শুক্রবার, ২৩শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১১ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ১০:৩৩
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Thursday, November 3, 2016 8:43 pm
A- A A+ Print

ডিজিটাল দেশ গড়ার কর্মীরা বেতন পাচ্ছেন না

photo-1478183122

মাঠপর্যায়ে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে সহায়তা দিয়ে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমকে যারা গতিশীল করেছেন তাঁদের জীবনই এখন গতি হারাতে বসেছে। কেননা যে প্রকল্পের অধীনে এসব কাজ তাঁরা শুরু করেছিলেন সেই প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় বেতন ভাতা বন্ধ হয়ে গেছে তাঁদের। ফলে গত চার মাস ধরে কাজ করে গেলেও বেতন পাচ্ছেন না তাঁরা। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সঙ্গে সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ, জেলা পর্যায়ের ৫৫টি এবং উপজেলা পর্যায়ের ৩০টি সরকারি দপ্তরকে একটি অভিন্ন নেটওয়ার্কের আওতায় আনার লক্ষ্যে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের অধীনে ইনফো সরকার প্রকল্প ফেজ ২-এর আওতায় ন্যাশনাল ব্যাকবোন নেটওয়ার্ক স্থাপনের কাজ হাতে নেয় সরকার। ২০১৩ সালে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে আউটসোর্সিং পদ্ধতিতে প্রতিটি উপজেলায় একজন করে দক্ষ টেকনিশিয়ান নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষে ২০১৪ সালের ১ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে ৪৮৮ জন টেকনিশিয়ান যোগ দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের অধীনে। এই টেকনিশিয়ানরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সরাসরি তত্ত্বাবধানে কাজ করার ফলে উপজেলা প্রশাসন এবং জেলা প্রশাসনের আইসিটি কার্যক্রমে গতি আসে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে বিভিন্ন জরুরি ইমেইল পাঠানো, গ্রহণ, জাতীয় তথ্য বাতায়ন হালনাগাদ, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম তদারকি, ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম তদারকি, ন্যাশনাল ব্যাকবোন রক্ষণাবেক্ষণ, ভিডিও কনফারেন্স সিস্টেম রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনা, নাগরিক সেবায় ফেসবুক ব্যবহারে সহযোগিতা, উপজেলা পর্যায়ের সরকারি অফিসগুলোতে আইসিটি যন্ত্রপাতি রক্ষণাবেক্ষণে কারিগরী সহায়তা দেওয়াসহ কর্মকর্তা/কর্মচারীদের তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারে নিয়মিতভাবে সহযোগিতা করছিলেন নিয়োগপ্রাপ্ত টেকনিশিয়ানরা। সরকারের নানামুখী কাজের অংশ হিসেবে টেকনিশিয়ানদের জাতীয় তথ্য বাতায়ন রক্ষণাবেক্ষণ, ইমোবাইল কোর্ট, এমআইএসসহ (ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম) বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আরও দক্ষ করে গড়ে তোলা হয়। চলতি বছরের জুন মাসে ইনফো সরকার ফেজ-২ প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। তবে কর্মস্থলগুলোতে কাজ থাকায় এখন পর্যন্ত অব্যাহতি পাননি এসব টেকনিশিয়ানরা। তবে মেয়াদ শেষ হওয়ার পর কাজ করলেও বেতন পাচ্ছেন না তাঁরা। ফলে চার মাস ধরে বেতন না পেয়ে মানবেতর জীবন যাপন করতে হচ্ছে এই টেকনিশিয়ানদের। রাজস্ব খাতে তাঁদের অন্তর্ভুক্ত করতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তাঁরা। বাংলাদেশ টেকনিশিয়ান ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম এনটিভি অনলাইনকে বলেন, নিজেদের কর্ম দক্ষতা দিয়ে তাঁরা জেলা-উপজেলা প্রশাসনে কাজের গতি এনেছেন। এখনো নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। অথচ চার মাস ধরে বেতনের অভাবে মানবেতর জীবনযাপন করতে হচ্ছে তাঁদের। বাংলাদেশ টেকনিশিয়ান ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকার ধামরাই উপজেলার টেকনিশিয়ান আতিকুর রহমান বলেন, মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে থেকেই তাঁরা সবাই বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল কার্যালয়ের সয়্গে নিয়মিত যোগাযোগ করে যাচ্ছেন। কিন্তু কোন ফল হচ্ছে না। এ বিষয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আহমেদের সঙ্গে দেখা করলে তিনি অধিদপ্তরে জমা দেওয়ার জন্য একটি ডিও লেটার দেন। তবে তাতেও কোনো কাজ হয়নি। তবে বেতন না পেলেও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দুই-এক মাস পর পর অল্প কিছু হাত খরচ দেন বলে জানান তিনি। এ বিষয়ে রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা আলমগীর কবীর বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে টেকনিশিয়ানদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে তাদের স্থায়ীকরণে বাধা হচ্ছে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে নিয়োগ। এদিকে নতুন করে নতুন লোগ নিয়োগ দিলেও সমস্যা হবে। কেননা যারা এত দিন ধরে কাজ করছে তাদের সরকার প্রশিক্ষণ দিয়ে গড়ে তুলেছে। নতুন করে নিয়োগ হলে তাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে গড়ে তুলতে সময় লাগবে। টেকনিশিয়ানদের পুনর্বহাল করার জন্য মন্ত্রণালয়ে বেশ কয়েকবার চিঠি পাঠিয়েছেন বলে জানালেন ঝিনাইদহের জেলা প্রশাসক মাহবুব আলম তালুকদার। তিনি বলেন, এসব টেকনিশিয়ান না থাকলে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য একটু হলেও ব্যাহত হবে। নতুন করে নিয়োগ দেওয়া হলে সমস্যা মিটতে পারে কিন্তু আগের টেকনিশিয়ানদের আবার বহালের পক্ষে তিনি। কারণ এদের অনেক অভিজ্ঞতা হয়েছে। বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবু নাছের এনটিভি অনলাইনকে জানান, টেকনিশিয়ানদের এই সংক্রান্ত ফাইল প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত পরে জানানো হবে।

