সোমবার, ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৭ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ১১:৪৯
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Wednesday, December 7, 2016 1:01 pm
A- A A+ Print

জয়ললিতার বিপুল অর্থ-সম্পত্তির কী হবে?

43561_thumbm_x5

সদ্য প্রয়াত ভারতের তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী জয়ললিতা মারা যাওয়ার আগে তার অর্থ-সম্পত্তির উত্তরাধিকার হিসেবে কাউকে রেখে যাননি। কী হবে বিশাল পরিমাণের এই সম্পত্তির- তা নিয়ে এরই মধ্যে গুঞ্জন শুরু হয়েছে। চেন্নাইয়ের পোয়েস গার্ডেনে ৮১ নম্বর আলিশান ‘বেদ নিলায়ম’ বাড়ির উত্তরাধিকার কে হবেন- এটি এখন শতকোটি রুপির প্রশ্ন। ২৪ হাজার বর্গফুটের চোখ ধাঁধানো বেদা নিলায়ম জয়ললিতার প্রিয় বাংলো। এর কোনো আইনি উত্তরাধিকার নেই। সম্পত্তিবিষয়ক অভিজ্ঞরা বলেছেন, বর্তমান বাজার দরে এ বাংলোর মূল্য ৯০ কোটি রুপি। কাউকে উইল করে দিয়ে না গেলেও কে বা কারা তারা এ অর্থ-সম্পত্তি দাবি করতে পারেন, তাদের নিয়ে আলোচনা হচ্ছে বেশি। আলোচনায় যার নাম বেশি শোনা যাচ্ছে, তিনি হলেন শশীকালা নটরাজন। রাজনৈতিক সহচর হিসেবে তিনি জয়ললিতার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ। জয়ললিতার শেষকৃত্যানুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতাও করেন তিনি। শশীকালা নামের এই নারীর সঙ্গে ১৯৮০-এর দশকে দেখা হয় জয়ললিতার। পরে জয়ললিতার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী জয়ার সরকারে পর্দার সামনে ও আড়ালে একান্ত সহচর ছিলেন শশীকালা। বেদা নিলায়ম বাংলোয় থাকেন তিনিও। মঙ্গলবার জয়াকে সমাহিত করে সোজা বেদা নিলায়মে ফেরেন তিনি। শশীকালা বাংলোর মালিকানা দাবি করতে পারেন। এ ছাড়া জয়ললিতার ভাইয়ের মেয়ে দীপা জয়কুমার ও ছেলে দীপক জয়কুমারও একই দাবি করতে পারেন। কিন্তু ন্যায্য প্রাপ্য কার? এ প্রশ্নের উত্তর পেতে হয়তো সময় লাগবে। অথবা জয়ললিতার অর্থ-সম্পত্তি তার রাজনৈতিক গুরু এম জি রাজেন্দ্রনের রামাপুরামের বাড়ির মতো হবে কি না? কয়েক দশক বাড়ির মালিকানা নিয়ে মামলা ঝুলছে আদালতে। ১৯৬৭ সালে ১ লাখ ১৫ হাজার রুপি দিয়ে জয়ার মা পোয়েস গার্ডেনের বাংলোটি কেনেন। সেই সূত্রে জয়ার ভাইয়ের ছেলে-মেয়ে এর মালিকানার অংশ দাবি করতে পারেন। কারণ বাংলোটি তাদের দাদির কেনা। বাংলো ছাড়া জয়ললিতার ব্যাংকে গচ্ছিত ও বিনিয়োগ মিলে আরো প্রায় ৮০ কোটি রুপি রয়েছে। জমি আছে ১৪ দশমিক ৫ একর। ২০১৬ সালে বিধানসভা নির্বাচনের হলফনামায় স্থাবর-অস্থাবর মিলে ১১৮ দশমিক ৫৮ কোটি রুপির মালিক ঘোষণা করেন নিজেকে। এ ছাড়া ১০ কোটি ৬৩ লাখ রুপি বিভিন্ন ব্যাংকে গচ্ছিত রয়েছে। আরো আছে ১ হাজার ২৫০ কেজি রুপা, যার মূল্য প্রায় ৩ কোটি রুপি। প্রদর্শিত এ অর্থ-সম্পদের বাইরে আরো অর্থকড়ির মালিক ছিলেন জয়ললিতা। অবৈধ সহায়-সম্পত্তি লাভের অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টে তার বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়, যা এখনো নিষ্পত্তি হয়নি। তথ্যসূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া অনলাইন।  

Comments

Comments!

