বুধবার, ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৯ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সন্ধ্যা ৬:৪১
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Monday, December 12, 2016 8:35 am
A- A A+ Print

জেলা পরিষদ নির্বাচন : বিনা ভোটে এক তৃতীয়াংশ চেয়ারম্যান নির্বাচিত

3

*সদস্য পদেও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অর্ধশতাধিক নির্বাচিত * ভোলা জেলা পরিষদের সবক’টি পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী * চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ * আজ প্রতীক বরাদ্দের পর প্রচারণা শুরু।* জেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ চেয়ারম্যান বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এভাবে নির্বাচিত চেয়ারম্যানের সংখ্যা ২২ জন। ফলে ৬১ জেলার মধ্যে ২৮ ডিসেম্বর ৩৯টিতে চেয়ারম্যান পদে ভোট অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ৩৪ জেলায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীরা চেয়ারম্যান পদে নিজেদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। বাকি ৫ জেলায় আওয়ামী লীগের প্রার্থীর সঙ্গে স্বতন্ত্র বা অন্য কোনো দলের লড়াই হবে। প্রার্থী না থাকায় যেসব জেলায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন সেখানে শুধু সাধারণ ও সংরক্ষিত সদস্য পদে ভোট হবে। শতাধিক ওয়ার্ডে সংরক্ষিত সদস্য ও সাধারণ সদস্য পদেও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। ভোলায় চেয়ারম্যান, ৫টি সংরক্ষিত সদস্য ও ১৫টি সাধারণ সদস্য পদের সবক’টিতে একক প্রার্থী থাকায় সবাই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। ওই জেলায় ভোট গ্রহণ হবে না। রোববার প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষদিন এসব তথ্য পাওয়া গেছে। দেশের ৬১ জেলায় জেলা পরিষদ নির্বাচন হতে যাচ্ছে। এতে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দেন ১৯০ জন প্রার্থী। সংরক্ষিত সদস্য পদে ৮৯৫ এবং সাধারণ সদস্য পদে ৩ হাজার ৫৬১ জন মনোনয়নপত্র জমা দেন । আজ প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে। এরপর থেকে শুরু হবে প্রচারণা। ২৮ ডিসেম্বর সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত একটানা ভোট গ্রহণ চলবে। ২০ নভেম্বর পার্বত্য তিন জেলা বাদে ৬১ জেলা পরিষদের নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর আগে পৌরসভা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেও বিপুল সংখ্যক প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। জেলা পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি ও জাতীয় পার্টি অংশগ্রহণ না করায় এ নির্বাচনে অনেক প্রার্থী ভোট ছাড়াই নির্বাচিত হলেন। ইসির কর্মকর্তারা বলেন, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের পর যারা একক প্রার্থী রয়েছেন, তাদের বেসরকারিভাবে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছে। তবে ভোট গ্রহণের পর সব প্রার্থীর নাম একসঙ্গে গেজেট আকারে প্রকাশ করা হবে। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় যারা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন, তারা হলেন- নারায়ণঞ্জে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আনোয়ার হোসেন, গাজীপুরে মো. আখতারুজ্জামান, ঠাকুরগাঁওয়ে সাদেক কোরাইশী, জয়পুরহাটে আরিফুর রহমান রকেট, নাটোরে সাজেদুর রহমান খান, সিরাজগঞ্জে আবদুল লতিফ বিশ্বাস, যশোরে শাহ হাদিউজ্জামান, বাগেরহাটে শেখ কামরুজ্জামান টুকু, ঝালকাঠিতে সরদার শাহ আলম, ভোলায় আবদুল মোমিন টুলু, নেত্রকোনায় প্রশান্ত কুমার রায়, মুন্সীগঞ্জে মো. মহিউদ্দিন, দিনাজপুরে আজিজুল ইমাম চৌধুরী, নওগাঁয় একেএম ফজলে রাব্বি, কুষ্টিয়ায় রবিউল ইসলাম, ঝালকাঠিতে সরদার মো. শাহ আলম, কিশোরগঞ্জে মো. জিল্লুর রহমান, ঢাকায় মো. মাহবুবুর রহমান, হবিগঞ্জে ডা. মো. মুশফিক হুসেন চৌধুরী, চট্টগ্রামে মোহাম্মদ আবদুস সালাম, টাঙ্গাইলে ফজলুর রহমান খান ফারুক ও ফরিদপুরে মো. লোকমান মৃধা। যুগান্তর ব্যুরো ও প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্যে জানা গেছে, এ নির্বাচনে চেয়ারম্যান ও সদস্য পদে শতাধিক প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। ভোলা : ভোলায় চেয়ারম্যান এবং ২০টি সদস্য পদে একক প্রার্থী ছিলেন। শুধু সংরক্ষিত আসনে ৫নং ওয়ার্ডে প্রার্থী ছিলেন দু’জন। রোববার তাদের একজন প্রার্থী প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। ফলে ভোলার চেয়াম্যান এবং সংরক্ষিত ও সাধারণ সদস্য পদে সবাই বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। এ জেলায় ভোট অনুষ্ঠিত হবে না। পঞ্চগড় : পঞ্চগড়ে চেয়ারম্যান পদে কেউই প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি। চেয়ারম্যান পদে ৮ জন প্রার্থী রয়েছেন। এছাড়া সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মোসাম্মদ লুৎফা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। বরিশাল : জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে দুইজন প্রার্থী প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। এখন দুইজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা নিজেদের আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী দাবি করেছেন। এ জেলায় সদস্য ও সংরক্ষিত সদস্য পদে ৯ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। ফরিদপুর : ফরিদপুরে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী মো. লোকমান হোসেন মৃধা। স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী শহিদুল ইসলাম চৌধুরী তার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করায় আ’লীগ প্রার্থীর বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। রাজশাহী : রাজশাহী জেলা পরিষদ নির্বাচনে একজন চেয়ারম্যান প্রার্থীসহ দু’জন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষদিন রোববার দুপুরে চেয়ারম্যান প্রার্থী অধ্যক্ষ শফিকুর রহমান বাদশা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন। বর্তমানে চেয়ারম্যান পদে বর্তমান প্রশাসক মাহবুব জামান ভুলু ও মোহাম্মদ আলী সরকার প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকলেন। এ জেলায় কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী না থাকায় ১ ও ১৫ নম্বর সাধারণ সদস্য এবং সংরক্ষিত ১নং আসনে প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। লালমনিরহাট : জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সিরাজুল হক চেয়ারম্যান পদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। বর্তমানে এখানে তিনজন প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নীলফামারী : চেয়ারম্যান পদে কেউ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি। এ এখানে দু’জন প্রার্থী রয়েছেন। পাবনা : চেয়ারম্যান পদে কেউ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার না করায় শেষ পর্যন্ত লড়াইয়ে রয়েছেন আওয়ামী লীগের চার প্রার্থী। তবে সদস্য পদে ৬ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। মাদারীপুর : সাধারণ সদস্য পদে ৫ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। বর্তমানে চেয়ারম্যান পদে ৩ জন, সংরক্ষিত সদস্য পদে ৮ জন ও সাধারণ সদস্য পদে ৩১ জন প্রার্থী নির্বাচনে মাঠে আছেন। এ জেলায় সংরক্ষিত সদস্য পদে ৩ জন এবং সাধারণ সদস্য পদে ৬ জন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জ : চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. আফসার আলী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। এরপরও ৫ জন প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এদের মধ্যে ৩ জনই ক্ষমতাসীন দলের সদস্য। এছাড়া সাধারণ সদস্য পদে ১৫ জন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করায় এখন প্রার্থী রয়েছেন ৪৬ জন এবং সংরক্ষিত সদস্য পদে আছেন ১৬ জন। অন্যদিকে ১১নং ওয়ার্ডে কোনো প্রার্থী না থাকায় বিএনপি থেকে সদ্য আওয়ামী লীগে যোগদানকারী মো. আবুল বাশার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিায় সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। সাতক্ষীরা : চেয়ারম্যান পদে দুই প্রতিদ্বন্দ্বীর কেউই তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি। ফলে মাঠে রয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুনসুর আহমেদ ও জেলা সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম। তবে সাধারণ সদস্য পদপ্রার্থী চারজন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করায় নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন ৭৫ জন। এছাড়া সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্য প্রার্থীদের ১৯ জনই নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন। মেহেরপুর : নির্বাচনে সংরিক্ষত নারী সদস্য পদে একজন এবং সাধারণ সদস্য পদে সাতজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। এখন চেয়ারম্যান পদে ৪ জন, সাধারণ সদস্য পদে ৪৮ জন এবং সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ১৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় টিকে থাকলেন। এ জেলায় সাধারণ সদস্য পদে দু’জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। পটুয়াখালী : চেয়ারম্যান পদে কেউই প্রার্থিতা প্রত্যহার না করায় তিনজন প্রার্থী রয়েছেন। সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত সদস্য পদে একজন করে মোট দু’জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। মাগুরা : সাধারণ সদস্য পদে ৫৩ জন প্রাথীর মধ্যে ১১ জন প্রার্থী রোববার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। এছাড়া সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ১১ জনের মধ্যে ১ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। বাগেরহাট : চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের শেখ কামরুজ্জামান টুকু, সদস্য পদে ৩ জন ও মহিলা সদস্য পদে ২ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। ময়মনসিংহ : চেয়ারম্যান পদে তিন প্রার্থীর মধ্যে কেউ প্রত্যাহার করেনি। ১৫টি সাধারণ আসনে সদস্য পদে ৫৫ প্রার্থীর মধ্যে তিনজন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৩ জন, ১৫টি সাধারণ আসনে সদস্য পদে ৫২ জন ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ১৯ জন প্রার্থী নির্বাচনের মাঠে আছেন। চাঁদপুর : চেয়ারম্যান পদে ৫ জন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। এখনও চেয়ারম্যান পদে আছেন চার প্রার্থী । নারায়ণগঞ্জে : চেয়ারম্যান পদে মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেনসহ সাধারণ সদস্য পদে ৫ জন ও সংরক্ষিত সদস্য পদে ৩ জনসহ মোট ৯ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। টাঙ্গাইলে : চেয়ারম্যান পদে একজন প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। ফলে এখানে বিনা ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন একজন। জেলা পরিষদ নির্বাচনের শেষদিন রোববার বিকাল ৫টায় পর্যন্ত টাঙ্গাইলে ৫ জন সদস্য পদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। শেরপুর : মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনে শেরপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে দু’জন চেয়ারম্যান প্রার্থী এবং সাধারণ সদস্য পদের ৩ জন মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। এখনও প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আছেন দু’জন। পিরোজপুর : জেলা পরিষদ নির্বাচন থেকে মশিউর রহমান মহারাজ তার প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন ১৪নং ওয়ার্ড সদস্য মো. আজিমুল হক (মঠবাড়িয়া) এবং সাতজন সদস্য তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। জামালপুর : চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এইচআর জাহিদ আনোয়ার, সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহমেদ চৌধুরী, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহমেদ চৌধুরী, অ্যাডভোকেট সারোয়ার আলম, স্বতন্ত্র প্রার্থী আঞ্জুমনোয়ারা বেগম এবং জাতীয় পার্টি জেপি নেতা অ্যাডভোকেট বাবর আলী। সাধারণ সদস্য পদ থেকে ৪ জন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন। নরসিংদী : এ জেলায় চেয়ারম্যান পদে দু’জন প্রাথী নির্বাচন করছেন। সংরক্ষিত মহিলা আসনে প্রার্থী হিসেবে ১৪ জন নির্বাচন করছেন। সাধারণ আসনের সদস্য পদে ৫৬ জন প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন। এদের মধ্যে ৪ নম্বর ওয়ার্ডে মো. ইকবাল হোসেন, ৫ নম্বর ওয়ার্ডে মনির হোসেন, ৬ নম্বর ওয়ার্ডে এম মাহবুব উল্লাহ, ৮ নম্বর ওয়ার্ডে মো. ইদ্রিস আলী শেখ ও ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে মো. আবছার উদ্দিন ভূঁইয়া বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। মানিকগঞ্জ : চেয়ারম্যান পদে পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সংরক্ষিত মহিলা আসনে ১৬ জন নির্বাচন করছেন। আর সাধারণ আসনে সদস্য পদে ৫৭ জন সদস্য প্রার্থী নির্বাচন করছেন। রাজবাড়ী : চেয়ারম্যান পদে চারজন প্রার্থীর মধ্যে দু’জন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। এ জেলায় সংরক্ষিত মহিলা আসনে ১৫ জন প্রার্থী নির্বাচন করছেন। আর সাধারণ আসনে নির্বাচন করছেন ৩৮ জন প্রার্থী। শরীয়তপুর : চেয়ারম্যান পদে দু’জন প্রার্থী নির্বাচন করছেন। সংরক্ষিত মহিলা আসনে ৯ জন প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী রওশন আরা প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন আর সাধারণ আসনে সদস্য পদে নির্বাচন করছেন ৫৩ জন প্রার্থী। সুনামগঞ্জ : চেয়ারম্যান পদে চারজন প্রার্থী নির্বাচন করছেন। সংরক্ষিত মহিলা আসনে নির্বাচন করছেন ২০ জন প্রার্থী। আর সাধারণ আসনে সদস্য পদে নির্বাচন করছেন ৮৪ জন। ফেনী : এ জেলায় চেয়ারম্যান পদে দু’জন প্রার্থীর মধ্যে একজন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। ফলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী আজিজ আহমেদ চৌধুরী। সংরক্ষিত মহিলা আসনে নির্বাচন করছেন ৬ জন প্রার্থী। আর সাধারণ আসনে সদস্য পদে নির্বাচন করছেন ১৮ জন প্রার্থী। নোয়াখালী : চেয়ারম্যান পদে কেউ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি। এ জেলায় চারজন প্রার্থী নির্বাচন করছেন। সংরক্ষিত মহিলা আসনে নির্বাচন করছেন ১৫ জন প্রার্থী। আর সাধারণ আসনে সদস্য পদে নির্বাচন করছেন ৭৫ জন প্রার্থী। লক্ষ্মীপুর : চেয়ারম্যান পদে চারজন প্রার্থীর মধ্যে থেকে জাতীয় পার্টির একজন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। সংরক্ষিত মহিলা আসনে নির্বাচন করছেন ১৩ জন প্রার্থী। আর সাধারণ আসনে সদস্য পদে নির্বাচন করছেন ৬৫ জন প্রার্থী।

