রবিবার, ১৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৬ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ৯:০৯
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Monday, September 19, 2016 10:16 pm
A- A A+ Print

জামায়াত গণতান্ত্রিক রাজনীতি ও নির্বাচনে আসতে চায়!

244490_1

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী যদি নিষিদ্ধ হয়ও নতুন নামে আবির্ভূত হওয়ার চিন্তা করছে দলটি। নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল করেছে। মানবতাবিরোধী অপরাধে গঠিত ট্র্যাইবুনালের রায়ের আলোকে সরকারও এবার সংসদ অধিবেশনে আইন করে জামায়াত নিষিদ্ধের চিন্তা ভাবনা করছে। দলটি এখন সরকারের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে এবং এ ব্যাপারে সরকার কী সিদ্ধান্ত নেয় সেটা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে জামায়ত। এছাড়া চারদলীয় জোটের প্রধান শরিক বিএনপি জাতীয় আন্তর্জাতিক চাপের মুখে জামায়াত ছাড়ার প্রশ্নে কী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে, সেটিও দৃষ্টির মধ্যে রেখেছে জামায়াত। মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে জামায়াতের শীর্ষ নেতারা একে একে ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলেছে। জামায়াতের আমির মতিউর রহমান নিজামী, সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদ, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল কামারুজ্জামান, আব্দুল কাদের মোল্লা এবং তাদের অর্থনৈতিক ও মিডিয়া সাম্রাজ্যের মোগল মীর কাশেম আলীর ফাঁসি হয়েছে। এছাড়া সাবেক আমির গোলাম আযম দণ্ড নিয়েই কারাগারে মৃত্যুবরণ করেছেন। নায়েবে আমির দেলোয়ার হোসেন সাঈদী আমৃত্যু দণ্ড নিয়ে কারাভোগ করছেন। নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনে জামায়াতের গোপন ব্যালটে ভোটদান ও গণনা শেষ হয়েছে। ফলাফলে তিনজনের নাম উঠে এসেছে। আলহাজ মকবুল আহমেদ, অধ্যাপক মজিবুর রহমান ও ডা . শফিকুল রহমান। এই তিনজনের মধ্যে থেকে সূরা সদস্যদের ভোটে জামায়াতের নতুন আমির, নায়েবে আমির ও সেক্রেটারি জেনারেল নাম ঘোষণা হবে। বিদ্যমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি সংকট উত্তরণের কৌশল ও জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে জামায়াতের নেতৃত্ব চূড়ান্ত হবে সূরার বৈঠকে। জামায়াতের দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, স্বাধীনতার উত্তরকালে এবারের মতো বড় বিপর্যয়ে জামায়াত কখনও পড়েনি। বঙ্গবন্ধু সরকার জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধ করে নেতাদের নাগরিকত্ব বাতিল করলেও ফাঁসিতে ঝুলতে হয়নি। এবার নেতারা ঝুলেছেন ফাঁসিতে, দলকে এক ধরনের নিষিদ্ধ অবস্থায় ফেলে প্রকাশ্য সাংগঠনিক তৎপরতায় স্তব্ধ করে দেওয়া হয়েছে। জামায়াতের অসংখ্য কর্মী সহিংস আন্দোলনে গিয়ে নিহত হয়েছেন। অনেকে মামলা, জেল ও পলাতক জীবন নিয়েছেন। আন্দোলনের পথ থেকে সরে গিয়ে জামায়াত এখন রাজনৈতিকভাবে টিকে থাকার লড়াইয়ে অবতীর্ণ। জামায়াত নিষিদ্ধ হলে নতুন নামে আবির্ভূত হতে চাইবে। নতুন নাম কি হবে, সেটিও গোপনীয়তা সঙ্গে চূড়ান্ত করে রাখা হয়েছে। এক সময়ে পশ্চিমা গণতান্ত্রিক শক্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে জামায়াত তাদের নেতৃত্ব নির্বাচন প্রক্রিয়া থেকে দল পরিচালনার কর্মপন্থা তুলে ধরে বোঝাতে সক্ষম হয়েছিল যে, সস্ত্রাস নয় গণতন্ত্রই জামায়াতের পথ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বাস করতো- জামায়াত একটি গণতান্ত্রিক দল। সরকারি ও শাসক জোটসহ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের বড় অংশটি একাত্তরের ভূমিকার জন্যই নয়, পরবর্তীতে তাদের সহিংস কর্মকাণ্ড তুলে ধরে জামায়াতকে সন্ত্রাসবাদের পাল্লায় তুলে নেওয়ার চেষ্টা করলেও জামায়াত সরকারের ওপর মহল থেকে গণতান্ত্রিক ভারত পর্যন্ত দেশে-বিদেশে সবাইকে এখন বোঝাতে চাইছে- তারা গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে বিশ্বাস করে। একাত্তরের ভূমিকার জন্য দলীয়ভাবে জামায়াত জাতির কাছে ক্ষমা না চাইলেও গণতান্ত্রিক দুনিয়াকে বোঝাতে চাইছে- তারা গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার চায়। গণতন্ত্রই বিশ্বাস করে তারা। এমনকি জামায়াতের নেতাদের ফাঁসি নিয়ে পাকিস্তান আর্তনাদ করে উঠলেও দলটি বলতে চাইছে- পাকিস্তান বা তাদের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই এর সঙ্গে সম্পর্কহীন। এমনকি গণতান্ত্রিক ভারতের সঙ্গেও সুসর্ম্পক চায় তারা। কিন্তু এখনও সরকার বা গণতান্ত্রিক দুনিয়ার সঙ্গে নিজেদের এই বক্তব্য উপস্থাপন করার আস্থা অর্জন করতে পারেনি। সাম্প্রতিককালে জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাসের জন্য জামায়াতকে সরকারি তরফ থেকে অভিযুক্ত করে যে, আসলেও যে কয়টি অপারেশনে জঙ্গিরা নিহত হয়েছেন, তাদের সঙ্গে জামায়াতের কানেকশন না পাওয়ার বিষয়টি বড় করে তুলে ধরে বলতে চাইছে- জামায়াত সন্ত্রাস বা জঙ্গিবাদের সঙ্গে জড়িত নয়। তাদের অবস্থান গণতন্ত্রের পক্ষে। সন্ত্রাসবাদেরও বিপক্ষে। তারা প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে রাজপথে ছিল। সামগ্রিক পরিস্থিতি দিলে এই সংকট মোকাবেলাই এখন জামায়াতের মূল লক্ষ্য বলে জামায়াতের নেতারা বিশ্বাস করেন। স্বাধীনতা উত্তরকালে নিষিদ্ধ জামায়াত সেনাশাসক জিয়াউর রহমানের সময়ে মাওলানা আব্দুর রহিমের নেতৃত্বে আইডিয়েলের ব্যানারে ৭৯ সংসদ নির্বাচনে আবির্ভূত হয়ে পরবর্তীতে জামায়াত নাম ধারণ করে। জামায়াতের দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, দলের শীর্ষ নেতাদের মৃত্যুদণ্ড এবং বিচার মেনে নিয়েই তারা গণতান্ত্রিক রাজনীতি ও নির্বাচন প্রক্রিয়ায় থাকতে চায়। ক্ষমতার রাজনীতির জন্য বিএনপির জোটেও থাকতে চায়।

