মঙ্গলবার, ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৮ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ১১:২৬
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Tuesday, December 6, 2016 9:19 am
A- A A+ Print

জানুয়ারিতে চালু হচ্ছে খুলনা-কলকাতা মৈত্রী এক্সপ্রেস

%e0%a7%ad

সংসদ ভবন: আগামী জানুয়ারি মাসের প্রথম দিকে খুলনা থেকে কলকাতা সরাসরি মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেন চলাচল করবে। আর এবার থেকে মৈত্রী ট্রেনের সব কোচই এসি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় খুলনা-বরিশাল বিভাগবাসীদের দীর্ঘ দিনের দাবি ও সুবিধার জন্য ইতোমধ্যে খুলনা কলকাতা মৈত্রী ট্রেন চালানোর জন্য দু’দেশে একমত হয়েছে। সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী ১ জানুয়ারি এ রুটে ট্রেন চলাচল শুরু হবে। ঢাকা কলকাতা চলাচলকারী চারটি মৈত্রী এক্সপ্রেস-এর সবগুলো কামরাকে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত করা হচ্ছে বলে রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে।
গতকাল সোমবার বাংলাদেশ রেলের একজন কর্মকর্তা জানান, বর্তমানে সাত বগি নিয়ে ঢাকা-কলকাতা মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেন চলাচল করছে। এসি/ননএসি মিলিয়ে এর যাত্রী ধারণ ক্ষমতা ৪১০ জন। জানুয়ারি থেকে দশ বগি নিয়ে ঢাকা-কলকাতা রুটে মৈত্রী এক্সপ্রেস চলাচল করবে সম্পূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত হয়ে। যাত্রী ধারণ ক্ষমতা থাকবে ৫০০ জন। ব্রিটিশ শাসনামলে খুলনা-কলকাতার মধ্যে সরাসরি রেল যোগাযোগ চালু হয়। ভারত ও পাকিস্তানের স্বাধীনতা লাভের পরও এ রেল যোগাযোগ বহাল ছিল। যাত্রী সুবিধার দিকে লক্ষ্য রেখে রেলের মধ্যেই ইমিগ্রেশন-কাস্টমস সারা হতো। বাড়তি কোন সময় ব্যয় হতো না। যাত্রীরা দ্রুততার সঙ্গে গন্তব্যে যাতায়াত করতে পারতেন। কিন্তু ১৯৬৫ সালে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধের কারণে খুলনা-কলকাতার মধ্যে রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। ঢাকা-কলকাতা মৈত্রী এক্সপ্রেসে ইমিগ্রেশন-কাস্টমস ব্যবস্থার অভাবে যাত্রীদের ঘণ্টা তিনেক অযথা ব্যয় হয়ে যায়। এ নিয়ে যাত্রী অসন্তোষ রয়েছে। তবে কর্তৃপক্ষ ট্রেনের মধ্যেই রেলেই ইমিগ্রেশন-কাস্টমস সম্পূর্ণ করার চিন্তা-ভাবনা করছেন বলে জানা গিয়েছে। যাত্রীদের দাবির মুখে একমাস আগে গত নভেম্বরে ঢাকা-কলকাতা রুটে সপ্তাহে চার দিন মৈত্রী এক্সপ্রেস চালু হয়েছে। ১১ নভেম্বর সকালে ভারতের রেলমন্ত্রী সুরেশ প্রভাকর প্রভু দিল্লী থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কলকাতা-ঢাকা চতুর্থ মৈত্রী এক্সপ্রেসের যাত্রার সূচনা করেন। অপরদিকে, ১২ নভেম্বর সকাল ৮টা ১০ মিনিটে রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট স্টেশন থেকে চতুর্থ মৈত্রী এক্সপ্রেস উদ্বোধন করেন। চতুর্থ মৈত্রী এক্সপ্রেসটি প্রতি শুক্রবার কলকাতা থেকে ও শনিবার ঢাকা থেকে চলছে। বর্তমানে মৈত্রী এক্সপ্রেস ঢাকা থেকে প্রতি সপ্তাহের বুধ, শুক্র ও রোববার কলকাতার চিৎপুর স্টেশনের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। আর শনি, সোম ও মঙ্গলবার সকালে কলকাতা থেকে ছেড়ে যায় ঢাকার গন্তব্যে।   উভয় দেশে বেশ ঘটা করেই ২০০৮ সালের ১৪ এপ্রিল মৈত্রী এক্সপ্রেসের যাত্রা শুরু হয়। দিনে দিনে মৈত্রীতে আশাতীত যাত্রী সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। চাহিদার দিনে অনেক সময় টিকিট পান না যাত্রীরা। আর শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত আসনের টিকিট পক্ষকালের আগে পাওয়া যায় না। সেজন্য যাত্রীরা দীর্ঘদিন ধরেই সপ্তাহে ছয়দিন মৈত্রী চালানোর দাবি জানিয়ে আসছিলেন। এখন প্রতি মৈত্রী এক্সপ্রেস থেকে বাংলাদেশ দুই কোটি টাকা আয় করে। অর্থাৎ চার মৈত্রী এক্সপ্রেস থেকে বাংলাদেশের আয় হবে আট কোটি টাকা। এ আয়ে উদ্বুদ্ধ বাংলাদেশ রেল কর্তৃপক্ষ।
 

Comments

Comments!

