বৃহস্পতিবার, ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১০ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ৮:৪৮
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Saturday, July 30, 2016 2:04 am
A- A A+ Print

দুর্ধর্ষ এক জঙ্গি মাসুদ রানা

231287_1

রাজধানীর কল্যাণপুরের জঙ্গি আস্তানায় পুলিশি অভিযানের মধ্যেই পালিয়ে যাওয়া জঙ্গি মাসুদ রানা সম্পর্কে চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে। দারুস সালামের চেকপোস্টে পুলিশ খুন, পুরানঢাকার হোসেনি দালানে গ্রেনেড হামলাসহ নানা ধরনের জঙ্গি তৎপরতায় যুক্ত ওই জঙ্গি। পুলিশ খুনের ঘটনায় তাকে গ্রেপ্তার করা হলেও মিথ্যা তথ্য দিয়ে জামিনে মুক্তি পায় এই দুর্ধর্ষ জঙ্গি। কল্যাণপুরের ওই বাসায় বসেও সে বড় ধরনের নাশকতার পরিকল্পনা করেছিল। এ কারণে জেএমবির মাস্টারমাইন্ড ভয়ংকর এই জঙ্গি এখন পুলিশের মাথাব্যথার কারণ হয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হচ্ছে বলে 'অ্যান্টি টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম-সিটি' সূত্রে জানা গেছে। সূত্রমতে, কাজী আনোয়ার হোসেনের গোয়েন্দা কাহিনী মাসুদ রানা সিরিজের বইয়ের নায়ক মাসুদ রানার সঙ্গে জেএমবির এই মাসুদ রানার কর্মকা-ের অনেক মিল পাওয়া যাচ্ছে। ওই গল্পে মাসুদ রানা নায়কের ভূমিকায় দেশকে রক্ষা করতে দুর্ধর্ষ অভিযানে অংশগ্রহণ করেন। কিন্তু জেএমবির এই মাসুদ রানা দেশকে অস্থিতিশীল করতে নানা ধরনের কর্মকা- ঘটিয়ে যাচ্ছে। সম্প্রতি কয়েকটি ঘটনায় তার জড়িত থাকার প্রমাণ পেয়েছেন গোয়েন্দারা। প্রযুক্তিতে পারদর্শী বাস্তবের এই মাসুদ রানা গোয়েন্দাদের থেকেও একধাপ এগিয়ে রয়েছে। একের পর র‌্যাব-পুলিশকে ধোঁকা দিয়ে সে জঙ্গি তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। জেএমবির মাস্টারমাইন্ড এই নেতাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হলে পুলিশের মধ্যে অনেকটাই স্বস্তি ফিরে আসবে বলে সূত্র দাবি করেছে। কল্যাণপুরের আস্তানায় বসে সে নারায়ণগঞ্জে বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনা করে। তবে কল্যাণপুরের ওই বাসার সদস্যরা তাকে ইকবাল নামে চিনত। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার রাকিবুল হাসানের দেয়া তথ্যের সূত্র ধরে ইকবালই মাসুদ রানা বলে পুলিশ নিশ্চিত হয়েছে। জানা গেছে, মাসুদ রানা গত বছরের ২৩ অক্টোবর রাজধানীর মিরপুরের দারুস সালামে পুলিশের এএসআই ইব্রাহিম খলিল হত্যাকা-ে সরাসরি উপস্থিত ছিল। ওই ঘটনার দুদিন পর পুরানঢাকার হোসেনি দালানের তাজিয়া মিছিলের প্রস্তুতিকালে গ্রেনেড হামলায় তার উপস্থিতি ছিল। দারুস সালামে পুলিশের চেকপোস্টে কর্তব্যরত ইব্রাহিম খলিল হত্যাকা-ের ঘটনায় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তারও করে। পরে জামিনে মুক্ত হয়ে আবারও বড় ধরনের জঙ্গি হামলার পরিকল্পনায় যুক্ত ছিল মাসুদ হাসান। সিটি সূত্র জানায়, মাসুদ রানা ছিল 'স্টর্ম-২৬ অপারেশন' চলাকালে পালিয়ে যাওয়ার সময় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আটক রাকিবুল হাসান রিগানের সহযোগী। গত জুনে কল্যাণপুরে 'তাজ মঞ্জিলে' মেসে ওঠার আগে তারা মিরপুর-১ নাম্বারের একটি মেসে ভাড়া ছিল। প্রশিক্ষণও হয় সেখানে। তবে মিরপুরে পুলিশের পরপর কয়েকটি জঙ্গিবিরোধী অভিযান দেখে এই চক্রটি কল্যাণপুরে আস্তানা গাড়ে। পুলিশ জানায়, হোসেনি দালানে হামলার ঘটনার পর রাকিবুল হাসান রিগ্যানকে গ্রেপ্তারের জন্য একাধিকবার চেষ্টা চালানো হয়। কিন্তু চতুর হাসান বারবার স্থান বদল করে। এর আগে সে বগুড়া শহরের জলেশ্বরীতলায় শিবির পরিচালিত রেটিনা কোচিং সেন্টারে যাওয়ার নামে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয়। জানতে চাইলে সিটির অতিরিক্ত উপ-কমিশনার ছানোয়ার হোসেন বলেন, হাসানকে আমরা হোসেনি দালানের ঘটনায় গ্রেপ্তারের চেষ্টা করেছি। সে সন্দেহভাজন হামলাকারী। তার সঙ্গে মাসুদ রানার সম্পর্ক ছিল। মাসুদ রানাও একাধিক ঘটনায় জড়িত। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। জানা গেছে, ২০১৫ সালের ২৪ অক্টোবর হোসেনি দালানে তাজিয়া মিছিলের প্রস্তুতির সময় জঙ্গিরা গ্রেনেড দিয়ে হামলা চালায়। এতে সানজু ও জামাল নামে দুই ব্যক্তি নিহত হন। ওই হামলায় হাসানের সম্পৃক্ততা ছিল বলে পুলিশ নিশ্চিত হয়েছে। এ ঘটনার পর হাসানকে গ্রেপ্তারে পুলিশ কয়েক দফা অভিযান চালায়। সর্বশেষ তারা মিরপুরের একটি বাসা থেকে কল্যাণপুরের জাহাজ বিল্ডিংয়ে আসে। তদন্ত কর্মকর্তারা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, মাসুদ রানা মূলত সব হামলার নেতৃত্ব দিয়ে থাকে। প্রশিক্ষণ শেষে জঙ্গিদের মাসুদ রানার কাছে পাঠিয়ে দেয়া হয়। এরপর মাসুদ রানা ওই জঙ্গিদের নিয়ে হামলার ছক তৈরি করে। পাশাপাশি বাসার ভেতরে মহড়াও দেয়া হয়। হামলার পর পালানো পথও তারা আগে থেকেই তৈরি করে রাখে। সোমবার এ ধরনের একটি হামলার প্রস্তুতি নিয়ে কল্যাণপুরের ওই বাসায় বৈঠকে বসে জঙ্গিরা। এর আগে সেখানে পর্যাপ্ত অস্ত্র ও গোলাবারুদ মজুদ করা হয়। কিন্তু পুলিশের উপস্থিতিতে তাদের সে পরিকল্পনা ভেস্তে যায়। এরপর তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে একটি বোমার বিস্ফোরণ ঘটালে পুলিশ কিছুটা পিছু হটে যায়। এই সুযোগে মাসুদ রানা ওই বাসার ছাদে চলে যায় এবং সেখান থেকে পাইপ বেয়ে পালিয়ে যায় বলে গ্রেপ্তার রাকিবুল হাসান পুলিশকে জানায়। যাওয়ার আগে একটি ব্যাগ নিয়ে যায় মাসুদ রানা। রাকিবুলের দেয়া তথ্যমতে ওই ব্যাগে অস্ত্র ও গোলাবারুদ ছিল। অত্যাধুনিক ওই অস্ত্র দিয়ে বড় ধরনের নাশকতা ঘটানো সম্ভব। এ কারণে মাসুদ রানাকে গ্রেপ্তার এখন পুলিশের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে। না হলে আবার কোথাও আস্তানা গেড়ে হামলার ছক অাঁকতে পারে দুর্ধর্ষ জঙ্গি মাসুদ রানা।

Comments

Comments!

