রবিবার, ১৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৬ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ৭:৩৬
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Friday, November 18, 2016 5:38 pm
A- A A+ Print

টেস্টে বল হাতে নিয়েই তাঁদের চমক

44rr

টেস্ট অভিষেকের রোমাঞ্চ আর প্রথমবারের মতো জাতীয় দলের হয়ে মাঠে নামায় স্নায়ুচাপ তো আছেই। তার ওপর নতুন বলে বোলিং করা—একজন স্পিনারের এর চেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ আর কী হতে পারে! চ্যালেঞ্জটা ‘এ-প্লাস’ পেয়েই উতরেছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। প্রতিভা আর অসাধারণ ক্রিকেটীয় দক্ষতায় গত মাসে ইংলিশদের বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্টে ১৯ বছর বয়সী স্পিনার ৮০ রানে তুলে নিয়েছিলেন ৬ উইকেট। অভিষেক টেস্টের প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের হয়ে যেটি সেরা বোলিং। মিরাজ প্রসঙ্গ আসছে কলিন ডি গ্র্যান্ডহোমের কারণেই। কিউই পেস বোলিং অলরাউন্ডার ক্রাইস্টচার্চ টেস্টে পাকিস্তানের বিপক্ষে নিয়েছেন ৪১ রানে ৬ উইকেট, যেটি নিউজিল্যান্ডের হয়ে টেস্ট অভিষেকে সেরা বোলিংয়ের কীর্তি। মিরাজ-গ্র্যান্ডহোমের সূত্র ধরে ফ্ল্যাশব্যাকে দেখে নিন অভিষেক টেস্টে বল হাতে প্রথম ইনিংসে নিজ দেশের হয়ে সেরা বোলিংয়ের তালিকাটি। ১৯৭২ সালের জুনে লর্ডস টেস্টে বব ম্যাসির তোপে ইংল্যান্ড অলআউট ২৭২ রানে। অস্ট্রেলীয় পেসার ৮৪ রানে নিয়েছিলেন ৮ উইকেট। এর মধ্যে পাঁচটিই আবার বোল্ড ও এলবিডব্লুর ফাঁদে ফেলে। দ্বিতীয় ইনিংসে ম্যাসি ছিলেন আরও ভয়ংকর, এবার ৫৩ রানে ৮ উইকেট। ইংলিশরা অলআউট ১১৬ রানে। অস্ট্রেলিয়া টেস্ট জেতে ৮ উইকেটে। অভিষেক টেস্টে ১৬ উইকেট নেওয়ার রেকর্ডে ম্যাসির পাশে আরেকজনই আছেন—নরেন্দ্র হিরওয়ানি। ১৯৮৮ সালের জানুয়ারিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মাদ্রাজ টেস্টে প্রথম ইনিংসে ৬১ রানে ৮ উইকেট নেওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসেও সমান উইকেট পান ৭৫ রানে। অভিষেক টেস্টে উইকেট সংখ্যায় যেমন মিল, ম্যাসি-হিরওয়ানির আরও একটি জায়গায় মিল—দুজনই পরে হারিয়ে গেছেন। ম্যাসি খেলেছেন ৬ টেস্ট, হিরওয়ানি ১৭ টি। আলফ্রেড ভ্যালেন্টাইন মর্ত্যলোক ছেড়ে চলে গেছেন এক যুগ আগে। স্বর্গে বসেও হয়তো তাঁর আফসোস হতে পারে অভিষেক টেস্টের কথা ভেবে। ১৯৫০ সালের জুনে ইংল্যান্ডের সঙ্গে ওল্ডট্রাফোর্ড টেস্টে ক্যারিবীয় বাঁহাতি স্পিনার প্রথম ইনিংসে ১০৪ রানে পেয়েছিলেন ৮ উইকেট। ইংল্যান্ড অলআউট ৩১২ রানে। দ্বিতীয় ইনিংসে