শনিবার, ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১২ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ৮:৩২
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Tuesday, September 20, 2016 2:43 pm | আপডেটঃ September 20, 2016 2:44 PM
A- A A+ Print

তুরস্কে ইসলামী ফ্যাশনের বিপ্লব

153523_1

ইস্তাম্বুল: রাশিয়া ও পূর্ব ইউরোপের লম্বা,চটপটে সুন্দরী মডেলরা মরোক্কান সুর-মূর্ছনার তালে তালে ইস্তাম্বুলে ক্যাটওয়াক করছেন। প্যারিস বা নিউইয়র্কে তারা ডিজাইনারদের দ্বারা তৈরীকৃত হাল ফ্যাশনের ড্রেস পরে সাধারণত র‌্যাম্পে হাঁটেন কিন্তু ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত ফ্যাশন প্রদর্শনীতে সেই মডেলরা হাই হিলের সাথে লম্বা বোরকা ও বর্ণিল হিজাব পরে অংশ নিয়েছেন। ইস্তাম্বুল মডেস্ট ফ্যাশন সপ্তাহের অংশ হিসেবে অটোমান যুগের রেলস্টেশনে পুরাতন মডেলের ট্রেন বগিতে ওই ফ্যাশন শো অনুষ্ঠিত হয়। এটি রিয়াদ বা কাবুলের মতো চিরাচরিত ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ পোশাকের ফ্যাশন শো নয় বরং ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানটি বর্ণিল, চমকপ্রদ ও সৃষ্টিশীল ইসলামী পোশাকের ফ্যাশন শো। এখানে এসব পোশাকের ব্যবসাও জমজমাট। ইউরোপে যখন ইসলামী সাঁতারের পোশাক বুরকিনি নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে তখন ইস্তাম্বুলে ইসলামী পোশাককে ধর্মনিরপেক্ষতার বিপক্ষে নারীদের স্বাধীনতা বলে মনে করা হয়। তুরস্কের বর্তমান প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগানের শাসনকালে ইস্তাম্বুল হয়ে উঠেছে ইসলামী ফ্যাশনের রাজধানী। পূর্ববর্তী কঠোর ধর্মনিরপেক্ষ শাসন ব্যবস্থায় হিজাব বা স্কার্ফকে অনগ্রসরতা বলে বিবেচনা করা হতো এবং সরকারি অফিস আদালত ও স্কুল-কলেজে হিজাব পরিধাণ নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। সাম্প্রতিককালে ফ্রান্সে যখন বুরকিনির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয় তখন তুরস্কে প্রথমবারের মতো নারী পুলিশ অফিসারদের হিজাব পরার অনুমতি দেয়া হয়েছে। ইসলামী শাসনব্যবস্থার আশ্রয়ে এবং তুর্কিদের ধর্মনিরপেক্ষ মনোভাবের পরিবর্তন হওয়ায় ইস্তাম্বুলে হিজাব বা স্কার্ফের একটি বিশাল বাজার গড়ে উঠেছে। এমনকি সেখানে হিজাবী ফ্যাশন হাউজ, ম্যাগাজিন, ব্লগারস এবং ইনস্টাগ্রাম তারকাও তৈরি হয়েছে। এরদোগান পত্নী এমিনি এবং কাতারের সাবেক এক আমিরের স্ত্রী শেখা মোজাহর মতো প্রভাবশালী নারীরা তরুণীদের নিকট ফ্যাশন আইকন হিসেবে স্বীকৃত। ইস্তাম্বুলের জনপ্রিয় ফ্যাশন হাউজ মোদানিসার কর্ণধার করিম তুরে বলেন, ‘প্রচলিত কালো বোরকার পরিবর্তে