শনিবার, ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১২ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ১০:২০
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Monday, January 2, 2017 10:45 pm
A- A A+ Print

জেলা পরিষদ নির্বাচন : কোরআনের কসম খেয়েও ভোট না দেয়ায় টাকা ফেরত!

32

সদ্যসমাপ্ত নড়াইল জেলা পরিষদ নির্বাচনে কোরআন শরীফ ও মসজিদ ছুঁয়ে শপথ করে টাকা নিয়েও ভোট না দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভোট না দেয়ার অভিযোগে পরাজিত হয়ে ভোটারদের নিকট থেকে টাকা  ফেরত নিয়েছেন পরাজিত প্রার্থীরা। জানা গেছে, কালিয়া উপজেলার চাঁচুড়ী, পুরুলিয়া ও বাবরা-হাচলা ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত জেলা পরিষদের ৫নং ওয়ার্ড সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ৪ জন প্রার্থী। এর মধ্যে ফ্যান প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন পুরুলিয়া ইউনিয়নের সারোয়ার হোসেন ভুঁইয়া। বিজয় নিশ্চিত করতে তিনি নির্বাচনের কয়েক দিন আগে থেকে বাবরা-হাচলা ইউনিয়নের ইউপি সদস্য বিলায়েত হোসেন, চম্পা বেগম ও হুমায়ুনসহ ১১ জনকে ২০ হাজার টাকা দেন। এছাড়া পুরুলিয়া ইউনিয়নের ইউপি সদস্য মো. আবু সাঈদ শেখ, মুরাদ, কোবাদ, রবিউল ইসলাম, সালমা বেগম, সালেহা বেগম এবং চাঁচুড়ী ইউনিয়নের দুই সদস্যকে ২০ হাজার টাকা করে দেন। কিন্তু ভোট পেয়েছেন মাত্র ৫টি। এতে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ভোটের পরদিন ওইসব সদস্যদের চাপ দিয়ে তাদের কাছে টাকা ফেরত চান। চাপের মুখে বাবরা-হাচলা ইউনিয়নের ইউপি সদস্য বিলায়েত হোসেন, চম্পা বেগম ও হুমায়ুনকে দেয়া ২০ হাজার টাকা ফেরত নেন। এছাড়া অন্যান্যদের দেয়া টাকা ফেরতের চেষ্টা চলছে বলে তিনি জানান। এ ব্যাপারে সারোয়ার হোসেন ভুঁইয়ার পক্ষে কাজ করা পুরুলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম মনি বলেন, 'সারোয়ার হোসেন ভুঁইয়ার নিকট থেকে অনেক ইউপি সদস্য টাকা নিয়ে ভোট দেয়নি। তাদের বিষয়টি খতিয়ে টাকা ফেরতের জন্য চাপ দেয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে কয়েকজন টাকা ফেরত দিয়েছেন।' এ প্রসঙ্গে সারোয়ার হোসেন ভুঁইয়া টাকা দেয়া ও ফেরত নেয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। একইভাবে, ৫ নং ওয়ার্ডের সদস্য প্রার্থী মাহামুদুল হাসান সাবু তালা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তার চাচাতো ভাই চাঁচুড়ী ইউনিয়নের ইউপি সদস্য ওবায়দুর রহমান মোল্যা জানান, সাবুর বিজয় নিয়ে সংশয় থাকায় নির্বাচনের আগের দিন রাতে চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম হীরকের মাধ্যমে ওই ইউনিয়নের সদস্য রবিউল ইসলাম বিপুল তার ছেলের মাথায় হাত ছুঁয়ে শপথ করে ২৫ হাজার টাকা নেয় এবং ইউপি সদস্য আসলাম হোসেন মোল্যা ও রোকেয়া বেগম ২৫ হাজার  করে নেয়। এছাড়া পুরুলিয়া ইউনিয়নের ইউপি সদস্য  মো.আবু সাঈদ শেখ ২০ হাজার টাকা নেয়। কিন্তু তারা কেউই সাবুকে ভোট না দেয়ার অভিযোগে এখন টাকা ফেরত নেয়ার জন্য চাপ দিচ্ছেন পরাজিত প্রার্থী সাবু। চাঁচুড়ী ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম হীরক বিষয়টির সত্যতা স্বীকার করেছেন।

Comments

Comments!