ভ্যালেন্টাইন পেয়েছিলেন ৩ উইকেট। দুর্দান্ত বোলিংয়ের পরও তাঁর দল হেরেছিল ২০২ রানে। নিজের রঙিন অভিষেকে দলের পারফরম্যান্স ধূসর—আক্ষেপ না হয়ে পারে! কাইল অ্যাবটের অভিষেক-কীর্তিটা অবশ্য বেশি দিন আগের নয়। ২০১৩-এর ফেব্রুয়ারিতে সেঞ্চুরিয়ন টেস্টে পাকিস্তানের বিপক্ষে দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথম ইনিংসে অলআউট হয় ৪০৯ রানে। প্রোটিয়াদের রানের পাহাড়ের জবাবে পাকিস্তান গুঁড়িয়ে যায় অ্যাবোটের বোলিং-তোপে। প্রোটিয়া পেসার ২৯ রানে নেন ৭ উইকেট। পরের ইনিংসে ২ উইকেট পাওয়ায় অল্পের জন্য ১০ উইকেট পূর্ণ হয়নি। তবে ম্যাচসেরা অ্যাবটই। ফেলে আসা ক্যারিয়ারের দিকে জন লেভার যখন তাকান, নিশ্চিত সেই দিল্লি টেস্টের উজ্জ্বল সব মুহূর্ত ফুটে ওঠে তাঁর স্মৃতিপটে। ১৯৭৬ সালের ডিসেম্বরে ফিরোজ শাহ কোটলা কাঁপিয়ে দিয়েছিলেন ইংলিশ বাঁহাতি পেসার। প্রথম ইনিংসে ৪৬ রানে ৭ উইকেট, দ্বিতীয় ইনিংসে ২৪ রানে পেয়েছিলেন ৩ উইকেট। ম্যাচে ৭০ রানে ১০ উইকেট—২১ টেস্ট খেলা সাবেক এই ইংলিশ পেসারের যেটি ক্যারিয়ারের সেরা বোলিং। খেলোয়াড়ি জীবন শেষে কিছুদিন আম্পায়ারিং করেছেন মোহাম্মদ নাজির। খেলোয়াড় হিসেবেও তাঁর ক্যারিয়ার বর্ণাঢ্য নয়। তবে তাঁর অভিষেকটা হয়েছিল অসাধারণ। ১৯৬৯ সালের অক্টোবরে করাচি টেস্টে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে পাকিস্তানের সাবেক এই অফ স্পিনার ৯৯ রানে নিয়েছিলেন ৭ উইকেট, যেটি তাঁর টেস্ট ক্যারিয়ারের সেরা বোলিং। কোসালা কুরুপ্পুয়ারাচ্চি হয়তো হারিয়েই গেছেন স্মৃতির অতলে। তবে সাবেক এই বাঁহাতি পেসারকে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট মনে রাখবে তাঁর অভিষেক টেস্টের কারণেই। পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ৪৪ রানে ৫, পরেরটিতে ৪১ রানে পেয়েছিলেন ২ উইকেট। পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ও টেস্টে শ্রীলঙ্কার দ্বিতীয় জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন কুরুপ্পুয়ারাচ্চি। তবে তাঁর ক্যারিয়ার থেমে গেছে ২ টেস্ট খেলেই। ক্যারিয়ারে যে ৮ উইকেট পেয়েছেন ৭টিই অভিষেকে। অ্যান্ডি ব্লিগনটের অভিষেক রেকর্ডের সঙ্গে অবশ্য বাংলাদেশ জড়িয়ে। ১৯ টেস্ট খেলা সাবেক জিম্বাবুয়ের এই পেসার ২০০১ সালের বুলাওয়ে টেস্টে বাংলাদেশের বিপক্ষে ৭৩ রানে পেয়েছিলেন ৫ উইকেট, যেটি তাঁর ইনিংস সেরা বোলিং। অভিষেক স্মরণীয় করে রাখা বেশির ভাগ বোলারের ক্যারিয়ার উজ্জ্বল নয়। অধিকাংশই পথ হারিয়ে ফেলেছেন পরে। এই তালিকায় ব্যতিক্রম হয়ে টিকে থাকার চ্যালেঞ্জ মিরাজ-গ্র্যান্ডহোমের।

Comments

Comments!