Comments

Comments!

 জেলা পরিষদ নির্বাচন : বিনা ভোটে এক তৃতীয়াংশ চেয়ারম্যান নির্বাচিতAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

জেলা পরিষদ নির্বাচন : বিনা ভোটে এক তৃতীয়াংশ চেয়ারম্যান নির্বাচিত

Monday, December 12, 2016 8:35 am
3

*সদস্য পদেও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অর্ধশতাধিক নির্বাচিত * ভোলা জেলা পরিষদের সবক’টি পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী * চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ * আজ প্রতীক বরাদ্দের পর প্রচারণা শুরু।*

জেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ চেয়ারম্যান বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এভাবে নির্বাচিত চেয়ারম্যানের সংখ্যা ২২ জন। ফলে ৬১ জেলার মধ্যে ২৮ ডিসেম্বর ৩৯টিতে চেয়ারম্যান পদে ভোট অনুষ্ঠিত হবে।

এর মধ্যে ৩৪ জেলায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীরা চেয়ারম্যান পদে নিজেদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। বাকি ৫ জেলায় আওয়ামী লীগের প্রার্থীর সঙ্গে স্বতন্ত্র বা অন্য কোনো দলের লড়াই হবে। প্রার্থী না থাকায় যেসব জেলায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন সেখানে শুধু সাধারণ ও সংরক্ষিত সদস্য পদে ভোট হবে।

শতাধিক ওয়ার্ডে সংরক্ষিত সদস্য ও সাধারণ সদস্য পদেও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। ভোলায় চেয়ারম্যান, ৫টি সংরক্ষিত সদস্য ও ১৫টি সাধারণ সদস্য পদের সবক’টিতে একক প্রার্থী থাকায় সবাই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। ওই জেলায় ভোট গ্রহণ হবে না। রোববার প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষদিন এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

দেশের ৬১ জেলায় জেলা পরিষদ নির্বাচন হতে যাচ্ছে। এতে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দেন ১৯০ জন প্রার্থী। সংরক্ষিত সদস্য পদে ৮৯৫ এবং সাধারণ সদস্য পদে ৩ হাজার ৫৬১ জন মনোনয়নপত্র জমা দেন ।