Comments

Comments!

 ডিজিটাল দেশ গড়ার কর্মীরা বেতন পাচ্ছেন নাAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

ডিজিটাল দেশ গড়ার কর্মীরা বেতন পাচ্ছেন না

Thursday, November 3, 2016 8:43 pm
photo-1478183122

মাঠপর্যায়ে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে সহায়তা দিয়ে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমকে যারা গতিশীল করেছেন তাঁদের জীবনই এখন গতি হারাতে বসেছে। কেননা যে প্রকল্পের অধীনে এসব কাজ তাঁরা শুরু করেছিলেন সেই প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় বেতন ভাতা বন্ধ হয়ে গেছে তাঁদের। ফলে গত চার মাস ধরে কাজ করে গেলেও বেতন পাচ্ছেন না তাঁরা।

ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সঙ্গে সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ, জেলা পর্যায়ের ৫৫টি এবং উপজেলা পর্যায়ের ৩০টি সরকারি দপ্তরকে একটি অভিন্ন নেটওয়ার্কের আওতায় আনার লক্ষ্যে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের অধীনে ইনফো সরকার প্রকল্প ফেজ ২-এর আওতায় ন্যাশনাল ব্যাকবোন নেটওয়ার্ক স্থাপনের কাজ হাতে নেয় সরকার।

২০১৩ সালে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে আউটসোর্সিং পদ্ধতিতে প্রতিটি উপজেলায় একজন করে দক্ষ টেকনিশিয়ান নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষে ২০১৪ সালের ১ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে ৪৮৮ জন টেকনিশিয়ান যোগ দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের অধীনে।

