সোমবার, ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৭ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ৯:৪১
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Thursday, January 26, 2017 9:45 pm
A- A A+ Print

তিন মিনিটের বক্তব্যে ‘হতভম্ব’ মোদি

39

বক্তব্য শুনে তিন মিনিটের জন্য নিশ্চুপ হয়ে গিয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এ সময় তাকে অসহায়ের মতো বক্তব্যদাতার দিকে মুখ চাওয়াচাওয়ি করতে দেখা গেছে। ঘটনাটি হল, নিরাপত্তা কড়াকড়ির কারণে দোভাষীর অনুষ্ঠানস্থলে আসতে বিলম্ব হয়। এতেই ঘটে বিপত্তি। আবুধাবির যুবরাজ মুহাম্মদ বিন যায়েদ আল নাহিয়ানের দেয়া তিন মিনিটের বক্তৃতার অনুবাদ হয়নি। এ কারণে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিসহ রাজনীতিক এবং সাংবাদিকরা যুবরাজের ওই বক্তৃতার কথা বুঝতে পারেননি। এ সময় হেডফোনে অনুবাদ শুনতে না পেয়ে তারা মুখ চাওয়াচাওয়ি করেন। খবর এনডিটিভির। বুধবার ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির রাষ্ট্রীয় 'হায়দারাবাদ ভবনে' এ ঘটনা ঘটে। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বক্তৃতা করেন। এরপরে যুবরাজ মুহাম্মদ আরবিতে বক্তৃতা শুরু করেন। কিন্তু তিনি কথা বলার সময় হেডসেটে আরবি বক্তৃতার হিন্দি অনুবাদ শোনা যাচ্ছিল না। এতে মোদিসহ উপস্থিত লোকজন হতভম্ব হয়ে পড়েন। এ সময় বক্তৃতা বুঝতে না পেরে অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলিকে একটি ছোট্ট নিয়ন্ত্রণ কক্ষে গিয়ে যন্ত্রপাতি নাড়াচাড়া করতে দেখা যায়। ওই কক্ষটি থেকেই যুবরাজের বক্তৃতার অনুবাদ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এতে কোনো লাভ হয়নি। প্রধানমন্ত্রী মোদিসহ কারও হেডফোনেই বক্তৃতার অনুবাদ হচ্ছিল না। সূত্র জানিয়েছে, নয়াদিল্লির প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত হায়দ্রাবাদ ভবনে বিভিন্ন দেশের প্রেসিডেন্ট এবং প্রধানমন্ত্রীদের আতিথেয়তার আয়োজন করে ভারত সরকার। এ কারণে ভবনটি কড়া নিরাপত্তায় ঘেরা থাকে। বুধবার যুবরাজের বক্তৃতার অনুবাদ করার জন্য যে দোভাষীকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল তিনিও হায়দ্রাবাদ ভবনে ঢুকতে গিয়ে নিরাপত্তারক্ষীদের তল্লাশির মুখে পড়েন। ফলে তারপক্ষে সময় মতো নিজের ডেস্কে উপস্থিত হওয়া সম্ভব হয়নি। সংযুক্ত আরব আমিরাত ভারতের গুরুত্বপূর্ণ বন্ধু দেশ। এ কারণে যুবরাজ মুহাম্মদকে  চলতি বছর ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসে প্রধান অতিথি করা হয়েছে। আর তার আগমন উপলক্ষে খেঁজুর গাছ এবং ফুলের টব দিয়ে দিল্লির কেন্দ্রস্থল এবং আশেপাশজুড়ে আরব দেশের আবহ তৈরি করা হয়েছে। যুবরাজ মুহাম্মদ পৌঁছানোর পর তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাতে বিমানবন্দরে যান নরেন্দ্র মোদি।পরে উভয় নেতার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বিষয় নিয়ে কথা হয়। হায়দ্রাবাদ ভবন থেকে তারা যৌথ বিবৃতি দেন। এছাড়া কৌশলগত সহযোগিতা চুক্তিসহ ভারত এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত ১৩টি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।

Comments

Comments!

