রবিবার, ২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১৩ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, বিকাল ৫:৩৯
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Friday, January 6, 2017 8:59 am
A- A A+ Print

টাকার জন্য পুলিশের কেমন নির্যাতন!

2

যশোরে পুলিশ এক যুবককে ধরে নিয়ে থানার মধ্যে ঝুলিয়ে নির্মমভাবে পিটিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্বজনের অভিযোগ, চাহিদামতো দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে টাকা না দেওয়াতেই এ নির্মমতা চালায় পুলিশ। নির্যাতনের শিকার যুবক হলেন আবু সাঈদ (৩০)। তিনি যশোর সদর উপজেলার তালবাড়িয়া গ্রামের নুরুল হকের ছেলে। তাঁর স্বজন জানান, সাঈদকে ছাড়াতে দুই লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেছিল পুলিশ। শেষমেশ ৫০ হাজার টাকা দিয়ে তাঁকে ছাড়িয়ে আনা হয়েছে। যশোরের কোতোয়ালি মডেল থানার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পুলিশ সদস্য ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, সাঈদকে গত বুধবার রাতে আটক করেন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নাজমুল। পরে তাঁর কাছে তিনি ও সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) হাদিবুর রহমান দুই লাখ টাকা দাবি করেন। কিন্তু তা দিতে অস্বীকার করায় সাঈদকে হাতকড়া পরিয়ে থানার মধ্যে দুই টেবিলের মাঝে ঝুলিয়ে পেটানো হয়। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ৫০ হাজার টাকা দিয়ে ওই রাতেই সাঈদকে ছাড়িয়ে আনেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সাঈদের এক স্বজন মুঠোফোনে  বলেন, সাঈদের নামে মামলা রয়েছে। তবে তিনি জামিনে আছেন। বুধবার রাতে বিনা অপরাধেই তাঁকে আটক করে নির্যাতন করে পুলিশ। পরে ৫০ হাজার টাকা দিয়ে তাঁকে ছাড়িয়ে আনা হয়। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে থানার ওসি ইলিয়াস হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, বিষয়টি তাঁর জানা নেই। তিনি এসআই নাহিয়ানের সঙ্গে কথা বলতে বলেন। যোগাযোগ করা হলে নাহিয়ান বলেন, ‘আমি শুনেছি আবু সাঈদকে আটক করা হয়েছিল। কিন্তু আমি আটক করিনি। আর আটকের পর কী হয়েছে তা আমি জানি না।’ এদিকে চেষ্টা করেও এসআই নাজমুলের সঙ্গে দেখা করা সম্ভব হয়নি। তাঁর মুঠোফোনও বন্ধ পাওয়া যায়। তবে এএসআই হাদিবুর অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘ঘটনার সঙ্গে আমি জড়িত নই।’

Comments

Comments!

 টাকার জন্য পুলিশের কেমন নির্যাতন!AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

টাকার জন্য পুলিশের কেমন নির্যাতন!

Friday, January 6, 2017 8:59 am
2

যশোরে পুলিশ এক যুবককে ধরে নিয়ে থানার মধ্যে ঝুলিয়ে নির্মমভাবে পিটিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্বজনের অভিযোগ, চাহিদামতো দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে টাকা না দেওয়াতেই এ নির্মমতা চালায় পুলিশ।
নির্যাতনের শিকার যুবক হলেন আবু সাঈদ (৩০)। তিনি যশোর সদর উপজেলার তালবাড়িয়া গ্রামের নুরুল হকের ছেলে। তাঁর স্বজন জানান, সাঈদকে ছাড়াতে দুই লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেছিল পুলিশ। শেষমেশ ৫০ হাজার টাকা দিয়ে তাঁকে ছাড়িয়ে আনা হয়েছে।
যশোরের কোতোয়ালি মডেল থানার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পুলিশ সদস্য ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, সাঈদকে গত বুধবার রাতে আটক করেন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নাজমুল। পরে তাঁর কাছে তিনি ও সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) হাদিবুর রহমান দুই লাখ টাকা দাবি করেন। কিন্তু তা দিতে অস্বীকার করায় সাঈদকে হাতকড়া পরিয়ে থানার মধ্যে দুই টেবিলের মাঝে ঝুলিয়ে পেটানো হয়। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ৫০ হাজার টাকা দিয়ে ওই রাতেই সাঈদকে ছাড়িয়ে আনেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সাঈদের এক স্বজন মুঠোফোনে  বলেন, সাঈদের নামে মামলা রয়েছে। তবে তিনি জামিনে আছেন। বুধবার রাতে বিনা অপরাধেই তাঁকে আটক করে নির্যাতন করে পুলিশ। পরে ৫০ হাজার টাকা দিয়ে তাঁকে ছাড়িয়ে আনা হয়।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে থানার ওসি ইলিয়াস হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, বিষয়টি তাঁর জানা নেই। তিনি এসআই নাহিয়ানের সঙ্গে কথা বলতে বলেন। যোগাযোগ করা হলে নাহিয়ান বলেন, ‘আমি শুনেছি আবু সাঈদকে আটক করা হয়েছিল। কিন্তু আমি আটক করিনি। আর আটকের পর কী হয়েছে তা আমি জানি না।’
এদিকে চেষ্টা করেও এসআই নাজমুলের সঙ্গে দেখা করা সম্ভব হয়নি। তাঁর মুঠোফোনও বন্ধ পাওয়া যায়। তবে এএসআই হাদিবুর অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘ঘটনার সঙ্গে আমি জড়িত নই।’

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X