সোমবার, ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৭ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ১১:৫৪
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Monday, September 5, 2016 9:36 am
A- A A+ Print

জামায়াতের ভবিষ্যৎ কী ?

৩

স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মীর কাসেম আলীসহ এ নিয়ে জামায়াতের মোট পাঁচজন শীর্ষনেতার মৃত্যুকার্যকর হলো। এরমধ্য দিয়ে দলটির প্রথম সারির যেসব নেতার বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ ছিল। সেই নেতাদের অবস্বাসান ঘটল বলে মনে করা হচ্ছে। বেশ কিছুদিন যাবৎ দল হিসেবেও জামায়াতে ইসলামি একেবারেই নীরব রয়েছে। দলটির শীর্ষ নেতাদের অনুপস্থিতিতে এখন জামায়াতে ইসলামীর ভবিষ্যৎ কী? জামায়াতে ইসলামীর ভবিষ্যৎ নিয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী বলেন, জামায়াতের মনোভাব তারা মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে কোনো অপরাধ করেনি। কিন্তু তারা যে অপরাধ করেনি এজন্য জনগণের কাছে তাদের নতুন নেতৃত্বের জন্য ক্ষমাভিক্ষা করতে হবে। সাথে তারা যে বাংলাদেশকে ইসলামি রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায় এই বিষয়টিও পরিবর্তন করতে হবে। যদি তারা এই পরিবর্তনগুলো আনে তাহলেই দলটির পূনর্গঠন সম্ভব। রোববার বিবিসি বাংলাকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতি অনেকদিন ধরে পর্যবেক্ষণ করছেন নয়া দিগন্তের উপদেষ্টা সম্পাদক সালাউদ্দিন বাবর। তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের পরে জন্ম নেওয়া জামায়াতের তরুণ নেতৃত্ব ইতোমধ্যে দলটিকে গোছানোর চেষ্টা করছে। জামায়াতে ইসলামী সবসময় একটি সমষ্টিগত নেতৃত্বের উপর ছিল। কিন্তু এখন যে তরুণরা নেতৃত্বে আসবে তারাও সমষ্টিগত নেতৃত্বের পথে আগোবে এবং সে অনুযায়ী কাজ করবে। তিনি আরো বলেন, এখন যারা নেতৃত্ব দিচ্ছে তারা বয়সে তরুণ, তারা সবাই বাংলাদেশের আমলে জন্মগ্রহণ করেছেন। এর আগে তাদের যে অভিযোগগুলো ছিল সেইসব অভিযোগমুক্ত নতুনদের নিয়ে এখন জামায়াতে ইসলামী গঠিত হচ্ছে। দলটির সিনিয়র নেতা দেলাওয়ার হোসেন সাঈদীকে মৃত্যুদ- দেওয়ার পর দেশে বড় ধরনের সহিংসতা দেখা গেছে। সেসময় সহিংসতার জন্য ব্যাপক সমালোচিত হয় জামায়াতে ইসলামী। সর্বশেষ জাতীয় নির্বাচনের সময়ও দলটিকে সক্রিয় দেখা গেছে। কিন্তু এরপর থেকে আর সক্রিয়ভাবে দলটির নেতৃকর্মীকে মাঠে দেখা যায়নি। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার চলাকালীন সময়ে জামায়াতের বিচারের বিষয়টি বেশ কয়েকবার সামনে এসেছে। অন্যদিকে ইতোমধ্যে দলটির নিবন্ধন বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন। যুদ্ধাপরাধী হিসেবে অভিযুক্ত নেতাদের যুগের অবসানের পর আওয়ামী লীগ কী দলটি সম্পর্কে তাদের মনোভাব পরিবর্তন করবে ? আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য নূহ-উল-আলম লেলিন বলেন, যে লোকগুলো যুদ্ধাপরাধের সাথে যুক্ত হয়েছে সেটি শুধু তাদের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তে হয়নি। দলের সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে গিয়েই তারা যুদ্ধাপরাধী হিসেবে পরিণত হয়েছে। জামায়াতে ইসলামী যুদ্ধাপরাধের জন্য কখনই জাতির কাছে ক্ষমা চাইনি বা তারা ভুল করেছে সেটিও বলেনি। তারা নির্ভর করেছে অতীতে তাদের কর্মকা-ে। এখনও তারা সেটিই করে চলছেন। সেক্ষেত্রে এক্সিকিউটিভ অর্ডার দিয়ে অন্যান্য জঙ্গিবাদি কর্মকা-কে নিষিদ্ধ করা গিয়েছিল। কিন্তু জামায়াতকে আমরা সে মাপে মাপি না বলে আমরা চাই স্বচ্ছতার সাথে জামায়াত সম্পর্কে যে অভিযোগগুলো রয়েছে সেইগুলো বিবেচনায় নিয়ে আইনি প্রক্রিয়ায় জামায়াতকে নিষিদ্ধ করতে। গত কয়েক বছরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দেওয়া জামায়াতের শীর্ষ নেতা সম্পর্কের রায় বা তাদের মৃত্যুদ- কার্যকর হওয়ার পর শুধুমাত্র ওয়েবসাইটের মধ্যেই হরতাল কর্মসূচি দেওয়ার মধ্যেই জামায়াতের কর্মকা- সীমাবদ্ধ রয়েছে। ওয়েবসাইটের মাধ্যমেই দলটিকে শুধু বক্তব্য দিতে দেখা যাচ্ছে।

Comments

Comments!

