মঙ্গলবার, ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৮ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সন্ধ্যা ৭:৪০
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Sunday, November 13, 2016 9:23 pm
A- A A+ Print

‘জঙ্গি নেটওয়ার্ক খুঁজে বের করতে হবে’

45

সুইডেনের রাষ্ট্রদূত জোহান ফ্রিসেল বলেছেন, জঙ্গি হামলা সংক্রান্ত সব ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জঙ্গি নেটওয়ার্ক খুঁজে বের করতে হবে। রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবে কূটনৈতিক সংবাদদাতাদের সংগঠন 'ডিকাব' আয়োজিত 'ডিকাব টক' অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন। সুইডিশ রাষ্ট্রদূত বলেন, গুশলানের হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলা অভাবনীয় ঘটনা। তবে এই ঘটনার আগে বাংলাদেশে ব্লগার, লেখক, সমকামী অধিকার কর্মীসহ বিভিন্ন পর্যায়ে ছোট ছোট হামলার ঘটনা ঘটেছে। অবশ্য তিনি বলেন, গুলশান হামলার পর সরকার কূটনীতিক ও বিদেশীদের জন্যে ব্যাপক নিরাপত্তার ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। কূটনীতিকরাও নিজেদের লো প্রোফাইলে চলাচল করছেন। নিরাপত্তার ব্যাপারে কূটনীতিকরা সতর্কতামূলক নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। জোহান ফ্রিসেল বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হত্যার ঘটনাসহ সকল তদন্তগুলো সফলভাবে সম্পাদন হচ্ছে। বিশেষ করে গুলশান হামলার পর সরকার গুরুত্ব সহকারে তদন্ত পরিচালনা করছে। ফলে জঙ্গিদের পুরো নেটওয়ার্ক খুঁজে পাওয়া বাংলাদেশের জন্যে খুব বেশি কঠিন হবে না। 'মেইক ইন বাংলাদেশ' নামে উদ্যোক্তা সৃষ্টি কার্যক্রম গ্রহণে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশে ইতিমধ্যে 'মেইক ইন বাংলাদেশ' হচ্ছে। বিভিন্ন দেশের বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে বিনিয়োগ করছেন। সুইডিশ রাষ্ট্রদূত বলেন, এ ব্যাপারে রফতানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের বাইরেও শিল্প স্থাপন সহজ করতে হবে। কেননা বৃহৎ কোম্পানিগুলো রফতানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে শিল্প স্থাপন করে থাকে। রফতানি প্রক্রিয়াকরণের বাইরে শিল্প স্থাপনে কোম্পানি নিবন্ধন সহজ করা, মেশিনারিসহ কোম্পানি শুরু করার সরঞ্জাম সহজে আমদানি করা, সহজে গ্যাস সংযোগ পাওয়া, সহজে পানির প্রাপ্যতা, কারখানা থেকে বন্দরের যোগাযোগ সহজ করা প্রভৃতি কার্যক্রম গ্রহণ করা প্রয়োজন। তিনি বলেন, স্কানিয়া নামের একটি সুইডিশ কোম্পানি বাস ও ট্রাক নির্মাণে শিল্প স্থাপন করছে। ফলে 'মেইক ইন বাংলাদেশ' ইতিমধ্যে হচ্ছে। ফলে তৈরি পোশাক শিল্পের বাইরেও বাংলাদেশে অন্য শিল্প দাঁড়াতে পারে। বাংলাদেশ সরকার 'মেইক ইন বাংলাদেশ' উদ্যোগ নিলে সুইডেন নিজেদের অভিজ্ঞতা দিয়ে সহায়তা করবে। অভিবাসন ইস্যু নিয়ে জোহান ফ্রিসেল বলেন, সেপ্টেম্বরে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সময়ে একটা সম্মেলন হয়েছে। তখন থেকেই গোটা বিশ্ব এই ইস্যুতে একটি কম্প্যাক্ট সৃষ্টির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ঢাকায় আগামী ১০ থেকে ১২ ডিসেম্বর যে অভিবাসী সম্মেলন হচ্ছে, সেখানেও একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর চেষ্টা হবে। বাংলাদেশে গণমাধ্যমে স্বাধীনতা সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশে মিডিয়ার বিস্তৃতি ঘটেছে সত্যি, কিন্তু মিডিয়ার সামনে চ্যালেঞ্জও রয়েছে। বিশেষ করে তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারা বড় চ্যালেঞ্জের সৃষ্টি করেছে। ডিকাব সভাপতি আঙ্গুর নাহার মন্টির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক পান্থ রহমান।

Comments

Comments!