এই টেকনিশিয়ানরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সরাসরি তত্ত্বাবধানে কাজ করার ফলে উপজেলা প্রশাসন এবং জেলা প্রশাসনের আইসিটি কার্যক্রমে গতি আসে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে বিভিন্ন জরুরি ইমেইল পাঠানো, গ্রহণ, জাতীয় তথ্য বাতায়ন হালনাগাদ, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম তদারকি, ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম তদারকি, ন্যাশনাল ব্যাকবোন রক্ষণাবেক্ষণ, ভিডিও কনফারেন্স সিস্টেম রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনা, নাগরিক সেবায় ফেসবুক ব্যবহারে সহযোগিতা, উপজেলা পর্যায়ের সরকারি অফিসগুলোতে আইসিটি যন্ত্রপাতি রক্ষণাবেক্ষণে কারিগরী সহায়তা দেওয়াসহ কর্মকর্তা/কর্মচারীদের তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারে নিয়মিতভাবে সহযোগিতা করছিলেন নিয়োগপ্রাপ্ত টেকনিশিয়ানরা।

সরকারের নানামুখী কাজের অংশ হিসেবে টেকনিশিয়ানদের জাতীয় তথ্য বাতায়ন রক্ষণাবেক্ষণ, ইমোবাইল কোর্ট, এমআইএসসহ (ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম) বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আরও দক্ষ করে গড়ে তোলা হয়। চলতি বছরের জুন মাসে ইনফো সরকার ফেজ-২ প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। তবে কর্মস্থলগুলোতে কাজ থাকায় এখন পর্যন্ত অব্যাহতি পাননি এসব টেকনিশিয়ানরা। তবে মেয়াদ শেষ হওয়ার পর কাজ করলেও বেতন পাচ্ছেন না তাঁরা। ফলে চার মাস ধরে বেতন না পেয়ে মানবেতর জীবন যাপন করতে হচ্ছে এই টেকনিশিয়ানদের। রাজস্ব খাতে তাঁদের অন্তর্ভুক্ত করতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তাঁরা।

বাংলাদেশ টেকনিশিয়ান ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম এনটিভি অনলাইনকে বলেন, নিজেদের কর্ম দক্ষতা দিয়ে তাঁরা জেলা-উপজেলা প্রশাসনে কাজের গতি এনেছেন। এখনো নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। অথচ চার মাস ধরে বেতনের অভাবে মানবেতর জীবনযাপন করতে হচ্ছে তাঁদের।

বাংলাদেশ টেকনিশিয়ান ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকার ধামরাই উপজেলার টেকনিশিয়ান আতিকুর রহমান বলেন, মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে থেকেই তাঁরা সবাই বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল কার্যালয়ের সয়্গে নিয়মিত যোগাযোগ করে যাচ্ছেন। কিন্তু কোন ফল হচ্ছে না। এ বিষয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আহমেদের সঙ্গে দেখা করলে তিনি অধিদপ্তরে জমা দেওয়ার জন্য একটি ডিও লেটার দেন। তবে তাতেও কোনো কাজ হয়নি। তবে বেতন না পেলেও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দুই-এক মাস পর পর অল্প কিছু হাত খরচ দেন বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা আলমগীর কবীর বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে টেকনিশিয়ানদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে তাদের স্থায়ীকরণে বাধা হচ্ছে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে নিয়োগ।

এদিকে নতুন করে নতুন লোগ নিয়োগ দিলেও সমস্যা হবে। কেননা যারা এত দিন ধরে কাজ করছে তাদের সরকার প্রশিক্ষণ দিয়ে গড়ে তুলেছে। নতুন করে নিয়োগ হলে তাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে গড়ে তুলতে সময় লাগবে।

টেকনিশিয়ানদের পুনর্বহাল করার জন্য মন্ত্রণালয়ে বেশ কয়েকবার চিঠি পাঠিয়েছেন বলে জানালেন ঝিনাইদহের জেলা প্রশাসক মাহবুব আলম তালুকদার। তিনি বলেন, এসব টেকনিশিয়ান না থাকলে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য একটু হলেও ব্যাহত হবে। নতুন করে নিয়োগ দেওয়া হলে সমস্যা মিটতে পারে কিন্তু আগের টেকনিশিয়ানদের আবার বহালের পক্ষে তিনি। কারণ এদের অনেক অভিজ্ঞতা হয়েছে।

বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবু নাছের এনটিভি অনলাইনকে জানান, টেকনিশিয়ানদের এই সংক্রান্ত ফাইল প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত পরে জানানো হবে।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X