সোমবার, ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৭ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, দুপুর ১:৪৯
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Sunday, July 31, 2016 11:44 am
A- A A+ Print

দালাই লামার বিরুদ্ধে চক্রান্তে যুক্ত বলেই বহিষ্কৃত তিন চীনা সাংবাদিক

image

ডেস্ক রিপোর্ট: ভারতের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের দাবি— ভারতে সাংবাদিকতার আড়ালে তিব্বতি ধর্মগুরু দালাই লামার বিরুদ্ধে চক্রান্তে যুক্ত ছিলেন চীনের সরকারি সংবাদমাধ্যম সিনহুয়ার তিন কর্মী। গত ছ’মাস তাদের উপর নজর রেখে এই তথ্য জমা দেয় গোয়েন্দা বিভাগ। তার পরই তাঁদের ভিসা নবীকরণ না-করে ভারত ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সিনহুয়া কর্তৃপক্ষকে এ ব্যাপারে জানানোও হয়েছে। সরকারি সূত্রে এই খবর জানা গিয়েছে। বিদেশ মন্ত্রী সূত্রে জানা গিয়েছে, সিনহুয়ার মুম্বাই এবং দিল্লিতে নিযুক্ত তিন কর্মী— শি ইয়ংগাং, উ কিয়াং এবং তাং লি নাম ভাঁড়িয়ে মাঝে মধ্যেই কর্নাটকের দুই মফস্সল শহর বায়লাকুপ্পা এবং মুনগড়ে একটি বিশেষ তিব্বতি শাখার প্রতিনিধিদের কাছে যেতেন। দরজে সুগদেন নামে এই তিব্বতি সম্প্রদায় দালাই লামার বিরোধী হিসেবে পরিচিত। দালাই যখন যেখানে গিয়েছেন, এই সুগদেন সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে তাঁর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ সংগঠিত করা হয়েছে। কিছু দিন আগে সুগদেনের বিষয়ে চীনের সরকারি অফিসারদের কাছে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির একটি গোপন নির্দেশিকা ফাঁস হয়ে যায়। তাতে বলা হয়েছিল, ‘দালাই লামার বিরুদ্ধে আমাদের লড়াইয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্রন্ট এই সুগদেন’। জানাজানি হয়ে যায় যে এই গোষ্ঠীটির পিছনে বেজিং শুধু অর্থ ঢালে তাই-ই নয়, তাদের পরিচালনাও করে। অনুমান করা হচ্ছে যে ভারতে দলাইয়ের বিরোধিতা বাড়াতে বেজিং এবং সুগদেনের ভিতর বিভিন্ন বার্তা চালাচালি করতেন সিনহুয়ার সাংবাদিকরা। বিদেশ মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হচ্ছে, সাংবাদিকদের গতিবিধি নিয়ে অসন্তোষের বিষয়টি বেজিংকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল এপ্রিল মাসেই। কিন্তু তাতে বিশেষ হেলদোল দেখা যায়নি চীন সরকার অথবা এই সাংবাদিকদের মধ্যে। উল্টে তিন দিন আগে চীনের গ্লোবাল টাইমস, ভারতের এই পদক্ষেপের প্রবল সমালোচনা করে পাল্টা তোপ দেগেছে। গ্লোবাল টাইমস-এর সম্পাদকীয়তে কার্যত হুমকি গিয়ে বলা হয়েছে, ভারতকেও এ বার বুঝিয়ে দেওয়া হবে যে চীনের ভিসা পাওয়া সহজ নয়। বলা হয়েছে— বেজিং এনএসজি-তে ভারতের অন্তর্ভুক্তির বিরোধিতা করাতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে দিল্লি। নয়াদিল্লির পক্ষ থেকে অবশ্য বেজিংয়ের এই অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। নর্থ ব্লকের এক কর্তার বক্তব্য, দরজি সুগদেন সম্প্রদায়ের ঘাঁটি হিসাবে পরিচিত বায়লাকুপ্পায় ‘সেরপোম মোনাস্টিক ইউনিভার্সিটি’ এবং মুনগড়ে ‘শার গার্ডেন মনাস্টেরি’। তিনি বলেন, ‘‘ওই সাংবাদিকদের বেনামে বার বার এই দুই জায়গায় যেতে দেখা গিয়েছে। বেজিংয়ের সঙ্গে সুগদেন সম্প্রদায়ের মধ্যে যোগাযোগের কাজ করতেন ওই চীনা সাংবাদিকরা— যা বরদাস্ত করা সম্ভব নয়।’’ তবে কারণ যাই হোক, বিদেশ মন্ত্রকের এই সিদ্ধান্ত যে চীনের ভিসা-নীতিকে আরও কঠোর করে তুলবে সন্দেহ নেই। বেজিংয়ে শুধু ভারতীয় সংবাদ সংস্থার প্রতিনিধিরাই নন, চীনের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমেও অনেক ভারতীয় কাজ করেন। তাদের জন্য চীনা কর্তৃপক্ষ কোনও পাল্টা নির্দেশিকা দেয় কি না, সেটাই এখন দেখার।   অগ্নি রায়-আনন্দবাজার:  

Comments

Comments!