 জয়ললিতার বিপুল অর্থ-সম্পত্তির কী হবে?AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

জয়ললিতার বিপুল অর্থ-সম্পত্তির কী হবে?

Wednesday, December 7, 2016 1:01 pm
43561_thumbm_x5

সদ্য প্রয়াত ভারতের তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী জয়ললিতা মারা যাওয়ার আগে তার অর্থ-সম্পত্তির উত্তরাধিকার হিসেবে কাউকে রেখে যাননি।

কী হবে বিশাল পরিমাণের এই সম্পত্তির- তা নিয়ে এরই মধ্যে গুঞ্জন শুরু হয়েছে। চেন্নাইয়ের পোয়েস গার্ডেনে ৮১ নম্বর আলিশান ‘বেদ নিলায়ম’ বাড়ির উত্তরাধিকার কে হবেন- এটি এখন শতকোটি রুপির প্রশ্ন।

২৪ হাজার বর্গফুটের চোখ ধাঁধানো বেদা নিলায়ম জয়ললিতার প্রিয় বাংলো। এর কোনো আইনি উত্তরাধিকার নেই। সম্পত্তিবিষয়ক অভিজ্ঞরা বলেছেন, বর্তমান বাজার দরে এ বাংলোর মূল্য ৯০ কোটি রুপি।

কাউকে উইল করে দিয়ে না গেলেও কে বা কারা তারা এ অর্থ-সম্পত্তি দাবি করতে পারেন, তাদের নিয়ে আলোচনা হচ্ছে বেশি। আলোচনায় যার নাম বেশি শোনা যাচ্ছে, তিনি হলেন শশীকালা নটরাজন। রাজনৈতিক সহচর হিসেবে তিনি জয়ললিতার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ। জয়ললিতার শেষকৃত্যানুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতাও করেন তিনি।

শশীকালা নামের এই নারীর সঙ্গে ১৯৮০-এর দশকে দেখা হয় জয়ললিতার। পরে জয়ললিতার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী জয়ার সরকারে পর্দার সামনে ও আড়ালে একান্ত সহচর ছিলেন শশীকালা। বেদা নিলায়ম বাংলোয় থাকেন তিনিও। মঙ্গলবার জয়াকে সমাহিত করে সোজা বেদা নিলায়মে ফেরেন তিনি।

শশীকালা বাংলোর মালিকানা দাবি করতে পারেন। এ ছাড়া জয়ললিতার ভাইয়ের মেয়ে দীপা জয়কুমার ও ছেলে দীপক জয়কুমারও একই দাবি করতে পারেন। কিন্তু ন্যায্য প্রাপ্য কার? এ প্রশ্নের উত্তর পেতে হয়তো সময় লাগবে।

অথবা জয়ললিতার অর্থ-সম্পত্তি তার রাজনৈতিক গুরু এম জি রাজেন্দ্রনের রামাপুরামের বাড়ির মতো হবে কি না? কয়েক দশক বাড়ির মালিকানা নিয়ে মামলা ঝুলছে আদালতে।

১৯৬৭ সালে ১ লাখ ১৫ হাজার রুপি দিয়ে জয়ার মা পোয়েস গার্ডেনের বাংলোটি কেনেন। সেই সূত্রে জয়ার ভাইয়ের ছেলে-মেয়ে এর মালিকানার অংশ দাবি করতে পারেন। কারণ বাংলোটি তাদের দাদির কেনা।

বাংলো ছাড়া জয়ললিতার ব্যাংকে গচ্ছিত ও বিনিয়োগ মিলে আরো প্রায় ৮০ কোটি রুপি রয়েছে। জমি আছে ১৪ দশমিক ৫ একর। ২০১৬ সালে বিধানসভা নির্বাচনের হলফনামায় স্থাবর-অস্থাবর মিলে ১১৮ দশমিক ৫৮ কোটি রুপির মালিক ঘোষণা করেন নিজেকে।

এ ছাড়া ১০ কোটি ৬৩ লাখ রুপি বিভিন্ন ব্যাংকে গচ্ছিত রয়েছে। আরো আছে ১ হাজার ২৫০ কেজি রুপা, যার মূল্য প্রায় ৩ কোটি রুপি।

প্রদর্শিত এ অর্থ-সম্পদের বাইরে আরো অর্থকড়ির মালিক ছিলেন জয়ললিতা। অবৈধ সহায়-সম্পত্তি লাভের অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টে তার বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়, যা এখনো নিষ্পত্তি হয়নি।

তথ্যসূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া অনলাইন।

 

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X