Comments

Comments!

 জামায়াত গণতান্ত্রিক রাজনীতি ও নির্বাচনে আসতে চায়!AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

জামায়াত গণতান্ত্রিক রাজনীতি ও নির্বাচনে আসতে চায়!

Monday, September 19, 2016 10:16 pm
244490_1

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী যদি নিষিদ্ধ হয়ও নতুন নামে আবির্ভূত হওয়ার চিন্তা করছে দলটি। নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল করেছে। মানবতাবিরোধী অপরাধে গঠিত ট্র্যাইবুনালের রায়ের আলোকে সরকারও এবার সংসদ অধিবেশনে আইন করে জামায়াত নিষিদ্ধের চিন্তা ভাবনা করছে।

দলটি এখন সরকারের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে এবং এ ব্যাপারে সরকার কী সিদ্ধান্ত নেয় সেটা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে জামায়ত। এছাড়া চারদলীয় জোটের প্রধান শরিক বিএনপি জাতীয় আন্তর্জাতিক চাপের মুখে জামায়াত ছাড়ার প্রশ্নে কী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে, সেটিও দৃষ্টির মধ্যে রেখেছে জামায়াত।

মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে জামায়াতের শীর্ষ নেতারা একে একে ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলেছে। জামায়াতের আমির মতিউর রহমান নিজামী, সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদ, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল কামারুজ্জামান, আব্দুল কাদের মোল্লা এবং তাদের অর্থনৈতিক ও মিডিয়া সাম্রাজ্যের মোগল মীর কাশেম আলীর ফাঁসি হয়েছে।

এছাড়া সাবেক আমির গোলাম আযম দণ্ড নিয়েই কারাগারে মৃত্যুবরণ করেছেন। নায়েবে আমির দেলোয়ার হোসেন সাঈদী আমৃত্যু দণ্ড নিয়ে কারাভোগ করছেন।

নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনে জামায়াতের গোপন ব্যালটে ভোটদান ও গণনা শেষ হয়েছে। ফলাফলে তিনজনের নাম উঠে এসেছে। আলহাজ মকবুল আহমেদ, অধ্যাপক মজিবুর রহমান ও ডা . শফিকুল রহমান। এই তিনজনের মধ্যে থেকে সূরা সদস্যদের ভোটে জামায়াতের নতুন আমির, নায়েবে আমির ও সেক্রেটারি জেনারেল নাম ঘোষণা হবে। বিদ্যমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি সংকট উত্তরণের কৌশল ও জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে জামায়াতের নেতৃত্ব চূড়ান্ত হবে সূরার বৈঠকে।

