রবিবার, ১৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৬ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ৮:৪৪
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Friday, October 27, 2017 1:58 am
A- A A+ Print

টি-টোয়েন্টিতেও হারল বাংলাদেশ

i

টেস্ট ও ওয়ানডে সিরিজে প্রতিরোধহীন পরাজয় বাংলাদেশের। ক্রিকেটের সবথেকে ছোট ফরম্যাটেও একই চিত্র। ব্লুমফন্টেইনের ম্যানগাউং ওভালে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে দক্ষিণ আফ্রিকা জিতেছে ২০ রানে। টস জিতে আগে ব্যাটিং করতে নেমে ৪ উইকেটে ১৯৫ রান করে দক্ষিণ আফ্রিকা। জবাবে বাংলাদেশের ইনিংস শেষ হয় ১৭৫ রানে। ফলাফল পরিবর্তন না হলেও ওয়ানডে ও টেস্ট সিরিজের মতো অসহায় আত্মসমর্পণ করেনি বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত লড়াই করেছে টাইগাররা। কিন্তু দিন শেষে শেষ হাসিটা হাসে প্রোটিয়ারা। সংক্ষিপ্ত স্কোর: দক্ষিণ আফ্রিকা  ১৯৫/৪  (২০ ওভার)। বাংলাদেশ ১৭৫/৯। (২০ ওভার) মাহমুদউল্লাহ-সাব্বির সাজঘরে: ব্যাটিংয়ে নেমে দ্রুতই সাজঘরে ফিরেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। সাব্বির রহমান দুই ছক্কায় লড়াইয়ের আশা জাগালেও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ফিকোযাওয়ের বলে মাহমুদউল্লাহ ৩ রানে এবং হেনড্রিকসের বলে সাব্বির ১৯ রানে আউট হন। ৬ উইকেট হারিয়ে পরাজয়ের শঙ্কায় বাংলাদেশ। ১৪ ওভার শেষে রান মাত্র ১২৫। মুশফিকও আউট: সৌম্য আউট হওয়ার পর দ্রুতই সাজঘরে ফিরেন মুশফিকুর রহিম। অ্যারন ফাঙ্গিসোর বল হাঁটু মুড়ে বসে স্লগ সুইপ করতে গিয়ে মিড উইকেটে ডি ভিলিয়ার্সের হাতে ক্যাচ দেন মুশফিক। ৮ বলে ১৩ রান আসে মুশফিকের ব্যাট থেকে। তার আউটের সময় ৪ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের রান ৯৮। সৌম্যর ৩ রানের আক্ষেপ: বোলিংয়ে ফিরে সৌম্য সরকারকে আউট করলেন আন্দ্রিলে ফিকোযাও। ডানহাতি এ পেসারের সোজা বল ক্রস ব্যাটে খেলতে গিয়ে বল মিস করেন সৌম্য। বল আঘাত করে সৌম্যর প্যাডে। আম্পায়ার এলবিডব্লিউর আবেদনে সাড়া না দেওয়ায় রিভিউ চান জেপি ডুমিনি। রিভিউয়ে সাফল্য পায় স্বাগতিক দল। ৪৭ রানে সাজঘরে ফিরেন সৌম্য। তার আউটের সময় ৩ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের রান ৯২। সাকিব ফিরলেন অল্প রানে: পিছনে দৌড়ে দারুণ ক্যাচ ধরলেন এবি ডি ভিলিয়ার্স। হতাশ সাকিব। বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে নিজেকে তিনে নিয়ে এসেছিলেন। কিন্তু ১৩ রানের বেশি করতে পারেননি বাংলাদেশের অধিনায়ক। তাকে আউট করেছেন অভিষিক্ত রবি ফ্রাইলিঙ্ক।  