছেন, জঙ্গি ইস্যুকে জিইয়ে রাখার জন্য সরকার অভিযানের নামে এসব ঘটনা সাজাচ্ছে বলে তারা মনে করেন।

আইন ও সালিশ কেন্দ্র নামে একটি মানবাধিকার সংগঠনের নূর খান লিটন বলেন, আগের অভিযানগুলোর সময় আটক ব্যক্তিরা আদালতে তাদের অনেক আগে থেকে আটক করে রাখার কথা বলেছিল।

‘কোর্টে অনেকে বলেছেন ছয় মাস বা একবছর আগে তাদের আটক করা হয়েছে। ফলে এসব অভিযান নিয়ে সন্দেহ তৈরি হচ্ছে। তবে সব ক্ষেত্রেই যে এটা সত্য তা নাও হতে পারে’।

পুলিশ এসব বক্তব্য মানতে রাজী নয়। ঢাকা পুলিশের মুখপাত্র মাসুদুর রহমান বলেন, এসব অভিযান ঘটেছে দিনের আলোতে, যা ঘটেছে তা তারা প্রকাশও করেছেন। কিন্তু একটি মহল এ নিয়ে সন্দেহ তৈরির চেষ্টায় আছে বলে তাদের ধারণা।

তিনি বলেন, ‘আমরা শতভাগ স্বচ্ছতা, সততা এবং জবাবদিহিতার সাথেই এ সব অভিযান চালাচ্ছি। এতে বাড়ির মালিক, ভাড়াটে, আশপাশের লোক-সবারই বর্ণনা থাকে। কেউ সন্দেহ করবে এটা আমরা চিন্তাই করি না’।

আর যাদের সন্দেহ করার এমন এক শ্রেণীর লোক সারা জীবনই থাকবে যারা সন্দেহই করে যাবে, কোনো কাজ করতে পারবে না বলে জানালেন পুলিশ এই কর্মকর্তা।

সূত্র: বিবিসি

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X