মঙ্গলবার, ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৮ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ১১:২৫
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Tuesday, July 26, 2016 11:08 pm
A- A A+ Print

জঙ্গি নিব্রাসের আস্তানার মালিককে গ্রেপ্তার দেখাল পুলিশ

photo-1469549460

রাজধানীর গুলশানের হামলাকারী জঙ্গি নিব্রাস ইসলামের আস্তানা ঝিনাইদহ জেলা শহরের সোনালীপাড়ার আলোচিত সেই বাড়ির মালিককে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, বাড়িটির মালিক অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য কাওছার আলী এবং মসজিদের ইমাম রোকনুজ্জামানকে আজ মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে ঝিনাইদহ সদর থানায় হস্তান্তর করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। ঝিনাইদহ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজবাহার আলী শেখ এনটিভি অনলাইনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বলেন, পুলিশ আইনের ৩৪ ধারায় এ দুজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। র‌্যাব-৬ ঝিনাইদহ ক্যাম্পের ডিএডি মো. আব্দুল কাদের খান লিখিতভাবে বিষয়টি পুলিশকে জানিয়েছেন। ‘লিখিত ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, আজ ভোর সাড়ে ৫টার দিকে ঝিনাইদহ শহরের পাগলা কানাই এলাকায় সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করার সময় তাদের আটক করা হয়েছে’, যোগ করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার। গত ১ জুলাই গুলশানে জঙ্গি হামলার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিব্রাসের পরিচয় বেরিয়ে আসে। সেই সূত্র ধরেই ঝিনাইদহের স্থানীয় লোকজন নিব্রাস ইসলামকে শনাক্ত করে। তারা তখন জানায়, জঙ্গি নিব্রাস ইসলাম কাওছার আলীর বাড়িতে চার মাস ভাড়া ছিল। তার সঙ্গে ছিল আরো সাতজন। নিব্রাস সেখানে ‘সাঈদ’ নাম নিয়ে থাকত। স্থানীয়দের সে বলেছিল, কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার জন্য সেখানে এসেছে। স্থানীয় শিশুদের সঙ্গে সে খেলাধুলাও করত। কিন্তু পুলিশ বিষয়টি শুরু থেকেই অস্বীকার করে আসছিল। পুলিশের তরফ থেকে দাবি করা হয়, এ ব্যাপারে গণমাধ্যম বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। কওছারের পরিবার ও স্থানীয়রা জানায়, গুলশান হামলার পর গত ঈদুল ফিতরের দিন গভীর রাতে কাওছার আলী ও তাঁর দুই ছেলে বিনছার ও বেনজির, স্থানীয় সোনালীপাড়া মসজিদের ইমাম হাফেজ রোকনুজ্জামান এবং এলাকার হাফেজ সাব্বিরকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়। আজ কাওছার আলী ও হাফেজ রোকনুজ্জামানকে থানা পুলিশ পেলেও এখনো কাওছারের দুই ছেলে ও হাফেজ সাব্বিরের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরো জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে জঙ্গি সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ আনা হয়নি। পৌরসভা এলাকায় সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করার অভিযোগ আনা হয়েছে।

Comments

Comments!

 জঙ্গি নিব্রাসের আস্তানার মালিককে গ্রেপ্তার দেখাল পুলিশAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

জঙ্গি নিব্রাসের আস্তানার মালিককে গ্রেপ্তার দেখাল পুলিশ

Tuesday, July 26, 2016 11:08 pm
photo-1469549460

রাজধানীর গুলশানের হামলাকারী জঙ্গি নিব্রাস ইসলামের আস্তানা ঝিনাইদহ জেলা শহরের সোনালীপাড়ার আলোচিত সেই বাড়ির মালিককে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, বাড়িটির মালিক অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য কাওছার আলী এবং মসজিদের ইমাম রোকনুজ্জামানকে আজ মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে ঝিনাইদহ সদর থানায় হস্তান্তর করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

ঝিনাইদহ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজবাহার আলী শেখ এনটিভি অনলাইনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বলেন, পুলিশ আইনের ৩৪ ধারায় এ দুজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। র‌্যাব-৬ ঝিনাইদহ ক্যাম্পের ডিএডি মো. আব্দুল কাদের খান লিখিতভাবে বিষয়টি পুলিশকে জানিয়েছেন।

‘লিখিত ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, আজ ভোর সাড়ে ৫টার দিকে ঝিনাইদহ শহরের পাগলা কানাই এলাকায় সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করার সময় তাদের আটক করা হয়েছে’, যোগ করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার।

গত ১ জুলাই গুলশানে জঙ্গি হামলার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিব্রাসের পরিচয় বেরিয়ে আসে। সেই সূত্র ধরেই ঝিনাইদহের স্থানীয় লোকজন নিব্রাস ইসলামকে শনাক্ত করে। তারা তখন জানায়, জঙ্গি নিব্রাস ইসলাম কাওছার আলীর বাড়িতে চার মাস ভাড়া ছিল। তার সঙ্গে ছিল আরো সাতজন। নিব্রাস সেখানে ‘সাঈদ’ নাম নিয়ে থাকত। স্থানীয়দের সে বলেছিল, কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার জন্য সেখানে এসেছে। স্থানীয় শিশুদের সঙ্গে সে খেলাধুলাও করত।

কিন্তু পুলিশ বিষয়টি শুরু থেকেই অস্বীকার করে আসছিল। পুলিশের তরফ থেকে দাবি করা হয়, এ ব্যাপারে গণমাধ্যম বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।

কওছারের পরিবার ও স্থানীয়রা জানায়, গুলশান হামলার পর গত ঈদুল ফিতরের দিন গভীর রাতে কাওছার আলী ও তাঁর দুই ছেলে বিনছার ও বেনজির, স্থানীয় সোনালীপাড়া মসজিদের ইমাম হাফেজ রোকনুজ্জামান এবং এলাকার হাফেজ সাব্বিরকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়।

আজ কাওছার আলী ও হাফেজ রোকনুজ্জামানকে থানা পুলিশ পেলেও এখনো কাওছারের দুই ছেলে ও হাফেজ সাব্বিরের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।

ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরো জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে জঙ্গি সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ আনা হয়নি। পৌরসভা এলাকায় সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করার অভিযোগ আনা হয়েছে।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X