তার আউটের সময় ২ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের রান ৬৪। তিনে সাকিব: বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে নিজেকে উপরে নিয়ে এসেছেন অধিনায়ক সাকিব। তিনে ব্যাটিংয়ে নেমেছেন সাকিব। দ্বিতীয় বলে চার মেরে রানের খাতা খুলেছেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। ভালো শুরুর পর ইমরুলকে হারাল বাংলাদেশ: বিশাল লক্ষ্যে খেলতে নেমে দুই উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান দারুণ শুরু এনে দিয়েছিল। কিন্তু চতুর্থ ওভারে উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন বেরুনা হেনড্রিকস। বাঁহাতি এ পেসারের বলে স্কয়ার লেগে ক্যাচ দেন ইমরুল (১০)। তার আউটের সময় ১ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের রান ৪ ওভারে ৪৩। দক্ষিণ আফ্রিকা ইনিংস: টস জিতে ব্যাটিং করতে নেমে ৪ উইকেটে ১৯৫ রান করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। বাংলাদেশের বিপক্ষে এটি দক্ষিণ আফ্রিকার সর্বোচ্চ সংগ্রহ। প্রোটিয়াদের হয়ে সর্বোচ্চ ৫৯ রান করেছেন কুইন্টন ডি কক। ডি ভিলিয়ার্সের ব্যাট থেকে আসে ৪৯ রান। দ্বিতীয় উইকেটে ৭৯ রানের জুটি গড়েন ডি কক ও ডি ভিলিয়ার্স। শেষ দিকে পঞ্চম উইকেটে ৬২ রান করেন ফারহান বেহারদিয়েন ও ডেভিড মিলার। বেহারদিয়েন ৩৬ ও মিলার ২৫ রানে অপরাজিত থাকেন। বাংলাদেশের সেরা বোলার মেহেদী হাসান মিরাজ। ৪ ওভারে ৩১ রানে ২ উইকেট নেন ডানহাতি এ স্পিনার। এছাড়া সাকিব ২৮ রানে ১টি ও রুবেল ৩৪ রানে ১ উইকেট নেন। শফিউল ২ ওভারে ৩৩ রান দিয়ে ছিলেন উইকেটশূণ্য। সর্বোচ্চ সংগ্রহ: তাসকিনের করা ১৮তম ওভারের শেষ বল কভার দিয়ে বাউন্ডারিতে পাঠান ফারহান বেহারদিয়েন। এ ছক্কায় ১৬৫ থেকে ১৭১ রানে পৌঁছায় দক্ষিণ আফ্রিকা। বাংলাদেশের বিপক্ষে এটি তাদের সর্বোচ্চ সংগ্রহ। এর আগে ঢাকায় ২০১৫ সালে ৪ উইকেটে ১৬৯ রান করে প্রোটিয়ারা। দারুণ বোলিংয়ে রুবেলের সাফল্য: ১৫তম ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকার রানের চাকা থামিয়ে রাখেন রুবেল হোসেন। প্রথম পাঁচ বলের তিনটি ডট। বাকি দুই বলে মাত্র দুই রান। দারুণ বোলিংয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রাখায় ষষ্ঠ বলে উইকেটের স্বাদ পান রুবেল। ফুলার লেন্থ বলে ডি কককে এলবিডব্লিউ করেন রুবেল। ৪৪ বলে ৫ চার ও ১ ছক্কায় ৫৯ রান করেন বাঁহাতি ওপেনার। লং অনে ইমরুলের দূর্দান্ত ক্যাচ: সাকিবের বলে এগিয়ে এসে মারলেন অধিনায়ক জেপি ডুমিনি। প্রথমে দৌড়ে পরে বলের লাইনে লাফ দেন লং অনে ফিল্ডিং করা ইমরুল। প্রথমে বল ফসকে গেলেও ড্রাইভ দিয়ে বল তালুবন্দি করেন ইমরুল। ১০ বলে ১৩ রানে সাজঘরে ফিরেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। তার আউটের সময় দক্ষিণ আফ্রিকার রান ৩ উইকেটে ১২২। মিরাজের দ্বিতীয় শিকার ডি ভিলিয়ার্স: ২৬ বলে ৪৯ রান করে বাংলাদেশকে চাপে ফেলেছিলেন ডি ভিলিয়ার্স। পরের বলেই সাজঘরে প্রোটিয়া ব্যাটসম্যান। দশম