সোমবার, ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৭ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ৬:১৩
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Thursday, November 3, 2016 9:38 am
A- A A+ Print

দেড়শো পোশাক কারখানা ব্যবসায়িক সম্পর্ক হারালো

158342_1

   
ঢাকা: অ্যাকর্ড ও অ্যালায়েন্স দেশের কারখানা নিরাপত্তা মানদণ্ড অর্জনে ব্যর্থ হওয়ায় এক মাসেই ১৩টি কারখানার সাথে ব্যবসায়িক সম্পর্ক স্থগিত করেছে। এসব কারখানাকে কেউ সাব কন্ট্রাক্ট দিলে, তাদের সাথেও ব্যবসা করবে না এ দুজোটের সাথে থাকা ইউরোপ আমেরিকার ক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলো। জোট দুটির ওয়েবসাইটে দেয়া তথ্য অনুযায়ী এ পর্যন্ত অ্যালায়েন্স মোট ১০৪টি আর অ্যাকর্ড ৪৭টি কারখানার বিষয়ে নিরাপত্তা বা কারখানা সংস্কার ইস্যুতে এমন সিদ্ধান্ত নিলো।
তৈরি পোশাক মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সহ-সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলছেন, কোনো ক্ষেত্রে ভবন নিয়ে সমস্যার কারণে আবার কোনো ক্ষেত্রে কারখানা মালিকদের অনীহার জন্যই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বিজিএমইএ ও সরকারের কারখানা পরিদর্শন অধিদপ্তর হিসেব অনুযায়ী প্রায় তিন হাজার কারখানা পরিদর্শন হয়েছে গত দুই বছরে। এর মাধ্যমে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ তেত্রিশটিকে বন্ধ করে দেয়ার পাশাপাশি বহু কারখানাকে পর্যায়ক্রমে প্রয়োজনীয় সংস্কারের গাইডলাইন দেয়া হয়েছিলো। অনেকেই সেটি বাস্তবায়ন করে কারখানা নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে আবার অনেকেই তা পারেনি। কিন্তু এর কারণ কি? কেনো নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নত করতে তারা ব্যর্থ হচ্ছে মূলত মধ্যম সারির এ কারখানাগুলো? দেশের কারখানা পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সৈয়দ আহমদ বলেন, মূলত আর্থিক কারণে এটা হচ্ছে। অনেক কারখানা ভাড়া করা আবার অনেক ক্ষেত্রে ভবন মালিকরা উৎসাহী নন বলে এমন সমস্যা হচ্ছে। তবে যেসব কারখানার সাথে ব্যবসায়িক সম্পর্ক ছিন্ন হচ্ছে সেগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে আমরাও কাজ করে যাচ্ছি।’ সংস্কারে ব্যর্থ হওয়া কারখানাগুলোর সাথে বড় ব্রান্ডের ব্যবসায়িক সম্পর্ক বাতিল হলে তাতে করে দেশের মধ্যম পর্যায়ের এসব কারখানার শ্রমিকরা কিছুটা ঝুঁকি বা অনিশ্চয়তায় পড়বেন বলে মনে করেন শ্রমিক নেতা ওয়াজেদুল ইসলাম, যিনি শ্রমিক নিরাপত্তা ইস্যুতে অ্যালায়েন্সের সাথে কাজ করেছেন। অ্যাকর্ড তালিকা থেকে বাদ পড়া একটি কারখানা অল ওয়েদার লিমিটেডের মালিক তারিকুল ইসলাম বলছেন, বিলম্বে হলেও তিনি তার কারখানা নিজস্ব ভবনে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে, নিজস্ব ভবনে যাওয়ার পর তিনি পশ্চিমা ক্রেতাদের সাথে ব্যবসার সুযোগ পাবেন ও তার ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারবেন। ব্যবসায়িক সম্পর্ক ছিন্ন হওয়ার পর অ্যাকর্ড ভুক্ত ক্রেতাদের সাথে ব্যবসায়িক সম্পর্ক পুনুরুদ্ধারে সুনির্দিষ্ট কিছু বলা না থাকলেও অ্যালায়েন্স বলছে দুবছরের মধ্যে যথাযথ সংস্কারকাজ শেষ করতে পারলে তাদের জোটে থাকা কোম্পানিগুলোর সাথে ব্যবসায়িক সম্পর্কে ফিরে আসার সুযোগ রয়েছে।

Comments

Comments!

