মঙ্গলবার, ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৮ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ১১:২৮
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Saturday, November 19, 2016 10:44 am
A- A A+ Print

ট্রাম্পের সরকারে কে কোন পদে, ঠিক করছেন জামাতা কুশনার

161663_1

আমেরিকার নতুন সরকার গঠন প্রক্রিয়ায় যাবতীয় কলকাঠি নাড়ছেন ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার। এমনই অভিযোগ তুলল সিএনএন ও নিউইয়র্ক টাইমসহ একাধিক মার্কিন মিডিয়া। মেয়ে ইভাঙ্কার স্বামী জ্যারেড কুশনার বরাবরই ট্রাম্পের আস্থাভাজন হিসেবে পরিচিত। অভিযোগ, জ্যারেড কুশনারের কথা মতোই ট্রাম্প ক্ষমতা গ্রহণ প্রক্রিয়ায় বেশ কিছু পরিবর্তন এনেছেন। তার পিছনে কাজ করছে কুশনারের ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ। কুশনারের পছন্দের লোক না হওয়ার কারণেই পদ খোয়াতে হয়েছে নিউ জার্সির গভর্নর ক্রিস ক্রিস্টিসহ তার অনুসারীদের। প্রশাসনের শীর্ষস্থানীয় পদগুলি কাকে দেওয়া উচিত, এই ব্যাপারে পরামর্শের জন্য ট্রাম্প যে কমিটি গঠন করেছেন, অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে সেই কমিটির কাজও প্রায় বন্ধ। নিয়ম অনুযায়ী নির্বাচনে ফল ঘোষণার দিন থেকে শুরু করে শপথের আগে পর্যন্ত কাজ করবে এক অন্তর্বর্তী দল। ট্রাম্পের ১৬ সদস্যের অন্তর্বর্তী দলটির নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন নিউ জার্সির গভর্নর ক্রিস ক্রিস্টি। নির্বাচনী প্রচারে যে কজন রাজনীতিককে ট্রাম্প নিজের পাশে পেয়েছিলেন, ক্রিস্টি তাদের অন্যতম। কিন্তু নির্বাচিত হওয়ার পরেই ক্রিস্টিকে সরিয়ে দিয়ে তার জায়গায় নবনির্বাচিত ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সকে দায়িত্ব দেয়া হয়। ক্রিস্টিকে এই কমিটির ভাইস চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়া হয়। জানা গিয়েছে, এই পরিবর্তনের পিছনে বিশেষ ভূমিকা ছিল ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারের। ২০০৫ সালে নিউ জার্সির অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় ক্রিস্টি জ্যারেড কুশনারের ব্যবসায়ী পিতা চার্লসকে ‘লোভ, আর্থিক অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের’ অভিযোগে দু’বছরের জন্য জেলে পাঠিয়েছিলেন। সেই কারণেই ক্রিস্টির উপর এই আঘাত হানা হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলের ধারণা। ক্রিস্টির সরে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসাবে পরিচিত প্রাক্তন কংগ্রেসম্যান মাইক রজার্সও এই কমিটি থেকে সরে গিয়েছেন। ভ্যানিটি ফেয়ার সাময়িকী একে ‘মাফিয়া কায়দায় অপসারণ’ বলে মন্তব্য করেছে রজার্স। ক্রিস্টির ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক আছে বলে অন্তর্বর্তী টিমের আরো এক সদস্য ম্যাথিউ ফ্রিডম্যানকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া ডোনাল্ড ট্রাম্প শুরুতে নাকি রক্ষণশীল মিডিয়া ব্যক্তিত্ব স্টিভেন বেননকে চিফ অব স্টাফ করতে চাইছিলেন। তবে কুশনারের হস্তেক্ষেপেই সেই সিদ্ধান্ত পাল্টিয়েছেন ট্রাম্প। শেষ পর্যন্ত রিপাবলিকান ন্যাশনাল কমিটি আরএনসির চেয়ারম্যান রেইন্স প্রিবাসকে চিপ অব স্টাফ হিসেবে নিয়োগ করেছেন। ২০০৯ সালে ইভাঙ্কাকে বিয়ে করার পর থেকেই ব্যাবসা ও রাজনীতিতে শ্বশুরকে ছায়ার মতো সঙ্গ দেন কুশনার। তার ‘রাজনৈতিক প্রজ্ঞা’র ওপর ট্রাম্পের অগাধ আস্থা। গত মে মাসে ইন্ডিয়ানা প্রাইমারির সময় কুশনারকে পাশে রেখে প্রচারে নামেন ট্রাম্প। রিপাবলিকান পার্টির মনোনয়ন পাওয়া থেকে শুরু করে ট্রাম্পকে নির্বাচনী বৈতরণী পার করা পর্যন্ত বহুমুখী দায়িত্ব পালন করেছেন ৩৫ বছর বয়সী কুশনার। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইন অনুযায়ী ট্রাম্পের আত্মীয় হওয়ার কারণে ৩৫ বছর বয়সী প্রশাসনিক কোনও পদ পাবেন না। তবে তারপরও ট্রাম্প প্রশাসনে তার অনেক প্রভাব থাকবে বলে ধারণা করছে মার্কিন মিডিয়া। এদিকে অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাইকেল ফ্লিনকে হোয়াইট হাউজের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার পদে দায়িত্ব নিচে প্রস্তাব দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে ফ্লিন এই প্রস্তাব গ্রহণ করবেন কিনা তা এখনও জানা যায়নি। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারের সময় জাতীয় নিরাপত্তা ইস্যুগুলিতে ট্রাম্পের পরামর্শক হিসেবে কাজ করেছেন আমেরিকার প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থার প্রাক্তন প্রধান ফ্লিন।
 

Comments

Comments!

