শুক্রবার, ২৩শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১১ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ১২:২৪
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Saturday, January 28, 2017 7:26 pm
A- A A+ Print

ট্রাম্পের আদেশ : উদ্বেগে গুগল

WASHINGTON, DC - JANUARY 23:  (AFP OUT) U.S. President Donald Trump signs the last of three Executive Orders in the Oval Office of the White House in Washington, DC on Monday, January 23, 2017.  These concerned the withdrawal of the United States from the Trans-Pacific Partnership (TPP), a US Government hiring freeze for all departments but the military, and "Mexico City" which bans federal funding of abortions overseas. (Photo by Ron Sachs - Pool/Getty Images)

মুসলিম-প্রধান সাত দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নির্বাহী আদেশ জারি করার পর সফররত স্টাফদের ডেকে পাঠিয়েছে গুগল। নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়া সাত দেশের নাগরিকরা পরবর্তী আদেশ বা নোটিশ না দেওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকতে পারবেন না। সফরে থাকা কর্মকর্তারা এই আইনে ফেঁসে যেতে পারেন- এমন আশঙ্কায় রয়েছে ইন্টারনেটভিত্তিক বিশ্বের বৃহত্তম বহুজাতিক কোম্পানি গুগল। ফলে দ্রুত তাদের যুক্তরাষ্ট্রে ডেকে পাঠানো হয়েছে। ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশমতে, পরবর্তী কোনো নোটিশ না দেওয়া পর্যন্ত সিরিয়ার শরণার্থীরা যুক্তরাষ্ট্রের প্রবেশ করতে পারবে না। এ ছাড়া ইরাক, ইরানসহ ছয়টি দেশের নাগরিকদের জন্য আগামী তিন মাস ভিসা দেওয়া হবে না। গুগল জানিয়েছে, তারা ট্রাম্পের আদেশ সম্পর্কে অবহিত এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে তারা। নিষেধাজ্ঞার আওয়াত পড়া দেশগুলোর অনেকে গুগলের সঙ্গে কাজ করেন। ট্রাম্পের আদেশের কারণে ইরান, ইরাক, সিরিয়া, ইয়েমেন, সুদান, সোমালিয়া এবং লিবিয়ার কোনো নাগরিক যুক্তরাষ্ট্রগামী বিমানে উড্ডয়ন করতে পারবেন না, তাদের যদি স্থায়ী বসবাসের অনুমতিপত্র ‘গ্রিন কার্ড’ থাকেও, তাহলেও তারা পারবেন না। ফলে গুগলের আশঙ্কা, তাদের অনেক কর্মকর্তা এই মুহূর্তে এসব দেশে গেলে, তারা ওই সময়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবে না। ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ইসলামি উগ্রবাদীদের দূরে রাখতে ওইসব দেশের নাগরিকদের বিরুদ্ধে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে অধিকারকর্মীরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রে সিরীয় শরণার্থীদের প্রবেশ বা প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার সঙ্গে সন্ত্রাসবাদের কোনো সম্পর্ক নেই। ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশ জারির পর এরই মধ্যে জানা গেছে, এসব দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রগামী বিমানে নেওয়া হচ্ছে না। তাদের টিকেট ফেরত নেওয়া হচ্ছে। দি আমেরিকান-আরব এন্টি ডিসক্রিমিনেশন কমিটি জানিয়েছে, ট্রাম্পের আদেশের আওতায় ‘গ্রিন কার্ডধারী’ ও ‘বিশেষ ভিসাধারী’ ব্যক্তিরাও পড়ছেন। নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়া ব্যক্তিদের আমেকিরা না ছেড়ে সেখানে বসবাসের পরামর্শ দিয়েছে কমিটিটি। ট্রাম্পের এই আদেশকে শীর্ষ রিপাবলিকানদের অনেকে সমর্থন করেছেন, যার মধ্যে হাউস স্পিকার পল রায়ান উল্লেখযোগ্য। তিনি বলেছেন, ‘ভিসা ভেটিং পদ্ধতির পুনর্মূল্যায়ন ও শক্তিশালীকরণ’ সময়ে দাবি। তা ছাড়া ট্রাম্পের এই আদেশের ফলে আমেরিকায় বসবাসকারীদের স্বজনদের ভ্রমণও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী এক ইরাকি সাংবাদিক মোহাম্মদ আল-রাউই জানিয়েছেন, কাতার থেকে লস অ্যাঞ্জেলেসগামী ফ্লাইটে উঠতে দেওয়া হয়নি তার বাবাকে। দি কাউন্সিল অন আমেরিকান ইসলামিক রিলেশনস জানিয়েছে, ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশের বিরুদ্ধে মামলা করবে তারা। এ নিয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশে উদ্বেগ জানিয়ে তা প্রত্যাহার করে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। এ ছাড়া সিলিকন ভ্যালিতে কর্মরত অনেক কর্মকর্তারা এ ধরনের আদেশের কারণে উদ্বেগে রয়েছেন। তথ্যসূত্র : বিবিসি অনলাইন।

Comments

Comments!

