বুধবার, ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৯ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ১১:১৫
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Sunday, January 8, 2017 11:11 am | আপডেটঃ January 08, 2017 11:26 AM
A- A A+ Print

টি-টোয়েন্টিতেও হোয়াইট ওয়াশের লজ্জা বাংলাদেশের

MOUNT MAUNGANUI, NEW ZEALAND - JANUARY 08:  Ish Sodhi celebrates with teammate Trent Boult for his wicket of Soumya Sarkar of Bangladesh during the third Twenty20 International match between New Zealand and Bangladesh at Bay Oval on January 8, 2017 in Mount Maunganui, New Zealand.  (Photo by Anthony Au-Yeung/Getty Images)

      মাউন্ট মঙ্গুনুইয়ে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচ টি২০ সিরিজের শেষ ম্যাচে হেরে হোয়াইট ওয়াশ হলো বাংলাদেশ। এর আগে তিন ম্যাচ সিরিজের একদিনের ম্যাচেও হোয়াইট ওয়াশ হয় মাশরাফিরা। এর আগে টসে জিতে স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডকে ব্যাটিং করতে পাঠায় বাংলাদেশ। নির্ধারিত ২০ ওভারে চার উইকেট হারিয়ে ১৯৪ রান সংগ্রহ করে স্বাগতিকরা। কোরিও আন্ডারসনের ৪১ বলে ৯৪ রানের অপরাজিত ইনিংস বাংলাদেশের সামনে বড় লক্ষ্য দিতে সক্ষম হয়। রুবেল হোসেন এ ম্যাচে তিনটি উইকেট নেন। অপরটি পান মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টির মতোই এই ম্যাচেও চল্লিশের ঘরে নিউজিল্যান্ডের ৩ উইকেট ফেলে দিয়ে হাওয়ায় উড়ছিল বাংলাদেশ। কিন্তু টি-টোয়েন্টি ম্যাচে বাজে বোলিং, বাজে ফিল্ডিংয়ের কারণে যে কত কী ঘটে যেতে পারে, সেটিই বোধ হয় হারিয়ে যায় বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের মাথা থেকে। গত ম্যাচে কলিন মনরো সেঞ্চুরি করেছিলেন। টম ব্রুসের সঙ্গে জুটি বেঁধে ম্যাচটাকে নিয়ে গিয়েছিলেন বাংলাদেশের ধরাছোঁয়ার বাইরে, আজও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটালেন নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন কোরি অ্যান্ডারসনকে সঙ্গে নিয়ে। চতুর্থ উইকেটে এই দুজনের ১২৪ রানের জুটি লক্ষ্যটাকে কঠিন বানিয়ে দিল বাংলাদেশের জন্য। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে যেখানে বাংলাদেশের ১৬৪ রানের ওপর রান তাড়া করার রেকর্ড নেই, সেখানে ধবলধোলাইয়ের হাত থেকে বাঁচতে বাংলাদেশকে করতে হবে ১৯৫। অথচ ইনিংসের শুরুতে মাশরাফি, তাসকিন, রুবেল, মোসাদ্দেক ও সাকিবরা ভালো বোলিংয়ে কিন্তু অস্বস্তিতেই রেখেছিলেন কিউই ব্যাটসম্যানদের। কেন উইলিয়ামসনের ক্যাচ পড়েছে দুইবার। দুইবারই মাশরাফি বিন মুর্তজার বলে। প্রথমবার ৫৪ রানে ডিপ মিডউইকেটে তাঁর ক্যাচ ফেলেন সাকিব আল হাসান। দ্বিতীয়বার ডিপ ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগে তামিম ইকবাল। ৬০ রানে রুবেলের বলে বোল্ড হলেও দলের দুই সিনিয়র ক্রিকেটারের মিস দুটি ছিল যথেষ্ট দৃষ্টিকটু। উইলিয়ামসনের ৬০ রান এসেছে ৫৭ বলে ৬টি চার ও ১টি চারে। কোরি অ্যান্ডারসনই অবশ্য মূল সর্বনাশটা করেছেন। সৌম্যর ১৭তম ওভারে তিনি মেরেছেন পরপর তিনটি ছক্কা। তাঁর মারা মোট ছক্কার সংখ্যা—১০টি। এটি টি-টোয়েন্টিতে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে ছক্কা মারার রেকর্ড। অ্যান্ডারসনের ৯৪ রান এসেছে মাত্র ৪১ বলে! সীমিত ওভারের সিরিজে কিছুটা নিষ্প্রভই ছিলেন অ্যান্ডারসন। কিন্তু আজ বে ওভালে তিনি আবির্ভূত স্বমহিমায়। টসে জিতে নিউজিল্যান্ডকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়ে শুরুর বোলিংটা মোটামুটিই হয়েছিল বাংলাদেশের। উইলিয়ামসন ও জিমি নিশাম একটু সতর্কতার সঙ্গেই খেলছিলেন। ৩৪ রানে নিউজিল্যান্ডের প্রথম উইকেট পড়ে। রুবেলের স্লোয়ারে ধন্দে পড়ে এলবিডব্লু হয়ে যান নিশাম। দলীয় সংগ্রহের সঙ্গে আর ২ রান যোগ করে রুবেলের বলেই স্কয়ার লেগে ক্যাচ দেন মনরো। একটু সামনে দৌড়ে ডাইভ দিয়ে দুর্দান্ত এক ক্যাচ ধরেন সৌম্য সরকার। নিউজিল্যান্ডের ওপর এর পরের আঘাতটা হানেন মোসাদ্দেক। তাঁর বলে সুইপার কাভারে ইমরুল কায়েসকে ক্যাচ দেন টম ব্রুস। ৪১ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বসা নিউজিল্যান্ডের ওপর চাপটা বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি বাংলাদেশ। প্রথম ১০ ওভারে যেখানে নিউজিল্যান্ডের রান ছিল ৫৫, সেখানে শেষের ১০ ওভারে তারা তুলেছে ১৩৯ রান! উইলিয়ামসন ও অ্যান্ডারসনের জুটিই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যায় নিজেদের দিকে। ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৯৪—জয়ের জন্য তো যথেষ্টই! জয়ের জন্য ১৯৫ রান মানেই রেকর্ড রান তাড়া করা। কিন্তু রান তাড়া করার আগেই যে আরও একটা ধাক্কায় ধরাশায়ী বাংলাদেশ। একটি ছক্কা বাঁচাতে গিয়ে বিজ্ঞাপন হোর্ডিংয়ের সঙ্গে ধাক্কা লেগে আহত ইমরুল। তিনি মাঠে নামতে পারবেন কিনা, সেটি অবশ্য এখনো জানা যায়নি। বোলিং করতে গিয়ে পড়ে আহত হয়েছেন অধিনায়ক মাশরাফিও। সংক্ষিপ্ত স্কোর নিউজিল্যান্ড: ২০ ওভারে ১৯৪ (অ্যান্ডারসন ৯৪* উইলিয়ামসন ৬০, নিশাম ১৫, রুবেল ৩/৩১, মোসাদ্দেক ১/২৭)

