মঙ্গলবার, ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৮ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ১২:০২
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Tuesday, May 16, 2017 10:01 am
A- A A+ Print

টার্মিনালের ইজারার টেন্ডার পেলো শ্রমিকরা : সিলেট সিটি করপোরেশনে উত্তেজনা পুলিশ মোতায়েন

65571_b4

সিলেট কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল ইজারাকে কেন্দ্র করে সিলেট সিটি করপোরেশনে পরিবহন শ্রমিকদের নেতা মুক্তিযোদ্ধা সেলিম আহমদ ফলিকের সঙ্গে যুবলীগ কর্মীদের উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের ঘটনা ঘটেছে। যুবলীগ কর্মীরা টেন্ডারবাক্স দখলে রাখায় সেলিম আহমদ ফলিকসহ শ্রমিক নেতারা প্রথমে টেন্ডার জমা দিতে পারেননি। শেষে পুলিশ গিয়ে যুবলীগ নেতাদের সরিয়ে দেয়ার পর ফলিকসহ শ্রমিক নেতারা টেন্ডার জমা দিয়ে আসেন। আর বিকালে সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নই সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে টেন্ডার পায়। এদিকে- টেন্ডার জমাকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি উত্তপ্ত থাকায় প্রায় তিন ঘণ্টা সিটি করপোরেশনে পুলিশ মোতায়েন ছিল। আর ওই সময় সেলিমসহ পরিবহন শ্রমিক নেতাদের সিটি করপোরেশনের অস্থায়ী কার্যালয়ের পাশে কোতোয়ালি থানায় বসিয়ে রাখা হয়। সিলেট কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের ইজারা নেয়ার জন্য টেন্ডার জমা দানের শেষ দিন কাল। আগেই পত্রিকায় দরপত্র আহ্বান করে গতকাল টেন্ডার জমা দেয়ার দিন ধার্য করে সিটি করপোরেশন। গেলো বার ৪৫ লাখ টাকা দিয়ে ওই টার্মিনাল ইজারা নিয়েছিলেন নেতারা। গতকাল টেন্ডার জমা দেয়ার দিন সকালেই সেখানে গিয়ে পৌঁছেন যুবলীগের কর্মীরা। তারা সিটি করপোরেশনের অস্থায়ী কার্যালয়ে টেন্ডারবাক্সে দুটি টেন্ডার জমা দিয়ে ওখানেই অবস্থান করেন। একপর্যায়ে সিলেট জেলা পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা সেলিম আহমদ ফলিক টেন্ডার জমা দিতে সিটি করপোরেশন কার্যালয়ে যান। সেলিম আহমদ ফলিক অভিযোগ করেছেন- তিনি যখন টেন্ডার দিতে সিটি করপোরেশনে যান তখন গিয়ে দেখেন যুবলীগের কর্মীরা টেন্ডারবাক্স ঘিরে দাঁড়িয়ে আছে। তিনি টেন্ডার দিতে এগিয়ে গেলে তাকে বাধা দেয়া হয়। এবং টেন্ডার জমা না দেয়ার জন্য নিষেধ করেন। বাধা তিনি না মেনে এগিয়ে গেলে যুবলীগ কর্মীরা উত্তেজনার সৃষ্টি করে। তিনি বলেন- এ সময় সিটি করপোরেশন কার্যালয়েই তার সঙ্গে থাকা অন্য  শ্রমিক নেতারাও যুবলীগ কর্মীদের এ আচরণে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এ নিয়ে উত্তেজনা শুরু হলে মহানগর পুলিশ সেখানে চলে আসে। পরে পুলিশ যুবলীগ কর্মীদের সরিয়ে দিলে তিনিসহ পরিবহন শ্রমিক নেতারা গিয়ে টেন্ডার জমা দেন। এদিকে- টেন্ডার জমা দেয়ার পরপরই সেলিম আহমদ ফলিককে নিয়ে যাওয়া হয় পার্শ্ববর্তী কোতোয়ালি থানায়। সেখানে ফলিকসহ শ্রমিক নেতাদের বসিয়ে রাখা হয়। আর সিটি করপোরেশন এলাকায় করা হয় পুলিশ মোতায়েন। এদিকে, বিকাল ৩টার দিকে সেলিম আহমদ ফলিকসহ পরিবহন