আজ প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে। এরপর থেকে শুরু হবে প্রচারণা। ২৮ ডিসেম্বর সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত একটানা ভোট গ্রহণ চলবে। ২০ নভেম্বর পার্বত্য তিন জেলা বাদে ৬১ জেলা পরিষদের নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

এর আগে পৌরসভা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেও বিপুল সংখ্যক প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। জেলা পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি ও জাতীয় পার্টি অংশগ্রহণ না করায় এ নির্বাচনে অনেক প্রার্থী ভোট ছাড়াই নির্বাচিত হলেন।

ইসির কর্মকর্তারা বলেন, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের পর যারা একক প্রার্থী রয়েছেন, তাদের বেসরকারিভাবে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছে। তবে ভোট গ্রহণের পর সব প্রার্থীর নাম একসঙ্গে গেজেট আকারে প্রকাশ করা হবে।

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় যারা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন, তারা হলেন- নারায়ণঞ্জে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আনোয়ার হোসেন, গাজীপুরে মো. আখতারুজ্জামান, ঠাকুরগাঁওয়ে সাদেক কোরাইশী, জয়পুরহাটে আরিফুর রহমান রকেট, নাটোরে সাজেদুর রহমান খান, সিরাজগঞ্জে আবদুল লতিফ বিশ্বাস, যশোরে শাহ হাদিউজ্জামান, বাগেরহাটে শেখ কামরুজ্জামান টুকু, ঝালকাঠিতে সরদার শাহ আলম, ভোলায় আবদুল মোমিন টুলু, নেত্রকোনায় প্রশান্ত কুমার রায়, মুন্সীগঞ্জে মো. মহিউদ্দিন, দিনাজপুরে আজিজুল ইমাম চৌধুরী, নওগাঁয় একেএম ফজলে রাব্বি, কুষ্টিয়ায় রবিউল ইসলাম, ঝালকাঠিতে সরদার মো. শাহ আলম, কিশোরগঞ্জে মো. জিল্লুর রহমান, ঢাকায় মো. মাহবুবুর রহমান, হবিগঞ্জে ডা. মো. মুশফিক হুসেন চৌধুরী, চট্টগ্রামে মোহাম্মদ আবদুস সালাম, টাঙ্গাইলে ফজলুর রহমান খান ফারুক ও ফরিদপুরে মো. লোকমান মৃধা।

যুগান্তর ব্যুরো ও প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্যে জানা গেছে, এ নির্বাচনে চেয়ারম্যান ও সদস্য পদে শতাধিক প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।

ভোলা : ভোলায় চেয়ারম্যান এবং ২০টি সদস্য পদে একক প্রার্থী ছিলেন। শুধু সংরক্ষিত আসনে ৫নং ওয়ার্ডে প্রার্থী ছিলেন দু’জন। রোববার তাদের একজন প্রার্থী প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। ফলে ভোলার চেয়াম্যান এবং সংরক্ষিত ও সাধারণ সদস্য পদে সবাই বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। এ জেলায় ভোট অনুষ্ঠিত হবে না।

পঞ্চগড় : পঞ্চগড়ে চেয়ারম্যান পদে কেউই প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি। চেয়ারম্যান পদে ৮ জন প্রার্থী রয়েছেন। এছাড়া সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মোসাম্মদ লুৎফা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

বরিশাল : জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে দুইজন প্রার্থী প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। এখন দুইজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা নিজেদের আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী দাবি করেছেন। এ জেলায় সদস্য ও সংরক্ষিত সদস্য পদে ৯ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

ফরিদপুর : ফরিদপুরে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী মো. লোকমান হোসেন মৃধা। স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী শহিদুল ইসলাম চৌধুরী তার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করায় আ’লীগ প্রার্থীর বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

রাজশাহী : রাজশাহী জেলা পরিষদ নির্বাচনে একজন চেয়ারম্যান প্রার্থীসহ দু’জন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষদিন রোববার দুপুরে চেয়ারম্যান প্রার্থী অধ্যক্ষ শফিকুর রহমান বাদশা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন।

বর্তমানে চেয়ারম্যান পদে বর্তমান প্রশাসক মাহবুব জামান ভুলু ও মোহাম্মদ আলী সরকার প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকলেন। এ জেলায় কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী না থাকায় ১ ও ১৫ নম্বর সাধারণ সদস্য এবং সংরক্ষিত ১নং আসনে প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

লালমনিরহাট : জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সিরাজুল হক চেয়ারম্যান পদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। বর্তমানে এখানে তিনজন প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

নীলফামারী : চেয়ারম্যান পদে কেউ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি। এ এখানে দু’জন প্রার্থী রয়েছেন।

পাবনা : চেয়ারম্যান পদে কেউ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার না করায় শেষ পর্যন্ত লড়াইয়ে রয়েছেন আওয়ামী লীগের চার প্রার্থী। তবে সদস্য পদে ৬ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

মাদারীপুর : সাধারণ সদস্য পদে ৫ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। বর্তমানে চেয়ারম্যান পদে ৩ জন, সংরক্ষিত সদস্য পদে ৮ জন ও সাধারণ সদস্য পদে ৩১ জন প্রার্থী নির্বাচনে মাঠে আছেন। এ জেলায় সংরক্ষিত সদস্য পদে ৩ জন এবং সাধারণ সদস্য পদে ৬ জন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ : চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. আফসার আলী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। এরপরও ৫ জন প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এদের মধ্যে ৩ জনই ক্ষমতাসীন দলের সদস্য। এছাড়া সাধারণ সদস্য পদে ১৫ জন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করায় এখন প্রার্থী রয়েছেন ৪৬ জন এবং সংরক্ষিত সদস্য পদে আছেন ১৬ জন। অন্যদিকে ১১নং ওয়ার্ডে কোনো প্রার্থী না থাকায় বিএনপি থেকে সদ্য আওয়ামী লীগে যোগদানকারী মো. আবুল বাশার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিায় সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

সাতক্ষীরা : চেয়ারম্যান পদে দুই প্রতিদ্বন্দ্বীর কেউই তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি। ফলে মাঠে রয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুনসুর আহমেদ ও জেলা সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম। তবে সাধারণ সদস্য পদপ্রার্থী চারজন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করায় নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন ৭৫ জন। এছাড়া সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্য প্রার্থীদের ১৯ জনই নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন।

মেহেরপুর : নির্বাচনে সংরিক্ষত নারী সদস্য পদে একজন এবং সাধারণ সদস্য পদে সাতজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। এখন চেয়ারম্যান পদে ৪ জন, সাধারণ সদস্য পদে ৪৮ জন এবং সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ১৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় টিকে থাকলেন। এ জেলায় সাধারণ সদস্য পদে দু’জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

পটুয়াখালী : চেয়ারম্যান পদে কেউই প্রার্থিতা প্রত্যহার না করায় তিনজন প্রার্থী রয়েছেন। সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত সদস্য পদে একজন করে মোট দু’জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

মাগুরা : সাধারণ সদস্য পদে ৫৩ জন প্রাথীর মধ্যে ১১ জন প্রার্থী রোববার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। এছাড়া সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ১১ জনের মধ্যে ১ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন।

বাগেরহাট : চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের শেখ কামরুজ্জামান টুকু, সদস্য পদে ৩ জন ও মহিলা সদস্য পদে ২ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

ময়মনসিংহ : চেয়ারম্যান পদে তিন প্রার্থীর মধ্যে কেউ প্রত্যাহার করেনি। ১৫টি সাধারণ আসনে সদস্য পদে ৫৫ প্রার্থীর মধ্যে তিনজন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৩ জন, ১৫টি সাধারণ আসনে সদস্য পদে ৫২ জন ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ১৯ জন প্রার্থী নির্বাচনের মাঠে আছেন।

চাঁদপুর : চেয়ারম্যান পদে ৫ জন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। এখনও চেয়ারম্যান পদে আছেন চার প্রার্থী ।

নারায়ণগঞ্জে : চেয়ারম্যান পদে মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেনসহ সাধারণ সদস্য পদে ৫ জন ও সংরক্ষিত সদস্য পদে ৩ জনসহ মোট ৯ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

টাঙ্গাইলে : চেয়ারম্যান পদে একজন প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। ফলে এখানে বিনা ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন একজন। জেলা পরিষদ নির্বাচনের শেষদিন রোববার বিকাল ৫টায় পর্যন্ত টাঙ্গাইলে ৫ জন সদস্য পদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।

