রবিবার, ২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১৩ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, বিকাল ৩:৪৬
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Saturday, December 10, 2016 5:55 pm
A- A A+ Print

দুই স্বামী গ্রহণের দায়ে গর্ভবতী নারীর দণ্ড

24

লন্ডন: প্রথম স্বামীর সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদ না করেই তৃতীয় এক ব্যক্তিকে বিয়ে করার জন্য গর্ভবতী এক নারীকে ১০০ ইউরো জরিমানা করেছে লন্ডনের একটি আদালত। ছয় সন্তানের জননী ইভিতা ভিসনেভস্কা (৩৪) লাটভিয়ার অধিবাসী। তার বিরুদ্ধে দুটি অভিযোগ আনা হয়েছিল। একটি হচ্ছে একই সঙ্গে দুই পত্নী গ্রহণ ও অন্যটি বিয়ের সার্টিফিকেটের আবেদন ফর্মে জ্ঞাতসারে মিথ্যা তথ্য প্রদান। বৃহস্পতিবার লন্ডনের লিমেরিক সার্কিট আদালতে ভিসনেভস্কা তার দোষ স্বীকার করলে বিচারক তাকে এ অর্থ জরিমানা করেন।
দুই পত্নী গ্রহণের অভিযোগে সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদণ্ডে বিধান রয়েছে দেশটিতে। এছাড়াও, বিয়ের সার্টিফিকেটের আবেদন ফর্মে মিথ্যা তথ্য প্রদানের অপরাধে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১০ হাজার ইউরো জরিমানা কিংবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে। ২০০৫ সালের ২২ আগস্ট সেন্ট ক্যামিলাস হাসপাতালের রেজিস্ট্রি অফিসে ভিসনেভস্কা (৩৪) তার সহকর্মী লাটভিয়ান অলেক্সজান্দ্রা লিমানোভিক্সকে বিয়ে করেন। প্রথম স্বামীর সংসারে ভিসনেভস্কার দুই কিশোরী কন্যা সন্তান রয়েছে। আদালতকে তিনি জানান, ২০০৮ সালের অক্টোবরে তাদের সম্পর্ক শেষ হয়ে যায়। এক বছর পরে ২০০৯ সালের ১৬ অক্টোবরে তার লাটভীয় স্বামীর সঙ্গে বিয়ে বিচ্ছেদ না করেই লন্ডনের লিমেরিক রেজিস্ট্রি অফিসে গিয়ে ভিসনেভস্কা পাকিস্তানি মির্জা আজম বেগকে বিয়ে করেন। আজমের সংসারে তার দুই পুত্র সন্তান রয়েছে। আজম বেগকে বিয়ের সময় ভিসনেভস্কাকে তার আগের বিয়ের কথা গোপন রাখেন। ২০১৪ সালে লাটভীয় কর্তৃপক্ষ লিমেরিক রেজিস্ট্রি অফিসে যোগাযোগ করে জানায় যে, ভিসনেভস্কার সঙ্গে আজম বেগ বিয়ের আইনত বৈধ ছিল না। আদালত জানতে পারে যে,  ভিসনেভস্কার সঙ্গে বর্তমানে তৃতীয় এক ব্যক্তির সঙ্গে বিয়ে হয়েছে; যেখানে তার দুইজন পুত্র সন্তান রয়েছে এবং আগামী বছরের মে মাসে তিনি তার সপ্তম সন্তান প্রসব করবেন। আদালতের প্রসিকিউটর জন সুলিভান বলেন, ‘তিনি ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত হয়েছেন এবং তার নাম পরিবর্তন করে ইসালা খান রাখা হয়েছে।’ ২০০৯ সালের ১৩ জুলাই আজম বেগকে বিয়ের অভিপ্রায়ে ভিসনেভস্কা একটি ঘোষণাপত্র স্বাক্ষর করেন। লিমানোভিক্সের সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদ না হওয়া সত্ত্বেও তিনি তথ্য গোপন করে এতে তার বৈবাহিক অবস্থা ‘সিঙ্গেল’ বলে ঘোষণা করেন। তিনি তিনটি পৃথক ফর্মে স্বাক্ষর করেন। এতে ইঙ্গিত করা হয় যে, আজম বেগকে বিয়ের ব্যাপারে তার আইনি কোনো বাধা নেই। ২০১৪ সালে আয়ারল্যান্ডের রাষ্ট্রীয় পুলিশ বাহিনী ‘গারদাই’ ইন্টারপোলের সাহায্যে লন্ডনে ভিসনেভস্কার সন্ধান পায় এবং স্ট্রাটফোর্ড পুলিশ স্টেশনের অনুমতি নিয়ে সেখানকার গোয়েন্দারা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। রাষ্ট্রপক্ষের সিনিয়র আইনজীবী ও'সুলিভান বলেন, ‘ভিসনেভস্কা প্রাথমিকভাবে ‘গারদাই’ গোয়েন্দাদের জানিয়েছিলেন যে, তিনি তার প্রথম বিবাহ বিচ্ছেদ করতে লিমেরিকের ওয়েস্টার্ন ইউনিয়নের একটি আউটলেট থেকে তার লাটভীয় আইনজীবীকে ৮০০ ইউরো প্রদান করেছিলেন। গারদার গোয়েন্দা অলিভার ফলি আদালতকে বলেন, তারা এই অর্থ লেনদেনের ‘কোন রেকর্ড’ তারা পাননি। তবে, তিনি এ বিষয়ে একমত যে, আজম বেগকে বিয়ে করার সময় ভিসনেভস্কার বিশ্বাস ছিল তার প্রথম বিয়ে বিচ্ছেদ হয়ে গেছে। যাইহোক, ভিসনেভস্কা এব্যাপারে কোনো নথিপত্র গোয়েন্দাদের দেখাতে ব্যর্থ হন। তবে, গারদির গোয়েন্দারা ভিসনেভস্কার দুই অপরাধের কোনোটিরই সুস্পষ্ট কোনো উদ্দেশ্য খুঁজে পায়নি।   ভিসনেভস্কার আইনজীবী ব্যারিস্টার ব্রায়ানের সঙ্গে অলিভার ফলি একমত পোষন করেন যে,  তিনি  (ভিসনেভস্কা) ‘নকল বিয়ের’ সঙ্গে জড়িত নয় এবং এর মাধ্যমে তিনি কোনো আর্থিক সুবিধাও নেননি। ভিসনেভস্কার আইনজীবী ব্যারিস্টার ব্রায়ান বলেন, ‘দুই সন্তান নিয়ে ভিসনেভস্কা তার ভবিষ্যতে সম্পর্ক নিয়ে কষ্টভোগ করছেন এবং মামলাটি জনসম্মুখে প্রকাশ পাওয়ায় ভবিষ্যতেও তাকে বেশ কষ্টভোগ করতে হবে। দুই পত্নী গ্রহণের খবর ‘টক অব দ্য শহরে’ পরিণত হবে।’ আদালতের বিচারক টম ও'ডোনেল মন্তব্য করেন, ‘অন্তত এটা বলা যায় যে, বিষয়টি খুবই অস্বাভাবিক।’ তিনি বলেন, ‘এটা স্পষ্ট যে, এই ভদ্রমহিলা অন্যায় করেছে এবং সে জানত এটা ভুল ছিল এবং মিথ্যা ছিল।’ আদালত মন্তব্য করেন, ‘মিথ্যা তথ্য দিয়ে তিনি বিবাহ করলেও তার এই বিয়ে ভুয়া ছিল না।’ বিচারক তার দুই পত্নী গ্রহণের অপরাধ বিবেচনায় নেন এবং বিবাহের সার্টিফিকেটে মিথ্যা তথ্য প্রদানের কথা স্বীকার করায় আদালত ভিসনেভস্কাকে ১০০ ইউরো জরিমানা করেন। এই অর্থ পরিশোধ করার জন্য তাকে ছয় মাসের সময় দেয়া হয়েছে। সূত্র: আইরিশ মিরর

Comments

Comments!

