রবিবার, ২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১৩ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, দুপুর ১:৩৭
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Sunday, December 4, 2016 4:00 pm
A- A A+ Print

টেস্ট ক্রিকেট বাঁচানোর উপায় জানেন টেন্ডুলকার

21

টেস্ট ক্রিকেট নিয়ে ভাবনার অন্ত নেই আইসিসির। ক্রিকেটের দীর্ঘতম সংস্করণ দিনে দিনে জনপ্রিয়তা হারাচ্ছে বলেই আইসিসির এই দুশ্চিন্তা। তিন ঘণ্টার টি-টোয়েন্টি বিনোদন কিংবা একদিনের ক্রিকেট থাকতে কার এক দায় পড়েছে পাঁচ দিনের খেলা দেখার! সে কারণে টেস্টের দর্শক-সংখ্যা ক্রমশই কমছে। দর্শক টানতে আইসিসির আশ্রয় দিন-রাতের টেস্ট। কিন্তু তাতেও কি অবস্থার খুব একটা উন্নতি ঘটেছে! টেস্ট ক্রিকেটে দর্শক ফিরিয়ে আনতে শচীন টেন্ডুলকারের পরামর্শটা কিন্তু অন্যরকমই। তাঁর মতে, ‘যদি ইমরান-গাভাস্কার, অ্যামব্রোস-স্টিভ ওয়াহ, লারা-ম্যাকগ্রাদের মতো “দ্বৈরথ” আবার তৈরি করা যায়, তাহলে টেস্টের প্রতি দর্শকদের মনোযোগ ফিরতে বাধ্য।’ লিটল মাস্টারের মতে, হালের টেস্ট ক্রিকেটে এ ধরনের কোনো দ্বৈরথ নেই বলেই তা মানুষকে আকর্ষণ করতে পারছে না। মানুষ এ ধরনের শিহরণ জাগানো দ্বৈরথগুলো এখন সেভাবে খুঁজে পায় না বলেই পাচ্ছে না আগ্রহও। এনডিটিভিকে টেন্ডুলকার বলেছেন, ‘আমরা বেড়ে ওঠার দিনগুলোতে দেখেছি ইমরান খান বল করছেন সুনীল গাভাস্কারকে। দেখেছি ভালো বলকে কীভাবে ব্যাকফুটে সম্মান করতে হয়। পরে লারা-ম্যাকগ্রা, অ্যামব্রোস-স্টিভ ওয়াহদের দ্বৈরথ সারা দিন মাঠে বসে দেখত দর্শক। এখন তো এমন কিছু নেই।’ টেস্টের দশগুলোকেও একটা বড় কারণ বলে মনে করেন টেন্ডুলকার। তাঁর মতে, টেস্টের কোনো দলই এখন ধারাবাহিক নয়, ‘আশির দশকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দুর্দান্ত দল ছিল। নব্বইয়ের দশকেও ভালো দল ছিল তারা। সে সময় তারা ছিল ধারাবাহিক। এতটাই ধারাবাহিক ছিল, সবাই তাদের হারাতে চাইত। অস্ট্রেলিয়া দলে ছিল বিশ্বমানের নয়-দশজন ক্রিকেটার। দলের ৩-৪ জন ভালো খেললেই ম্যাচ বেরিয়ে যেত। এখন সে লড়াইগুলো আর নেই।’ হালের কিশোরেরা টি-টোয়েন্টি দেখে বড় হয় বলেই দর্শকদের চরিত্রগত পরিবর্তন হয়েছে বলে মনে করেন টেন্ডুলকার, ‘কিশোরেরা এখন আর টেস্ট দেখে না। তারা দেখে টি-টোয়েন্টি। তাই তারা টি-টোয়েন্টি ঘরানার শট খেলা শেখে। এ কারণেই দ্রুত বদলে যাচ্ছে আধুনিক ক্রিকেটের চরিত্র।’

Comments

Comments!