Comments

Comments!

 টি-টোয়েন্টিতেও হোয়াইট ওয়াশের লজ্জা বাংলাদেশেরAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

টি-টোয়েন্টিতেও হোয়াইট ওয়াশের লজ্জা বাংলাদেশের

Sunday, January 8, 2017 11:11 am | আপডেটঃ January 08, 2017 11:26 AM
MOUNT MAUNGANUI, NEW ZEALAND - JANUARY 08:  Ish Sodhi celebrates with teammate Trent Boult for his wicket of Soumya Sarkar of Bangladesh during the third Twenty20 International match between New Zealand and Bangladesh at Bay Oval on January 8, 2017 in Mount Maunganui, New Zealand.  (Photo by Anthony Au-Yeung/Getty Images)

 

 

 

মাউন্ট মঙ্গুনুইয়ে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচ টি২০ সিরিজের শেষ ম্যাচে হেরে হোয়াইট ওয়াশ হলো বাংলাদেশ। এর আগে তিন ম্যাচ সিরিজের একদিনের ম্যাচেও হোয়াইট ওয়াশ হয় মাশরাফিরা।

এর আগে টসে জিতে স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডকে ব্যাটিং করতে পাঠায় বাংলাদেশ। নির্ধারিত ২০ ওভারে চার উইকেট হারিয়ে ১৯৪ রান সংগ্রহ করে স্বাগতিকরা। কোরিও আন্ডারসনের ৪১ বলে ৯৪ রানের অপরাজিত ইনিংস বাংলাদেশের সামনে বড় লক্ষ্য দিতে সক্ষম হয়।

রুবেল হোসেন এ ম্যাচে তিনটি উইকেট নেন। অপরটি পান মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত।

দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টির মতোই এই ম্যাচেও চল্লিশের ঘরে নিউজিল্যান্ডের ৩ উইকেট ফেলে দিয়ে হাওয়ায় উড়ছিল বাংলাদেশ। কিন্তু টি-টোয়েন্টি ম্যাচে বাজে বোলিং, বাজে ফিল্ডিংয়ের কারণে যে কত কী ঘটে যেতে পারে, সেটিই বোধ হয় হারিয়ে যায় বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের মাথা থেকে। গত ম্যাচে কলিন মনরো সেঞ্চুরি করেছিলেন। টম ব্রুসের সঙ্গে জুটি বেঁধে ম্যাচটাকে নিয়ে গিয়েছিলেন বাংলাদেশের ধরাছোঁয়ার বাইরে, আজও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটালেন নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন কোরি অ্যান্ডারসনকে সঙ্গে নিয়ে। চতুর্থ উইকেটে এই দুজনের ১২৪ রানের জুটি লক্ষ্যটাকে কঠিন বানিয়ে দিল বাংলাদেশের জন্য। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে যেখানে বাংলাদেশের ১৬৪ রানের ওপর রান তাড়া করার রেকর্ড নেই, সেখানে ধবলধোলাইয়ের হাত থেকে বাঁচতে বাংলাদেশকে করতে হবে ১৯৫। অথচ ইনিংসের শুরুতে মাশরাফি, তাসকিন, রুবেল, মোসাদ্দেক ও সাকিবরা ভালো বোলিংয়ে কিন্তু অস্বস্তিতেই রেখেছিলেন কিউই ব্যাটসম্যানদের।

কেন উইলিয়ামসনের ক্যাচ পড়েছে দুইবার। দুইবারই মাশরাফি বিন মুর্তজার বলে। প্রথমবার ৫৪ রানে ডিপ মিডউইকেটে তাঁর ক্যাচ ফেলেন সাকিব আল হাসান। দ্বিতীয়বার ডিপ ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগে তামিম ইকবাল। ৬০ রানে রুবেলের বলে বোল্ড হলেও দলের দুই সিনিয়র ক্রিকেটারের মিস দুটি ছিল যথেষ্ট দৃষ্টিকটু। উইলিয়ামসনের ৬০ রান এসেছে ৫৭ বলে ৬টি চার ও ১টি চারে। কোরি অ্যান্ডারসনই অবশ্য মূল সর্বনাশটা করেছেন। সৌম্যর ১৭তম ওভারে তিনি মেরেছেন পরপর তিনটি ছক্কা। তাঁর মারা মোট ছক্কার সংখ্যা—১০টি। এটি টি-টোয়েন্টিতে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে ছক্কা মারার রেকর্ড। অ্যান্ডারসনের ৯৪ রান এসেছে মাত্র ৪১ বলে! সীমিত ওভারের সিরিজে কিছুটা নিষ্প্রভই ছিলেন অ্যান্ডারসন। কিন্তু আজ বে ওভালে তিনি আবির্ভূত স্বমহিমায়।

টসে জিতে নিউজিল্যান্ডকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়ে শুরুর বোলিংটা মোটামুটিই হয়েছিল বাংলাদেশের। উইলিয়ামসন ও জিমি নিশাম একটু সতর্কতার সঙ্গেই খেলছিলেন। ৩৪ রানে নিউজিল্যান্ডের প্রথম উইকেট পড়ে। রুবেলের স্লোয়ারে ধন্দে পড়ে এলবিডব্লু হয়ে যান নিশাম। দলীয় সংগ্রহের সঙ্গে আর ২ রান যোগ করে রুবেলের বলেই স্কয়ার লেগে ক্যাচ দেন মনরো। একটু সামনে দৌড়ে ডাইভ দিয়ে দুর্দান্ত এক ক্যাচ ধরেন সৌম্য সরকার। নিউজিল্যান্ডের ওপর এর পরের আঘাতটা হানেন মোসাদ্দেক। তাঁর বলে সুইপার কাভারে ইমরুল কায়েসকে ক্যাচ দেন টম ব্রুস।

৪১ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বসা নিউজিল্যান্ডের ওপর চাপটা বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি বাংলাদেশ। প্রথম ১০ ওভারে যেখানে নিউজিল্যান্ডের রান ছিল ৫৫, সেখানে শেষের ১০ ওভারে তারা তুলেছে ১৩৯ রান! উইলিয়ামসন ও অ্যান্ডারসনের জুটিই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যায় নিজেদের দিকে। ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৯৪—জয়ের জন্য তো যথেষ্টই!

জয়ের জন্য ১৯৫ রান মানেই রেকর্ড রান তাড়া করা। কিন্তু রান তাড়া করার আগেই যে আরও একটা ধাক্কায় ধরাশায়ী বাংলাদেশ। একটি ছক্কা বাঁচাতে গিয়ে বিজ্ঞাপন হোর্ডিংয়ের সঙ্গে ধাক্কা লেগে আহত ইমরুল। তিনি মাঠে নামতে পারবেন কিনা, সেটি অবশ্য এখনো জানা যায়নি। বোলিং করতে গিয়ে পড়ে আহত হয়েছেন অধিনায়ক মাশরাফিও।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
নিউজিল্যান্ড: ২০ ওভারে ১৯৪ (অ্যান্ডারসন ৯৪* উইলিয়ামসন ৬০, নিশাম ১৫, রুবেল ৩/৩১, মোসাদ্দেক ১/২৭)

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X