শ্রমিক নেতারা থানা থেকে চলে যান। এর আগে অবশ্য গুজব রটেছিল সেলিম আহমদ ফলিককে আটক করা হয়েছে। যুবলীগ নেতাদের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছিল- টেন্ডার জমা দেয়ার সময় সেলিম আহমদ ফলিক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সিলেটের আওয়ামী লীগকে গালিগালাজ করেন। এ কারণে  পুলিশ তাকে আটক করেছেন। কিন্তু বিকালে সিলেটের কোতোয়ালি থানার ওসি গৌছুল হোসেন মানবজমিনকে জানিয়েছেন- সেলিম আহমদ ফলিক প্রধানমন্ত্রীকে গালিগালাজ করেছেন সেটি পুলিশ শুনেনি। সিটি করপোরেশনে উত্তেজনা বিরাজ থাকায় ফলিকসহ শ্রমিক নেতাদের থানায় এনে বসিয়ে রাখা হয়। পরে তারা চলেও যান। তাদের আটকের কথা সত্য নয় বলে দাবি করেন তিনি। এদিকে- বিকালে সেলিম আহমদ ফলিকের নেতৃত্বাধীন সিলেট জেলা পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নই সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে সিলেট কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের ইজারা পেয়েছে। সিলেট সিটি করপোরেশন থেকে সেটি বিকাল ৩টার দিকে ফলিককে জানিয়ে দেয়া হয়েছে। ফলিক জানিয়েছেন- গেলোবার ৪৫ লাখ টাকায় টার্মিনাল ইজারা দেয়া হয়েছিল। এবার সেটি তিনি ৬১ লাখ ১ টাকায় নিয়েছেন। কিন্তু পুরো টেন্ডার প্রক্রিয়ায় তার খরচ হয়েছে ৯১ লাখ টাকা। ট্যাক্স ও ভ্যাট আদায় করে তারা বাস টার্মিনালের ইজারা গ্রহণ করেন। সর্বমোট ৩টি টেন্ডার জমা পড়েছিল। এর মধ্যে তিনি সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে জানিয়েছেন। সিলেট মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক আলম খান মুক্তি জানিয়েছেন- তিনি ওই টেন্ডার পক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত নন। দুপুরে সেলিম আহমদ ফলিক সিটি করপোরেশনে এসে প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে কটূক্তি করেন। তার কটূক্তির কারণে সেখানে থাকা স্থানীয় লোকজন তার বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। খবরটি তার কাছে এলে তিনিও সিটি করপোরেশনে যান। ওখানে গিয়ে দেখেন জেলা যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শামীম আহমদ, সাধারণ সম্পাদক মহসিন কামরানসহ সিনিয়র নেতারা উপস্থিত রয়েছেন। ফলিকের সঙ্গে তারা কিংবা যুবলীগের কেউ কোনো খারাপ ব্যবহার করেননি। প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি করায় কোতোয়ালি পুলিশ ফলিককে আটক করে থানায় নিয়ে যায় বলে দাবি করেন। পরে বিকালে মুচলেকা আদায়ের মাধ্যমে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে বলে জানান মুক্তি। সিলেট জেলা পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম আহমদ ফলিক বলেন- তিনি সকালে সিটি করপোরেশনে দরপত্র জমা দিতে গেলে যুবলীগ নেতা শামিম ও যুবলীগ অন্য নেতারা তার সঙ্গে কথা বলতে চান। কিন্তু তিনি দরপত্র জমা দেয়ার আগে কথা বলতে রাজি না হওয়ায় তাদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়েছে। তিনি প্রধানমন্ত্রী ও সিলেটের কাউকে নিয়ে কোনো কটূক্তি করেননি বলে দাবি করেন।

Comments

Comments!