মুসলিম নারীরা এখন ফ্যাশনেবল বোরকা ও স্কার্ফের দিকে ঝুঁকছে। আমাদের প্রধান উদ্দেশ্য নারীরা যেন পোশাক পরিধান করে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন’। তুরে বলেন, তিনি পুরোপুরি ইসলামিক পরিবার থেকে আসেন নি। কিন্তু তিনি এরদোগানের সমর্থক। তিনি বলেন, ‘আমার মা বোরকা পরেন কিন্তু আমার বোন তা পরেন না। এটাই তুর্কি পরিবার’। ইস্তাম্বুলের ট্রেন স্টেশনে আয়োজিত ফ্যাশন শোর একজন আয়োজক হলেন তুরে। বিশ্বের বিভিন্ন মুসলিম দেশ থেকে ডিজাইনাররা ওই ফ্যাশন শোতে অংশ গ্রহণ করেন। কিন্তু শোতে অংশ নেয়া মডেলদের অধিকাংশই অমুসলিম। রাশিয়া ও পূর্ব ইউরোপের মডেলরা তুর্কি নারীদের তুলনায় অপেক্ষাকৃত লম্বা। ফলে পোশাক প্রদর্শনী ও আকর্ষণ বাড়াতে তাদের ব্যবহার করা হয়েছে। মুসলিম ফ্যাশন ডিজাইনাররা চেষ্টা করছেন কিভাবে একজন মুসলিম নারীকে একই সাথে ফ্যাশনেবল ও ধর্মীয় শালীনতাপূর্ণ পোশাক সরবারহ করা যায় বলে জানিয়েছেন আমস্টারডম থেকে আগত ৪০ বছর বয়সী মুসলিম ফ্যাশন ডিজাইনার মিস সাদোক। কিন্তু এই ফ্যাশন প্রবণতা নিয়ে ধর্মনিরপেক্ষতাবাদে বিশ্বাসী তুর্কি ও ইসলামী ভাবধারায় বিশ্বাসী উভয় পক্ষেরই আপত্তি রয়েছে। ধর্মনিরপেক্ষতাবাদে বিশ্বাসীরা ভাবছে এর ফলে ধর্ম সমাজের সব স্তরেই তার শেকড় গেঁড়ে বসছে। অন্যদিকে, ইসলামিস্টরা মনে করছেন, বাণিজ্যিকীকরণের প্রভাবে ইসলামের মূল চেতনা বিনষ্ট হচ্ছে। ফ্যাশন শোর বাহিরে কিছু রক্ষণশীল মুসলিম গ্রুপ এই অনুষ্ঠানের বিপক্ষে বিক্ষোভও করেছে। তাদের দাবী কিছু কিছু পোশাক নারীদের শরীরের স্পর্শকাতর অঙ্গগুলো পুরোপুরি ঢেকে রাখতে ব্যর্থ হচ্ছে যা ইসলামের দৃষ্টিতে শরীয়াত পরিপন্থী। গমজে ইউকার নামের ৩৮ বছর বয়সী বিক্ষোভকারী বলেন, ‘পোশাকের দৈর্ঘ্য ছোট হচ্ছে এবং সবকিছু একদম টাইট ফিটিং করে তৈরি করছে। এগুলো ইসলামী নিয়ম ভঙ্গ করছে।’ ইসলামী পোশাকের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রধান প্রধান ফ্যাশন হাউজগুলোও এদিকে ঝুঁকছে। ডিকনি এবং টমি হিলফাইজার রমজান কালেকশন নামে বেশকিছু ইসলামী পোশাক বাজারজাত করেছে এবং ডলস এন্ড গ্যাবানা আবায়া নামের বোরকা বাজারজাত করেছে। তবে এসব পোশাকের দামও অত্যন্ত চড়া। প্রত্যেকটি পোশাক কিনতে ক্রেতাদের ২০০০ ডলারেরও বেশি গুণতে হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম হিজাবী টেলিভিশন উপস্থাপিকা নূর তাগুরি বলেন, তাকে প্রায়ই ইমেইল করে খ্রিস্টান দর্শকরা জানান, ‘আমরা পোশাকটি পছন্দ করি কিন্তু আমরা মুসলিম নই’। জবাবে তিনি বলেন, ‘কোনো সমস্যা নেই। মুসলিম না হলেও আপনি এটি পরিধান করতে পারেন’। সূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস

Comments

Comments!

