রবিবার, ২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১৩ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, বিকাল ৫:৪২
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Thursday, July 13, 2017 12:50 am
A- A A+ Print

জলাবদ্ধতা নিয়ে সরব ভার্চ্যুয়াল দুনিয়া : ‘উন্নয়নের মহাসড়ক ধরে ধানমণ্ডি সাগর পাড়ি’

pic1_51925_1499849114

রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি, জলাবদ্ধতা আর যানজটে নাকাল হতে হচ্ছে রাজধানীবাসীদের। বর্ষা মৌসুমে এই তিন যন্ত্রণা যেন ঢাকাবাসীর প্রতিবছরের প্রাপ্তি হয়ে উঠেছে। কারণ রাজধানীতে ভরা বর্ষা মৌসুমে এক-দুই কিলোমিটার নয়, প্রায় ৪০০ কিলোমিটার সড়কজুড়ে চলছে খোঁড়াখুঁড়ির মহাযজ্ঞ। উন্নয়ন কাজের নামে মিডিয়ান নির্মাণ, ড্রেনেজ, ফুটপাত ও মূল সড়ক খোঁড়ার কারণে রাজধানী ঢাকা রীতিমতো ক্ষতবিক্ষত। এর ফলে একটু বৃষ্টি হলেই নগরবাসীর নিত্যদুর্ভোগ মহাদুর্ভোগে রূপ নিচ্ছে। মঙ্গলবার দিন-রাত অনবরত বৃষ্টির কারণে বুধবার সকাল থেকেই পুরো নগরজুড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। জনদুর্ভোগের এ বিষয়টি উঠে এসেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে। রাস্তার নোংরা পানিতে চলাচলরত যানবাহন উল্টে দুর্ঘটনা আর রাজধানীবাসীর অসহায় চলাফেরার ছবি আর বিভিন্ন ক্ষোভ প্রকাশের পোস্ট এখন ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের টাইম লাইনে ভেসে বেড়াচ্ছে। সিরাজুস সালেকিন নামের একজন লিখেছেন, 'রাতে মাত্র ৬০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। তাতেই মিরপুর রোড ব্লক। একঘন্টা হচ্ছে বাসে বসে আছি। ২০০ গজ এগোতে পারিনি। জানিনা পুরো শহরের কী অবস্থা! বৃষ্টির মাত্রা ১২০ হলে কী হতে পারে সেই চিন্তা আর করতে পারছিনা! দিনদিন সিটি করপোরেশনের সক্ষমতা বাড়ে। আমাদের কমতেছে। সামান্য এক মশার ভয়ে রাতের ঘুম হারাম হয়ে গেছে। মহামারী হলেও মন্ত্রীরা চেপে যাচ্ছেন। বলছেন কিছুই হয়নি! মশার চেয়ে একটু বেশি ক্ষতিকর প্রাণি শহরে ঢুকলে কী হবে সে চিন্তাও করতে পারছি না!' সাবেক সংবাদকর্মী ও বর্তমানে বেসকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন কাজী আনিছ। ধানমণ্ডি এলাকার এ বাসিন্দা ফেসবুকে জলাবদ্ধতা নিয়ে লিখেছেন, 'সকালে শিক্ষার্থী সুপ্রিয় শিকদারের ফোন। অপরপ্রান্তে আতঙ্ক টের পাচ্ছি। 'স্যার, আপনি কোথায়?' -এই তো বের হচ্ছি। ভার্সিটি পৌঁছব। -এখন বের হইয়েন না, স্যার। -কেন? -স্যার, আপনার বাসার সামনে দিয়ে যাচ্ছি। ৩২ নম্বর পর্যন্ত জ্যাম। রাস্তায় পানি আর পানি। এক ঘণ্টা ধরে বসে আছি এক জায়গায়, স্যার। রাস্তায় পানি আসলেই এক আতঙ্কের নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে। আগে বৃষ্টি হলে কত রোমান্টিক কথাবার্তা শুনতাম, পড়তাম। কত রোমান্টিক ছবি! এখন দেখি নদীর ছবি। যে নদীতে রিকশা, মোটরসাইকেল