 টার্মিনালের ইজারার টেন্ডার পেলো শ্রমিকরা : সিলেট সিটি করপোরেশনে উত্তেজনা পুলিশ মোতায়েনAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

টার্মিনালের ইজারার টেন্ডার পেলো শ্রমিকরা : সিলেট সিটি করপোরেশনে উত্তেজনা পুলিশ মোতায়েন

Tuesday, May 16, 2017 10:01 am
65571_b4

সিলেট কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল ইজারাকে কেন্দ্র করে সিলেট সিটি করপোরেশনে পরিবহন শ্রমিকদের নেতা মুক্তিযোদ্ধা সেলিম আহমদ ফলিকের সঙ্গে যুবলীগ কর্মীদের উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের ঘটনা ঘটেছে। যুবলীগ কর্মীরা টেন্ডারবাক্স দখলে রাখায় সেলিম আহমদ ফলিকসহ শ্রমিক নেতারা প্রথমে টেন্ডার জমা দিতে পারেননি। শেষে পুলিশ গিয়ে যুবলীগ নেতাদের সরিয়ে দেয়ার পর ফলিকসহ শ্রমিক নেতারা টেন্ডার জমা দিয়ে আসেন। আর বিকালে সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নই সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে টেন্ডার পায়। এদিকে- টেন্ডার জমাকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি উত্তপ্ত থাকায় প্রায় তিন ঘণ্টা সিটি করপোরেশনে পুলিশ মোতায়েন ছিল। আর ওই সময় সেলিমসহ পরিবহন শ্রমিক নেতাদের সিটি করপোরেশনের অস্থায়ী কার্যালয়ের পাশে কোতোয়ালি থানায় বসিয়ে রাখা হয়। সিলেট কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের ইজারা নেয়ার জন্য টেন্ডার জমা দানের শেষ দিন কাল। আগেই পত্রিকায় দরপত্র আহ্বান করে গতকাল টেন্ডার জমা দেয়ার দিন ধার্য করে সিটি করপোরেশন। গেলো বার ৪৫ লাখ টাকা দিয়ে ওই টার্মিনাল ইজারা নিয়েছিলেন নেতারা। গতকাল টেন্ডার জমা দেয়ার দিন সকালেই সেখানে গিয়ে পৌঁছেন যুবলীগের কর্মীরা। তারা সিটি করপোরেশনের অস্থায়ী কার্যালয়ে টেন্ডারবাক্সে দুটি টেন্ডার জমা দিয়ে ওখানেই অবস্থান করেন। একপর্যায়ে সিলেট জেলা পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা সেলিম আহমদ ফলিক টেন্ডার জমা দিতে সিটি করপোরেশন কার্যালয়ে যান। সেলিম আহমদ ফলিক অভিযোগ করেছেন- তিনি যখন টেন্ডার দিতে সিটি করপোরেশনে যান তখন গিয়ে দেখেন যুবলীগের কর্মীরা টেন্ডারবাক্স ঘিরে দাঁড়িয়ে আছে। তিনি টেন্ডার দিতে এগিয়ে গেলে তাকে বাধা দেয়া হয়। এবং টেন্ডার জমা না দেয়ার জন্য নিষেধ করেন। বাধা তিনি না মেনে এগিয়ে গেলে যুবলীগ কর্মীরা উত্তেজনার সৃষ্টি করে। তিনি বলেন- এ সময় সিটি করপোরেশন কার্যালয়েই তার সঙ্গে থাকা অন্য  শ্রমিক নেতারাও যুবলীগ কর্মীদের এ আচরণে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এ নিয়ে উত্তেজনা শুরু হলে মহানগর পুলিশ সেখানে চলে আসে। পরে পুলিশ যুবলীগ কর্মীদের সরিয়ে দিলে তিনিসহ পরিবহন শ্রমিক নেতারা গিয়ে টেন্ডার জমা দেন। এদিকে- টেন্ডার জমা দেয়ার পরপরই সেলিম আহমদ ফলিককে নিয়ে যাওয়া হয় পার্শ্ববর্তী কোতোয়ালি থানায়। সেখানে ফলিকসহ শ্রমিক নেতাদের বসিয়ে রাখা হয়। আর সিটি করপোরেশন এলাকায় করা হয় পুলিশ মোতায়েন। এদিকে, বিকাল ৩টার দিকে সেলিম আহমদ ফলিকসহ পরিবহন শ্রমিক নেতারা থানা থেকে চলে যান। এর আগে