শুক্রবার, ২৩শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১১ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ৪:২৭
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Sunday, January 1, 2017 8:30 pm
A- A A+ Print

দুই কিশোরের বর্ণনায় এমপি লিটন হত্যাকাণ্ড

14

নিজ বাসভবনে ঢুকে গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের সরকারদলীয় সংসদ সদস্য (এমপি) মঞ্জুরুল ইসলাম লিটনকে গুলি করে হত্যার ঘটনা দেশজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। শনিবার সন্ধ্যায় সুন্দরগঞ্জের বামানডাঙ্গায় গুলিবিদ্ধ হন এমপি লিটন। পরে রাত সাড়ে ৭টার দিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। একজন সংসদ সদস্যকে এভাবে হত্যার ঘটনার চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে। এখনো খুনের মোটিভ উদ্ধার হয়নি। তবে এবিষয়ে সবাই একমত যে পরিকল্পিতভাবে পেশাদার খুনিদের দিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী দুই কিশোরের বর্ণনায়ও উঠে এসেছে দুঃসাহসিক এই হত্যাকাণ্ডের খণ্ডচিত্র। তখন বিকাল ৪টা। পাঁচজন অপরিচিত লোক সংসদ সদস্যের বাড়ির সামনে রেললাইনে বসে ছিলেন। তারা দুটি মোটরসাইকেলে করে সেখানে আসেন। দীর্ঘসময় ধরে তারা বারবার মোবাইল ফোনে কথা বলছিলেন। দু'জন মাঝেমধ্যে হাঁটাহাঁটি করছিলেন এবং রেল ঘুমটির পাশে সড়কের ওপর মোটরসাইকেলের পাশে দাঁড়িয়ে কথা বলছিলেন। ওই সময় জুয়েল রানা ও সাইফুলসহ ৮/৯ জন কিশোর এমপি লিটনের দেয়া ক্রিকেট খেলার সামগ্রী দিয়ে তার বাড়ির বাইরের উঠোনে ক্রিকেট খেলছিল। তিনি একটি চেয়ারে বসে খেলা দেখছিলেন। বিকাল আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে মোটরসাইকেল নিয়ে তিনজন অপরিচিত ব্যক্তি এমপির বাড়ির বাইরের উঠোনে এসে দাঁড়ান। একজন মোটরসাইকেলে বসে থাকেন। দুজন এমপিকে বৈঠকখানায় যেতে বলেন। এ সময় এমপি লিটন বলেন, 'কী বলার এখানে বললেই হবে'। ঘাতকরা একপর্যায়ে জরুরি কথা আছে জানিয়ে অনেকটা জোর করেই এমপি লিটনকে বাসবভনের বৈঠকখানায় নিয়ে যান। কিছুক্ষণের মধ্যে কিশোররা ঘরের ভেতর থেকে কয়েকটি গুলির শব্দ ও চিৎকার শুনতে পায়। তারা দৌঁড়ে ঘরে যাওয়ার চেষ্টা করলে খুনিরা অস্ত্র উঁচিয়ে এক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে মোটরসাইকেলে চড়ে পালিয়ে যান। কিশোররা ঘরে গিয়ে দেখতে পায়, মেঝের মধ্যে রক্ত পড়ে আছে। আর এমপি লিটন বাড়ির ভেতরের উঠোনের দিকে ছুঁটে যাচ্ছেন। পরে ওই কিশোররা ক্রিকেট ব্যাট নিয়ে খুনিদের ধাওয়া করলেও তারা দুটি মোটরসাইকেলে চড়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। আশপাশের লোকজন ছুঁটে এসে এমপি লিটনকে আশংকাজনক অবস্থায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। ঘণ্টা দুয়েক পর সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

Comments

Comments!

 দুই কিশোরের বর্ণনায় এমপি লিটন হত্যাকাণ্ডAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

দুই কিশোরের বর্ণনায় এমপি লিটন হত্যাকাণ্ড

Sunday, January 1, 2017 8:30 pm
14

নিজ বাসভবনে ঢুকে গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের সরকারদলীয় সংসদ সদস্য (এমপি) মঞ্জুরুল ইসলাম লিটনকে গুলি করে হত্যার ঘটনা দেশজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

শনিবার সন্ধ্যায় সুন্দরগঞ্জের বামানডাঙ্গায় গুলিবিদ্ধ হন এমপি লিটন। পরে রাত সাড়ে ৭টার দিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

একজন সংসদ সদস্যকে এভাবে হত্যার ঘটনার চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে। এখনো খুনের মোটিভ উদ্ধার হয়নি। তবে এবিষয়ে সবাই একমত যে পরিকল্পিতভাবে পেশাদার খুনিদের দিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী দুই কিশোরের বর্ণনায়ও উঠে এসেছে দুঃসাহসিক এই হত্যাকাণ্ডের খণ্ডচিত্র।

তখন বিকাল ৪টা। পাঁচজন অপরিচিত লোক সংসদ সদস্যের বাড়ির সামনে রেললাইনে বসে ছিলেন। তারা দুটি মোটরসাইকেলে করে সেখানে আসেন।

দীর্ঘসময় ধরে তারা বারবার মোবাইল ফোনে কথা বলছিলেন। দু’জন মাঝেমধ্যে হাঁটাহাঁটি করছিলেন এবং রেল ঘুমটির পাশে সড়কের ওপর মোটরসাইকেলের পাশে দাঁড়িয়ে কথা বলছিলেন।

ওই সময় জুয়েল রানা ও সাইফুলসহ ৮/৯ জন কিশোর এমপি লিটনের দেয়া ক্রিকেট খেলার সামগ্রী দিয়ে তার বাড়ির বাইরের উঠোনে ক্রিকেট খেলছিল। তিনি একটি চেয়ারে বসে খেলা দেখছিলেন।

বিকাল আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে মোটরসাইকেল নিয়ে তিনজন অপরিচিত ব্যক্তি এমপির বাড়ির বাইরের উঠোনে এসে দাঁড়ান। একজন মোটরসাইকেলে বসে থাকেন। দুজন এমপিকে বৈঠকখানায় যেতে বলেন। এ সময় এমপি লিটন বলেন, ‘কী বলার এখানে বললেই হবে’।

ঘাতকরা একপর্যায়ে জরুরি কথা আছে জানিয়ে অনেকটা জোর করেই এমপি লিটনকে বাসবভনের বৈঠকখানায় নিয়ে যান। কিছুক্ষণের মধ্যে কিশোররা ঘরের ভেতর থেকে কয়েকটি গুলির শব্দ ও চিৎকার শুনতে পায়। তারা দৌঁড়ে ঘরে যাওয়ার চেষ্টা করলে খুনিরা অস্ত্র উঁচিয়ে এক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে মোটরসাইকেলে চড়ে পালিয়ে যান।

কিশোররা ঘরে গিয়ে দেখতে পায়, মেঝের মধ্যে রক্ত পড়ে আছে। আর এমপি লিটন বাড়ির ভেতরের উঠোনের দিকে ছুঁটে যাচ্ছেন।

পরে ওই কিশোররা ক্রিকেট ব্যাট নিয়ে খুনিদের ধাওয়া করলেও তারা দুটি মোটরসাইকেলে চড়ে দ্রুত পালিয়ে যায়।

আশপাশের লোকজন ছুঁটে এসে এমপি লিটনকে আশংকাজনক অবস্থায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। ঘণ্টা দুয়েক পর সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X