সোমবার, ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১৪ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ভোর ৫:৫১
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Sunday, June 18, 2017 11:40 pm
A- A A+ Print

দেশ বাঁচাতে রাজপথে অবস্থান নিতে হবে : খালেদা জিয়া

229559_17

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, আওয়ামী লীগের হাত থেকে দেশ বাঁচাতে রাজপথে অবস্থান নিতে হবে নিজেদের। রাজপথে অবস্থান নেয়ার সময় আসবে ঈদের পর। আজ গুলশানের ইমানুয়েল কমিউনিটি সেন্টারে ২০ দলীয় জোটের শরীক জাতীয় পার্টির ইফতার অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন। খালেদা জিয়া বলেন, আওয়ামী লীগের কোনো নীতি নেই, আর্দশ নেই। এরা শুধু লুটপাট করতে জানে। আমরা দেশের মানুষকে বলতে চাই, এই আওয়ামী লীগ থেকে সাবধান হোন, এদেশেকে বাঁচান। সবাই এক হোন, ঐক্যবদ্ধ হোন। রাঙ্গুনিয়াতে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের গাড়িবহরের ওপর ক্ষমতাসীন দলের সন্ত্রাসীদের হামলার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে এর সুষ্ঠু বিচারও দাবি করেন বিএনপি চেয়ারপারসন। সরকারের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমি জানতে চাই, মহাসচিবের ওপর এই হামলা হলো, তারপরে কতজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অবিলম্বে তাদের গ্রেফতার করতে হবে এবং শাস্তি দিতে হবে। আমাদের লোকজন কিছু না করলেও সাথে সাথে ধরে নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে গ্রেফতার করা হয়। আমি বলতে চাই, ওদের ধরতে হবে, তাদেরকে শাস্তি দিতে হবে জেলে পুরতে হবে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই। মহাসচিবের গাড়িবহরে হামলায় ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে খালেদা জিয়া বলেন, আজকের এই হামলার ঘটনায় প্রমাণ হলো দেশে যত সন্ত্রাস, যত বিশৃঙ্খলা, যত অরাজকতা সব আওয়ামী লীগ করেছে। তিনি বলেন, বিএনপি যেখানে নিরাপদ নয়, সেখানে অন্য মানুষরা কী করে নিরাপদ থাকবে। যখন তখন মানুষের ওপর হামলা হচ্ছে, কাউকে গ্রেফতার করা হয় না। আওয়ামী লীগের অপশাসন ও বাজেটের সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি করারোপ প্রসঙ্গে খালেদা জিয়া বলেন, আমরা খেতে পারি না, দেশের মানুষ খেতে পারবে না, শুধু ট্যাক্স দিতে হবে, ভ্যাট দিতে হবে, অমুক দিতে হবে, আওয়ামী লীগের মার খেতে হবে, মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলখানায় বন্দি থাকতে হবে। নাহলে এই গুম-খুনের শিকার হতে হবে। এগুলো মানুষ চায় না। জনগণকে বলব, এ থেকে যদি নিজেরা বাঁচতে চান, নিজেদের পরিবারের স্বজনদের বাঁচাতে চান এবং দেশটাকে বাঁচাতে চান- তাহলে আসুন আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে সব দলকে এবং জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে একসাথে সবাই মিলে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি হবে, সেই কর্মসূচি দিয়ে আমরা এদেরকে ক্ষমতা থেকে বিদায় করে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন করবো। তিনি বলেন, এদেশে নির্বাচন হবে, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থেকে নয়, আওয়ামী লীগ ক্ষমতার বাইরে থেকে এদেশে নির্বাচন হবে। বিএনপি নির্বাচন অংশগ্রহণ করবে, ২০ দলীয় জোট নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে। আমি