 জেলা পরিষদ নির্বাচন : কোরআনের কসম খেয়েও ভোট না দেয়ায় টাকা ফেরত!AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

জেলা পরিষদ নির্বাচন : কোরআনের কসম খেয়েও ভোট না দেয়ায় টাকা ফেরত!

Monday, January 2, 2017 10:45 pm
32

সদ্যসমাপ্ত নড়াইল জেলা পরিষদ নির্বাচনে কোরআন শরীফ ও মসজিদ ছুঁয়ে শপথ করে টাকা নিয়েও ভোট না দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভোট না দেয়ার অভিযোগে পরাজিত হয়ে ভোটারদের নিকট থেকে টাকা  ফেরত নিয়েছেন পরাজিত প্রার্থীরা।

জানা গেছে, কালিয়া উপজেলার চাঁচুড়ী, পুরুলিয়া ও বাবরা-হাচলা ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত জেলা পরিষদের ৫নং ওয়ার্ড সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ৪ জন প্রার্থী। এর মধ্যে ফ্যান প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন পুরুলিয়া ইউনিয়নের সারোয়ার হোসেন ভুঁইয়া।

বিজয় নিশ্চিত করতে তিনি নির্বাচনের কয়েক দিন আগে থেকে বাবরা-হাচলা ইউনিয়নের ইউপি সদস্য বিলায়েত হোসেন, চম্পা বেগম ও হুমায়ুনসহ ১১ জনকে ২০ হাজার টাকা দেন।

এছাড়া পুরুলিয়া ইউনিয়নের ইউপি সদস্য মো. আবু সাঈদ শেখ, মুরাদ, কোবাদ, রবিউল ইসলাম, সালমা বেগম, সালেহা বেগম এবং চাঁচুড়ী ইউনিয়নের দুই সদস্যকে ২০ হাজার টাকা করে দেন। কিন্তু ভোট পেয়েছেন মাত্র ৫টি।

এতে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ভোটের পরদিন ওইসব সদস্যদের চাপ দিয়ে তাদের কাছে টাকা ফেরত চান। চাপের মুখে বাবরা-হাচলা ইউনিয়নের ইউপি সদস্য বিলায়েত হোসেন, চম্পা বেগম ও হুমায়ুনকে দেয়া ২০ হাজার টাকা ফেরত নেন। এছাড়া অন্যান্যদের দেয়া টাকা ফেরতের চেষ্টা চলছে বলে তিনি জানান।

এ ব্যাপারে সারোয়ার হোসেন ভুঁইয়ার পক্ষে কাজ করা পুরুলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম মনি বলেন, ‘সারোয়ার হোসেন ভুঁইয়ার নিকট থেকে অনেক ইউপি সদস্য টাকা নিয়ে ভোট দেয়নি। তাদের বিষয়টি খতিয়ে টাকা ফেরতের জন্য চাপ দেয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে কয়েকজন টাকা ফেরত দিয়েছেন।’

এ প্রসঙ্গে সারোয়ার হোসেন ভুঁইয়া টাকা দেয়া ও ফেরত নেয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

একইভাবে, ৫ নং ওয়ার্ডের সদস্য প্রার্থী মাহামুদুল হাসান সাবু তালা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

তার চাচাতো ভাই চাঁচুড়ী ইউনিয়নের ইউপি সদস্য ওবায়দুর রহমান মোল্যা জানান, সাবুর বিজয় নিয়ে সংশয় থাকায় নির্বাচনের আগের দিন রাতে চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম হীরকের মাধ্যমে ওই ইউনিয়নের সদস্য রবিউল ইসলাম বিপুল তার ছেলের মাথায় হাত ছুঁয়ে শপথ করে ২৫ হাজার টাকা নেয় এবং ইউপি সদস্য আসলাম হোসেন মোল্যা ও রোকেয়া বেগম ২৫ হাজার  করে নেয়।

এছাড়া পুরুলিয়া ইউনিয়নের ইউপি সদস্য  মো.আবু সাঈদ শেখ ২০ হাজার টাকা নেয়। কিন্তু তারা কেউই সাবুকে ভোট না দেয়ার অভিযোগে এখন টাকা ফেরত নেয়ার জন্য চাপ দিচ্ছেন পরাজিত প্রার্থী সাবু।

চাঁচুড়ী ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম হীরক বিষয়টির সত্যতা স্বীকার করেছেন।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X