 দুর্ধর্ষ এক জঙ্গি মাসুদ রানাAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

দুর্ধর্ষ এক জঙ্গি মাসুদ রানা

Saturday, July 30, 2016 2:04 am
231287_1

রাজধানীর কল্যাণপুরের জঙ্গি আস্তানায় পুলিশি অভিযানের মধ্যেই পালিয়ে যাওয়া জঙ্গি মাসুদ রানা সম্পর্কে চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে। দারুস সালামের চেকপোস্টে পুলিশ খুন, পুরানঢাকার হোসেনি দালানে গ্রেনেড হামলাসহ নানা ধরনের জঙ্গি তৎপরতায় যুক্ত ওই জঙ্গি। পুলিশ খুনের ঘটনায় তাকে গ্রেপ্তার করা হলেও মিথ্যা তথ্য দিয়ে জামিনে মুক্তি পায় এই দুর্ধর্ষ জঙ্গি। কল্যাণপুরের ওই বাসায় বসেও সে বড় ধরনের নাশকতার পরিকল্পনা করেছিল। এ কারণে জেএমবির মাস্টারমাইন্ড ভয়ংকর এই জঙ্গি এখন পুলিশের মাথাব্যথার কারণ হয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হচ্ছে বলে

‘অ্যান্টি টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম-সিটি’ সূত্রে জানা গেছে।

সূত্রমতে, কাজী আনোয়ার হোসেনের গোয়েন্দা কাহিনী মাসুদ রানা সিরিজের বইয়ের নায়ক মাসুদ রানার সঙ্গে জেএমবির এই মাসুদ রানার কর্মকা-ের অনেক মিল পাওয়া যাচ্ছে। ওই গল্পে মাসুদ রানা নায়কের ভূমিকায় দেশকে রক্ষা করতে দুর্ধর্ষ অভিযানে অংশগ্রহণ করেন। কিন্তু জেএমবির এই মাসুদ রানা দেশকে অস্থিতিশীল করতে নানা ধরনের কর্মকা- ঘটিয়ে যাচ্ছে। সম্প্রতি কয়েকটি ঘটনায় তার জড়িত থাকার প্রমাণ পেয়েছেন গোয়েন্দারা। প্রযুক্তিতে পারদর্শী বাস্তবের এই মাসুদ রানা গোয়েন্দাদের থেকেও একধাপ এগিয়ে রয়েছে। একের পর র‌্যাব-পুলিশকে ধোঁকা দিয়ে সে জঙ্গি তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। জেএমবির মাস্টারমাইন্ড এই নেতাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হলে পুলিশের মধ্যে অনেকটাই স্বস্তি ফিরে আসবে বলে সূত্র দাবি করেছে। কল্যাণপুরের আস্তানায় বসে সে নারায়ণগঞ্জে বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনা করে। তবে কল্যাণপুরের ওই বাসার সদস্যরা তাকে ইকবাল নামে চিনত। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার রাকিবুল হাসানের দেয়া তথ্যের সূত্র ধরে ইকবালই মাসুদ রানা বলে পুলিশ নিশ্চিত হয়েছে।

জানা গেছে, মাসুদ রানা গত বছরের ২৩ অক্টোবর রাজধানীর মিরপুরের দারুস সালামে পুলিশের এএসআই ইব্রাহিম খলিল হত্যাকা-ে সরাসরি উপস্থিত ছিল। ওই ঘটনার দুদিন পর পুরানঢাকার হোসেনি দালানের তাজিয়া মিছিলের প্রস্তুতিকালে গ্রেনেড হামলায় তার উপস্থিতি ছিল। দারুস সালামে পুলিশের চেকপোস্টে কর্তব্যরত ইব্রাহিম খলিল হত্যাকা-ের ঘটনায় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তারও করে। পরে জামিনে মুক্ত হয়ে আবারও বড় ধরনের জঙ্গি হামলার পরিকল্পনায় যুক্ত ছিল মাসুদ হাসান।