শেরপুর : মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনে শেরপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে দু’জন চেয়ারম্যান প্রার্থী এবং সাধারণ সদস্য পদের ৩ জন মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। এখনও প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আছেন দু’জন।

পিরোজপুর : জেলা পরিষদ নির্বাচন থেকে মশিউর রহমান মহারাজ তার প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন ১৪নং ওয়ার্ড সদস্য মো. আজিমুল হক (মঠবাড়িয়া) এবং সাতজন সদস্য তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।

জামালপুর : চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এইচআর জাহিদ আনোয়ার, সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহমেদ চৌধুরী, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহমেদ চৌধুরী, অ্যাডভোকেট সারোয়ার আলম, স্বতন্ত্র প্রার্থী আঞ্জুমনোয়ারা বেগম এবং জাতীয় পার্টি জেপি নেতা অ্যাডভোকেট বাবর আলী। সাধারণ সদস্য পদ থেকে ৪ জন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন।

নরসিংদী : এ জেলায় চেয়ারম্যান পদে দু’জন প্রাথী নির্বাচন করছেন। সংরক্ষিত মহিলা আসনে প্রার্থী হিসেবে ১৪ জন নির্বাচন করছেন। সাধারণ আসনের সদস্য পদে ৫৬ জন প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন। এদের মধ্যে ৪ নম্বর ওয়ার্ডে মো. ইকবাল হোসেন, ৫ নম্বর ওয়ার্ডে মনির হোসেন, ৬ নম্বর ওয়ার্ডে এম মাহবুব উল্লাহ, ৮ নম্বর ওয়ার্ডে মো. ইদ্রিস আলী শেখ ও ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে মো. আবছার উদ্দিন ভূঁইয়া বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

মানিকগঞ্জ : চেয়ারম্যান পদে পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সংরক্ষিত মহিলা আসনে ১৬ জন নির্বাচন করছেন। আর সাধারণ আসনে সদস্য পদে ৫৭ জন সদস্য প্রার্থী নির্বাচন করছেন।

রাজবাড়ী : চেয়ারম্যান পদে চারজন প্রার্থীর মধ্যে দু’জন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। এ জেলায় সংরক্ষিত মহিলা আসনে ১৫ জন প্রার্থী নির্বাচন করছেন। আর সাধারণ আসনে নির্বাচন করছেন ৩৮ জন প্রার্থী।

শরীয়তপুর : চেয়ারম্যান পদে দু’জন প্রার্থী নির্বাচন করছেন। সংরক্ষিত মহিলা আসনে ৯ জন প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী রওশন আরা প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন আর সাধারণ আসনে সদস্য পদে নির্বাচন করছেন ৫৩ জন প্রার্থী।

সুনামগঞ্জ : চেয়ারম্যান পদে চারজন প্রার্থী নির্বাচন করছেন। সংরক্ষিত মহিলা আসনে নির্বাচন করছেন ২০ জন প্রার্থী। আর সাধারণ আসনে সদস্য পদে নির্বাচন করছেন ৮৪ জন।

ফেনী : এ জেলায় চেয়ারম্যান পদে দু’জন প্রার্থীর মধ্যে একজন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। ফলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী আজিজ আহমেদ চৌধুরী। সংরক্ষিত মহিলা আসনে নির্বাচন করছেন ৬ জন প্রার্থী। আর সাধারণ আসনে সদস্য পদে নির্বাচন করছেন ১৮ জন প্রার্থী।

নোয়াখালী : চেয়ারম্যান পদে কেউ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি। এ জেলায় চারজন প্রার্থী নির্বাচন করছেন। সংরক্ষিত মহিলা আসনে নির্বাচন করছেন ১৫ জন প্রার্থী। আর সাধারণ আসনে সদস্য পদে নির্বাচন করছেন ৭৫ জন প্রার্থী।

লক্ষ্মীপুর : চেয়ারম্যান পদে চারজন প্রার্থীর মধ্যে থেকে জাতীয় পার্টির একজন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। সংরক্ষিত মহিলা আসনে নির্বাচন করছেন ১৩ জন প্রার্থী। আর সাধারণ আসনে সদস্য পদে নির্বাচন করছেন ৬৫ জন প্রার্থী।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X