 টেস্টে বল হাতে নিয়েই তাঁদের চমকAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

টেস্টে বল হাতে নিয়েই তাঁদের চমক

Friday, November 18, 2016 5:38 pm
44rr

টেস্ট অভিষেকের রোমাঞ্চ আর প্রথমবারের মতো জাতীয় দলের হয়ে মাঠে নামায় স্নায়ুচাপ তো আছেই। তার ওপর নতুন বলে বোলিং করা—একজন স্পিনারের এর চেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ আর কী হতে পারে! চ্যালেঞ্জটা ‘এ-প্লাস’ পেয়েই উতরেছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। প্রতিভা আর অসাধারণ ক্রিকেটীয় দক্ষতায় গত মাসে ইংলিশদের বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্টে ১৯ বছর বয়সী স্পিনার ৮০ রানে তুলে নিয়েছিলেন ৬ উইকেট। অভিষেক টেস্টের প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের হয়ে যেটি সেরা বোলিং।

মিরাজ প্রসঙ্গ আসছে কলিন ডি গ্র্যান্ডহোমের কারণেই। কিউই পেস বোলিং অলরাউন্ডার ক্রাইস্টচার্চ টেস্টে পাকিস্তানের বিপক্ষে নিয়েছেন ৪১ রানে ৬ উইকেট, যেটি নিউজিল্যান্ডের হয়ে টেস্ট অভিষেকে সেরা বোলিংয়ের কীর্তি। মিরাজ-গ্র্যান্ডহোমের সূত্র ধরে ফ্ল্যাশব্যাকে দেখে নিন অভিষেক টেস্টে বল হাতে প্রথম ইনিংসে নিজ দেশের হয়ে সেরা বোলিংয়ের তালিকাটি।

১৯৭২ সালের জুনে লর্ডস টেস্টে বব ম্যাসির তোপে ইংল্যান্ড অলআউট ২৭২ রানে। অস্ট্রেলীয় পেসার ৮৪ রানে নিয়েছিলেন ৮ উইকেট। এর মধ্যে পাঁচটিই আবার বোল্ড ও এলবিডব্লুর ফাঁদে ফেলে। দ্বিতীয় ইনিংসে ম্যাসি ছিলেন আরও ভয়ংকর, এবার ৫৩ রানে ৮ উইকেট। ইংলিশরা অলআউট ১১৬ রানে। অস্ট্রেলিয়া টেস্ট জেতে ৮ উইকেটে।
অভিষেক টেস্টে ১৬ উইকেট নেওয়ার রেকর্ডে ম্যাসির পাশে আরেকজনই আছেন—নরেন্দ্র হিরওয়ানি। ১৯৮৮ সালের জানুয়ারিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মাদ্রাজ টেস্টে প্রথম ইনিংসে ৬১ রানে ৮ উইকেট নেওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসেও সমান উইকেট পান ৭৫ রানে। অভিষেক টেস্টে উইকেট সংখ্যায় যেমন মিল, ম্যাসি-হিরওয়ানির আরও একটি জায়গায় মিল—দুজনই পরে হারিয়ে গেছেন। ম্যাসি খেলেছেন ৬ টেস্ট, হিরওয়ানি ১৭ টি।

আলফ্রেড ভ্যালেন্টাইন মর্ত্যলোক ছেড়ে চলে গেছেন এক যুগ আগে। স্বর্গে বসেও হয়তো তাঁর আফসোস হতে পারে অভিষেক টেস্টের কথা ভেবে। ১৯৫০ সালের জুনে ইংল্যান্ডের সঙ্গে ওল্ডট্রাফোর্ড টেস্টে ক্যারিবীয় বাঁহাতি স্পিনার প্রথম ইনিংসে ১০৪ রানে পেয়েছিলেন ৮ উইকেট। ইংল্যান্ড অলআউট ৩১২ রানে। দ্বিতীয় ইনিংসে ভ্যালেন্টাইন পেয়েছিলেন ৩ উইকেট। দুর্দান্ত বোলিংয়ের পরও তাঁর দল হেরেছিল ২০২ রানে। নিজের রঙিন অভিষেকে দলের পারফরম্যান্স ধূসর—আক্ষেপ না হয়ে পারে!

