শুক্রবার, ২৩শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১১ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ১০:২২
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Friday, December 9, 2016 8:09 am
A- A A+ Print

তৃণমূলে শক্ত ভিত গড়ছে বিএনপি

bnp1481206070

একাদশতম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দলের তৃণমূলকে শক্তিশালী ভিতের ওপর দাঁড় করাতে জেলা কমিটিগুলোর পুনর্গঠন প্রক্রিয়া দ্রুত গতিতে এগিয়ে নিতে কাজ করছে বিএনপি। কয়েক দফা সময় বাড়িয়ে লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হওয়ায় পর এবার দ্রুততম সময়ের মধ্যেই এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে দায়িত্বশীলদের কড়া নির্দেশ দিয়েছে দলটির হাইকমান্ড। এর ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন জেলায় সম্মেলন করছে বিএনপি। যদিও সেখানকার স্থানীয় নেতাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব, মতভেদ, অভিযোগ ও পাল্টাপাল্টি অবস্থানে পুনর্গঠন কার্যক্রমে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে কেন্দ্রের দায়িত্বশীল নেতাদের। তবে দায়িত্বশীলরা আশা প্রকাশ করে বলছেন, যদি স্বাভাবিক পরিবেশ থাকে এবং সরকার পুনর্গঠন কাজে বাধা না আসে, তাহলে আগামী বছরের জানুয়ারির মধ্যে শতভাগ পুনর্গঠন কাজ শেষ করা সম্ভব। জেলা কমিটি পুনর্গঠনের দায়িত্বে থাকা বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান বৃহস্পতিবার রাতে রাইজিংবিডিকে বলেন, পুনর্গঠনের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। ডিসেম্বরের মধ্যে পুনর্গঠনের কাজ অর্ধেকের বেশি শেষ করা হবে। স্বাভাবিক পরিবেশ থাকলে আমরা চেষ্টা করছি যাতে জানুয়ারির মধ্যে সব জেলা কমিটি পুনর্গঠন করা যায়। এ সময় তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপির জেলা কমিটির সম্মেলন করতে গিয়ে নেতারা দেশের বিভিন্ন জায়গায় আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা এবং শাসকদলের নেতা-কর্মীদের বাধার মুখে পড়ছেন। গত ১৯ মার্চ বিএনপির জাতীয় কাউন্সিলেরও সাত মাস আগে গত বছরের ৯ আগস্ট চিঠি দিয়ে ওই বছরের ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রতিটি জেলা কমিটি পুনর্গঠন করতে নির্দেশনা দেয় দলটির হাইকমান্ড। সেপ্টেম্বরে লন্ডন যাওয়ার আগে দায়িত্বশীলদের দ্রুত তৃণমূল পুনর্গঠনের কাজ শেষ করার নির্দেশ দেন খালেদা জিয়া। লন্ডনে দুই মাসের সফর শেষে দেশে ফিরে এসে পুনর্গঠনের কাজ শেষ হয়নি দেখে ক্ষুব্ধ হন বিএনপি নেত্রী। পরে বিএনপির প্রতিটি সাংগঠনিক জেলায় দল পুনর্গঠনের লক্ষ্যে চলতি বছরের শুরুতে ১১ জন কেন্দ্রীয় নেতাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। তাদের সংশ্লিষ্ট জেলা সফর করে দল পুনর্গঠন এবং সভা করে সাংগঠনিক তৎপরতার বিষয় তত্ত্বাবধান করতে নির্দেশ দেওয়া হয়। কয়েক দফা সময় বাড়ানো হলেও বারবার পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় স্থবিরতা নেমে আসে। সর্বশেষ ৩০ নভেম্বর সময় বেঁধে দেওয়া হলেও পুনর্গঠন কাজ এক চতুর্থাংশ শেষ করতে পেরেছেন দায়িত্বশীলরা। বিভিন্ন জেলার নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দীর্ঘদিন মেয়াদোত্তীর্ণ জেলা কমিটি থাকায় নেতা-কর্মীদের মাঝে অসন্তোষ বিরাজ করছে। তাদের মাঝে বিভেদ সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে বিভিন্ন ইস্যুতে দলের কর্মসূচি পালিত হচ্ছে প্রায় ঢিলেঢালাভাবে। সম্প্রতি খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর বিএনপি সব জেলা ও মহানগরে বিক্ষোভ কর্মসূচি দিলেও অধিকাংশ এলাকায়ই তা পালন করা হয়নি। সূত্র জানায়, অভ্যন্তরীণ কোন্দল, কেন্দ্রীয় নেতাদের তৃণমূলে প্রভাব ধরে রাখার জন্য পকেট কমিটি করার প্রবণতা এবং কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ের দুটি পদ ধরে রাখার মানসিকতা পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। এসব কারণে পাল্টাপাল্টি কমিটি গঠন, অফিসে তালা ঝোলানো, এক পক্ষের সভা আরেক পক্ষের বয়কটের মতো ঘটনাও ঘটছে। তবে বিএনপি নেতারা অভিযোগ করেছেন, বিভিন্ন জায়গায় সম্মেলন করতে গিয়ে তারা ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মীদের বাধার মুখে পড়েছেন। অনেক জায়গায় সম্মেলনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে অনুমতি পাওয়া যায়নি। আবার কোথাও কোথাও নেতা-কর্মীরা সম্মেলন করতে গিয়ে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যদের হয়রানির শিকার হয়েছেন। এজন্য অনেক ক্ষেত্রে স্বল্পপরিসরে জেলায় কাউন্সিল বা কর্মীসভা করার পর ঢাকায় কমিটি ঘোষণা করতে চান বিএনপির হাইকমান্ড। যদিও জেলায় কাউন্সিল বা কর্মীসভার মাধ্যমে কমিটি দেওয়ার সর্বাত্মক চেষ্টা চালানো হবে বলে জানিয়েছেন দায়িত্বশীল নেতারা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ৭৫টি সাংগঠনিক জেলার মধ্যে এখন পর্যন্ত ২০টি জেলার পূর্ণাঙ্গ ও আহ্বায়ক কমিটি করা সম্ভব হয়েছে। বাকি জেলাগুলোর সব কমিটিই মেয়াদোত্তীর্ণ। তবে কমিটি গঠনের এই কচ্ছপ গতির কারণ হিসেবে সরকারকে দায়ী করছে বিএনপি। মোহাম্মদ শাহজাহান বলেন, জেলা কমিটিগুলো পুনর্গঠনের বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে রাজনৈতিক পরিস্থিতি। বিভিন্ন জায়গায় বাধা, নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে হামলা-মামলার কারণে পুনর্গঠনে ছন্দপতন হচ্ছে। এজন্য নভেম্বরে কাজ শেষ করার কথা থাকলেও সেটি সম্ভব হয়নি। ডিসেম্বরের মধ্যে ১০ থেকে ১৫টি জেলার পুনর্গঠনের কাজ শেষ হবে বলেও জানান তিনি। এদিকে তৃণমূল কমিটি পুনর্গঠনে সময়ক্ষেপণের কারণে নেতা-কর্মীদের তোপের মুখে পড়ে দায়িত্বশীলরা দ্রুত কমিটি গঠনের কাজ সেরে ফেলতে চাইছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে ত্যাগীদের মূল্যায়ন না হওয়ার অভিযোগ উঠে নেতা-কর্মীদের মধ্যে দ্বন্দ্ব প্রকট আকার ধারণ করছে। এই পরিস্থিতিতে তাড়াহুড়ো করে কমিটি গঠন হিতে বিপরীত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তৃণমূলের নেতারা। যে উদ্দেশ্য নিয়ে তৃণমূল শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে তা ব্যর্থ হয়ে আগামী নির্বাচনে এর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে বলেও মনে করছেন তারা।  

Comments

Comments!