 জানুয়ারিতে চালু হচ্ছে খুলনা-কলকাতা মৈত্রী এক্সপ্রেসAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

জানুয়ারিতে চালু হচ্ছে খুলনা-কলকাতা মৈত্রী এক্সপ্রেস

Tuesday, December 6, 2016 9:19 am
%e0%a7%ad

সংসদ ভবন: আগামী জানুয়ারি মাসের প্রথম দিকে খুলনা থেকে কলকাতা সরাসরি মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেন চলাচল করবে। আর এবার থেকে মৈত্রী ট্রেনের সব কোচই এসি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।

দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় খুলনা-বরিশাল বিভাগবাসীদের দীর্ঘ দিনের দাবি ও সুবিধার জন্য ইতোমধ্যে খুলনা কলকাতা মৈত্রী ট্রেন চালানোর জন্য দু’দেশে একমত হয়েছে। সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী ১ জানুয়ারি এ রুটে ট্রেন চলাচল শুরু হবে।

ঢাকা কলকাতা চলাচলকারী চারটি মৈত্রী এক্সপ্রেস-এর সবগুলো কামরাকে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত করা হচ্ছে বলে রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে।

গতকাল সোমবার বাংলাদেশ রেলের একজন কর্মকর্তা জানান, বর্তমানে সাত বগি নিয়ে ঢাকা-কলকাতা মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেন চলাচল করছে। এসি/ননএসি মিলিয়ে এর যাত্রী ধারণ ক্ষমতা ৪১০ জন।

জানুয়ারি থেকে দশ বগি নিয়ে ঢাকা-কলকাতা রুটে মৈত্রী এক্সপ্রেস চলাচল করবে সম্পূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত হয়ে। যাত্রী ধারণ ক্ষমতা থাকবে ৫০০ জন।

ব্রিটিশ শাসনামলে খুলনা-কলকাতার মধ্যে সরাসরি রেল যোগাযোগ চালু হয়। ভারত ও পাকিস্তানের স্বাধীনতা লাভের পরও এ রেল যোগাযোগ বহাল ছিল। যাত্রী সুবিধার দিকে লক্ষ্য রেখে রেলের মধ্যেই ইমিগ্রেশন-কাস্টমস সারা হতো। বাড়তি কোন সময় ব্যয় হতো না। যাত্রীরা দ্রুততার সঙ্গে গন্তব্যে যাতায়াত করতে পারতেন। কিন্তু ১৯৬৫ সালে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধের কারণে খুলনা-কলকাতার মধ্যে রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়।

ঢাকা-কলকাতা মৈত্রী এক্সপ্রেসে ইমিগ্রেশন-কাস্টমস ব্যবস্থার অভাবে যাত্রীদের ঘণ্টা তিনেক অযথা ব্যয় হয়ে যায়। এ নিয়ে যাত্রী অসন্তোষ রয়েছে। তবে কর্তৃপক্ষ ট্রেনের মধ্যেই রেলেই ইমিগ্রেশন-কাস্টমস সম্পূর্ণ করার চিন্তা-ভাবনা করছেন বলে জানা গিয়েছে। যাত্রীদের দাবির মুখে একমাস আগে গত নভেম্বরে ঢাকা-কলকাতা রুটে সপ্তাহে চার দিন মৈত্রী এক্সপ্রেস চালু হয়েছে।

১১ নভেম্বর সকালে ভারতের রেলমন্ত্রী সুরেশ প্রভাকর প্রভু দিল্লী থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কলকাতা-ঢাকা চতুর্থ মৈত্রী এক্সপ্রেসের যাত্রার সূচনা করেন।

অপরদিকে, ১২ নভেম্বর সকাল ৮টা ১০ মিনিটে রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট স্টেশন থেকে চতুর্থ মৈত্রী এক্সপ্রেস উদ্বোধন করেন।

চতুর্থ মৈত্রী এক্সপ্রেসটি প্রতি শুক্রবার কলকাতা থেকে ও শনিবার ঢাকা থেকে চলছে। বর্তমানে মৈত্রী এক্সপ্রেস ঢাকা থেকে প্রতি সপ্তাহের বুধ, শুক্র ও রোববার কলকাতার চিৎপুর স্টেশনের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। আর শনি, সোম ও মঙ্গলবার সকালে কলকাতা থেকে ছেড়ে যায় ঢাকার গন্তব্যে।

 

উভয় দেশে বেশ ঘটা করেই ২০০৮ সালের ১৪ এপ্রিল মৈত্রী এক্সপ্রেসের যাত্রা শুরু হয়। দিনে দিনে মৈত্রীতে আশাতীত যাত্রী সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। চাহিদার দিনে অনেক সময় টিকিট পান না যাত্রীরা। আর শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত আসনের টিকিট পক্ষকালের আগে পাওয়া যায় না। সেজন্য যাত্রীরা দীর্ঘদিন ধরেই সপ্তাহে ছয়দিন মৈত্রী চালানোর দাবি জানিয়ে আসছিলেন।

এখন প্রতি মৈত্রী এক্সপ্রেস থেকে বাংলাদেশ দুই কোটি টাকা আয় করে। অর্থাৎ চার মৈত্রী এক্সপ্রেস থেকে বাংলাদেশের আয় হবে আট কোটি টাকা। এ আয়ে উদ্বুদ্ধ বাংলাদেশ রেল কর্তৃপক্ষ।

 

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X