দেশবাসী ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে আমি বলতে চাই, হাসিনাকে ক্ষমতায় রেখে, আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় রেখে নির্বাচন দিলে সেই নির্বাচনে কেউ অংশগ্রহণ করবে না, সেই নির্বাচন দেশে হতে দেয়া হবে না। তিনি বলেন, ঈদের পরে সহায়ক সরকারের রূপরেখা দেবো এবং আপনারাও (শরিকরা) যারা আছেন, নিজেরা দেবেন- একটা নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন হতে হবে। আওয়ামী লীগ থাকলে তার গুণ্ডা বাহিনী থাকবে, তার পেটুয়া বাহিনী থাকবে, যাকে সেখানে বসিয়েছে তারা থাকবে। নির্বাচন কমিশন একটা তাবেদার কমিশন যেকোনোভাবে আওয়ামী লীগকে জেতাবার চেষ্টা করবে। অবশ্যই লেভেল প্ল্যায়িং ফিল্ড নির্বাচন হতে হবে। তাহলে আওয়ামী লীগের সমর্থন কতটুকু, তাদের পায়ের নিচে কতটুকু মাটি আছে বুঝতে পারবে। বাজেটের ১৫% ভ্যাট আরোপের প্রস্তাব প্রসঙ্গে খালেদা জিয়া বলেন, আজকে দেশের প্রতিটি মানুষ, রিকসা চালক, শ্রমিক, মুদির দোকানদার থেকে আরম্ভ করে সাধারণ দোকাদার, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারিরা আওয়ামী লীগের এই অত্যাচারে অতিষ্ঠ এবং তাদের এই ভ্যাট, তাদের এই দুর্নীতি, তাদের এই লুটপাট, তাদের এই প্রশাসনে অচলাবস্থায় মানুষ ক্ষুব্ধ। তিনি বলেন, এরা লুটপাট ছাড়া কিছু জানে না। ’৭৪ সালে এই করে মানুষকে না খাইয়ে দুর্ভিক্ষ করেছিলো। অথচ তারা নিজেদের সবার সোনার মুকুট পড়ে একেকজনের বিয়ে হয়েছে-আপনারা তা দেখেছেন। এখন আবার ’৭৪ অবস্থা বিরাজ করবার অবস্থার মতো এসে যাচ্ছে। জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান টিআইএম ফজলে রাব্বি চৌধুরী, মহাসচিব মোস্তফা জামাল হায়দারসহ জোট নেতাদের নিয়ে ইফতার করেন খালেদা জিয়া। ইফতারে ২০ দলীয় জোট নেতাদের মধ্যে ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর আবদুল হালিম, ইসলামী ঐক্যজোটের অ্যাডভোকেট এম এ রকীব, এলডিপির রেদোয়ান আহমেদ, জাগপার অধ্যাপিকা রেহানা প্রধান, এনডিপির খোন্দকার গোলাম মোর্ত্তজা, লেবার পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, এনপিপির ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, পিপলস লীগের গরীব নেওয়াজ, ন্যাপ ভাসানীর আজহারুল ইসলাম, মুসলিম লীগের শেখ জুলফিকার বুলবুল চৌধুরী, সাম্যবাদী দলের সাঈদ আহমেদ, ন্যাপের গোলাম মোস্তফা ভুঁইয়া, ডিএলর সাইফুদ্দিন মনি, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মাওলানা শেখ মজিবুর রহমান, খেলাফতে ইসলামী মাওলানা আহমেদ আলী কাশেমী, বিজেপির আবদুল মতিন সউদ, কল্যাণ পার্টির শাহিদুর রহমান তামান্না প্রমূখ। জাতীয় পার্টির নেতাদের মধ্যে প্রেসিডিয়াম সদস্য এসএমএম আলম, আহসান হাবিব লিংকন, নবাব আলী আব্বাস খান, আনোয়ারা বেগম, মাওলানা রুহুল আমিন, জাফরুল্লাহ খান চৌধুরী, সেলিম মাস্টার, শফিউদ্দিন ভুঁইয়া, মরহুম নেতা কাজী জাফর আহমেদের বড় মেয়ে কাজী জয়া, কেন্দ্রীয় নেতা কাজী মো. ইকবাল, মো. শরিফউদ্দিন, এএসএম শামীম, কাজী ফয়েজ, সোলায়মান শামীম ইফতারে অংশ নেন। বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ আজম খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আবদুস সালাম, হাবিবুর রহমান হাবিব, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, কেন্দ্রীয় নেতা হাসান উদ্দিন সরকার, ফরিদা মনি শহিদুল্লাহ প্রমূখও ছিলেন ইফতারে।

Comments

Comments!