উল্টাইয়া পড়ে। এ আতঙ্ক বাড়বে। দূর হওয়ার লক্ষণ দেখি না। তাই এটাকে পজিটিভলি নিয়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যায়। পথে কোনো দিন ছিনতাইকারী ধরলে তাকে ভয় দেখাতে পারেন, 'ভাই, এসব নিয়া তো যাইতে পারবেন না। ২৭ নম্বরে তো পানি আর পানি। কারওয়ান বাজার তো ভাই এখন বঙ্গোপসাগর। পল্টনের অবস্থা আরও খারাপ। যাইবেন কই?' দেখবেন, ছিনতাইকারী কিছুক্ষণ চিন্তাভাবনা করে সব মালামাল আপনাকে ফেরত দিয়ে দেবে। এটা তো পজিটিভ। বাচ্চা পড়তে চায় না। মা তাদের বাচ্চাদের বলতে পারেন, 'পড়ো বাবা, পড়ো। না পড়লে বৃষ্টি নামবে। রাস্তায় পানি জমবে। তোমার কি মনে নাই, তুমি, তোমার বাবা আর আমি রিকশা উল্টিয়ে বাংলা মোটরের পানিতে পড়ে গেছিলাম। তোমার বাবার মাজায় এখনও ব্যথা।' বাচ্চার লেখাপড়া আর কে থামায়। শুধু তা-ই নয়, এখন আর গোলাগুলি করে 'ক্রসফায়ার' করারও দরকার নেই। গোলাগুলির দিন শেষ। বলা যেতে পারে, গতকাল মঙ্গলবার কুড়িল বিশ্বরোড থেকে বাইট্টা আনিছকে গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সে জানায়, মোহাম্মদপুর এলাকায় এক বস্তির পাশে তার কয়েকজন সাঙ্গপাঙ্গ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ঘটানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। বাইট্টা আনিছকে নিয়ে সেখানে রওনা দেওয়া হয়। মাঝপথে রিকশাযোগে জলাবদ্ধ পানি পাড়ি দেওয়ার সময় রিকশা উল্টাইয়া যায়। পানিতে পড়ে যায় বাইট্টা আনিছ। এতে পানিতে ডুবে আনিছ মারা যায়। তার বিরুদ্ধে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। আসুন, জলাবদ্ধ পানিকে পজিটিভলি ব্যবহার করি। এটাও একটা উন্নয়ন।' বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থায় কর্মরত আব্দুল্লাহ আল মামুন পুরান ঢাকার চানখারপুল এলাকার জলাবদ্ধতায় নাগরিক দুর্ভোগের বেশ কয়েকটি ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেন। তিনি লিখেছেন, 'যাইহোক উন্নয়ন কাজ চলছে!' বেসরকারি ঔষধ কোম্পানিতে চাকুরিরত আরমান রবিন ধানমণ্ডি এলাকার জলাবদ্ধতার ছবি পোস্ট করেন। তিনি মজা করে লিখেছেন, 'উন্নয়নের মহাসড়ক ধরে ধানমণ্ডি সাগর পাড়ি দিলাম, বিকাশ নামের জাহাজ দিয়ে!' সাংবাদিক শওকত পলাশ নিজের ফেসবুক টাইমলাইনে জলাবদ্ধতার কয়েকটি ছবি পোস্ট করে লিখেছেন, 'ধানমণ্ডি ৩২ নম্বর থেকে ২ মিনিটের হাঁটা দূরত্ব। এই জলাভূমিতে মাছ চাষের জন্য লিজ দেয়া হবে। আগ্রহীরা যোগাযোগ করতে পারেন।' এমন বিভিন্ন ধরনের কটাক্ষপূর্ণ পোস্টে এখন সয়লাব ভার্চ্যুয়াল দুনিয়া। আর এসব পোস্টে মৌসুমী বায়ুর কারণে বৃষ্টি হওয়াকে কেউ দুর্ভোগ বলে অভিযোগ করছেন না। তাদের অভিযোগে পরিকল্পনা ছাড়া রাজধানীজুড়ে বর্ষা মৌসুমে খোঁড়াখুঁড়ি, অপরিকল্পিত নগরায়ন, জলাধার ভরাট ও দখল, পানি নিষ্কাসনের সঠিক পরিকল্পনা না থাকার বিষয়গুলোই উঠে এসেছে।

Comments

Comments!