 জামায়াতের ভবিষ্যৎ কী ?AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

জামায়াতের ভবিষ্যৎ কী ?

Monday, September 5, 2016 9:36 am
৩

স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মীর কাসেম আলীসহ এ নিয়ে জামায়াতের মোট পাঁচজন শীর্ষনেতার মৃত্যুকার্যকর হলো। এরমধ্য দিয়ে দলটির প্রথম সারির যেসব নেতার বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ ছিল। সেই নেতাদের অবস্বাসান ঘটল বলে মনে করা হচ্ছে। বেশ কিছুদিন যাবৎ দল হিসেবেও জামায়াতে ইসলামি একেবারেই নীরব রয়েছে। দলটির শীর্ষ নেতাদের অনুপস্থিতিতে এখন জামায়াতে ইসলামীর ভবিষ্যৎ কী?

জামায়াতে ইসলামীর ভবিষ্যৎ নিয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী বলেন, জামায়াতের মনোভাব তারা মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে কোনো অপরাধ করেনি। কিন্তু তারা যে অপরাধ করেনি এজন্য জনগণের কাছে তাদের নতুন নেতৃত্বের জন্য ক্ষমাভিক্ষা করতে হবে। সাথে তারা যে বাংলাদেশকে ইসলামি রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায় এই বিষয়টিও পরিবর্তন করতে হবে। যদি তারা এই পরিবর্তনগুলো আনে তাহলেই দলটির পূনর্গঠন সম্ভব।

রোববার বিবিসি বাংলাকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতি অনেকদিন ধরে পর্যবেক্ষণ করছেন নয়া দিগন্তের উপদেষ্টা সম্পাদক সালাউদ্দিন বাবর। তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের পরে জন্ম নেওয়া জামায়াতের তরুণ নেতৃত্ব ইতোমধ্যে দলটিকে গোছানোর চেষ্টা করছে। জামায়াতে ইসলামী সবসময় একটি সমষ্টিগত নেতৃত্বের উপর ছিল। কিন্তু এখন যে তরুণরা নেতৃত্বে আসবে তারাও সমষ্টিগত নেতৃত্বের পথে আগোবে এবং সে অনুযায়ী কাজ করবে।

তিনি আরো বলেন, এখন যারা নেতৃত্ব দিচ্ছে তারা বয়সে তরুণ, তারা সবাই বাংলাদেশের আমলে জন্মগ্রহণ করেছেন। এর আগে তাদের যে অভিযোগগুলো ছিল সেইসব অভিযোগমুক্ত নতুনদের নিয়ে এখন জামায়াতে ইসলামী গঠিত হচ্ছে।

দলটির সিনিয়র নেতা দেলাওয়ার হোসেন সাঈদীকে মৃত্যুদ- দেওয়ার পর দেশে বড় ধরনের সহিংসতা দেখা গেছে। সেসময় সহিংসতার জন্য ব্যাপক সমালোচিত হয় জামায়াতে ইসলামী। সর্বশেষ জাতীয় নির্বাচনের সময়ও দলটিকে সক্রিয় দেখা গেছে। কিন্তু এরপর থেকে আর সক্রিয়ভাবে দলটির নেতৃকর্মীকে মাঠে দেখা যায়নি।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার চলাকালীন সময়ে জামায়াতের বিচারের বিষয়টি বেশ কয়েকবার সামনে এসেছে। অন্যদিকে ইতোমধ্যে দলটির নিবন্ধন বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন। যুদ্ধাপরাধী হিসেবে অভিযুক্ত নেতাদের যুগের অবসানের পর আওয়ামী লীগ কী দলটি সম্পর্কে তাদের মনোভাব পরিবর্তন করবে ?

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য নূহ-উল-আলম লেলিন বলেন, যে লোকগুলো যুদ্ধাপরাধের সাথে যুক্ত হয়েছে সেটি শুধু তাদের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তে হয়নি। দলের সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে গিয়েই তারা যুদ্ধাপরাধী হিসেবে পরিণত হয়েছে। জামায়াতে ইসলামী যুদ্ধাপরাধের জন্য কখনই জাতির কাছে ক্ষমা চাইনি বা তারা ভুল করেছে সেটিও বলেনি। তারা নির্ভর করেছে অতীতে তাদের কর্মকা-ে। এখনও তারা সেটিই করে চলছেন। সেক্ষেত্রে এক্সিকিউটিভ অর্ডার দিয়ে অন্যান্য জঙ্গিবাদি কর্মকা-কে নিষিদ্ধ করা গিয়েছিল। কিন্তু জামায়াতকে আমরা সে মাপে মাপি না বলে আমরা চাই স্বচ্ছতার সাথে জামায়াত সম্পর্কে যে অভিযোগগুলো রয়েছে সেইগুলো বিবেচনায় নিয়ে আইনি প্রক্রিয়ায় জামায়াতকে নিষিদ্ধ করতে।

গত কয়েক বছরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দেওয়া জামায়াতের শীর্ষ নেতা সম্পর্কের রায় বা তাদের মৃত্যুদ- কার্যকর হওয়ার পর শুধুমাত্র ওয়েবসাইটের মধ্যেই হরতাল কর্মসূচি দেওয়ার মধ্যেই জামায়াতের কর্মকা- সীমাবদ্ধ রয়েছে। ওয়েবসাইটের মাধ্যমেই দলটিকে শুধু বক্তব্য দিতে দেখা যাচ্ছে।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X