সোমবার, ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৭ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ৯:৪৩
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Monday, May 8, 2017 8:26 pm
A- A A+ Print

দুই ছাত্রী ধর্ষণ মামলার আসামি সাদমান আমাদের কেউ নন: জেনারেল মাসুদের মেয়ে

174258_1

ঢাকা: বনানীতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় গণমাধ্যমে নাম আসা সাদমান শাকিলের সঙ্গে পিকাসো রেস্টুরেন্টের মালিক সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে আলোচিত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাসুদ উদ্দিন আহমেদের কোনো সম্পর্ক নেই। এই সাবেক সেনা কর্মকর্তার মেয়ে তাসনিয়া মাসুদ বিষয়টি তার ফেসবুক পেজে স্ট্যাটাসে এই দাবি করেছেন। গত ২৮ মার্চ বনানীর ‘দ্য রেইন ট্রি’ হোটেলে সাফাত আহমেদ নামে এক বন্ধুর জন্মদিনে যোগ দিতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হন দুই তরুণী। ওই ঘটনায় গত শনিবার সন্ধ্যায় বনানী থানায় পাঁচজনকে আসামি করে মামলা করা হয়। এই মামলায় যাদেরকে আসামি করা হয়েছে তাদের মধ্যে একজন আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদের ছেলে সাফাত আহমেদ। আরো আসামি হয়েছেন তার বন্ধু সাদমান সাকিফ, নাঈম আশরাফ, সাফাতের গাড়িচালক বিল্লাল ও তার দেহরক্ষী। এদের মধ্যে সাদমান সাকিফ সেনা কর্মকর্তা মাসুদ উদ্দিন আহমেদের ছেলে বলে বিভিন্ন অনলাইন গণমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এতে বিব্রত হন জেনারেল মাসুদের পরিবার। তাদের পক্ষ থেকে বক্তব্য আসে তার একমাত্র মেয়ে তাসনিয়া মাসুদের পক্ষ থেকে। তিনি তার ফেসবুক পেজের ওয়ালে ইংরেজিতে একটি পোস্ট দেন। যার অনুবাদ নিম্নরূপ- ‘বনানীতে ধর্ষণের ঘটনা নিয়ে কিছু অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিক প্রতিবেদনের দিকে আমাদের দৃষ্টি আকৃষ্ট হয়েছে। এসব প্রতিবেদনে বলা হয়েছে অপরাধীদের একজন সাদমান শাকিল পিকাসো রেস্টুরেন্টের মালিক আমার বাবা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাসুদের সন্তান।’ তাসনিয়া মাসুদ লেখেন, ‘আমি জেনারেল মাসুদের ছোট মেয়ে এবং আমি নিশ্চয়তা দিচ্ছি যে আমার একমাত্র ভাই আলবাব মাসুদ গত আট বছর ধরে অস্ট্রেলিয়ায় থাকেন।’ জেনারেল মাসুদের মেয়ে লেখেন, ‘সাদমান সাকিফ কোনোভাবেই আমাদের পরিবারের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। তিনি রেগনাম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ হোসেন জনির একমাত্র ছেলে। তিনি নিজেও রেগনাম গ্রুপের একজন পরিচালক। এই গ্রুপের ভবনটি পিকাসোর পাশেই অবস্থিত।’ রেগনাম গ্রুপের একটি ওয়েব পেজও শেয়ার করেন যেখানে সাদমান সাকিফের একটি বাণী দেয়া আছে। গ্রুপের পরিচালক হিসেবেই তিনি এই বাণী লেখেন। এতে তিনি নিজের পরিচয়ের পাশাপাশি তার গ্রুপের বর্তমানের অবস্থান ও ভবিষ্যত গন্তব্য নিয়েও বর্ণনা দেন। মামলার পর থেকে অন্য আসামিদের মত সাদমানও আত্মগোপনে আছেন। তাদেরকে গ্রেপ্তার করা না গেলেও আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। সেই সঙ্গে আসামিদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে। ঘটনাটির তদন্তে মানবাধিকার কমিশনের পক্ষ থেকে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ধর্ষণের মামলার পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ওই দুই তরুণীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও ধর্ষণের আলমত সংগ্রহ প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। তবে ধর্ষণের আলামত পাওয়া নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন ফরেনসিক বিভাগের প্রধান সোহেল মাহমুদ। তিনি জানান, সাধারণত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ধর্ষণের আলামত মুছে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

Comments

Comments!