 তুরস্কে ইসলামী ফ্যাশনের বিপ্লবAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

তুরস্কে ইসলামী ফ্যাশনের বিপ্লব

Tuesday, September 20, 2016 2:43 pm | আপডেটঃ September 20, 2016 2:44 PM
153523_1

ইস্তাম্বুল: রাশিয়া ও পূর্ব ইউরোপের লম্বা,চটপটে সুন্দরী মডেলরা মরোক্কান সুর-মূর্ছনার তালে তালে ইস্তাম্বুলে ক্যাটওয়াক করছেন। প্যারিস বা নিউইয়র্কে তারা ডিজাইনারদের দ্বারা তৈরীকৃত হাল ফ্যাশনের ড্রেস পরে সাধারণত র‌্যাম্পে হাঁটেন কিন্তু ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত ফ্যাশন প্রদর্শনীতে সেই মডেলরা হাই হিলের সাথে লম্বা বোরকা ও বর্ণিল হিজাব পরে অংশ নিয়েছেন।

ইস্তাম্বুল মডেস্ট ফ্যাশন সপ্তাহের অংশ হিসেবে অটোমান যুগের রেলস্টেশনে পুরাতন মডেলের ট্রেন বগিতে ওই ফ্যাশন শো অনুষ্ঠিত হয়।

এটি রিয়াদ বা কাবুলের মতো চিরাচরিত ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ পোশাকের ফ্যাশন শো নয় বরং ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানটি বর্ণিল, চমকপ্রদ ও সৃষ্টিশীল ইসলামী পোশাকের ফ্যাশন শো। এখানে এসব পোশাকের ব্যবসাও জমজমাট।

ইউরোপে যখন ইসলামী সাঁতারের পোশাক বুরকিনি নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে তখন ইস্তাম্বুলে ইসলামী পোশাককে ধর্মনিরপেক্ষতার বিপক্ষে নারীদের স্বাধীনতা বলে মনে করা হয়। তুরস্কের বর্তমান প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগানের শাসনকালে ইস্তাম্বুল হয়ে উঠেছে ইসলামী ফ্যাশনের রাজধানী।

পূর্ববর্তী কঠোর ধর্মনিরপেক্ষ শাসন ব্যবস্থায় হিজাব বা স্কার্ফকে অনগ্রসরতা বলে বিবেচনা করা হতো এবং সরকারি অফিস আদালত ও স্কুল-কলেজে হিজাব পরিধাণ নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। সাম্প্রতিককালে ফ্রান্সে যখন বুরকিনির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয় তখন তুরস্কে প্রথমবারের মতো নারী পুলিশ অফিসারদের হিজাব পরার অনুমতি দেয়া হয়েছে।

ইসলামী শাসনব্যবস্থার আশ্রয়ে এবং তুর্কিদের ধর্মনিরপেক্ষ মনোভাবের পরিবর্তন হওয়ায় ইস্তাম্বুলে হিজাব বা স্কার্ফের একটি বিশাল বাজার গড়ে উঠেছে। এমনকি সেখানে হিজাবী ফ্যাশন হাউজ, ম্যাগাজিন, ব্লগারস এবং ইনস্টাগ্রাম তারকাও তৈরি হয়েছে। এরদোগান পত্নী এমিনি এবং কাতারের সাবেক এক আমিরের স্ত্রী শেখা মোজাহর মতো প্রভাবশালী নারীরা তরুণীদের নিকট ফ্যাশন আইকন হিসেবে স্বীকৃত।

ইস্তাম্বুলের জনপ্রিয় ফ্যাশন হাউজ মোদানিসার কর্ণধার করিম তুরে বলেন, ‘প্রচলিত কালো বোরকার পরিবর্তে মুসলিম নারীরা এখন ফ্যাশনেবল বোরকা ও স্কার্ফের দিকে ঝুঁকছে। আমাদের প্রধান উদ্দেশ্য নারীরা যেন পোশাক পরিধান করে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন’।

তুরে বলেন, তিনি পুরোপুরি ইসলামিক পরিবার থেকে আসেন নি। কিন্তু তিনি এরদোগানের সমর্থক।