 তৃণমূলে শক্ত ভিত গড়ছে বিএনপিAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

তৃণমূলে শক্ত ভিত গড়ছে বিএনপি

Friday, December 9, 2016 8:09 am
bnp1481206070

একাদশতম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দলের তৃণমূলকে শক্তিশালী ভিতের ওপর দাঁড় করাতে জেলা কমিটিগুলোর পুনর্গঠন প্রক্রিয়া দ্রুত গতিতে এগিয়ে নিতে কাজ করছে বিএনপি।

কয়েক দফা সময় বাড়িয়ে লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হওয়ায় পর এবার দ্রুততম সময়ের মধ্যেই এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে দায়িত্বশীলদের কড়া নির্দেশ দিয়েছে দলটির হাইকমান্ড। এর ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন জেলায় সম্মেলন করছে বিএনপি। যদিও সেখানকার স্থানীয় নেতাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব, মতভেদ, অভিযোগ ও পাল্টাপাল্টি অবস্থানে পুনর্গঠন কার্যক্রমে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে কেন্দ্রের দায়িত্বশীল নেতাদের।

তবে দায়িত্বশীলরা আশা প্রকাশ করে বলছেন, যদি স্বাভাবিক পরিবেশ থাকে এবং সরকার পুনর্গঠন কাজে বাধা না আসে, তাহলে আগামী বছরের জানুয়ারির মধ্যে শতভাগ পুনর্গঠন কাজ শেষ করা সম্ভব।

জেলা কমিটি পুনর্গঠনের দায়িত্বে থাকা বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান বৃহস্পতিবার রাতে রাইজিংবিডিকে বলেন, পুনর্গঠনের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। ডিসেম্বরের মধ্যে পুনর্গঠনের কাজ অর্ধেকের বেশি শেষ করা হবে। স্বাভাবিক পরিবেশ থাকলে আমরা চেষ্টা করছি যাতে জানুয়ারির মধ্যে সব জেলা কমিটি পুনর্গঠন করা যায়।

এ সময় তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপির জেলা কমিটির সম্মেলন করতে গিয়ে নেতারা দেশের বিভিন্ন জায়গায় আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা এবং শাসকদলের নেতা-কর্মীদের বাধার মুখে পড়ছেন।

গত ১৯ মার্চ বিএনপির জাতীয় কাউন্সিলেরও সাত মাস আগে গত বছরের ৯ আগস্ট চিঠি দিয়ে ওই বছরের ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রতিটি জেলা কমিটি পুনর্গঠন করতে নির্দেশনা দেয় দলটির হাইকমান্ড। সেপ্টেম্বরে লন্ডন যাওয়ার আগে দায়িত্বশীলদের দ্রুত তৃণমূল পুনর্গঠনের কাজ শেষ করার নির্দেশ দেন খালেদা জিয়া। লন্ডনে দুই মাসের সফর শেষে দেশে ফিরে এসে পুনর্গঠনের কাজ শেষ হয়নি দেখে ক্ষুব্ধ হন বিএনপি নেত্রী।

পরে বিএনপির প্রতিটি সাংগঠনিক জেলায় দল পুনর্গঠনের লক্ষ্যে চলতি বছরের শুরুতে ১১ জন কেন্দ্রীয় নেতাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। তাদের সংশ্লিষ্ট জেলা সফর করে দল পুনর্গঠন এবং সভা করে সাংগঠনিক তৎপরতার বিষয় তত্ত্বাবধান করতে নির্দেশ দেওয়া হয়। কয়েক দফা সময় বাড়ানো হলেও বারবার পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় স্থবিরতা নেমে আসে। সর্বশেষ ৩০ নভেম্বর সময় বেঁধে দেওয়া হলেও পুনর্গঠন কাজ এক চতুর্থাংশ শেষ করতে পেরেছেন দায়িত্বশীলরা।