ওভারের শেষ বলে বাংলাদেশকে স্বস্তি এনে দেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ডানহাতি এ স্পিনারের বল লং অন দিয়ে মারতে গিয়ে মাহমুদউল্লাহর হাতে ক্যাচ দেন বিস্ফোরক ব্যাটসম্যান ডি ভিলিয়ার্স। তার আউটের সময় দক্ষিণ আফ্রিকার রান ২ উইকেটে ৯৭। ডি ভিলিয়ার্স-ডি ককের জুটির পঞ্চাশ: শুরুতে আমলাকে হারালেও দ্বিতীয় উইকেটে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। পাওয়ার প্লে’র ৬ ওভারে দক্ষিন আফ্রিকার রান ৬৫। সপ্তম ওভারে দ্বিতীয় উইকেটে পঞ্চাশ রানের জুটি পূর্ণ করেন ডি ভিলিয়ার্স ও ডি কক। ওভার প্রতি ১১ করে রান তুলছে স্বাগতিকরা। দুই স্পিনারে শুরু : চার পেসার নিয়ে মাঠে নামলেও দুই স্পিনার দুই প্রান্ত থেকে বোলিং শুরু করেছেন। প্রথম ওভার করেছেন সাকিব আল হাসান। দ্বিতীয় ওভারেই মেহেদী হাসান মিরাজের হাতে বল তুলে দেন নতুন অধিনায়ক। তবে তৃতীয় ওভারেই পেসার রুবেলকে বোলিংয়ে এনেছেন সাকিব। আরো পড়ুন : তিন অধিনায়কের যুগে বাংলাদেশ​ মিরাজের বলে বোল্ড আমলা : নিজের প্রথম ওভারেই বাংলাদেশকে সাফল্য এনে দিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারের শেষ বলে ডানহাতি এ ওপেনারকে বোল্ড করেন মিরাজ। মিরাজের ঘূর্ণিতে ইনসাইড আউট শট খেলতে চেয়েছিলেন আমলা। কিন্তু বল মিস করেন স্ট্যাম্প হারান বিশ্ব ক্রিকেটের সেরা এ ব্যাটসম্যান। আমলার আউট হওয়ার সময় দক্ষিণ আফ্রিকার রান ১ উইকেটে ১৮। টস : দক্ষিণ আফ্রিকা অধিনায়ক জেপি ডুমিনি টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন। তিন পেসার, এক স্পিনার নিয়ে বাংলাদেশ : তিন পেসার এবং এক পেস অলরাউন্ডার নিয়ে দল সাজিয়েছে বাংলাদেশ। এছাড়া একজন বিশেষজ্ঞ স্পিনার ও এক স্পিন অলরাউন্ডার নিয়ে খেলবে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ দল: ইমরুল কায়েস, সৌম্য সরকার, সাব্বির রহমান, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মেহেদী হাসান মিরাজ, রুবেল হোসেন, শফিউল ইসলাম, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ও তাসকিন আহমেদ। দক্ষিণ আফ্রিকা দল: কুইন্টন ডি কক, হাশিম আমলা, জেপি ডুমিনি, ডেভিড মিলার, ফারহান বেহারদিয়েন, আন্দ্রে ফিকোযাও, রবি ফ্রাইলিঙ্ক, অ্যারন ফাঙ্গিসো, বেরুনা হেনড্রিকস। বাংলাদেশ ০-৪ দক্ষিণ আফ্রিকা : দুই দল এখন পর্যন্ত ৪টি টি-টোয়েন্টি খেলেছে। প্রতিটিতেই জিতেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ৭ বছরের অপেক্ষা : ব্লুমফন্টেইনের ম্যানগাউং ওভালে ২০১০ সালে একটি মাত্র টি-টোয়েন্টি হয়েছিল। স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকার প্রতিপক্ষ ছিল জিম্বাবুয়ে। দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টির জন্য ৭ বছর অপেক্ষা করতে হল ব্লুমফন্টেইনকে।