 ট্রাম্পের সরকারে কে কোন পদে, ঠিক করছেন জামাতা কুশনারAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

ট্রাম্পের সরকারে কে কোন পদে, ঠিক করছেন জামাতা কুশনার

Saturday, November 19, 2016 10:44 am
161663_1

আমেরিকার নতুন সরকার গঠন প্রক্রিয়ায় যাবতীয় কলকাঠি নাড়ছেন ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার। এমনই অভিযোগ তুলল সিএনএন ও নিউইয়র্ক টাইমসহ একাধিক মার্কিন মিডিয়া। মেয়ে ইভাঙ্কার স্বামী জ্যারেড কুশনার বরাবরই ট্রাম্পের আস্থাভাজন হিসেবে পরিচিত।

অভিযোগ, জ্যারেড কুশনারের কথা মতোই ট্রাম্প ক্ষমতা গ্রহণ প্রক্রিয়ায় বেশ কিছু পরিবর্তন এনেছেন। তার পিছনে কাজ করছে কুশনারের ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ। কুশনারের পছন্দের লোক না হওয়ার কারণেই পদ খোয়াতে হয়েছে নিউ জার্সির গভর্নর ক্রিস ক্রিস্টিসহ তার অনুসারীদের।

প্রশাসনের শীর্ষস্থানীয় পদগুলি কাকে দেওয়া উচিত, এই ব্যাপারে পরামর্শের জন্য ট্রাম্প যে কমিটি গঠন করেছেন, অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে সেই কমিটির কাজও প্রায় বন্ধ।

নিয়ম অনুযায়ী নির্বাচনে ফল ঘোষণার দিন থেকে শুরু করে শপথের আগে পর্যন্ত কাজ করবে এক অন্তর্বর্তী দল। ট্রাম্পের ১৬ সদস্যের অন্তর্বর্তী দলটির নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন নিউ জার্সির গভর্নর ক্রিস ক্রিস্টি।

নির্বাচনী প্রচারে যে কজন রাজনীতিককে ট্রাম্প নিজের পাশে পেয়েছিলেন, ক্রিস্টি তাদের অন্যতম। কিন্তু নির্বাচিত হওয়ার পরেই ক্রিস্টিকে সরিয়ে দিয়ে তার জায়গায় নবনির্বাচিত ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সকে দায়িত্ব দেয়া হয়। ক্রিস্টিকে এই কমিটির ভাইস চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

জানা গিয়েছে, এই পরিবর্তনের পিছনে বিশেষ ভূমিকা ছিল ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারের। ২০০৫ সালে নিউ জার্সির অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় ক্রিস্টি জ্যারেড কুশনারের ব্যবসায়ী পিতা চার্লসকে ‘লোভ, আর্থিক অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের’ অভিযোগে দু’বছরের জন্য জেলে পাঠিয়েছিলেন। সেই কারণেই ক্রিস্টির উপর এই আঘাত হানা হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলের ধারণা। ক্রিস্টির সরে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসাবে পরিচিত প্রাক্তন কংগ্রেসম্যান মাইক রজার্সও এই কমিটি থেকে সরে গিয়েছেন। ভ্যানিটি ফেয়ার সাময়িকী একে ‘মাফিয়া কায়দায় অপসারণ’ বলে মন্তব্য করেছে রজার্স।

ক্রিস্টির ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক আছে বলে অন্তর্বর্তী টিমের আরো এক সদস্য ম্যাথিউ ফ্রিডম্যানকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া ডোনাল্ড ট্রাম্প শুরুতে নাকি রক্ষণশীল মিডিয়া ব্যক্তিত্ব স্টিভেন বেননকে চিফ অব স্টাফ করতে চাইছিলেন। তবে কুশনারের হস্তেক্ষেপেই সেই সিদ্ধান্ত পাল্টিয়েছেন ট্রাম্প। শেষ পর্যন্ত রিপাবলিকান ন্যাশনাল কমিটি আরএনসির চেয়ারম্যান রেইন্স প্রিবাসকে চিপ অব স্টাফ হিসেবে নিয়োগ করেছেন।

২০০৯ সালে ইভাঙ্কাকে বিয়ে করার পর থেকেই ব্যাবসা ও রাজনীতিতে শ্বশুরকে ছায়ার মতো সঙ্গ দেন কুশনার। তার ‘রাজনৈতিক প্রজ্ঞা’র ওপর ট্রাম্পের অগাধ আস্থা। গত মে মাসে ইন্ডিয়ানা প্রাইমারির সময় কুশনারকে পাশে রেখে প্রচারে নামেন ট্রাম্প। রিপাবলিকান পার্টির মনোনয়ন পাওয়া থেকে শুরু করে ট্রাম্পকে নির্বাচনী বৈতরণী পার করা পর্যন্ত বহুমুখী দায়িত্ব পালন করেছেন ৩৫ বছর বয়সী কুশনার। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইন অনুযায়ী ট্রাম্পের আত্মীয় হওয়ার কারণে ৩৫ বছর বয়সী প্রশাসনিক কোনও পদ পাবেন না। তবে তারপরও ট্রাম্প প্রশাসনে তার অনেক প্রভাব থাকবে বলে ধারণা করছে মার্কিন মিডিয়া।

এদিকে অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাইকেল ফ্লিনকে হোয়াইট হাউজের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার পদে দায়িত্ব নিচে প্রস্তাব দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে ফ্লিন এই প্রস্তাব গ্রহণ করবেন কিনা তা এখনও জানা যায়নি। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারের সময় জাতীয় নিরাপত্তা ইস্যুগুলিতে ট্রাম্পের পরামর্শক হিসেবে কাজ করেছেন আমেরিকার প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থার প্রাক্তন প্রধান ফ্লিন।

 

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X