অবশ্য গুজব রটেছিল সেলিম আহমদ ফলিককে আটক করা হয়েছে। যুবলীগ নেতাদের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছিল- টেন্ডার জমা দেয়ার সময় সেলিম আহমদ ফলিক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সিলেটের আওয়ামী লীগকে গালিগালাজ করেন। এ কারণে  পুলিশ তাকে আটক করেছেন। কিন্তু বিকালে সিলেটের কোতোয়ালি থানার ওসি গৌছুল হোসেন মানবজমিনকে জানিয়েছেন- সেলিম আহমদ ফলিক প্রধানমন্ত্রীকে গালিগালাজ করেছেন সেটি পুলিশ শুনেনি। সিটি করপোরেশনে উত্তেজনা বিরাজ থাকায় ফলিকসহ শ্রমিক নেতাদের থানায় এনে বসিয়ে রাখা হয়। পরে তারা চলেও যান। তাদের আটকের কথা সত্য নয় বলে দাবি করেন তিনি। এদিকে- বিকালে সেলিম আহমদ ফলিকের নেতৃত্বাধীন সিলেট জেলা পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নই সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে সিলেট কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের ইজারা পেয়েছে। সিলেট সিটি করপোরেশন থেকে সেটি বিকাল ৩টার দিকে ফলিককে জানিয়ে দেয়া হয়েছে। ফলিক জানিয়েছেন- গেলোবার ৪৫ লাখ টাকায় টার্মিনাল ইজারা দেয়া হয়েছিল। এবার সেটি তিনি ৬১ লাখ ১ টাকায় নিয়েছেন। কিন্তু পুরো টেন্ডার প্রক্রিয়ায় তার খরচ হয়েছে ৯১ লাখ টাকা। ট্যাক্স ও ভ্যাট আদায় করে তারা বাস টার্মিনালের ইজারা গ্রহণ করেন। সর্বমোট ৩টি টেন্ডার জমা পড়েছিল। এর মধ্যে তিনি সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে জানিয়েছেন। সিলেট মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক আলম খান মুক্তি জানিয়েছেন- তিনি ওই টেন্ডার পক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত নন। দুপুরে সেলিম আহমদ ফলিক সিটি করপোরেশনে এসে প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে কটূক্তি করেন। তার কটূক্তির কারণে সেখানে থাকা স্থানীয় লোকজন তার বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। খবরটি তার কাছে এলে তিনিও সিটি করপোরেশনে যান। ওখানে গিয়ে দেখেন জেলা যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শামীম আহমদ, সাধারণ সম্পাদক মহসিন কামরানসহ সিনিয়র নেতারা উপস্থিত রয়েছেন। ফলিকের সঙ্গে তারা কিংবা যুবলীগের কেউ কোনো খারাপ ব্যবহার করেননি। প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি করায় কোতোয়ালি পুলিশ ফলিককে আটক করে থানায় নিয়ে যায় বলে দাবি করেন। পরে বিকালে মুচলেকা আদায়ের মাধ্যমে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে বলে জানান মুক্তি। সিলেট জেলা পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম আহমদ ফলিক বলেন- তিনি সকালে সিটি করপোরেশনে দরপত্র জমা দিতে গেলে যুবলীগ নেতা শামিম ও যুবলীগ অন্য নেতারা তার সঙ্গে কথা বলতে চান। কিন্তু তিনি দরপত্র জমা দেয়ার আগে কথা বলতে রাজি না হওয়ায় তাদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়েছে। তিনি প্রধানমন্ত্রী ও সিলেটের কাউকে নিয়ে কোনো কটূক্তি করেননি বলে দাবি করেন।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X