রবিবার, ১৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৬ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, দুপুর ২:৩৮
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Tuesday, January 17, 2017 5:24 pm
A- A A+ Print

ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ২ হাজার ৬৪ কোটি টাকা

7

অতীতের সব ধকল কাটিয়ে ওঠছে দেশের পুঁজিবাজার। ২০১০ সালের ধস পরবর্তী টানা মন্দায় বিনিয়োগকারীরা যখন বাজারের ওপর পুরোপুরি আস্থা হারিয়ে ফেলেছিলেন এবং বাজারের সূচক ও লেনদেন তলানীতে এসে ঠেকেছিল তখনই স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে তৎপর হয়ে ওঠেন সরকারসহ পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট নীতি-নির্ধারনী মহল। এমনকি খোদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও বাজারের স্থায়ী স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে মাঠে নেমে পড়েন। তার নির্দেশনা অনুযায়ী অর্থমন্ত্রণালয় ও নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কর্তা-ব্যক্তিদের আন্তরিক প্রচেষ্টার বলেই বাজার ঘুরে দাঁড়িয়েছে। সেই সুবাদে প্রতিদিনই বাড়ছে সূচক ও গড় লেনদেনের পরিমাণ। এতে প্রায় সবশ্রেনীর বিনিয়োগকারীরা নতুন করে বাজারে প্রবেশ করছেন। এরই ধারাবাহিকতায় দেশের শেয়ারবাজার গত কয়েক কার্যদিবস ধরে লেনদেনে রেকর্ড করে যাচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে(ডিএসই) সূচক ও লেনদেনে নতুন রেকর্ড হয়েছে। যা গত ৬ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ লেনদেন। ডিএসইতে সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে সূচকের উর্ধ্বমুখীপ্রবণতায় লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন শুরুতে থেকেই সূচকের উত্থান লক্ষ্য করা গেছে। মঙ্গলবার সূচককের পাশাপাশি বেড়েছে বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার দর। এমনকি আগের দিনের তুলনায় টাকার অংকে বেড়েছে লেনদেন। আজ দিন শেষে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ২ হাজার ৬৪ কোটি টাকা। তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, এর আগে ২০১০ সালে, ৭ ডিসেম্বরডিএসইতে লেনদেন হয়েছিলো ২ হাজার ৫০কোটি ৬৩লাখ ৪১হাজার টাকা। এরপর টানা ৬ বছরেও লেনদেন ২ হাজারকোটিতে অতিক্রম করতে পারেনি। সেই হিসেবে লেনদেন বিগত ৬ বছরের রেকর্ড ভেঙ্গেছে পুঁজিবাজার। এছাড়াও প্রায় ৫ বছরের সবোর্চ্চ স্থানে অবস্থান করছে সূচক।এর আগে ২০১২ সালে, ১৭এপ্রিলডিএসইতে সূচকদাঁড়িয়েছিলো৫ হাজার ৫০২ পয়েন্টে। এরপর টানা প্রায়৫ বছরেও সূচক৫ হাজার ৫০২ পয়েন্টঅতিক্রম করতে পারেনি।সেই হিসেবে সূচকও বিগত প্রায়পাঁচ বছরের রেকর্ড ভেঙ্গেছে পুঁজিবাজার। পুঁজিবাজারে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ার পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়ছে। এছাড়া বাজারে স্থিতিশীলতা দীর্ঘস্থায়ী করতে তৎপর রয়েছে নীতিনির্ধারণীমহল। সবমিলিয়ে বিনিয়োগকারীরা বাজারে তাদের প্রত্যাশার প্রতিফলন দেখছেন। দিনশেষে ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স আগের দিনের চেয়ে ৯৭ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৫৫৭৫ পয়েন্টে। আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১৫ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১২৭৬ পয়েন্টে এবং ডিএসই সূচক ৩৯ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১৯৮৪ পয়েন্টে। দিনভর লেনদেন হওয়া ৩২৮ কোম্পানির মধ্যে দর বেড়েছে ২২৪টির, কমেছে ৮৬টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৮টির। আর দিনশেষে লেনদেন হয়েছে ২ হাজার ৬৪ কোটি ৯৬ লাখ ৫৭ হাজার টাকা। যা গত ৬ বছরের থেকে সবোর্চ্চ। এর আগের কার্যদিবস সোমবার ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স ৫৫ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৫৪৭৭ পয়েন্টে। আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৬ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১২৬০ পয়েন্টে এবং ডিএসই সূচক ১০ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১৯৪৪ পয়েন্টে। ওইদিন টাকায় লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৮৫৬ কোটি ৫২ লাখ ৫ হাজার টাকা। এদিকে, দিনশেষে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ সূচক ১৭১ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১০ হাজার ৩৭৯ পয়েন্টে। দিনভর লেনদেন হওয়া ২৭৬টি কোম্পানির ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১৮৬টির, কমেছে ৭৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৬টির। আর টাকায় আজ সিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ১১৪ কোটি ৮০ লাখ ৬১ হাজার ২১৩ টাকা।

Comments

Comments!

 ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ২ হাজার ৬৪ কোটি টাকাAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ২ হাজার ৬৪ কোটি টাকা

Tuesday, January 17, 2017 5:24 pm
7

অতীতের সব ধকল কাটিয়ে ওঠছে দেশের পুঁজিবাজার। ২০১০ সালের ধস পরবর্তী টানা মন্দায় বিনিয়োগকারীরা যখন বাজারের ওপর পুরোপুরি আস্থা হারিয়ে ফেলেছিলেন এবং বাজারের সূচক ও লেনদেন তলানীতে এসে ঠেকেছিল তখনই স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে তৎপর হয়ে ওঠেন সরকারসহ পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট নীতি-নির্ধারনী মহল। এমনকি খোদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও বাজারের স্থায়ী স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে মাঠে নেমে পড়েন। তার নির্দেশনা অনুযায়ী অর্থমন্ত্রণালয় ও নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কর্তা-ব্যক্তিদের আন্তরিক প্রচেষ্টার বলেই বাজার ঘুরে দাঁড়িয়েছে। সেই সুবাদে প্রতিদিনই বাড়ছে সূচক ও গড় লেনদেনের পরিমাণ। এতে প্রায় সবশ্রেনীর বিনিয়োগকারীরা নতুন করে বাজারে প্রবেশ করছেন। এরই ধারাবাহিকতায় দেশের শেয়ারবাজার গত কয়েক কার্যদিবস ধরে লেনদেনে রেকর্ড করে যাচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে(ডিএসই) সূচক ও লেনদেনে নতুন রেকর্ড হয়েছে। যা গত ৬ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ লেনদেন। ডিএসইতে সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে সূচকের উর্ধ্বমুখীপ্রবণতায় লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন শুরুতে থেকেই সূচকের উত্থান লক্ষ্য করা গেছে। মঙ্গলবার সূচককের পাশাপাশি বেড়েছে বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার দর। এমনকি আগের দিনের তুলনায় টাকার অংকে বেড়েছে লেনদেন। আজ দিন শেষে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ২ হাজার ৬৪ কোটি টাকা। তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, এর আগে ২০১০ সালে, ৭ ডিসেম্বরডিএসইতে লেনদেন হয়েছিলো ২ হাজার ৫০কোটি ৬৩লাখ ৪১হাজার টাকা। এরপর টানা ৬ বছরেও লেনদেন ২ হাজারকোটিতে অতিক্রম করতে পারেনি। সেই হিসেবে লেনদেন বিগত ৬ বছরের রেকর্ড ভেঙ্গেছে পুঁজিবাজার। এছাড়াও প্রায় ৫ বছরের সবোর্চ্চ স্থানে অবস্থান করছে সূচক।এর আগে ২০১২ সালে, ১৭এপ্রিলডিএসইতে সূচকদাঁড়িয়েছিলো৫ হাজার ৫০২ পয়েন্টে। এরপর টানা প্রায়৫ বছরেও সূচক৫ হাজার ৫০২ পয়েন্টঅতিক্রম করতে পারেনি।সেই হিসেবে সূচকও বিগত প্রায়পাঁচ বছরের রেকর্ড ভেঙ্গেছে পুঁজিবাজার। পুঁজিবাজারে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ার পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়ছে। এছাড়া বাজারে স্থিতিশীলতা দীর্ঘস্থায়ী করতে তৎপর রয়েছে নীতিনির্ধারণীমহল। সবমিলিয়ে বিনিয়োগকারীরা বাজারে তাদের প্রত্যাশার প্রতিফলন দেখছেন। দিনশেষে ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স আগের দিনের চেয়ে ৯৭ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৫৫৭৫ পয়েন্টে। আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১৫ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১২৭৬ পয়েন্টে এবং ডিএসই সূচক ৩৯ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১৯৮৪ পয়েন্টে। দিনভর লেনদেন হওয়া ৩২৮ কোম্পানির মধ্যে দর বেড়েছে ২২৪টির, কমেছে ৮৬টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৮টির। আর দিনশেষে লেনদেন হয়েছে ২ হাজার ৬৪ কোটি ৯৬ লাখ ৫৭ হাজার টাকা। যা গত ৬ বছরের থেকে সবোর্চ্চ। এর আগের কার্যদিবস সোমবার ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স ৫৫ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৫৪৭৭ পয়েন্টে। আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৬ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১২৬০ পয়েন্টে এবং ডিএসই সূচক ১০ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১৯৪৪ পয়েন্টে। ওইদিন টাকায় লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৮৫৬ কোটি ৫২ লাখ ৫ হাজার টাকা। এদিকে, দিনশেষে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ সূচক ১৭১ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১০ হাজার ৩৭৯ পয়েন্টে। দিনভর লেনদেন হওয়া ২৭৬টি কোম্পানির ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১৮৬টির, কমেছে ৭৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৬টির। আর টাকায় আজ সিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ১১৪ কোটি ৮০ লাখ ৬১ হাজার ২১৩ টাকা।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X