 ‘জঙ্গি নেটওয়ার্ক খুঁজে বের করতে হবে’AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

‘জঙ্গি নেটওয়ার্ক খুঁজে বের করতে হবে’

Sunday, November 13, 2016 9:23 pm
45

সুইডেনের রাষ্ট্রদূত জোহান ফ্রিসেল বলেছেন, জঙ্গি হামলা সংক্রান্ত সব ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জঙ্গি নেটওয়ার্ক খুঁজে বের করতে হবে।

রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবে কূটনৈতিক সংবাদদাতাদের সংগঠন ‘ডিকাব’ আয়োজিত ‘ডিকাব টক’ অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

সুইডিশ রাষ্ট্রদূত বলেন, গুশলানের হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলা অভাবনীয় ঘটনা। তবে এই ঘটনার আগে বাংলাদেশে ব্লগার, লেখক, সমকামী অধিকার কর্মীসহ বিভিন্ন পর্যায়ে ছোট ছোট হামলার ঘটনা ঘটেছে।

অবশ্য তিনি বলেন, গুলশান হামলার পর সরকার কূটনীতিক ও বিদেশীদের জন্যে ব্যাপক নিরাপত্তার ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। কূটনীতিকরাও নিজেদের লো প্রোফাইলে চলাচল করছেন। নিরাপত্তার ব্যাপারে কূটনীতিকরা সতর্কতামূলক নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।

জোহান ফ্রিসেল বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হত্যার ঘটনাসহ সকল তদন্তগুলো সফলভাবে সম্পাদন হচ্ছে। বিশেষ করে গুলশান হামলার পর সরকার গুরুত্ব সহকারে তদন্ত পরিচালনা করছে। ফলে জঙ্গিদের পুরো নেটওয়ার্ক খুঁজে পাওয়া বাংলাদেশের জন্যে খুব বেশি কঠিন হবে না।

‘মেইক ইন বাংলাদেশ’ নামে উদ্যোক্তা সৃষ্টি কার্যক্রম গ্রহণে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশে ইতিমধ্যে ‘মেইক ইন বাংলাদেশ’ হচ্ছে। বিভিন্ন দেশের বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে বিনিয়োগ করছেন।

সুইডিশ রাষ্ট্রদূত বলেন, এ ব্যাপারে রফতানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের বাইরেও শিল্প স্থাপন সহজ করতে হবে। কেননা বৃহৎ কোম্পানিগুলো রফতানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে শিল্প স্থাপন করে থাকে। রফতানি প্রক্রিয়াকরণের বাইরে শিল্প স্থাপনে কোম্পানি নিবন্ধন সহজ করা, মেশিনারিসহ কোম্পানি শুরু করার সরঞ্জাম সহজে আমদানি করা, সহজে গ্যাস সংযোগ পাওয়া, সহজে পানির প্রাপ্যতা, কারখানা থেকে বন্দরের যোগাযোগ সহজ করা প্রভৃতি কার্যক্রম গ্রহণ করা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, স্কানিয়া নামের একটি সুইডিশ কোম্পানি বাস ও ট্রাক নির্মাণে শিল্প স্থাপন করছে। ফলে ‘মেইক ইন বাংলাদেশ’ ইতিমধ্যে হচ্ছে। ফলে তৈরি পোশাক শিল্পের বাইরেও বাংলাদেশে অন্য শিল্প দাঁড়াতে পারে। বাংলাদেশ সরকার ‘মেইক ইন বাংলাদেশ’ উদ্যোগ নিলে সুইডেন নিজেদের অভিজ্ঞতা দিয়ে সহায়তা করবে।

অভিবাসন ইস্যু নিয়ে জোহান ফ্রিসেল বলেন, সেপ্টেম্বরে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সময়ে একটা সম্মেলন হয়েছে। তখন থেকেই গোটা বিশ্ব এই ইস্যুতে একটি কম্প্যাক্ট সৃষ্টির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ঢাকায় আগামী ১০ থেকে ১২ ডিসেম্বর যে অভিবাসী সম্মেলন হচ্ছে, সেখানেও একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর চেষ্টা হবে।

বাংলাদেশে গণমাধ্যমে স্বাধীনতা সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশে মিডিয়ার বিস্তৃতি ঘটেছে সত্যি, কিন্তু মিডিয়ার সামনে চ্যালেঞ্জও রয়েছে। বিশেষ করে তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারা বড় চ্যালেঞ্জের সৃষ্টি করেছে।

ডিকাব সভাপতি আঙ্গুর নাহার মন্টির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক পান্থ রহমান।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X