রবিবার, ২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১৩ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ১০:০৮
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Thursday, September 8, 2016 12:54 am
A- A A+ Print

ঝাঁকে ঝাঁকে ধরা পড়ছে ইলিশ

30732_152

পটুয়াখালীর কলাপাড়াসহ গোটা উপকূলীয় এলাকার হাজার হাজার জেলে, আড়ত ও ট্রলার মালিকসহ এ পেশার সঙ্গে নির্ভরশীল অন্তত ৫০ হাজার পরিবারের মুখে হাসির ঝিলিক।  সাগর-নদী ও মোহনায় গত এক সপ্তাহ প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ায় এসব পরিবারে বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ। ব্যস্ত সময় পার করছেন ইলিশের সবচেয়ে বড় মোকাম কুয়াকাটা, মহিপুর ও আলীপুরের আড়তদারসহ মৎস্য ব্যবসায়ীরা। লেনদেন করছেন কোটি কোটি টাকা। মহিপুর মৎস্য আড়ত মালিক সমিতির সভাপতি গাজী ফজলুর রহমান জানান, গত এক সপ্তাহ যাবৎ প্রচুর ইলিশ আমদানি হচ্ছে। গড়ে প্রতিদিন আন্তত তিন হাজার মণ ইলিশ দেশের বিভিন্ন স্থানে চালান করা হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন। এফবি টিপু-২ নামের একটি মাছ ধরা ট্রলার একবারে ১৫৮ মণ ইলিশ মাছ পেয়েছে। ওই মাছ বিক্রি করেছে প্রায় ২৫ লাখ টাকায়। মওসুমের শেষ পর্যায়ে প্রচুর ইলিশ ধরা পড়লেও দামও বেশ চড়া। ৪০০-৫০০ গ্রাম সাইজের ইলিশের মণ  ১৪-১৫ হাজার টাকা। ৭০০ গ্রাম থেকে এক কেজি ওজনের কম সাইজের ইলিশের মণ ১৯ হাজার টাকা। এক কেজির চেয়ে বেশি ওজনের  সাইজের ইলিশের মণ বিক্রি হচ্ছে ২৪-২৫ হজার টাকা। একই দৃশ্য আলীপুর মৎস্য বন্দরসহ কুয়াকাটার। কুয়াকাটার ঘরামী ফিস, ঝুমা ফিস আড়তে দেখা গেছে, ইলিশের সয়লাব। এসব আড়ৎ ছাড়াও উপজেলার লক্ষ্মী বাজার, চাপলী বাজার গঙ্গামতির ধোলাই বাজার, কাউয়ার চরের বটতলা, ধূলাসার, বাবলাতলা, ঢোস, ব্যুরোজালিয়া, মুন্সিপাড়া, চারিপাড়া, দেবপুর, পাটুয়া, খালগোড়াসহ সবক’টি ছোট বড় মোকামের শতাধিক আড়তে এখন ইলিশ মাছের আমদানি বেড়ে গেছে। উপজেলার বিভিন্ন আড়ত মালিকদের দেয়া তথ্যানুসারে, বর্তমানে যে পরিমান ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে তাতে লোকসান পুষিয়ে জেলেরা লাভের মুখ দেখছেন। অনেকে অর্ধকোটি টাকা পর্যন্ত লাভে পৌছেছেন। আড়ত মালিক, ট্রলার মালিকসহ জেলেদের দেয়া হিসাব অনুসারে কলাপাড়ার বিভিন্ন স্পট থেকে প্রতিদিন অন্তত চার হাজার মণ ইলিশ মাছ দেশের বিভিন্ন বড় বড় মোকামে চালান করা হচ্ছে। কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম জানান, মা ইলিশ রক্ষা এবং জাটকা নিধন রোধে মৎস্য অফিসের পরিকল্পিত উদ্যোগের কারণে জেলেরা সুফল পাচ্ছেন।

Comments

Comments!