 দেশ বাঁচাতে রাজপথে অবস্থান নিতে হবে : খালেদা জিয়াAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

দেশ বাঁচাতে রাজপথে অবস্থান নিতে হবে : খালেদা জিয়া

Sunday, June 18, 2017 11:40 pm
229559_17

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, আওয়ামী লীগের হাত থেকে দেশ বাঁচাতে রাজপথে অবস্থান নিতে হবে নিজেদের। রাজপথে অবস্থান নেয়ার সময় আসবে ঈদের পর।

আজ গুলশানের ইমানুয়েল কমিউনিটি সেন্টারে ২০ দলীয় জোটের শরীক জাতীয় পার্টির ইফতার অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

খালেদা জিয়া বলেন, আওয়ামী লীগের কোনো নীতি নেই, আর্দশ নেই। এরা শুধু লুটপাট করতে জানে। আমরা দেশের মানুষকে বলতে চাই, এই আওয়ামী লীগ থেকে সাবধান হোন, এদেশেকে বাঁচান। সবাই এক হোন, ঐক্যবদ্ধ হোন।
রাঙ্গুনিয়াতে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের গাড়িবহরের ওপর ক্ষমতাসীন দলের সন্ত্রাসীদের হামলার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে এর সুষ্ঠু বিচারও দাবি করেন বিএনপি চেয়ারপারসন।

সরকারের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমি জানতে চাই, মহাসচিবের ওপর এই হামলা হলো, তারপরে কতজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অবিলম্বে তাদের গ্রেফতার করতে হবে এবং শাস্তি দিতে হবে। আমাদের লোকজন কিছু না করলেও সাথে সাথে ধরে নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে গ্রেফতার করা হয়। আমি বলতে চাই, ওদের ধরতে হবে, তাদেরকে শাস্তি দিতে হবে জেলে পুরতে হবে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।

মহাসচিবের গাড়িবহরে হামলায় ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে খালেদা জিয়া বলেন, আজকের এই হামলার ঘটনায় প্রমাণ হলো দেশে যত সন্ত্রাস, যত বিশৃঙ্খলা, যত অরাজকতা সব আওয়ামী লীগ করেছে।

তিনি বলেন, বিএনপি যেখানে নিরাপদ নয়, সেখানে অন্য মানুষরা কী করে নিরাপদ থাকবে। যখন তখন মানুষের ওপর হামলা হচ্ছে, কাউকে গ্রেফতার করা হয় না।

আওয়ামী লীগের অপশাসন ও বাজেটের সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি করারোপ প্রসঙ্গে খালেদা জিয়া বলেন, আমরা খেতে পারি না, দেশের মানুষ খেতে পারবে না, শুধু ট্যাক্স দিতে হবে, ভ্যাট দিতে হবে, অমুক দিতে হবে, আওয়ামী লীগের মার খেতে হবে, মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলখানায় বন্দি থাকতে হবে। নাহলে এই গুম-খুনের শিকার হতে হবে। এগুলো মানুষ চায় না। জনগণকে বলব, এ থেকে যদি নিজেরা বাঁচতে চান, নিজেদের পরিবারের স্বজনদের বাঁচাতে চান এবং দেশটাকে বাঁচাতে চান- তাহলে আসুন আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে সব দলকে এবং জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে একসাথে সবাই মিলে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি হবে, সেই কর্মসূচি দিয়ে আমরা এদেরকে ক্ষমতা থেকে বিদায় করে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন করবো।

তিনি বলেন, এদেশে নির্বাচন হবে, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থেকে নয়, আওয়ামী লীগ ক্ষমতার বাইরে থেকে এদেশে নির্বাচন হবে। বিএনপি নির্বাচন অংশগ্রহণ করবে, ২০ দলীয় জোট নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে। আমি দেশবাসী ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে আমি বলতে চাই, হাসিনাকে ক্ষমতায় রেখে, আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় রেখে নির্বাচন দিলে সেই নির্বাচনে কেউ অংশগ্রহণ করবে না, সেই নির্বাচন দেশে হতে দেয়া হবে না।