বিভিন্ন জেলার নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দীর্ঘদিন মেয়াদোত্তীর্ণ জেলা কমিটি থাকায় নেতা-কর্মীদের মাঝে অসন্তোষ বিরাজ করছে। তাদের মাঝে বিভেদ সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে বিভিন্ন ইস্যুতে দলের কর্মসূচি পালিত হচ্ছে প্রায় ঢিলেঢালাভাবে। সম্প্রতি খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর বিএনপি সব জেলা ও মহানগরে বিক্ষোভ কর্মসূচি দিলেও অধিকাংশ এলাকায়ই তা পালন করা হয়নি।

সূত্র জানায়, অভ্যন্তরীণ কোন্দল, কেন্দ্রীয় নেতাদের তৃণমূলে প্রভাব ধরে রাখার জন্য পকেট কমিটি করার প্রবণতা এবং কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ের দুটি পদ ধরে রাখার মানসিকতা পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। এসব কারণে পাল্টাপাল্টি কমিটি গঠন, অফিসে তালা ঝোলানো, এক পক্ষের সভা আরেক পক্ষের বয়কটের মতো ঘটনাও ঘটছে।

তবে বিএনপি নেতারা অভিযোগ করেছেন, বিভিন্ন জায়গায় সম্মেলন করতে গিয়ে তারা ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মীদের বাধার মুখে পড়েছেন। অনেক জায়গায় সম্মেলনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে অনুমতি পাওয়া যায়নি। আবার কোথাও কোথাও নেতা-কর্মীরা সম্মেলন করতে গিয়ে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যদের হয়রানির শিকার হয়েছেন। এজন্য অনেক ক্ষেত্রে স্বল্পপরিসরে জেলায় কাউন্সিল বা কর্মীসভা করার পর ঢাকায় কমিটি ঘোষণা করতে চান বিএনপির হাইকমান্ড। যদিও জেলায় কাউন্সিল বা কর্মীসভার মাধ্যমে কমিটি দেওয়ার সর্বাত্মক চেষ্টা চালানো হবে বলে জানিয়েছেন দায়িত্বশীল নেতারা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ৭৫টি সাংগঠনিক জেলার মধ্যে এখন পর্যন্ত ২০টি জেলার পূর্ণাঙ্গ ও আহ্বায়ক কমিটি করা সম্ভব হয়েছে। বাকি জেলাগুলোর সব কমিটিই মেয়াদোত্তীর্ণ। তবে কমিটি গঠনের এই কচ্ছপ গতির কারণ হিসেবে সরকারকে দায়ী করছে বিএনপি।

মোহাম্মদ শাহজাহান বলেন, জেলা কমিটিগুলো পুনর্গঠনের বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে রাজনৈতিক পরিস্থিতি। বিভিন্ন জায়গায় বাধা, নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে হামলা-মামলার কারণে পুনর্গঠনে ছন্দপতন হচ্ছে। এজন্য নভেম্বরে কাজ শেষ করার কথা থাকলেও সেটি সম্ভব হয়নি। ডিসেম্বরের মধ্যে ১০ থেকে ১৫টি জেলার পুনর্গঠনের কাজ শেষ হবে বলেও জানান তিনি।

এদিকে তৃণমূল কমিটি পুনর্গঠনে সময়ক্ষেপণের কারণে নেতা-কর্মীদের তোপের মুখে পড়ে দায়িত্বশীলরা দ্রুত কমিটি গঠনের কাজ সেরে ফেলতে চাইছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে ত্যাগীদের মূল্যায়ন না হওয়ার অভিযোগ উঠে নেতা-কর্মীদের মধ্যে দ্বন্দ্ব প্রকট আকার ধারণ করছে। এই পরিস্থিতিতে তাড়াহুড়ো করে কমিটি গঠন হিতে বিপরীত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তৃণমূলের নেতারা। যে উদ্দেশ্য নিয়ে তৃণমূল শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে তা ব্যর্থ হয়ে আগামী নির্বাচনে এর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে বলেও মনে করছেন তারা।

 

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X