 ট্রাম্পের আদেশ : উদ্বেগে গুগলAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

ট্রাম্পের আদেশ : উদ্বেগে গুগল

Saturday, January 28, 2017 7:26 pm
WASHINGTON, DC - JANUARY 23:  (AFP OUT) U.S. President Donald Trump signs the last of three Executive Orders in the Oval Office of the White House in Washington, DC on Monday, January 23, 2017.  These concerned the withdrawal of the United States from the Trans-Pacific Partnership (TPP), a US Government hiring freeze for all departments but the military, and "Mexico City" which bans federal funding of abortions overseas. (Photo by Ron Sachs - Pool/Getty Images)

মুসলিম-প্রধান সাত দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নির্বাহী আদেশ জারি করার পর সফররত স্টাফদের ডেকে পাঠিয়েছে গুগল।

নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়া সাত দেশের নাগরিকরা পরবর্তী আদেশ বা নোটিশ না দেওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকতে পারবেন না। সফরে থাকা কর্মকর্তারা এই আইনে ফেঁসে যেতে পারেন- এমন আশঙ্কায় রয়েছে ইন্টারনেটভিত্তিক বিশ্বের বৃহত্তম বহুজাতিক কোম্পানি গুগল। ফলে দ্রুত তাদের যুক্তরাষ্ট্রে ডেকে পাঠানো হয়েছে।

ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশমতে, পরবর্তী কোনো নোটিশ না দেওয়া পর্যন্ত সিরিয়ার শরণার্থীরা যুক্তরাষ্ট্রের প্রবেশ করতে পারবে না। এ ছাড়া ইরাক, ইরানসহ ছয়টি দেশের নাগরিকদের জন্য আগামী তিন মাস ভিসা দেওয়া হবে না।

গুগল জানিয়েছে, তারা ট্রাম্পের আদেশ সম্পর্কে অবহিত এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে তারা। নিষেধাজ্ঞার আওয়াত পড়া দেশগুলোর অনেকে গুগলের সঙ্গে কাজ করেন।

ট্রাম্পের আদেশের কারণে ইরান, ইরাক, সিরিয়া, ইয়েমেন, সুদান, সোমালিয়া এবং লিবিয়ার কোনো নাগরিক যুক্তরাষ্ট্রগামী বিমানে উড্ডয়ন করতে পারবেন না, তাদের যদি স্থায়ী বসবাসের অনুমতিপত্র ‘গ্রিন কার্ড’ থাকেও, তাহলেও তারা পারবেন না। ফলে গুগলের আশঙ্কা, তাদের অনেক কর্মকর্তা এই মুহূর্তে এসব দেশে গেলে, তারা ওই সময়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবে না।

ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ইসলামি উগ্রবাদীদের দূরে রাখতে ওইসব দেশের নাগরিকদের বিরুদ্ধে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে অধিকারকর্মীরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রে সিরীয় শরণার্থীদের প্রবেশ বা প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার সঙ্গে সন্ত্রাসবাদের কোনো সম্পর্ক নেই।

ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশ জারির পর এরই মধ্যে জানা গেছে, এসব দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রগামী বিমানে নেওয়া হচ্ছে না। তাদের টিকেট ফেরত নেওয়া হচ্ছে।

দি আমেরিকান-আরব এন্টি ডিসক্রিমিনেশন কমিটি জানিয়েছে, ট্রাম্পের আদেশের আওতায় ‘গ্রিন কার্ডধারী’ ও ‘বিশেষ ভিসাধারী’ ব্যক্তিরাও পড়ছেন। নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়া ব্যক্তিদের আমেকিরা না ছেড়ে সেখানে বসবাসের পরামর্শ দিয়েছে কমিটিটি।

ট্রাম্পের এই আদেশকে শীর্ষ রিপাবলিকানদের অনেকে সমর্থন করেছেন, যার মধ্যে হাউস স্পিকার পল রায়ান উল্লেখযোগ্য। তিনি বলেছেন, ‘ভিসা ভেটিং পদ্ধতির পুনর্মূল্যায়ন ও শক্তিশালীকরণ’ সময়ে দাবি।

তা ছাড়া ট্রাম্পের এই আদেশের ফলে আমেরিকায় বসবাসকারীদের স্বজনদের ভ্রমণও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী এক ইরাকি সাংবাদিক মোহাম্মদ আল-রাউই জানিয়েছেন, কাতার থেকে লস অ্যাঞ্জেলেসগামী ফ্লাইটে উঠতে দেওয়া হয়নি তার বাবাকে।

দি কাউন্সিল অন আমেরিকান ইসলামিক রিলেশনস জানিয়েছে, ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশের বিরুদ্ধে মামলা করবে তারা। এ নিয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।

ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশে উদ্বেগ জানিয়ে তা প্রত্যাহার করে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। এ ছাড়া সিলিকন ভ্যালিতে কর্মরত অনেক কর্মকর্তারা এ ধরনের আদেশের কারণে উদ্বেগে রয়েছেন।

তথ্যসূত্র : বিবিসি অনলাইন।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X