তিনি বলেন, ঈদের পরে সহায়ক সরকারের রূপরেখা দেবো এবং আপনারাও (শরিকরা) যারা আছেন, নিজেরা দেবেন- একটা নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন হতে হবে। আওয়ামী লীগ থাকলে তার গুণ্ডা বাহিনী থাকবে, তার পেটুয়া বাহিনী থাকবে, যাকে সেখানে বসিয়েছে তারা থাকবে। নির্বাচন কমিশন একটা তাবেদার কমিশন যেকোনোভাবে আওয়ামী লীগকে জেতাবার চেষ্টা করবে। অবশ্যই লেভেল প্ল্যায়িং ফিল্ড নির্বাচন হতে হবে। তাহলে আওয়ামী লীগের সমর্থন কতটুকু, তাদের পায়ের নিচে কতটুকু মাটি আছে বুঝতে পারবে।

বাজেটের ১৫% ভ্যাট আরোপের প্রস্তাব প্রসঙ্গে খালেদা জিয়া বলেন, আজকে দেশের প্রতিটি মানুষ, রিকসা চালক, শ্রমিক, মুদির দোকানদার থেকে আরম্ভ করে সাধারণ দোকাদার, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারিরা আওয়ামী লীগের এই অত্যাচারে অতিষ্ঠ এবং তাদের এই ভ্যাট, তাদের এই দুর্নীতি, তাদের এই লুটপাট, তাদের এই প্রশাসনে অচলাবস্থায় মানুষ ক্ষুব্ধ।

তিনি বলেন, এরা লুটপাট ছাড়া কিছু জানে না। ’৭৪ সালে এই করে মানুষকে না খাইয়ে দুর্ভিক্ষ করেছিলো। অথচ তারা নিজেদের সবার সোনার মুকুট পড়ে একেকজনের বিয়ে হয়েছে-আপনারা তা দেখেছেন। এখন আবার ’৭৪ অবস্থা বিরাজ করবার অবস্থার মতো এসে যাচ্ছে।

জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান টিআইএম ফজলে রাব্বি চৌধুরী, মহাসচিব মোস্তফা জামাল হায়দারসহ জোট নেতাদের নিয়ে ইফতার করেন খালেদা জিয়া।

ইফতারে ২০ দলীয় জোট নেতাদের মধ্যে ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর আবদুল হালিম, ইসলামী ঐক্যজোটের অ্যাডভোকেট এম এ রকীব, এলডিপির রেদোয়ান আহমেদ, জাগপার অধ্যাপিকা রেহানা প্রধান, এনডিপির খোন্দকার গোলাম মোর্ত্তজা, লেবার পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, এনপিপির ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, পিপলস লীগের গরীব নেওয়াজ, ন্যাপ ভাসানীর আজহারুল ইসলাম, মুসলিম লীগের শেখ জুলফিকার বুলবুল চৌধুরী, সাম্যবাদী দলের সাঈদ আহমেদ, ন্যাপের গোলাম মোস্তফা ভুঁইয়া, ডিএলর সাইফুদ্দিন মনি, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মাওলানা শেখ মজিবুর রহমান, খেলাফতে ইসলামী মাওলানা আহমেদ আলী কাশেমী, বিজেপির আবদুল মতিন সউদ, কল্যাণ পার্টির শাহিদুর রহমান তামান্না প্রমূখ।

জাতীয় পার্টির নেতাদের মধ্যে প্রেসিডিয়াম সদস্য এসএমএম আলম, আহসান হাবিব লিংকন, নবাব আলী আব্বাস খান, আনোয়ারা বেগম, মাওলানা রুহুল আমিন, জাফরুল্লাহ খান চৌধুরী, সেলিম মাস্টার, শফিউদ্দিন ভুঁইয়া, মরহুম নেতা কাজী জাফর আহমেদের বড় মেয়ে কাজী জয়া, কেন্দ্রীয় নেতা কাজী মো. ইকবাল, মো. শরিফউদ্দিন, এএসএম শামীম, কাজী ফয়েজ, সোলায়মান শামীম ইফতারে অংশ নেন।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ আজম খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আবদুস সালাম, হাবিবুর রহমান হাবিব, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, কেন্দ্রীয় নেতা হাসান উদ্দিন সরকার, ফরিদা মনি শহিদুল্লাহ প্রমূখও ছিলেন ইফতারে।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X