 দালাই লামার বিরুদ্ধে চক্রান্তে যুক্ত বলেই বহিষ্কৃত তিন চীনা সাংবাদিকAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

দালাই লামার বিরুদ্ধে চক্রান্তে যুক্ত বলেই বহিষ্কৃত তিন চীনা সাংবাদিক

Sunday, July 31, 2016 11:44 am
image

ডেস্ক রিপোর্ট: ভারতের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের দাবি— ভারতে সাংবাদিকতার আড়ালে তিব্বতি ধর্মগুরু দালাই লামার বিরুদ্ধে চক্রান্তে যুক্ত ছিলেন চীনের সরকারি সংবাদমাধ্যম সিনহুয়ার তিন কর্মী। গত ছ’মাস তাদের উপর নজর রেখে এই তথ্য জমা দেয় গোয়েন্দা বিভাগ। তার পরই তাঁদের ভিসা নবীকরণ না-করে ভারত ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সিনহুয়া কর্তৃপক্ষকে এ ব্যাপারে জানানোও হয়েছে। সরকারি সূত্রে এই খবর জানা গিয়েছে।

বিদেশ মন্ত্রী সূত্রে জানা গিয়েছে, সিনহুয়ার মুম্বাই এবং দিল্লিতে নিযুক্ত তিন কর্মী— শি ইয়ংগাং, উ কিয়াং এবং তাং লি নাম ভাঁড়িয়ে মাঝে মধ্যেই কর্নাটকের দুই মফস্সল শহর বায়লাকুপ্পা এবং মুনগড়ে একটি বিশেষ তিব্বতি শাখার প্রতিনিধিদের কাছে যেতেন। দরজে সুগদেন নামে এই তিব্বতি সম্প্রদায় দালাই লামার বিরোধী হিসেবে পরিচিত। দালাই যখন যেখানে গিয়েছেন, এই সুগদেন সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে তাঁর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ সংগঠিত করা হয়েছে। কিছু দিন আগে সুগদেনের বিষয়ে চীনের সরকারি অফিসারদের কাছে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির একটি গোপন নির্দেশিকা ফাঁস হয়ে যায়। তাতে বলা হয়েছিল, ‘দালাই লামার বিরুদ্ধে আমাদের লড়াইয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্রন্ট এই সুগদেন’। জানাজানি হয়ে যায় যে এই গোষ্ঠীটির পিছনে বেজিং শুধু অর্থ ঢালে তাই-ই নয়, তাদের পরিচালনাও করে। অনুমান করা হচ্ছে যে ভারতে দলাইয়ের বিরোধিতা বাড়াতে বেজিং এবং সুগদেনের ভিতর বিভিন্ন বার্তা চালাচালি করতেন সিনহুয়ার সাংবাদিকরা।

বিদেশ মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হচ্ছে, সাংবাদিকদের গতিবিধি নিয়ে অসন্তোষের বিষয়টি বেজিংকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল এপ্রিল মাসেই। কিন্তু তাতে বিশেষ হেলদোল দেখা যায়নি চীন সরকার অথবা এই সাংবাদিকদের মধ্যে। উল্টে তিন দিন আগে চীনের গ্লোবাল টাইমস, ভারতের এই পদক্ষেপের প্রবল সমালোচনা করে পাল্টা তোপ দেগেছে। গ্লোবাল টাইমস-এর সম্পাদকীয়তে কার্যত হুমকি গিয়ে বলা হয়েছে, ভারতকেও এ বার বুঝিয়ে দেওয়া হবে যে চীনের ভিসা পাওয়া সহজ নয়। বলা হয়েছে— বেজিং এনএসজি-তে ভারতের অন্তর্ভুক্তির বিরোধিতা করাতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে দিল্লি।

নয়াদিল্লির পক্ষ থেকে অবশ্য বেজিংয়ের এই অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। নর্থ ব্লকের এক কর্তার বক্তব্য, দরজি সুগদেন সম্প্রদায়ের ঘাঁটি হিসাবে পরিচিত বায়লাকুপ্পায় ‘সেরপোম মোনাস্টিক ইউনিভার্সিটি’ এবং মুনগড়ে ‘শার গার্ডেন মনাস্টেরি’। তিনি বলেন, ‘‘ওই সাংবাদিকদের বেনামে বার বার এই দুই জায়গায় যেতে দেখা গিয়েছে। বেজিংয়ের সঙ্গে সুগদেন সম্প্রদায়ের মধ্যে যোগাযোগের কাজ করতেন ওই চীনা সাংবাদিকরা— যা বরদাস্ত করা সম্ভব নয়।’’

তবে কারণ যাই হোক, বিদেশ মন্ত্রকের এই সিদ্ধান্ত যে চীনের ভিসা-নীতিকে আরও কঠোর করে তুলবে সন্দেহ নেই। বেজিংয়ে শুধু ভারতীয় সংবাদ সংস্থার প্রতিনিধিরাই নন, চীনের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমেও অনেক ভারতীয় কাজ করেন।

তাদের জন্য চীনা কর্তৃপক্ষ কোনও পাল্টা নির্দেশিকা দেয় কি না, সেটাই এখন দেখার।

 

অগ্নি রায়-আনন্দবাজার:

 

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X