Comments

Comments!

 টি-টোয়েন্টিতেও হারল বাংলাদেশAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

টি-টোয়েন্টিতেও হারল বাংলাদেশ

Friday, October 27, 2017 1:58 am
i

টেস্ট ও ওয়ানডে সিরিজে প্রতিরোধহীন পরাজয় বাংলাদেশের। ক্রিকেটের সবথেকে ছোট ফরম্যাটেও একই চিত্র। ব্লুমফন্টেইনের ম্যানগাউং ওভালে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে দক্ষিণ আফ্রিকা জিতেছে ২০ রানে।

টস জিতে আগে ব্যাটিং করতে নেমে ৪ উইকেটে ১৯৫ রান করে দক্ষিণ আফ্রিকা। জবাবে বাংলাদেশের ইনিংস শেষ হয় ১৭৫ রানে। ফলাফল পরিবর্তন না হলেও ওয়ানডে ও টেস্ট সিরিজের মতো অসহায় আত্মসমর্পণ করেনি বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত লড়াই করেছে টাইগাররা। কিন্তু দিন শেষে শেষ হাসিটা হাসে প্রোটিয়ারা।

সংক্ষিপ্ত স্কোর: দক্ষিণ আফ্রিকা  ১৯৫/৪  (২০ ওভার)। বাংলাদেশ ১৭৫/৯। (২০ ওভার)

মাহমুদউল্লাহ-সাব্বির সাজঘরে: ব্যাটিংয়ে নেমে দ্রুতই সাজঘরে ফিরেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। সাব্বির রহমান দুই ছক্কায় লড়াইয়ের আশা জাগালেও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ফিকোযাওয়ের বলে মাহমুদউল্লাহ ৩ রানে এবং হেনড্রিকসের বলে সাব্বির ১৯ রানে আউট হন। ৬ উইকেট হারিয়ে পরাজয়ের শঙ্কায় বাংলাদেশ। ১৪ ওভার শেষে রান মাত্র ১২৫।

মুশফিকও আউট: সৌম্য আউট হওয়ার পর দ্রুতই সাজঘরে ফিরেন মুশফিকুর রহিম। অ্যারন ফাঙ্গিসোর বল হাঁটু মুড়ে বসে স্লগ সুইপ করতে গিয়ে মিড উইকেটে ডি ভিলিয়ার্সের হাতে ক্যাচ দেন মুশফিক। ৮ বলে ১৩ রান আসে মুশফিকের ব্যাট থেকে। তার আউটের সময় ৪ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের রান ৯৮।

সৌম্যর ৩ রানের আক্ষেপ: বোলিংয়ে ফিরে সৌম্য সরকারকে আউট করলেন আন্দ্রিলে ফিকোযাও। ডানহাতি এ পেসারের সোজা বল ক্রস ব্যাটে খেলতে গিয়ে বল মিস করেন সৌম্য। বল আঘাত করে সৌম্যর প্যাডে। আম্পায়ার এলবিডব্লিউর আবেদনে সাড়া না দেওয়ায় রিভিউ চান জেপি ডুমিনি। রিভিউয়ে সাফল্য পায় স্বাগতিক দল। ৪৭ রানে সাজঘরে ফিরেন সৌম্য। তার আউটের সময় ৩ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের রান ৯২।

সাকিব ফিরলেন অল্প রানে: পিছনে দৌড়ে দারুণ ক্যাচ ধরলেন এবি ডি ভিলিয়ার্স। হতাশ সাকিব। বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে নিজেকে তিনে নিয়ে এসেছিলেন। কিন্তু ১৩ রানের বেশি করতে পারেননি বাংলাদেশের অধিনায়ক। তাকে আউট করেছেন অভিষিক্ত রবি ফ্রাইলিঙ্ক।  তার আউটের সময় ২ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের রান ৬৪।

তিনে সাকিব: বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে নিজেকে উপরে নিয়ে এসেছেন অধিনায়ক সাকিব। তিনে ব্যাটিংয়ে নেমেছেন সাকিব। দ্বিতীয় বলে চার মেরে রানের খাতা খুলেছেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান।