জামায়াতের দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, স্বাধীনতার উত্তরকালে এবারের মতো বড় বিপর্যয়ে জামায়াত কখনও পড়েনি। বঙ্গবন্ধু সরকার জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধ করে নেতাদের নাগরিকত্ব বাতিল করলেও ফাঁসিতে ঝুলতে হয়নি। এবার নেতারা ঝুলেছেন ফাঁসিতে, দলকে এক ধরনের নিষিদ্ধ অবস্থায় ফেলে প্রকাশ্য সাংগঠনিক তৎপরতায় স্তব্ধ করে দেওয়া হয়েছে। জামায়াতের অসংখ্য কর্মী সহিংস আন্দোলনে গিয়ে নিহত হয়েছেন। অনেকে মামলা, জেল ও পলাতক জীবন নিয়েছেন। আন্দোলনের পথ থেকে সরে গিয়ে জামায়াত এখন রাজনৈতিকভাবে টিকে থাকার লড়াইয়ে অবতীর্ণ। জামায়াত নিষিদ্ধ হলে নতুন নামে আবির্ভূত হতে চাইবে। নতুন নাম কি হবে, সেটিও গোপনীয়তা সঙ্গে চূড়ান্ত করে রাখা হয়েছে।

এক সময়ে পশ্চিমা গণতান্ত্রিক শক্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে জামায়াত তাদের নেতৃত্ব নির্বাচন প্রক্রিয়া থেকে দল পরিচালনার কর্মপন্থা তুলে ধরে বোঝাতে সক্ষম হয়েছিল যে, সস্ত্রাস নয় গণতন্ত্রই জামায়াতের পথ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বাস করতো- জামায়াত একটি গণতান্ত্রিক দল। সরকারি ও শাসক জোটসহ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের বড় অংশটি একাত্তরের ভূমিকার জন্যই নয়, পরবর্তীতে তাদের সহিংস কর্মকাণ্ড তুলে ধরে জামায়াতকে সন্ত্রাসবাদের পাল্লায় তুলে নেওয়ার চেষ্টা করলেও জামায়াত সরকারের ওপর মহল থেকে গণতান্ত্রিক ভারত পর্যন্ত দেশে-বিদেশে সবাইকে এখন বোঝাতে চাইছে- তারা গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে বিশ্বাস করে।

একাত্তরের ভূমিকার জন্য দলীয়ভাবে জামায়াত জাতির কাছে ক্ষমা না চাইলেও গণতান্ত্রিক দুনিয়াকে বোঝাতে চাইছে- তারা গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার চায়। গণতন্ত্রই বিশ্বাস করে তারা। এমনকি জামায়াতের নেতাদের ফাঁসি নিয়ে পাকিস্তান আর্তনাদ করে উঠলেও দলটি বলতে চাইছে- পাকিস্তান বা তাদের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই এর সঙ্গে সম্পর্কহীন। এমনকি গণতান্ত্রিক ভারতের সঙ্গেও সুসর্ম্পক চায় তারা। কিন্তু এখনও সরকার বা গণতান্ত্রিক দুনিয়ার সঙ্গে নিজেদের এই বক্তব্য উপস্থাপন করার আস্থা অর্জন করতে পারেনি।

সাম্প্রতিককালে জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাসের জন্য জামায়াতকে সরকারি তরফ থেকে অভিযুক্ত করে যে, আসলেও যে কয়টি অপারেশনে জঙ্গিরা নিহত হয়েছেন, তাদের সঙ্গে জামায়াতের কানেকশন না পাওয়ার বিষয়টি বড় করে তুলে ধরে বলতে চাইছে- জামায়াত সন্ত্রাস বা জঙ্গিবাদের সঙ্গে জড়িত নয়। তাদের অবস্থান গণতন্ত্রের পক্ষে। সন্ত্রাসবাদেরও বিপক্ষে। তারা প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে রাজপথে ছিল। সামগ্রিক পরিস্থিতি দিলে এই সংকট মোকাবেলাই এখন জামায়াতের মূল লক্ষ্য বলে জামায়াতের নেতারা বিশ্বাস করেন।

স্বাধীনতা উত্তরকালে নিষিদ্ধ জামায়াত সেনাশাসক জিয়াউর রহমানের সময়ে মাওলানা আব্দুর রহিমের নেতৃত্বে আইডিয়েলের ব্যানারে ৭৯ সংসদ নির্বাচনে আবির্ভূত হয়ে পরবর্তীতে জামায়াত নাম ধারণ করে।

জামায়াতের দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, দলের শীর্ষ নেতাদের মৃত্যুদণ্ড এবং বিচার মেনে নিয়েই তারা গণতান্ত্রিক রাজনীতি ও নির্বাচন প্রক্রিয়ায় থাকতে চায়। ক্ষমতার রাজনীতির জন্য বিএনপির জোটেও থাকতে চায়।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X