 জলাবদ্ধতা নিয়ে সরব ভার্চ্যুয়াল দুনিয়া : ‘উন্নয়নের মহাসড়ক ধরে ধানমণ্ডি সাগর পাড়ি’AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

জলাবদ্ধতা নিয়ে সরব ভার্চ্যুয়াল দুনিয়া : ‘উন্নয়নের মহাসড়ক ধরে ধানমণ্ডি সাগর পাড়ি’

Thursday, July 13, 2017 12:50 am
pic1_51925_1499849114

রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি, জলাবদ্ধতা আর যানজটে নাকাল হতে হচ্ছে রাজধানীবাসীদের। বর্ষা মৌসুমে এই তিন যন্ত্রণা যেন ঢাকাবাসীর প্রতিবছরের প্রাপ্তি হয়ে উঠেছে।

কারণ রাজধানীতে ভরা বর্ষা মৌসুমে এক-দুই কিলোমিটার নয়, প্রায় ৪০০ কিলোমিটার সড়কজুড়ে চলছে খোঁড়াখুঁড়ির মহাযজ্ঞ। উন্নয়ন কাজের নামে মিডিয়ান নির্মাণ, ড্রেনেজ, ফুটপাত ও মূল সড়ক খোঁড়ার কারণে রাজধানী ঢাকা রীতিমতো ক্ষতবিক্ষত।

এর ফলে একটু বৃষ্টি হলেই নগরবাসীর নিত্যদুর্ভোগ মহাদুর্ভোগে রূপ নিচ্ছে।

মঙ্গলবার দিন-রাত অনবরত বৃষ্টির কারণে বুধবার সকাল থেকেই পুরো নগরজুড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।

জনদুর্ভোগের এ বিষয়টি উঠে এসেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে। রাস্তার নোংরা পানিতে চলাচলরত যানবাহন উল্টে দুর্ঘটনা আর রাজধানীবাসীর অসহায় চলাফেরার ছবি আর বিভিন্ন ক্ষোভ প্রকাশের পোস্ট এখন ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের টাইম লাইনে ভেসে বেড়াচ্ছে।

সিরাজুস সালেকিন নামের একজন লিখেছেন, ‘রাতে মাত্র ৬০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। তাতেই মিরপুর রোড ব্লক। একঘন্টা হচ্ছে বাসে বসে আছি। ২০০ গজ এগোতে পারিনি। জানিনা পুরো শহরের কী অবস্থা! বৃষ্টির মাত্রা ১২০ হলে কী হতে পারে সেই চিন্তা আর করতে পারছিনা! দিনদিন সিটি করপোরেশনের সক্ষমতা বাড়ে। আমাদের কমতেছে। সামান্য এক মশার ভয়ে রাতের ঘুম হারাম হয়ে গেছে। মহামারী হলেও মন্ত্রীরা চেপে যাচ্ছেন। বলছেন কিছুই হয়নি! মশার চেয়ে একটু বেশি ক্ষতিকর প্রাণি শহরে ঢুকলে কী হবে সে চিন্তাও করতে পারছি না!’


সাবেক সংবাদকর্মী ও বর্তমানে বেসকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন কাজী আনিছ। ধানমণ্ডি এলাকার এ বাসিন্দা ফেসবুকে জলাবদ্ধতা নিয়ে লিখেছেন,

‘সকালে শিক্ষার্থী সুপ্রিয় শিকদারের ফোন। অপরপ্রান্তে আতঙ্ক টের পাচ্ছি। ‘স্যার, আপনি কোথায়?’

-এই তো বের হচ্ছি। ভার্সিটি পৌঁছব।

-এখন বের হইয়েন না, স্যার।

-কেন?

-স্যার, আপনার বাসার সামনে দিয়ে যাচ্ছি। ৩২ নম্বর পর্যন্ত জ্যাম। রাস্তায় পানি আর পানি। এক ঘণ্টা ধরে বসে আছি এক জায়গায়, স্যার।

রাস্তায় পানি আসলেই এক আতঙ্কের নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে। আগে বৃষ্টি হলে কত রোমান্টিক কথাবার্তা শুনতাম, পড়তাম। কত রোমান্টিক ছবি! এখন দেখি নদীর ছবি। যে নদীতে রিকশা, মোটরসাইকেল উল্টাইয়া পড়ে।

এ আতঙ্ক বাড়বে। দূর হওয়ার লক্ষণ দেখি না। তাই এটাকে পজিটিভলি নিয়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যায়।

পথে কোনো দিন ছিনতাইকারী ধরলে তাকে ভয় দেখাতে পারেন, ‘ভাই, এসব নিয়া তো যাইতে পারবেন না। ২৭ নম্বরে তো পানি আর পানি। কারওয়ান বাজার তো ভাই এখন বঙ্গোপসাগর। পল্টনের অবস্থা আরও খারাপ। যাইবেন কই?’