সিটি সূত্র জানায়, মাসুদ রানা ছিল ‘স্টর্ম-২৬ অপারেশন’ চলাকালে পালিয়ে যাওয়ার সময় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আটক রাকিবুল হাসান রিগানের সহযোগী। গত জুনে কল্যাণপুরে ‘তাজ মঞ্জিলে’ মেসে ওঠার আগে তারা মিরপুর-১ নাম্বারের একটি মেসে ভাড়া ছিল। প্রশিক্ষণও হয় সেখানে। তবে মিরপুরে পুলিশের পরপর কয়েকটি জঙ্গিবিরোধী অভিযান দেখে এই চক্রটি কল্যাণপুরে আস্তানা গাড়ে।

পুলিশ জানায়, হোসেনি দালানে হামলার ঘটনার পর রাকিবুল হাসান রিগ্যানকে গ্রেপ্তারের জন্য একাধিকবার চেষ্টা চালানো হয়। কিন্তু চতুর হাসান বারবার স্থান বদল করে। এর আগে সে বগুড়া শহরের জলেশ্বরীতলায় শিবির পরিচালিত রেটিনা কোচিং সেন্টারে যাওয়ার নামে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয়।

জানতে চাইলে সিটির অতিরিক্ত উপ-কমিশনার ছানোয়ার হোসেন বলেন, হাসানকে আমরা হোসেনি দালানের ঘটনায় গ্রেপ্তারের চেষ্টা করেছি। সে সন্দেহভাজন হামলাকারী। তার সঙ্গে মাসুদ রানার সম্পর্ক ছিল। মাসুদ রানাও একাধিক ঘটনায় জড়িত। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

জানা গেছে, ২০১৫ সালের ২৪ অক্টোবর হোসেনি দালানে তাজিয়া মিছিলের প্রস্তুতির সময় জঙ্গিরা গ্রেনেড দিয়ে হামলা চালায়। এতে সানজু ও জামাল নামে দুই ব্যক্তি নিহত হন। ওই হামলায় হাসানের সম্পৃক্ততা ছিল বলে পুলিশ নিশ্চিত হয়েছে। এ ঘটনার পর হাসানকে গ্রেপ্তারে পুলিশ কয়েক দফা অভিযান চালায়। সর্বশেষ তারা মিরপুরের একটি বাসা থেকে কল্যাণপুরের জাহাজ বিল্ডিংয়ে আসে।

তদন্ত কর্মকর্তারা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, মাসুদ রানা মূলত সব হামলার নেতৃত্ব দিয়ে থাকে। প্রশিক্ষণ শেষে জঙ্গিদের মাসুদ রানার কাছে পাঠিয়ে দেয়া হয়। এরপর মাসুদ রানা ওই জঙ্গিদের নিয়ে হামলার ছক তৈরি করে। পাশাপাশি বাসার ভেতরে মহড়াও দেয়া হয়। হামলার পর পালানো পথও তারা আগে থেকেই তৈরি করে রাখে। সোমবার এ ধরনের একটি হামলার প্রস্তুতি নিয়ে কল্যাণপুরের ওই বাসায় বৈঠকে বসে জঙ্গিরা। এর আগে সেখানে পর্যাপ্ত অস্ত্র ও গোলাবারুদ মজুদ করা হয়। কিন্তু পুলিশের উপস্থিতিতে তাদের সে পরিকল্পনা ভেস্তে যায়। এরপর তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে একটি বোমার বিস্ফোরণ ঘটালে পুলিশ কিছুটা পিছু হটে যায়। এই সুযোগে মাসুদ রানা ওই বাসার ছাদে চলে যায় এবং সেখান থেকে পাইপ বেয়ে পালিয়ে যায় বলে গ্রেপ্তার রাকিবুল হাসান পুলিশকে জানায়। যাওয়ার আগে একটি ব্যাগ নিয়ে যায় মাসুদ রানা। রাকিবুলের দেয়া তথ্যমতে ওই ব্যাগে অস্ত্র ও গোলাবারুদ ছিল। অত্যাধুনিক ওই অস্ত্র দিয়ে বড় ধরনের নাশকতা ঘটানো সম্ভব। এ কারণে মাসুদ রানাকে গ্রেপ্তার এখন পুলিশের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে। না হলে আবার কোথাও আস্তানা গেড়ে হামলার ছক অাঁকতে পারে দুর্ধর্ষ জঙ্গি মাসুদ রানা।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X