 দুই স্বামী গ্রহণের দায়ে গর্ভবতী নারীর দণ্ডAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

দুই স্বামী গ্রহণের দায়ে গর্ভবতী নারীর দণ্ড

Saturday, December 10, 2016 5:55 pm
24

লন্ডন: প্রথম স্বামীর সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদ না করেই তৃতীয় এক ব্যক্তিকে বিয়ে করার জন্য গর্ভবতী এক নারীকে ১০০ ইউরো জরিমানা করেছে লন্ডনের একটি আদালত।

ছয় সন্তানের জননী ইভিতা ভিসনেভস্কা (৩৪) লাটভিয়ার অধিবাসী। তার বিরুদ্ধে দুটি অভিযোগ আনা হয়েছিল। একটি হচ্ছে একই সঙ্গে দুই পত্নী গ্রহণ ও অন্যটি বিয়ের সার্টিফিকেটের আবেদন ফর্মে জ্ঞাতসারে মিথ্যা তথ্য প্রদান।

বৃহস্পতিবার লন্ডনের লিমেরিক সার্কিট আদালতে ভিসনেভস্কা তার দোষ স্বীকার করলে বিচারক তাকে এ অর্থ জরিমানা করেন।

দুই পত্নী গ্রহণের অভিযোগে সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদণ্ডে বিধান রয়েছে দেশটিতে। এছাড়াও, বিয়ের সার্টিফিকেটের আবেদন ফর্মে মিথ্যা তথ্য প্রদানের অপরাধে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১০ হাজার ইউরো জরিমানা কিংবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।

২০০৫ সালের ২২ আগস্ট সেন্ট ক্যামিলাস হাসপাতালের রেজিস্ট্রি অফিসে ভিসনেভস্কা (৩৪) তার সহকর্মী লাটভিয়ান অলেক্সজান্দ্রা লিমানোভিক্সকে বিয়ে করেন। প্রথম স্বামীর সংসারে ভিসনেভস্কার দুই কিশোরী কন্যা সন্তান রয়েছে।

আদালতকে তিনি জানান, ২০০৮ সালের অক্টোবরে তাদের সম্পর্ক শেষ হয়ে যায়।

এক বছর পরে ২০০৯ সালের ১৬ অক্টোবরে তার লাটভীয় স্বামীর সঙ্গে বিয়ে বিচ্ছেদ না করেই লন্ডনের লিমেরিক রেজিস্ট্রি অফিসে গিয়ে ভিসনেভস্কা পাকিস্তানি মির্জা আজম বেগকে বিয়ে করেন। আজমের সংসারে তার দুই পুত্র সন্তান রয়েছে।

আজম বেগকে বিয়ের সময় ভিসনেভস্কাকে তার আগের বিয়ের কথা গোপন রাখেন।

২০১৪ সালে লাটভীয় কর্তৃপক্ষ লিমেরিক রেজিস্ট্রি অফিসে যোগাযোগ করে জানায় যে, ভিসনেভস্কার সঙ্গে আজম বেগ বিয়ের আইনত বৈধ ছিল না। আদালত জানতে পারে যে,  ভিসনেভস্কার সঙ্গে বর্তমানে তৃতীয় এক ব্যক্তির সঙ্গে বিয়ে হয়েছে; যেখানে তার দুইজন পুত্র সন্তান রয়েছে এবং আগামী বছরের মে মাসে তিনি তার সপ্তম সন্তান প্রসব করবেন।

আদালতের প্রসিকিউটর জন সুলিভান বলেন, ‘তিনি ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত হয়েছেন এবং তার নাম পরিবর্তন করে ইসালা খান রাখা হয়েছে।’

২০০৯ সালের ১৩ জুলাই আজম বেগকে বিয়ের অভিপ্রায়ে ভিসনেভস্কা একটি ঘোষণাপত্র স্বাক্ষর করেন। লিমানোভিক্সের সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদ না হওয়া সত্ত্বেও তিনি তথ্য গোপন করে এতে তার বৈবাহিক অবস্থা ‘সিঙ্গেল’ বলে ঘোষণা করেন।