দেখবেন, ছিনতাইকারী কিছুক্ষণ চিন্তাভাবনা করে সব মালামাল আপনাকে ফেরত দিয়ে দেবে। এটা তো পজিটিভ।

বাচ্চা পড়তে চায় না। মা তাদের বাচ্চাদের বলতে পারেন, ‘পড়ো বাবা, পড়ো। না পড়লে বৃষ্টি নামবে। রাস্তায় পানি জমবে। তোমার কি মনে নাই, তুমি, তোমার বাবা আর আমি রিকশা উল্টিয়ে বাংলা মোটরের পানিতে পড়ে গেছিলাম। তোমার বাবার মাজায় এখনও ব্যথা।’
বাচ্চার লেখাপড়া আর কে থামায়।

শুধু তা-ই নয়, এখন আর গোলাগুলি করে ‘ক্রসফায়ার’ করারও দরকার নেই। গোলাগুলির দিন শেষ। বলা যেতে পারে, গতকাল মঙ্গলবার কুড়িল বিশ্বরোড থেকে বাইট্টা আনিছকে গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সে জানায়, মোহাম্মদপুর এলাকায় এক বস্তির পাশে তার কয়েকজন সাঙ্গপাঙ্গ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ঘটানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। বাইট্টা আনিছকে নিয়ে সেখানে রওনা দেওয়া হয়। মাঝপথে রিকশাযোগে জলাবদ্ধ পানি পাড়ি দেওয়ার সময় রিকশা উল্টাইয়া যায়। পানিতে পড়ে যায় বাইট্টা আনিছ। এতে পানিতে ডুবে আনিছ মারা যায়। তার বিরুদ্ধে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

আসুন, জলাবদ্ধ পানিকে পজিটিভলি ব্যবহার করি। এটাও একটা উন্নয়ন।’

বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থায় কর্মরত আব্দুল্লাহ আল মামুন পুরান ঢাকার চানখারপুল এলাকার জলাবদ্ধতায় নাগরিক দুর্ভোগের বেশ কয়েকটি ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেন। তিনি লিখেছেন, ‘যাইহোক উন্নয়ন কাজ চলছে!’


বেসরকারি ঔষধ কোম্পানিতে চাকুরিরত আরমান রবিন ধানমণ্ডি এলাকার জলাবদ্ধতার ছবি পোস্ট করেন। তিনি মজা করে লিখেছেন, ‘উন্নয়নের মহাসড়ক ধরে ধানমণ্ডি সাগর পাড়ি দিলাম, বিকাশ নামের জাহাজ দিয়ে!’

সাংবাদিক শওকত পলাশ নিজের ফেসবুক টাইমলাইনে জলাবদ্ধতার কয়েকটি ছবি পোস্ট করে লিখেছেন, ‘ধানমণ্ডি ৩২ নম্বর থেকে ২ মিনিটের হাঁটা দূরত্ব। এই জলাভূমিতে মাছ চাষের জন্য লিজ দেয়া হবে। আগ্রহীরা যোগাযোগ করতে পারেন।’

এমন বিভিন্ন ধরনের কটাক্ষপূর্ণ পোস্টে এখন সয়লাব ভার্চ্যুয়াল দুনিয়া। আর এসব পোস্টে মৌসুমী বায়ুর কারণে বৃষ্টি হওয়াকে কেউ দুর্ভোগ বলে অভিযোগ করছেন না। তাদের অভিযোগে পরিকল্পনা ছাড়া রাজধানীজুড়ে বর্ষা মৌসুমে খোঁড়াখুঁড়ি, অপরিকল্পিত নগরায়ন, জলাধার ভরাট ও দখল, পানি নিষ্কাসনের সঠিক পরিকল্পনা না থাকার বিষয়গুলোই উঠে এসেছে।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X