কাইল অ্যাবটের অভিষেক-কীর্তিটা অবশ্য বেশি দিন আগের নয়। ২০১৩-এর ফেব্রুয়ারিতে সেঞ্চুরিয়ন টেস্টে পাকিস্তানের বিপক্ষে দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথম ইনিংসে অলআউট হয় ৪০৯ রানে। প্রোটিয়াদের রানের পাহাড়ের জবাবে পাকিস্তান গুঁড়িয়ে যায় অ্যাবোটের বোলিং-তোপে। প্রোটিয়া পেসার ২৯ রানে নেন ৭ উইকেট। পরের ইনিংসে ২ উইকেট পাওয়ায় অল্পের জন্য ১০ উইকেট পূর্ণ হয়নি। তবে ম্যাচসেরা অ্যাবটই।

ফেলে আসা ক্যারিয়ারের দিকে জন লেভার যখন তাকান, নিশ্চিত সেই দিল্লি টেস্টের উজ্জ্বল সব মুহূর্ত ফুটে ওঠে তাঁর স্মৃতিপটে। ১৯৭৬ সালের ডিসেম্বরে ফিরোজ শাহ কোটলা কাঁপিয়ে দিয়েছিলেন ইংলিশ বাঁহাতি পেসার। প্রথম ইনিংসে ৪৬ রানে ৭ উইকেট, দ্বিতীয় ইনিংসে ২৪ রানে পেয়েছিলেন ৩ উইকেট। ম্যাচে ৭০ রানে ১০ উইকেট—২১ টেস্ট খেলা সাবেক এই
ইংলিশ পেসারের যেটি ক্যারিয়ারের সেরা বোলিং।

খেলোয়াড়ি জীবন শেষে কিছুদিন আম্পায়ারিং করেছেন মোহাম্মদ নাজির। খেলোয়াড় হিসেবেও তাঁর ক্যারিয়ার বর্ণাঢ্য নয়। তবে তাঁর অভিষেকটা হয়েছিল অসাধারণ। ১৯৬৯ সালের অক্টোবরে করাচি টেস্টে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে পাকিস্তানের সাবেক এই অফ স্পিনার ৯৯ রানে নিয়েছিলেন ৭ উইকেট, যেটি তাঁর টেস্ট ক্যারিয়ারের সেরা বোলিং।

কোসালা কুরুপ্পুয়ারাচ্চি হয়তো হারিয়েই গেছেন স্মৃতির অতলে। তবে সাবেক এই বাঁহাতি পেসারকে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট মনে রাখবে তাঁর অভিষেক টেস্টের কারণেই। পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ৪৪ রানে ৫, পরেরটিতে ৪১ রানে পেয়েছিলেন ২ উইকেট। পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ও টেস্টে শ্রীলঙ্কার দ্বিতীয় জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন কুরুপ্পুয়ারাচ্চি। তবে তাঁর ক্যারিয়ার থেমে গেছে ২ টেস্ট খেলেই। ক্যারিয়ারে যে ৮ উইকেট পেয়েছেন ৭টিই অভিষেকে।

অ্যান্ডি ব্লিগনটের অভিষেক রেকর্ডের সঙ্গে অবশ্য বাংলাদেশ জড়িয়ে। ১৯ টেস্ট খেলা সাবেক জিম্বাবুয়ের এই পেসার ২০০১ সালের বুলাওয়ে টেস্টে বাংলাদেশের বিপক্ষে ৭৩ রানে পেয়েছিলেন ৫ উইকেট, যেটি তাঁর ইনিংস সেরা বোলিং।

অভিষেক স্মরণীয় করে রাখা বেশির ভাগ বোলারের ক্যারিয়ার উজ্জ্বল নয়। অধিকাংশই পথ হারিয়ে ফেলেছেন পরে। এই তালিকায় ব্যতিক্রম হয়ে টিকে থাকার চ্যালেঞ্জ মিরাজ-গ্র্যান্ডহোমের।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X