তিনি বলেন, ‘আমার মা বোরকা পরেন কিন্তু আমার বোন তা পরেন না। এটাই তুর্কি পরিবার’।

ইস্তাম্বুলের ট্রেন স্টেশনে আয়োজিত ফ্যাশন শোর একজন আয়োজক হলেন তুরে। বিশ্বের বিভিন্ন মুসলিম দেশ থেকে ডিজাইনাররা ওই ফ্যাশন শোতে অংশ গ্রহণ করেন। কিন্তু শোতে অংশ নেয়া মডেলদের অধিকাংশই অমুসলিম। রাশিয়া ও পূর্ব ইউরোপের মডেলরা তুর্কি নারীদের তুলনায় অপেক্ষাকৃত লম্বা। ফলে পোশাক প্রদর্শনী ও আকর্ষণ বাড়াতে তাদের ব্যবহার করা হয়েছে।

মুসলিম ফ্যাশন ডিজাইনাররা চেষ্টা করছেন কিভাবে একজন মুসলিম নারীকে একই সাথে ফ্যাশনেবল ও ধর্মীয় শালীনতাপূর্ণ পোশাক সরবারহ করা যায় বলে জানিয়েছেন আমস্টারডম থেকে আগত ৪০ বছর বয়সী মুসলিম ফ্যাশন ডিজাইনার মিস সাদোক।

কিন্তু এই ফ্যাশন প্রবণতা নিয়ে ধর্মনিরপেক্ষতাবাদে বিশ্বাসী তুর্কি ও ইসলামী ভাবধারায় বিশ্বাসী উভয় পক্ষেরই আপত্তি রয়েছে। ধর্মনিরপেক্ষতাবাদে বিশ্বাসীরা ভাবছে এর ফলে ধর্ম সমাজের সব স্তরেই তার শেকড় গেঁড়ে বসছে। অন্যদিকে, ইসলামিস্টরা মনে করছেন, বাণিজ্যিকীকরণের প্রভাবে ইসলামের মূল চেতনা বিনষ্ট হচ্ছে।

ফ্যাশন শোর বাহিরে কিছু রক্ষণশীল মুসলিম গ্রুপ এই অনুষ্ঠানের বিপক্ষে বিক্ষোভও করেছে। তাদের দাবী কিছু কিছু পোশাক নারীদের শরীরের স্পর্শকাতর অঙ্গগুলো পুরোপুরি ঢেকে রাখতে ব্যর্থ হচ্ছে যা ইসলামের দৃষ্টিতে শরীয়াত পরিপন্থী।

গমজে ইউকার নামের ৩৮ বছর বয়সী বিক্ষোভকারী বলেন, ‘পোশাকের দৈর্ঘ্য ছোট হচ্ছে এবং সবকিছু একদম টাইট ফিটিং করে তৈরি করছে। এগুলো ইসলামী নিয়ম ভঙ্গ করছে।’

ইসলামী পোশাকের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রধান প্রধান ফ্যাশন হাউজগুলোও এদিকে ঝুঁকছে। ডিকনি এবং টমি হিলফাইজার রমজান কালেকশন নামে বেশকিছু ইসলামী পোশাক বাজারজাত করেছে এবং ডলস এন্ড গ্যাবানা আবায়া নামের বোরকা বাজারজাত করেছে। তবে এসব পোশাকের দামও অত্যন্ত চড়া। প্রত্যেকটি পোশাক কিনতে ক্রেতাদের ২০০০ ডলারেরও বেশি গুণতে হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম হিজাবী টেলিভিশন উপস্থাপিকা নূর তাগুরি বলেন, তাকে প্রায়ই ইমেইল করে খ্রিস্টান দর্শকরা জানান, ‘আমরা পোশাকটি পছন্দ করি কিন্তু আমরা মুসলিম নই’।

জবাবে তিনি বলেন, ‘কোনো সমস্যা নেই। মুসলিম না হলেও আপনি এটি পরিধান করতে পারেন’।

সূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X