ভালো শুরুর পর ইমরুলকে হারাল বাংলাদেশ: বিশাল লক্ষ্যে খেলতে নেমে দুই উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান দারুণ শুরু এনে দিয়েছিল। কিন্তু চতুর্থ ওভারে উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন বেরুনা হেনড্রিকস। বাঁহাতি এ পেসারের বলে স্কয়ার লেগে ক্যাচ দেন ইমরুল (১০)। তার আউটের সময় ১ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের রান ৪ ওভারে ৪৩।

দক্ষিণ আফ্রিকা ইনিংস: টস জিতে ব্যাটিং করতে নেমে ৪ উইকেটে ১৯৫ রান করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। বাংলাদেশের বিপক্ষে এটি দক্ষিণ আফ্রিকার সর্বোচ্চ সংগ্রহ। প্রোটিয়াদের হয়ে সর্বোচ্চ ৫৯ রান করেছেন কুইন্টন ডি কক। ডি ভিলিয়ার্সের ব্যাট থেকে আসে ৪৯ রান। দ্বিতীয় উইকেটে ৭৯ রানের জুটি গড়েন ডি কক ও ডি ভিলিয়ার্স। শেষ দিকে পঞ্চম উইকেটে ৬২ রান করেন ফারহান বেহারদিয়েন ও ডেভিড মিলার। বেহারদিয়েন ৩৬ ও মিলার ২৫ রানে অপরাজিত থাকেন। বাংলাদেশের সেরা বোলার মেহেদী হাসান মিরাজ। ৪ ওভারে ৩১ রানে ২ উইকেট নেন ডানহাতি এ স্পিনার। এছাড়া সাকিব ২৮ রানে ১টি ও রুবেল ৩৪ রানে ১ উইকেট নেন। শফিউল ২ ওভারে ৩৩ রান দিয়ে ছিলেন উইকেটশূণ্য।

সর্বোচ্চ সংগ্রহ: তাসকিনের করা ১৮তম ওভারের শেষ বল কভার দিয়ে বাউন্ডারিতে পাঠান ফারহান বেহারদিয়েন। এ ছক্কায় ১৬৫ থেকে ১৭১ রানে পৌঁছায় দক্ষিণ আফ্রিকা। বাংলাদেশের বিপক্ষে এটি তাদের সর্বোচ্চ সংগ্রহ। এর আগে ঢাকায় ২০১৫ সালে ৪ উইকেটে ১৬৯ রান করে প্রোটিয়ারা।

দারুণ বোলিংয়ে রুবেলের সাফল্য: ১৫তম ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকার রানের চাকা থামিয়ে রাখেন রুবেল হোসেন। প্রথম পাঁচ বলের তিনটি ডট। বাকি দুই বলে মাত্র দুই রান। দারুণ বোলিংয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রাখায় ষষ্ঠ বলে উইকেটের স্বাদ পান রুবেল। ফুলার লেন্থ বলে ডি কককে এলবিডব্লিউ করেন রুবেল। ৪৪ বলে ৫ চার ও ১ ছক্কায় ৫৯ রান করেন বাঁহাতি ওপেনার।

লং অনে ইমরুলের দূর্দান্ত ক্যাচ: সাকিবের বলে এগিয়ে এসে মারলেন অধিনায়ক জেপি ডুমিনি। প্রথমে দৌড়ে পরে বলের লাইনে লাফ দেন লং অনে ফিল্ডিং করা ইমরুল। প্রথমে বল ফসকে গেলেও ড্রাইভ দিয়ে বল তালুবন্দি করেন ইমরুল। ১০ বলে ১৩ রানে সাজঘরে ফিরেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। তার আউটের সময় দক্ষিণ আফ্রিকার রান ৩ উইকেটে ১২২।