 ঝাঁকে ঝাঁকে ধরা পড়ছে ইলিশAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

ঝাঁকে ঝাঁকে ধরা পড়ছে ইলিশ

Thursday, September 8, 2016 12:54 am
30732_152

পটুয়াখালীর কলাপাড়াসহ গোটা উপকূলীয় এলাকার হাজার হাজার জেলে, আড়ত ও ট্রলার মালিকসহ এ পেশার সঙ্গে নির্ভরশীল অন্তত ৫০ হাজার পরিবারের মুখে হাসির ঝিলিক।  সাগর-নদী ও মোহনায় গত এক সপ্তাহ প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ায় এসব পরিবারে বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ। ব্যস্ত সময় পার করছেন ইলিশের সবচেয়ে বড় মোকাম কুয়াকাটা, মহিপুর ও আলীপুরের আড়তদারসহ মৎস্য ব্যবসায়ীরা। লেনদেন করছেন কোটি কোটি টাকা।
মহিপুর মৎস্য আড়ত মালিক সমিতির সভাপতি গাজী ফজলুর রহমান জানান, গত এক সপ্তাহ যাবৎ প্রচুর ইলিশ আমদানি হচ্ছে। গড়ে প্রতিদিন আন্তত তিন হাজার মণ ইলিশ দেশের বিভিন্ন স্থানে চালান করা হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন। এফবি টিপু-২ নামের একটি মাছ ধরা ট্রলার একবারে ১৫৮ মণ ইলিশ মাছ পেয়েছে। ওই মাছ বিক্রি করেছে প্রায় ২৫ লাখ টাকায়। মওসুমের শেষ পর্যায়ে প্রচুর ইলিশ ধরা পড়লেও দামও বেশ চড়া। ৪০০-৫০০ গ্রাম সাইজের ইলিশের মণ  ১৪-১৫ হাজার টাকা। ৭০০ গ্রাম থেকে এক কেজি ওজনের কম সাইজের ইলিশের মণ ১৯ হাজার টাকা। এক কেজির চেয়ে বেশি ওজনের  সাইজের ইলিশের মণ বিক্রি হচ্ছে ২৪-২৫ হজার টাকা। একই দৃশ্য আলীপুর মৎস্য বন্দরসহ কুয়াকাটার। কুয়াকাটার ঘরামী ফিস, ঝুমা ফিস আড়তে দেখা গেছে, ইলিশের সয়লাব। এসব আড়ৎ ছাড়াও উপজেলার লক্ষ্মী বাজার, চাপলী বাজার গঙ্গামতির ধোলাই বাজার, কাউয়ার চরের বটতলা, ধূলাসার, বাবলাতলা, ঢোস, ব্যুরোজালিয়া, মুন্সিপাড়া, চারিপাড়া, দেবপুর, পাটুয়া, খালগোড়াসহ সবক’টি ছোট বড় মোকামের শতাধিক আড়তে এখন ইলিশ মাছের আমদানি বেড়ে গেছে। উপজেলার বিভিন্ন আড়ত মালিকদের দেয়া তথ্যানুসারে, বর্তমানে যে পরিমান ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে তাতে লোকসান পুষিয়ে জেলেরা লাভের মুখ দেখছেন। অনেকে অর্ধকোটি টাকা পর্যন্ত লাভে পৌছেছেন। আড়ত মালিক, ট্রলার মালিকসহ জেলেদের দেয়া হিসাব অনুসারে কলাপাড়ার বিভিন্ন স্পট থেকে প্রতিদিন অন্তত চার হাজার মণ ইলিশ মাছ দেশের বিভিন্ন বড় বড় মোকামে চালান করা হচ্ছে। কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম জানান, মা ইলিশ রক্ষা এবং জাটকা নিধন রোধে মৎস্য অফিসের পরিকল্পিত উদ্যোগের কারণে জেলেরা সুফল পাচ্ছেন।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X