 তিন মিনিটের বক্তব্যে ‘হতভম্ব’ মোদিAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

তিন মিনিটের বক্তব্যে ‘হতভম্ব’ মোদি

Thursday, January 26, 2017 9:45 pm
39

বক্তব্য শুনে তিন মিনিটের জন্য নিশ্চুপ হয়ে গিয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

এ সময় তাকে অসহায়ের মতো বক্তব্যদাতার দিকে মুখ চাওয়াচাওয়ি করতে দেখা গেছে।

ঘটনাটি হল, নিরাপত্তা কড়াকড়ির কারণে দোভাষীর অনুষ্ঠানস্থলে আসতে বিলম্ব হয়। এতেই ঘটে বিপত্তি।

আবুধাবির যুবরাজ মুহাম্মদ বিন যায়েদ আল নাহিয়ানের দেয়া তিন মিনিটের বক্তৃতার অনুবাদ হয়নি। এ কারণে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিসহ রাজনীতিক এবং সাংবাদিকরা যুবরাজের ওই বক্তৃতার কথা বুঝতে পারেননি।

এ সময় হেডফোনে অনুবাদ শুনতে না পেয়ে তারা মুখ চাওয়াচাওয়ি করেন। খবর এনডিটিভির।

বুধবার ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির রাষ্ট্রীয় ‘হায়দারাবাদ ভবনে’ এ ঘটনা ঘটে।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বক্তৃতা করেন। এরপরে যুবরাজ মুহাম্মদ আরবিতে বক্তৃতা শুরু করেন। কিন্তু তিনি কথা বলার সময় হেডসেটে আরবি বক্তৃতার হিন্দি অনুবাদ শোনা যাচ্ছিল না। এতে মোদিসহ উপস্থিত লোকজন হতভম্ব হয়ে পড়েন।

এ সময় বক্তৃতা বুঝতে না পেরে অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলিকে একটি ছোট্ট নিয়ন্ত্রণ কক্ষে গিয়ে যন্ত্রপাতি নাড়াচাড়া করতে দেখা যায়। ওই কক্ষটি থেকেই যুবরাজের বক্তৃতার অনুবাদ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এতে কোনো লাভ হয়নি। প্রধানমন্ত্রী মোদিসহ কারও হেডফোনেই বক্তৃতার অনুবাদ হচ্ছিল না।

সূত্র জানিয়েছে, নয়াদিল্লির প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত হায়দ্রাবাদ ভবনে বিভিন্ন দেশের প্রেসিডেন্ট এবং প্রধানমন্ত্রীদের আতিথেয়তার আয়োজন করে ভারত সরকার। এ কারণে ভবনটি কড়া নিরাপত্তায় ঘেরা থাকে।

বুধবার যুবরাজের বক্তৃতার অনুবাদ করার জন্য যে দোভাষীকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল তিনিও হায়দ্রাবাদ ভবনে ঢুকতে গিয়ে নিরাপত্তারক্ষীদের তল্লাশির মুখে পড়েন। ফলে তারপক্ষে সময় মতো নিজের ডেস্কে উপস্থিত হওয়া সম্ভব হয়নি।

সংযুক্ত আরব আমিরাত ভারতের গুরুত্বপূর্ণ বন্ধু দেশ। এ কারণে যুবরাজ মুহাম্মদকে  চলতি বছর ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসে প্রধান অতিথি করা হয়েছে।

আর তার আগমন উপলক্ষে খেঁজুর গাছ এবং ফুলের টব দিয়ে দিল্লির কেন্দ্রস্থল এবং আশেপাশজুড়ে আরব দেশের আবহ তৈরি করা হয়েছে।

যুবরাজ মুহাম্মদ পৌঁছানোর পর তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাতে বিমানবন্দরে যান নরেন্দ্র মোদি।পরে উভয় নেতার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বিষয় নিয়ে কথা হয়। হায়দ্রাবাদ ভবন থেকে তারা যৌথ বিবৃতি দেন।

এছাড়া কৌশলগত সহযোগিতা চুক্তিসহ ভারত এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত ১৩টি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X