মিরাজের দ্বিতীয় শিকার ডি ভিলিয়ার্স: ২৬ বলে ৪৯ রান করে বাংলাদেশকে চাপে ফেলেছিলেন ডি ভিলিয়ার্স। পরের বলেই সাজঘরে প্রোটিয়া ব্যাটসম্যান। দশম ওভারের শেষ বলে বাংলাদেশকে স্বস্তি এনে দেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ডানহাতি এ স্পিনারের বল লং অন দিয়ে মারতে গিয়ে মাহমুদউল্লাহর হাতে ক্যাচ দেন বিস্ফোরক ব্যাটসম্যান ডি ভিলিয়ার্স। তার আউটের সময় দক্ষিণ আফ্রিকার রান ২ উইকেটে ৯৭।

ডি ভিলিয়ার্স-ডি ককের জুটির পঞ্চাশ: শুরুতে আমলাকে হারালেও দ্বিতীয় উইকেটে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। পাওয়ার প্লে’র ৬ ওভারে দক্ষিন আফ্রিকার রান ৬৫। সপ্তম ওভারে দ্বিতীয় উইকেটে পঞ্চাশ রানের জুটি পূর্ণ করেন ডি ভিলিয়ার্স ও ডি কক। ওভার প্রতি ১১ করে রান তুলছে স্বাগতিকরা।

দুই স্পিনারে শুরু : চার পেসার নিয়ে মাঠে নামলেও দুই স্পিনার দুই প্রান্ত থেকে বোলিং শুরু করেছেন। প্রথম ওভার করেছেন সাকিব আল হাসান। দ্বিতীয় ওভারেই মেহেদী হাসান মিরাজের হাতে বল তুলে দেন নতুন অধিনায়ক। তবে তৃতীয় ওভারেই পেসার রুবেলকে বোলিংয়ে এনেছেন সাকিব।

আরো পড়ুন : তিন অধিনায়কের যুগে বাংলাদেশ​

মিরাজের বলে বোল্ড আমলা : নিজের প্রথম ওভারেই বাংলাদেশকে সাফল্য এনে দিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারের শেষ বলে ডানহাতি এ ওপেনারকে বোল্ড করেন মিরাজ। মিরাজের ঘূর্ণিতে ইনসাইড আউট শট খেলতে চেয়েছিলেন আমলা। কিন্তু বল মিস করেন স্ট্যাম্প হারান বিশ্ব ক্রিকেটের সেরা এ ব্যাটসম্যান। আমলার আউট হওয়ার সময় দক্ষিণ আফ্রিকার রান ১ উইকেটে ১৮।

টস : দক্ষিণ আফ্রিকা অধিনায়ক জেপি ডুমিনি টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন।

তিন পেসার, এক স্পিনার নিয়ে বাংলাদেশ : তিন পেসার এবং এক পেস অলরাউন্ডার নিয়ে দল সাজিয়েছে বাংলাদেশ। এছাড়া একজন বিশেষজ্ঞ স্পিনার ও এক স্পিন অলরাউন্ডার নিয়ে খেলবে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ দল: ইমরুল কায়েস, সৌম্য সরকার, সাব্বির রহমান, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মেহেদী হাসান মিরাজ, রুবেল হোসেন, শফিউল ইসলাম, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ও তাসকিন আহমেদ।

দক্ষিণ আফ্রিকা দল: কুইন্টন ডি কক, হাশিম আমলা, জেপি ডুমিনি, ডেভিড মিলার, ফারহান বেহারদিয়েন, আন্দ্রে ফিকোযাও, রবি ফ্রাইলিঙ্ক, অ্যারন ফাঙ্গিসো, বেরুনা হেনড্রিকস।

বাংলাদেশ ০-৪ দক্ষিণ আফ্রিকা : দুই দল এখন পর্যন্ত ৪টি টি-টোয়েন্টি খেলেছে। প্রতিটিতেই জিতেছে দক্ষিণ আফ্রিকা।

৭ বছরের অপেক্ষা : ব্লুমফন্টেইনের ম্যানগাউং ওভালে ২০১০ সালে একটি মাত্র টি-টোয়েন্টি হয়েছিল। স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকার প্রতিপক্ষ ছিল জিম্বাবুয়ে। দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টির জন্য ৭ বছর অপেক্ষা করতে হল ব্লুমফন্টেইনকে।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X