 দুই ছাত্রী ধর্ষণ মামলার আসামি সাদমান আমাদের কেউ নন: জেনারেল মাসুদের মেয়েAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

দুই ছাত্রী ধর্ষণ মামলার আসামি সাদমান আমাদের কেউ নন: জেনারেল মাসুদের মেয়ে

Monday, May 8, 2017 8:26 pm
174258_1

ঢাকা: বনানীতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় গণমাধ্যমে নাম আসা সাদমান শাকিলের সঙ্গে পিকাসো রেস্টুরেন্টের মালিক সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে আলোচিত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাসুদ উদ্দিন আহমেদের কোনো সম্পর্ক নেই। এই সাবেক সেনা কর্মকর্তার মেয়ে তাসনিয়া মাসুদ বিষয়টি তার ফেসবুক পেজে স্ট্যাটাসে এই দাবি করেছেন।

গত ২৮ মার্চ বনানীর ‘দ্য রেইন ট্রি’ হোটেলে সাফাত আহমেদ নামে এক বন্ধুর জন্মদিনে যোগ দিতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হন দুই তরুণী। ওই ঘটনায় গত শনিবার সন্ধ্যায় বনানী থানায় পাঁচজনকে আসামি করে মামলা করা হয়।

এই মামলায় যাদেরকে আসামি করা হয়েছে তাদের মধ্যে একজন আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদের ছেলে সাফাত আহমেদ। আরো আসামি হয়েছেন তার বন্ধু সাদমান সাকিফ, নাঈম আশরাফ, সাফাতের গাড়িচালক বিল্লাল ও তার দেহরক্ষী।

এদের মধ্যে সাদমান সাকিফ সেনা কর্মকর্তা মাসুদ উদ্দিন আহমেদের ছেলে বলে বিভিন্ন অনলাইন গণমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

এতে বিব্রত হন জেনারেল মাসুদের পরিবার। তাদের পক্ষ থেকে বক্তব্য আসে তার একমাত্র মেয়ে তাসনিয়া মাসুদের পক্ষ থেকে। তিনি তার ফেসবুক পেজের ওয়ালে ইংরেজিতে একটি পোস্ট দেন। যার অনুবাদ নিম্নরূপ-

‘বনানীতে ধর্ষণের ঘটনা নিয়ে কিছু অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিক প্রতিবেদনের দিকে আমাদের দৃষ্টি আকৃষ্ট হয়েছে। এসব প্রতিবেদনে বলা হয়েছে অপরাধীদের একজন সাদমান শাকিল পিকাসো রেস্টুরেন্টের মালিক আমার বাবা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাসুদের সন্তান।’

তাসনিয়া মাসুদ লেখেন, ‘আমি জেনারেল মাসুদের ছোট মেয়ে এবং আমি নিশ্চয়তা দিচ্ছি যে আমার একমাত্র ভাই আলবাব মাসুদ গত আট বছর ধরে অস্ট্রেলিয়ায় থাকেন।’

জেনারেল মাসুদের মেয়ে লেখেন, ‘সাদমান সাকিফ কোনোভাবেই আমাদের পরিবারের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। তিনি রেগনাম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ হোসেন জনির একমাত্র ছেলে। তিনি নিজেও রেগনাম গ্রুপের একজন পরিচালক। এই গ্রুপের ভবনটি পিকাসোর পাশেই অবস্থিত।’

রেগনাম গ্রুপের একটি ওয়েব পেজও শেয়ার করেন যেখানে সাদমান সাকিফের একটি বাণী দেয়া আছে। গ্রুপের পরিচালক হিসেবেই তিনি এই বাণী লেখেন। এতে তিনি নিজের পরিচয়ের পাশাপাশি তার গ্রুপের বর্তমানের অবস্থান ও ভবিষ্যত গন্তব্য নিয়েও বর্ণনা দেন।

মামলার পর থেকে অন্য আসামিদের মত সাদমানও আত্মগোপনে আছেন। তাদেরকে গ্রেপ্তার করা না গেলেও আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। সেই সঙ্গে আসামিদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে।

ঘটনাটির তদন্তে মানবাধিকার কমিশনের পক্ষ থেকে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

ধর্ষণের মামলার পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ওই দুই তরুণীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও ধর্ষণের আলমত সংগ্রহ প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। তবে ধর্ষণের আলামত পাওয়া নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন ফরেনসিক বিভাগের প্রধান সোহেল মাহমুদ। তিনি জানান, সাধারণত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ধর্ষণের আলামত মুছে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X