তিনি তিনটি পৃথক ফর্মে স্বাক্ষর করেন। এতে ইঙ্গিত করা হয় যে, আজম বেগকে বিয়ের ব্যাপারে তার আইনি কোনো বাধা নেই।

২০১৪ সালে আয়ারল্যান্ডের রাষ্ট্রীয় পুলিশ বাহিনী ‘গারদাই’ ইন্টারপোলের সাহায্যে লন্ডনে ভিসনেভস্কার সন্ধান পায় এবং স্ট্রাটফোর্ড পুলিশ স্টেশনের অনুমতি নিয়ে সেখানকার গোয়েন্দারা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের সিনিয়র আইনজীবী ও’সুলিভান বলেন, ‘ভিসনেভস্কা প্রাথমিকভাবে ‘গারদাই’ গোয়েন্দাদের জানিয়েছিলেন যে, তিনি তার প্রথম বিবাহ বিচ্ছেদ করতে লিমেরিকের ওয়েস্টার্ন ইউনিয়নের একটি আউটলেট থেকে তার লাটভীয় আইনজীবীকে ৮০০ ইউরো প্রদান করেছিলেন।

গারদার গোয়েন্দা অলিভার ফলি আদালতকে বলেন, তারা এই অর্থ লেনদেনের ‘কোন রেকর্ড’ তারা পাননি।

তবে, তিনি এ বিষয়ে একমত যে, আজম বেগকে বিয়ে করার সময় ভিসনেভস্কার বিশ্বাস ছিল তার প্রথম বিয়ে বিচ্ছেদ হয়ে গেছে। যাইহোক, ভিসনেভস্কা এব্যাপারে কোনো নথিপত্র গোয়েন্দাদের দেখাতে ব্যর্থ হন।

তবে, গারদির গোয়েন্দারা ভিসনেভস্কার দুই অপরাধের কোনোটিরই সুস্পষ্ট কোনো উদ্দেশ্য খুঁজে পায়নি।

 

ভিসনেভস্কার আইনজীবী ব্যারিস্টার ব্রায়ানের সঙ্গে অলিভার ফলি একমত পোষন করেন যে,  তিনি  (ভিসনেভস্কা) ‘নকল বিয়ের’ সঙ্গে জড়িত নয় এবং এর মাধ্যমে তিনি কোনো আর্থিক সুবিধাও নেননি।

ভিসনেভস্কার আইনজীবী ব্যারিস্টার ব্রায়ান বলেন, ‘দুই সন্তান নিয়ে ভিসনেভস্কা তার ভবিষ্যতে সম্পর্ক নিয়ে কষ্টভোগ করছেন এবং মামলাটি জনসম্মুখে প্রকাশ পাওয়ায় ভবিষ্যতেও তাকে বেশ কষ্টভোগ করতে হবে। দুই পত্নী গ্রহণের খবর ‘টক অব দ্য শহরে’ পরিণত হবে।’

আদালতের বিচারক টম ও’ডোনেল মন্তব্য করেন, ‘অন্তত এটা বলা যায় যে, বিষয়টি খুবই অস্বাভাবিক।’

তিনি বলেন, ‘এটা স্পষ্ট যে, এই ভদ্রমহিলা অন্যায় করেছে এবং সে জানত এটা ভুল ছিল এবং মিথ্যা ছিল।’

আদালত মন্তব্য করেন, ‘মিথ্যা তথ্য দিয়ে তিনি বিবাহ করলেও তার এই বিয়ে ভুয়া ছিল না।’

বিচারক তার দুই পত্নী গ্রহণের অপরাধ বিবেচনায় নেন এবং বিবাহের সার্টিফিকেটে মিথ্যা তথ্য প্রদানের কথা স্বীকার করায় আদালত ভিসনেভস্কাকে ১০০ ইউরো জরিমানা করেন। এই অর্থ পরিশোধ করার জন্য তাকে ছয় মাসের সময় দেয়া হয়েছে।

সূত্র: আইরিশ মিরর

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X