 টেস্ট ক্রিকেট বাঁচানোর উপায় জানেন টেন্ডুলকারAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

টেস্ট ক্রিকেট বাঁচানোর উপায় জানেন টেন্ডুলকার

Sunday, December 4, 2016 4:00 pm
21

টেস্ট ক্রিকেট নিয়ে ভাবনার অন্ত নেই আইসিসির। ক্রিকেটের দীর্ঘতম সংস্করণ দিনে দিনে জনপ্রিয়তা হারাচ্ছে বলেই আইসিসির এই দুশ্চিন্তা। তিন ঘণ্টার টি-টোয়েন্টি বিনোদন কিংবা একদিনের ক্রিকেট থাকতে কার এক দায় পড়েছে পাঁচ দিনের খেলা দেখার! সে কারণে টেস্টের দর্শক-সংখ্যা ক্রমশই কমছে।

দর্শক টানতে আইসিসির আশ্রয় দিন-রাতের টেস্ট। কিন্তু তাতেও কি অবস্থার খুব একটা উন্নতি ঘটেছে! টেস্ট ক্রিকেটে দর্শক ফিরিয়ে আনতে শচীন টেন্ডুলকারের পরামর্শটা কিন্তু অন্যরকমই। তাঁর মতে, ‘যদি ইমরান-গাভাস্কার, অ্যামব্রোস-স্টিভ ওয়াহ, লারা-ম্যাকগ্রাদের মতো “দ্বৈরথ” আবার তৈরি করা যায়, তাহলে টেস্টের প্রতি দর্শকদের মনোযোগ ফিরতে বাধ্য।’

লিটল মাস্টারের মতে, হালের টেস্ট ক্রিকেটে এ ধরনের কোনো দ্বৈরথ নেই বলেই তা মানুষকে আকর্ষণ করতে পারছে না। মানুষ এ ধরনের শিহরণ জাগানো দ্বৈরথগুলো এখন সেভাবে খুঁজে পায় না বলেই পাচ্ছে না আগ্রহও।

এনডিটিভিকে টেন্ডুলকার বলেছেন, ‘আমরা বেড়ে ওঠার দিনগুলোতে দেখেছি ইমরান খান বল করছেন সুনীল গাভাস্কারকে। দেখেছি ভালো বলকে কীভাবে ব্যাকফুটে সম্মান করতে হয়। পরে লারা-ম্যাকগ্রা, অ্যামব্রোস-স্টিভ ওয়াহদের দ্বৈরথ সারা দিন মাঠে বসে দেখত দর্শক। এখন তো এমন কিছু নেই।’

টেস্টের দশগুলোকেও একটা বড় কারণ বলে মনে করেন টেন্ডুলকার। তাঁর মতে, টেস্টের কোনো দলই এখন ধারাবাহিক নয়, ‘আশির দশকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দুর্দান্ত দল ছিল। নব্বইয়ের দশকেও ভালো দল ছিল তারা। সে সময় তারা ছিল ধারাবাহিক। এতটাই ধারাবাহিক ছিল, সবাই তাদের হারাতে চাইত। অস্ট্রেলিয়া দলে ছিল বিশ্বমানের নয়-দশজন ক্রিকেটার। দলের ৩-৪ জন ভালো খেললেই ম্যাচ বেরিয়ে যেত। এখন সে লড়াইগুলো আর নেই।’

হালের কিশোরেরা টি-টোয়েন্টি দেখে বড় হয় বলেই দর্শকদের চরিত্রগত পরিবর্তন হয়েছে বলে মনে করেন টেন্ডুলকার, ‘কিশোরেরা এখন আর টেস্ট দেখে না। তারা দেখে টি-টোয়েন্টি। তাই তারা টি-টোয়েন্টি ঘরানার শট খেলা শেখে। এ কারণেই দ্রুত বদলে যাচ্ছে আধুনিক ক্রিকেটের চরিত্র।’

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X