 দেড়শো পোশাক কারখানা ব্যবসায়িক সম্পর্ক হারালোAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

দেড়শো পোশাক কারখানা ব্যবসায়িক সম্পর্ক হারালো

Thursday, November 3, 2016 9:38 am
158342_1

 

 

ঢাকা: অ্যাকর্ড ও অ্যালায়েন্স দেশের কারখানা নিরাপত্তা মানদণ্ড অর্জনে ব্যর্থ হওয়ায় এক মাসেই ১৩টি কারখানার সাথে ব্যবসায়িক সম্পর্ক স্থগিত করেছে।

এসব কারখানাকে কেউ সাব কন্ট্রাক্ট দিলে, তাদের সাথেও ব্যবসা করবে না এ দুজোটের সাথে থাকা ইউরোপ আমেরিকার ক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলো।

জোট দুটির ওয়েবসাইটে দেয়া তথ্য অনুযায়ী এ পর্যন্ত অ্যালায়েন্স মোট ১০৪টি আর অ্যাকর্ড ৪৭টি কারখানার বিষয়ে নিরাপত্তা বা কারখানা সংস্কার ইস্যুতে এমন সিদ্ধান্ত নিলো।

তৈরি পোশাক মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সহ-সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলছেন, কোনো ক্ষেত্রে ভবন নিয়ে সমস্যার কারণে আবার কোনো ক্ষেত্রে কারখানা মালিকদের অনীহার জন্যই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

বিজিএমইএ ও সরকারের কারখানা পরিদর্শন অধিদপ্তর হিসেব অনুযায়ী প্রায় তিন হাজার কারখানা পরিদর্শন হয়েছে গত দুই বছরে।

এর মাধ্যমে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ তেত্রিশটিকে বন্ধ করে দেয়ার পাশাপাশি বহু কারখানাকে পর্যায়ক্রমে প্রয়োজনীয় সংস্কারের গাইডলাইন দেয়া হয়েছিলো।

অনেকেই সেটি বাস্তবায়ন করে কারখানা নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে আবার অনেকেই তা পারেনি। কিন্তু এর কারণ কি? কেনো নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নত করতে তারা ব্যর্থ হচ্ছে মূলত মধ্যম সারির এ কারখানাগুলো?

দেশের কারখানা পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সৈয়দ আহমদ বলেন, মূলত আর্থিক কারণে এটা হচ্ছে। অনেক কারখানা ভাড়া করা আবার অনেক ক্ষেত্রে ভবন মালিকরা উৎসাহী নন বলে এমন সমস্যা হচ্ছে। তবে যেসব কারখানার সাথে ব্যবসায়িক সম্পর্ক ছিন্ন হচ্ছে সেগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে আমরাও কাজ করে যাচ্ছি।’

সংস্কারে ব্যর্থ হওয়া কারখানাগুলোর সাথে বড় ব্রান্ডের ব্যবসায়িক সম্পর্ক বাতিল হলে তাতে করে দেশের মধ্যম পর্যায়ের এসব কারখানার শ্রমিকরা কিছুটা ঝুঁকি বা অনিশ্চয়তায় পড়বেন বলে মনে করেন শ্রমিক নেতা ওয়াজেদুল ইসলাম, যিনি শ্রমিক নিরাপত্তা ইস্যুতে অ্যালায়েন্সের সাথে কাজ করেছেন।

অ্যাকর্ড তালিকা থেকে বাদ পড়া একটি কারখানা অল ওয়েদার লিমিটেডের মালিক তারিকুল ইসলাম বলছেন, বিলম্বে হলেও তিনি তার কারখানা নিজস্ব ভবনে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে, নিজস্ব ভবনে যাওয়ার পর তিনি পশ্চিমা ক্রেতাদের সাথে ব্যবসার সুযোগ পাবেন ও তার ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারবেন।

ব্যবসায়িক সম্পর্ক ছিন্ন হওয়ার পর অ্যাকর্ড ভুক্ত ক্রেতাদের সাথে ব্যবসায়িক সম্পর্ক পুনুরুদ্ধারে সুনির্দিষ্ট কিছু বলা না থাকলেও অ্যালায়েন্স বলছে দুবছরের মধ্যে যথাযথ সংস্কারকাজ শেষ করতে পারলে তাদের জোটে থাকা কোম্পানিগুলোর সাথে ব্যবসায়িক সম্পর্কে ফিরে আসার সুযোগ রয়েছে।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X